
চলতি মাসের মাঝামাঝি ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে শান্তিচুক্তি করে সংযুক্ত আরব আমিরাত। ওই শান্তিচুক্তি হওয়ার পেছনে মধ্যস্থতা করে যুক্তরাষ্ট্র। এখন আরও মুসলিম দেশ যেন ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে সেই মিশনে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। এরই অংশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যসহ আরব বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ ভ্রমণ করছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও।
ইসরায়েলের পক্ষ থেকে শান্তির বার্তা নিয়ে বুধবার বাহরাইন পৌঁছান মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। কিন্তু দেশটির বাদশাহ হামাদ বিন ইসা আল খলিফা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়ে বাহরাইন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বাহরাইনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা কোনও অর্থ বহন করবে না। এর আগে মঙ্গলবার সুদানের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী আব্দাল্লা হামদকও পম্পেওকে জানিয়ে দেন, ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়ার এখতিয়ার তার সরকারের নেই।
গত ১৩ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র জানায় যে, ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চুক্তি করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। ওই চুক্তিকে গত সপ্তাহে ‘ঐতিহাসিক’ বলে বর্ণনা করেছিল বাহরাইনের মন্ত্রিসভা। কিন্তু পম্পেও’র এই সফরে সেটির কোনও প্রতিফলন দেখা গেলো না।
উল্লেখ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত ছাড়াও মিশর ও জর্ডানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে ইসরায়েলের।
আরও পড়ুন: ১০ হাজার ডলারের স্বর্ণের মাস্ক পরলেন তুর্কি দুই নববধূ
এ




