ঢাকা সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

অফিস টাইমে প্রাইভেট প্রাকটিস, যে পরিণতি হলো সরকারি চিকিৎসকের

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৪৫ পিএম
ছবি: সংগ্রহীত

সরকারি অফিস চলাকালীন পুরান ঢাকার এক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করার অভিযোগে এক সরকারি চিকিৎসকের লাইসেন্স বাতিল ও চাকরি থেকে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে পুরান ঢাকার ইংলিশ রোডে অবস্থিত ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আকস্মিক অভিযান চালিয়ে নরসিংদীর বেলাবো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. মইনুল হাসান চিশতীকে রোগী দেখার সময় হাতেনাতে আটক করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি জানান, সরকারি চাকরিতে কর্মরত অবস্থায় অফিস চলাকালে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত। দীর্ঘদিন ধরে এ অনিয়ম করে আসার অভিযোগে ডা. মইনুল হাসান চিশতীর বিরুদ্ধে লাইসেন্স বাতিল এবং চাকরি থেকে বরখাস্তের ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ওই চিকিৎসকের অফিস থেকেও তাকে শোকজ করা হয়েছে। তিনি পাত্তা দেননি।

একইসঙ্গে ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটকেও নির্দেশ দেন মন্ত্রী। অভিযানকালে ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষের কাগজপত্র যাচাই করে দেখা গেছে, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের সরকারি চাকরি থেকে অব্যাহতির (রেজিগনেশন) কোনও কাগজপত্র বা অনাপত্তিপত্র (এনওসি) সংরক্ষণ করেনি প্রতিষ্ঠানটি। এ নিয়ে ওই ডায়াগনস্টিকের ম্যানেজারকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুন

তিনি বলেন, একজন সরকারি চিকিৎসক চাকরি পরিবর্তন বা অন্য কোথাও কাজ করতে চাইলে তার রেজিগনেশন লেটার ও এনওসি বাধ্যতামূলক। কেবল চিকিৎসকের কথার ভিত্তিতে তাকে রোগী দেখার সুযোগ দেওয়া আইনসম্মত নয়। লাভের আশায় এ ধরনের অনৈতিক কার্যক্রমকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এ সময় ম্যানেজার নিজের ভুল স্বীকার করে বলেন, চিকিৎসকের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ না করা তাদের ভুল হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক রেখে জনগণের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সরকার বিপুল অর্থ ব্যয় করছে। অথচ কেউ যদি সরকারি দায়িত্ব ফেলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে রোগী দেখেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে কোনও ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের অনিয়মে জড়িত চিকিৎসক ও প্রতিষ্ঠান– উভয়ের বিরুদ্ধেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১১২৫
দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে মোট প্রাণহানি ১ হাজার ১২৫ জনে দাঁড়াল। এ ছাড়া গত একদিনে নতুন করে ১ হাজার ৩০০ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ দেখা গেছে। 
হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১১২৫
ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু
ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৮৯ জন।
ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু
ডেঙ্গুতে রামেকে আরও এক মৃত্যু, চিকিৎসাধীন ১৩৭
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মো. সাদেক (৩৫) নামে আরও এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে রামেক হাসপাতালের মিডিয়া মুখপাত্র ডা. শামীম আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোমে আক্রান্ত সাদেককে গত ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ৭টা ১৮ মিনিটে তার মৃত্যু হয়। হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, তার মৃত্যুর কারণ ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোম। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় রামেক হাসপাতালে নতুন করে ৩০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে ৬১ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালটিতে ১৩৭ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রামেক হাসপাতালের মিডিয়া মুখপাত্র ডা. শামীম আহমেদ বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি রোগীর তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি রোগী চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়েছেন। তবে এ সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত একজন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি জানান, সাদেক গত ৩০ সেপ্টেম্বর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোমে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকালে তার মৃত্যু হয়। আরটিভি/এসআর
ডেঙ্গুতে রামেকে আরও এক মৃত্যু, চিকিৎসাধীন ১৩৭
হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবা তদারকিতে মাঠে নামছেন ৫৪ কর্মকর্তা
দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোর স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনসেবার গুণগত মান নিশ্চিত করতে হাসপাতাল পরিদর্শন ও মনিটরিংয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ৫৪ কর্মকর্তা। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের প্রশাসন-১ শাখা থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর জারি করা এক অফিস আদেশে এসব কর্মকর্তাকে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ, বিশেষায়িত, জেনারেল, জেলা ও উপজেলা হাসপাতাল পরিদর্শনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। অফিস আদেশ অনুযায়ী, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্মসচিব ও উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দিষ্ট হাসপাতাল এবং বিভিন্ন জেলা ও বিভাগের হাসপাতাল তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কোনো কোনো কর্মকর্তাকে একটি জেলার পাশাপাশি অন্য জেলার হাসপাতালের অতিরিক্ত দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের আওতাধীন জেলা, উপজেলা ও হাসপাতালের জনবল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, চিকিৎসা সরঞ্জাম, অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপত্তা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল প্রধানের সঙ্গে সমন্বয় করে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবেন। তাদের হাসপাতালগুলোর চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ডিজিটাল হাজিরা নিয়মিত তদারকি করতে হবে। উপস্থিতি সংক্রান্ত তথ্য ও প্রতিবেদনও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করতে হবে। এ ছাড়া জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে টিকাদান কর্মসূচি, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ভূমিকা রাখতে বলা হয়েছে। অফিস আদেশে মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য, প্রবীণ স্বাস্থ্যসেবা ও পুষ্টি কার্যক্রমসহ জনস্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার নির্দেশনাও রয়েছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে উদ্ভাবনী ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎসাহিত ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে বলা হয়েছে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়মিত জেলা, উপজেলা ও হাসপাতাল পরিদর্শন করতে হবে। পরিদর্শনের সময় পাওয়া সমস্যা, পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রতিটি পরিদর্শনের পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করে প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে নির্ধারিত শাখায় পাঠাতে হবে। একই সঙ্গে প্রত্যেক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রতি মাসে কমপক্ষে একটি পরিদর্শন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে। অফিস আদেশের তালিকায় দেখা যায়, অতিরিক্ত সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রশাসন, উন্নয়ন, বিশ্বস্বাস্থ্য, হাসপাতাল, জনস্বাস্থ্য, আর্থিক ও অডিট, বাজেট ও নার্সিংসহ বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় হাসপাতাল ও বিভাগভিত্তিক তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল ও বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের জন্য পৃথক তদারক কর্মকর্তা নির্ধারণ করা হয়েছে। যুগ্মসচিব ও উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দেশের বিভিন্ন জেলার হাসপাতালগুলোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে জেলা পর্যায়ের হাসপাতালের পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালও তদারকি করা। আদেশ অনুযায়ী, কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য প্রশাসন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। পরিদর্শনের মাধ্যমে হাসপাতালের বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া এবং স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করাই এ ব্যবস্থার অন্যতম উদ্দেশ্য। অফিস আদেশে বলা হয়, নির্ধারিত দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়মিত দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে পালন করতে হবে। আদেশটি জারির তারিখ থেকে কার্যকর হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের এ উদ্যোগের ফলে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সরাসরি হাসপাতাল পরিদর্শনের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবার বাস্তব চিত্র, জনবল উপস্থিতি, চিকিৎসা সরঞ্জামের ব্যবহার, অবকাঠামোগত সমস্যা ও ব্যবস্থাপনার ঘাটতি সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে পরিদর্শন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার পথও সুগম হবে। আরটিভি/এসআর
হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবা তদারকিতে মাঠে নামছেন ৫৪ কর্মকর্তা
শিশু হাসপাতালে উপচে পড়া ভিড়, বাড়ছে সর্দি-জ্বরের রোগী
সারাদেশে ক্রমশ বেড়ে চলেছে জ্বর-সর্দিতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে ইনফ্লুয়েঞ্জা, চিকনগুনিয়া, সিজনাল কোভিড, রাইনো ভাইরাস এমনকি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। কখনও কখনও নিউমোনিয়ার মতো জটিলতায় দীর্ঘ চিকিৎসা নিতে হচ্ছে শিশুদের। রাজধানীর শ্যামলী শিশু হাসপাতালের তথ্য বলছে, বহির্বিভাগে অন্তত ৫০০ রোগী আসছে হাসপাতালে। তীব্র জ্বর, সর্দি-কাশি, এমনকি ডায়রিয়ার উপসর্গ নিয়ে আসছেন শিশুরা। নিয়মিত রোগীর সঙ্গে যোগ হয়েছে সিজোনাল রোগীর সংখ্যা। এক পরিবারের একাধিক সদস্য আক্রান্ত হচ্ছেন একই সময়ে। ফলে রোগী আর স্বজনদের ভিড়ে কোথাও যেন ঠাঁই নেই। ভাইরোলজিস্টরা বলছেন, তীব্র গরমের পর বৃষ্টিতে হঠাৎ তাপমাত্রার পরিবর্তনের এই সময়ে দেখা দেয় ইনফ্লুয়েঞ্জা, চিকনগুনিয়া, সিজোনাল কোভিড, রাইনো ভাইরাসের উপস্থিতি। এসব ভাইরাসে তেমন বড় ক্ষতি না হলেও দীর্ঘ সময় চিকিৎসার বাইরে থাকলে ফুসফুসে সংক্রমণ হতে পারে। শিশুদের সঙ্গে ঝুকিতেঁ পড়তে পারেন প্রাপ্তবয়স্করাও। হাম-ডেঙ্গুর সঙ্গে টাইফয়েড নিউমোনিয়ায় জটিলতা বেশি দেখা দিচ্ছে, দীর্ঘ সময় ভোগাচ্ছে আক্রান্তদের। এ অবস্থায় বাড়তি সতর্কতার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। শ্যামলী শিশু হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মির্জা মো. জিয়াউল ইসলাম বলেন, এই মৌসুমে দেখা যায়, বৃষ্টি হচ্ছে, আবার গরমও পড়ছে। পলে এই যে তাপমাত্রার যে ওঠা-নামা, এর কারণে বিশেষ কিছু অগণিত ভাইরাসের কারণে ঠান্ডা-কাশি হচ্ছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের প্রায় সব জায়গায় জ্বর, সর্দি-কাশি বা ডায়েরিয়া রোগ বাড়ছে। এর মধ্যে কিছু আবার ডেঙ্গু ও হামে আক্রান্ত রোগীও আছে। আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়ে অতিরিক্ত ভিড় এড়িয়ে চলা, যেকোনো অস্বাভাবিক উপসর্গে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়ার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের। আরটিভি/এসআর
শিশু হাসপাতালে উপচে পড়া ভিড়, বাড়ছে সর্দি-জ্বরের রোগী
আরও পড়ুন
চীন-পাকিস্তান আমাদের চিকিৎসকদের জন্য দুয়ার খুলে দিয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বঙ্গোপসাগর থেকে গ্যাস তুলে নিয়ে যাচ্ছে ভারত ও মিয়ানমার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী 
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কোথাও কোথাও পটকা ফাটাচ্ছে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চাচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী