
ফ্রান্সে শ্বেতাঙ্গ পুরুষরা অগ্রাধিকার পায় বলে বিরল এক স্বীকারোক্তি দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়ের ম্যাক্রোঁ। ফ্রান্সে বিভিন্ন দেশের মানুষ বাস করে। কিন্তু দেশটির বিভিন্ন জাতি-ধর্ম-বর্ণ বৈষম্য রয়েছে বলে প্রায়ই শোনা যায়। আর সে কথাই স্বীকার করলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট। খবর ডেইলি সাবাহ’র।
৫০ বছরের কম বয়সী শ্বেতাঙ্গ পুরুষ হওয়ায় তিনি অগ্রাধিকার পান কিনা ল’এক্সপ্রেসের এক প্রশ্নের জবাবে ম্যাক্রোঁ বলেন, এটা সত্য। আমাদের সমাজে একজন শ্বেতাঙ্গ মানুষের জন্য এশীয়, কৃষ্ণাঙ্গ বা মাগরেবিয়ান (উত্তর আফ্রিকান) পুরুষ বা নারীর চেয়ে বাড়ি, চাকরি পাওয়া সহজ।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, কঠোর এবং মেধার মতো বিষয় যদি থাকেও সেটা ছাড়াই একজন শ্বেতাঙ্গ ব্যক্তি অগ্রাধিকার পাওয়ার মতো অভিজ্ঞতা পেতে পারেন। বিশ্বব্যাপী যখন বর্ণবৈষম্যের প্রতি তীব্র প্রতিবাদ আর নিন্দার ঝড় বইছে, তখন এ ধরনের স্বীকারোক্তি দিলেন ম্যাক্রোঁ।
২০১০ সালে সরকারি এক জরিপে অভিবাসীদের ক্ষেত্রে বর্ণবাদের বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে। সেখানে দেখা যায়, নিজেদের গায়ের রঙ, জন্মস্থান এবং ধর্মের কারণে ফরাসি সমাজে স্টিগমা ও বর্ণবাদের শিকার হয় অভিবাসীরা।
জরিপে অংশ নেয়া ২১ হাজার ব্যক্তির মধ্যে প্রায় ৯৫ শতাংশ জানিয়েছেন যে, গায়ের রঙের কারণে তারা বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। আর উত্তর আফ্রিকান বংশোদ্ভূত ৮০ শতাংশ ব্যক্তি তাদের জন্মস্থান বা নাগরিকত্ব এবং ৩৫ শতাংশ ব্যক্তি নিজের ধর্ম বা নামের কারণে বৈমষ্যের শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছে।
এ




