
লাভ জিহাদ নিয়ে এতদিন সোচ্চার ছিলেন বিজেপি ও সঙ্ঘ পরিবারের নেতারা। কিন্তু এবারই প্রথম আইন করার কথা বললেন তারা। বিরোধীদের অভিযোগ, বিজেপি ও সঙ্ঘ পরিবারের নেতাদের কাছে লাভ জিহাদ মানে মুসলিম ছেলেদের হিন্দু মেয়েকে বিয়ে করা এবং মেয়েটিকে ধর্মান্তরিত করা। হিন্দু ছেলেদের মুসলিম মেয়েকে বিয়ে করাকে তারা ঘর ওয়াপসি বা ঘরে ফেরা বলে মনে করে। খবর ডয়চে ভেলের।
সম্প্রতি ভারতের উত্তরপ্রদেশের এলাহাবাদ হাইকোর্ট রায় দিয়েছে, বিয়ে করার জন্য ধর্মপরিবর্তন করা যাবে না। এরপরই লাভ জিহাদ নিয়ে সোচ্চার হন বিজেপি নেতারা। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর খাট্টার জানিয়েছেন, তারা লাভ জিহাদ নিয়ে আইন করতে চলেছেন। হরিয়ানা সরকার তো আইন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শও শুরু করেছে। আসামেও বিজেপি বলেছে, ফের ক্ষমতায় এলে তারা আইন করবে।
ভারতীয় আইনে ভিন্ন ধর্মের ছেলে-মেয়েদের মধ্যে বিয়ের ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই। প্রাপ্তবয়স্ক ছেলেমেয়েরা চাইলে এই বিয়ে হতেই পারে। সেক্ষেত্রে লাভ জিহাদ বিরোধী আইনের চরিত্র কী হবে? খাট্টার বলছেন, হিন্দু মেয়েদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে তাদের ধর্মান্তরিত করা আইন করে বন্ধ করা হবে। তিনি বলেন, দোষীরা যাতে শাস্তি পায়, তা আমরা নিশ্চিত করতে চাই। নিরাপরাধদের যাতে হয়রানি না হয়, তাও দেখা হবে।
কিন্তু বিরোধীদের প্রশ্ন, ধর্মের ভিত্তিতে এই ধরনের আইন করা সম্ভব নয়। আইন করতে হলে সব ধর্মের মানুষের ক্ষেত্রেই চালু করতে হবে। এআইএমআইএম নেতা আসাদুদ্দিন ওয়েইসি বলেছেন, বিজেপি ও সঙ্ঘ পরিবার সবসময় এমন কাজ করে যাতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে লোকের ঘৃণা তৈরি হয়। করোনার সময় তারা তাবলিগ নিয়ে প্রচার চালিয়েছিল। পরে আদালতে প্রমাণিত হয়েছে এই প্রচার মিথ্যা। তারপর তারা ইউপিএসসি জিহাদ নিয়ে কথা বলে। সুপ্রিম কোর্ট দেখিয়ে দিয়েছে সত্যটা কী?
এ




