ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের হেলথ কার্ডের তথ্য হালনাগাদের নির্দেশ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৯ পিএম
হেলথ কার্ড। ছবি: সংগৃহীত

সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের হেলথ কার্ড পেতে অনলাইনে নিবন্ধন ও প্রোফাইলের তথ্য হালনাগাদ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরিচয় ও তথ্য যাচাই করে প্রোফাইলের অবস্থা ‘ভেরিফায়েড’ হিসেবে হালনাগাদ করার পর যেকোনো কর্মদিবসে হাসপাতালটির নির্ধারিত কক্ষ থেকে হেলথ কার্ড সংগ্রহ করা যাবে।

গত ১১ অক্টোবর জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হেলথ কার্ডের জন্য প্রথমে সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের এইচএসএমএস সফটওয়্যারে অনুমোদিত প্রোফাইলের তথ্য হালনাগাদ করতে হবে।

এরপর হেলথ কার্ড নিবন্ধন ফরম ডাউনলোড করে পূরণ করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রমাণক আপলোড করতে হবে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরিচয় ও তথ্য যাচাই শেষে প্রোফাইলে ‘ভেরিফায়েড’ অবস্থা দেখালে যেকোনো কর্মদিবসে কার্ড সংগ্রহ করা যাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, হাসপাতালের এইচএসএমএস সফটওয়্যারের মাধ্যমে অনলাইনে চিকিৎসকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে।

অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার পর কোনো রোগী পরপর দুবার চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে অনুপস্থিত থাকলে এবং অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাতিলের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তা বাতিল না করলে তার ইউজার আইডি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে। ফলে ওই আইডি ব্যবহার করে নতুন অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া যাবে না।

পরীক্ষার প্রতিবেদন দেখানোর জন্য প্রতিবেদন পাওয়ার তারিখ থেকে সাত দিনের মধ্যে রিপোর্ট কাউন্টার থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া যাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন রোগীদের নিবন্ধন সম্পূর্ণ অনলাইনে করতে হবে। এ জন্য হাসপাতালের ওয়েবসাইট www.skh.gov.bd-এর ‘আমার প্রোফাইল’ অপশন ব্যবহার করতে হবে।

সরকারি কর্মচারী ও তাদের নির্ভরশীল ব্যক্তি, মুক্তিযোদ্ধা এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের অনলাইনে নিবন্ধনের পর প্রয়োজনীয় প্রমাণক ও মূল কাগজপত্র নিয়ে হাসপাতালের ৪২৪ ও ৪২৫ নম্বর কক্ষে যোগাযোগ করে নিবন্ধন অনুমোদন করাতে হবে।

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তার জন্য হাসপাতালের আইটি তথ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। সূত্র: বাসস

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
অক্টোবরে রেকর্ড প্রাণহানির পর ডেঙ্গুতে এবার আরও ৬ জনের মৃত্যু
গেল অক্টোবর মাসে রেকর্ড ১৭৪ জনের মৃত্যুর পর আবারও চোখ রাঙানি দিচ্ছে ডেঙ্গু। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
অক্টোবরে রেকর্ড প্রাণহানির পর ডেঙ্গুতে এবার আরও ৬ জনের মৃত্যু
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর প্রাণহানি
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে নিশ্চিত হামে ১০৫ শিশু এবং উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ১৫২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৫৭ জনে।
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর প্রাণহানি
ডেঙ্গুতে এবার একদিনে ৮ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১৯২৯
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৯২৯ জন।
ডেঙ্গুতে এবার একদিনে ৮ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১৯২৯
হামে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩৫৩
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন করে আরও এক হাজার ৩৫০ জন শিশুর শরীরে সন্দেহজনক হাম শনাক্ত হয়েছে।
হামে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩৫৩
পচা দই-মিষ্টির সিরায় তৈরি হচ্ছে শিশুদের চকলেট-সন্দেশ!
ভেজাল শিশুখাদ্যে সয়লাব দেশের বাজার। পচা মিষ্টির সিরা ও নষ্ট দই দিয়ে তৈরি হচ্ছে শিশুদের চকলেট-সন্দেশ। সম্প্রতি রূপগঞ্জের একটি কারখানায় এই চিত্র দেখা গেছে। পুরো কারখানায় নেই কোনো ফলের অস্তিত্ব। অথচ এখানেই তৈরি হয় আম, লিচু, আনারসসহ বিভিন্ন ফলের জেলি, জুস ও আইস ললি। ক্যামেরায় ধরা পড়ে এসব খাবার তৈরিতে রাসায়নিক উপাদান ও ক্ষতিকর রং ব্যবহারের চিত্র।  কারখানার দায়িত্বে থাকা এক ব্যক্তি জানান, এসব উপাদান দিয়ে আসল ফলের পরিবর্তে কৃত্রিমভাবে শিশুখাদ্য তৈরি করেন তারা। কারখানার ভেতরের আরেকটি কক্ষে গিয়ে দেখা যায় আরও ভয়াবহ চিত্র। সেখানে স্তূপ করে রাখা হয়েছে পচা পণ্য ও ময়লা-আবর্জনা। সেখান থেকেই জেলি বের করছেন কয়েকজন। পরে এসব জেলি আবার প্যাকেটজাত করে বাজারে ছাড়ার প্রস্তুতি চলছে। সাভারের আরেকটি কারখানায় তৈরি হচ্ছে শিশুদের চকলেট ও সন্দেশ। সেখানে অসংখ্য ড্রামে জমিয়ে রাখা হয়েছে পাঁচ থেকে ছয় দিন আগের পচা মিষ্টির সিরা। সেই সিরা দিয়েই তৈরি হচ্ছে শিশুদের জন্য সন্দেশ, যা কয়েক দিনের মধ্যেই বাজারে ছড়িয়ে দেয়ার প্রস্তুতি রয়েছে। প্যাকেটের গায়ে দুধ, চিনি ও বিভিন্ন উপাদানের কথা উল্লেখ থাকলেও ড্রামগুলোতে রয়েছে শুধু মিষ্টির সিরা ও পচা দই। এর মধ্যে মরে পচে আছে মাছি ও বিভিন্ন পোকামাকড়।  এসব উপাদান গরম করেই তৈরি করা হচ্ছে সন্দেশ ও চকলেট। কারখানার পরিবেশও অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর। চারদিকে দুর্গন্ধে টেকা দায়। মিষ্টির সিরা ও ফ্লেভার ব্যবহারের বিষয়ে জানতে চাইলে কারখানার এক কর্মচারী জানান, মিষ্টির দোকান থেকে ফেলে দেওয়া মিষ্টির সিরা সংগ্রহ করে আটা দিয়ে জ্বাল দেওয়া হয়। এতে মিষ্টির স্বাদ ও ফ্লেভার পাওয়া যায়। শুধু একটি বা দুটি কারখানা নয়, রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর, কেরানীগঞ্জ, রূপগঞ্জ, সাভার ও আশুলিয়ায় তৈরি হচ্ছে এমন ক্ষতিকর শিশুখাদ্য। এসব কারখানায় তৈরি পণ্যের গন্তব্য পুরান ঢাকার চকবাজার। সেখান থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে এসব খাবার। এ বিষয়ে মুদি দোকানিরা বলছেন, তারা বিক্রি বন্ধ করলেও অন্য দোকানে এসব পণ্য বিক্রি হবে। একজন দোকানি বলেন, আমি যদি না বিক্রি করি, দেখা যাবে আমার পরিবর্তে আরেকটা দোকান বিক্রি করবে। বাংলাদেশে জন্মলগ্ন থেকেই এসব চলছে, এর কী হবে? এসব জিনিস বিক্রি করলেও আমি আমার বাচ্চাকে খাওয়াই না। দেশের শিশুখাদ্যের এমন পরিস্থিতিতে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কী করছে, তা জানতে সংস্থাটির কর্মকর্তাদের মুখোমুখি হয় সময় সংবাদ। তবে তাদের বক্তব্যে উঠে আসে হতাশার চিত্র। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য (খাদ্যশিল্প ও উৎপাদন) অধ্যাপক মোহাম্মদ শোয়েব বলেন, ভেজালবিরোধী বিভিন্ন ধরনের অভিযান পরিচালনা করছি। তারপরও এসব কমছে না। এর মূল কারণ তাদের অসততা। সরকারি প্রতিষ্ঠানে যারা কাজ করি, তাদের পক্ষে এককভাবে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে এসব নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আরটিভি/এসআর
পচা দই-মিষ্টির সিরায় তৈরি হচ্ছে শিশুদের চকলেট-সন্দেশ!
আরও পড়ুন
৭ নভেম্বর জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নির্দেশ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের
ওয়াশিংটন ডিসির গলফ মাঠের গাছ রক্ষায় আদালতের ফের নির্দেশ
বহিরাগতদেরকে অবিলম্বে ঠাকুরগাঁও ছাড়ার নির্দেশ
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির জরুরি নির্দেশনা