
করোনাভাইরাসের আগে দেশে গিয়ে যারা লকডাউনে আটকা পড়েছেন তারা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবার মালয়েশিয়ায় ফিরতে পারবেন বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. গোলাম সারওয়ার। অভিবাসী দিবস উপলক্ষে আজ (শুক্রবার) কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশন আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
হাইকমিশনার বলেন, আটকেপড়া প্রবাসীদের মধ্যে যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে তারা মেয়াদ বাড়াতে পারবেন এবং তাদের নিজ নিজ মালিক ইমিগ্রেশন ডিজির কাছে আবেদন করে এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আটকেপড়ারা যাতে সহজে আসতে পারে তা নিয়ে মালয়েশিয়ার সঙ্গে আলোচনা চলছে।
মুজিববর্ষের আহ্বান দক্ষ হয়ে বিদেশ যান, স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত আন্তর্জাতিক এ অভিবাসী দিবসের অনুষ্ঠান শুরু হয় স্থানীয় সময় বিকেল তিনটায়। সরকারের চলমান বিধিনিষেধের কারণে দূতাবাসের ফেসবুক পেজে লাইভে অংশগ্রহণ করেন প্রবাসীরা।
প্রথম সচিব (শ্রম) ফরিদ আহমেদের সঞ্চালনায় সভায় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সচিবের বাণী পাঠ করা হয়।
হাইকমিশনার গোলাম সারওয়ার তার বক্তব্যে বলেন, পাসপোর্ট দ্রুত ডেলিভারি দিতে ইতোমধ্যে হাইকমিশনে ৬ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং আরও নিয়োগের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মালয়েশিয়া পোস্ট অফিসের সঙ্গে আমাদের আলোচনা হয়েছে যাতে করে পাসপোর্ট মালয়েশিয়া দূর-দূরান্তে কর্মরত কর্মীদের সহজে পৌঁছে দেওয়া যায়।
বৈধকরণ নিয়ে হাইকমিশনার জানান, রিক্যালিব্রেশন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ নিয়োগদাতা বা মালিক নির্ভর। না জেনে না বুঝে তাই কারও সঙ্গে আর্থিক লেনদেন না করার পরামর্শ দেন তিনি। একই সঙ্গে অভিবাসী দিবসে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে থাকা প্রবাসীদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান তিনি।
সভায় শ্রম কাউন্সেলর মো. জহিরুল ইসলাম বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তুলে ধরেন এবং তাৎক্ষণিক দুজন প্রবাসীর হাইকমিশনের সেবা নিয়ে কথা বলার সুযোগ দেন। এসময় হাইকমিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পি




