ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্বকাপ স্কোয়াডের সদস্যদের নতুন নতুন উপাধি দিলেন হাথুরুসিংহে

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৪, ০৮:২৪ পিএম
ছবি- বিসিবি

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে রিজার্ভসহ মোট ১৭ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি); যা নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে অনেক আলোচনা হয়েছে। তবে দেশ ছাড়ার আগে শিষ্যদের নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে গেছেন হেড কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে। এ ছাড়াও ক্রিকেটারদের সামর্থ্য অনুযায়ী বিভিন্ন উপাধি দিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১৮ মে) নিজেদের ফেরিভায়েড ফেসবুক পেইজে সেই ভিডিও প্রকাশ করেছে বিসিবি। যেখানে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে থাকা ক্রিকেটারদের নিয়ে কথা বলতে দেখা গেছে টাইগার হেড কোচকে।

প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দল নেতৃত্ব দিবেন নাজমুল হাসান শান্ত। তাকে নিয়ে হাথুরুসিংহে বলেন, শান্ত আমাদের অধিনায়ক। খুব ভালো নেতা, সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে জানে। ছেলেদের সঙ্গে ড্রেসিংরুমে মিশতে পারে ভালো, আবার মাঠে নেমে খুবই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে যায়।

‘আমার মনে হয় তার হাতে এবার বিশ্বকাপে বড় দায়িত্ব প্রথমবার অধিনায়ক হিসেবে। এই চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য সে যে প্রস্তুত এই ব্যাপারে আমি নিশ্চিত।’

তাসকিন আহমেদ এবার বিশ্বকাপে যাচ্ছেন সহ-অধিনায়ক হিসেবে। দলের তারকা পেসারকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন হাথুরু, ‘তাসকিন মানুষ হিসেবে বেশ আবেগী। সে যদি ভালো মুডে থাকে, আমরা তার কাছ থেকে সেরাটা পাই। সতীর্থ ও কোচিং স্টাফের কাছে তার জনপ্রিয়তা অনেক। সব সময় দলের জন্য সেরাটা দেওয়া ও উন্নতির চেষ্টা করে। দলের মধ্যে তাসকিন দারুণ চরিত্র।’

টানা ব্যর্থতার পরও লিটন দাসকে দলে নেওয়ায় অনেক সমালোচনার শিকার হতে হয়েছে টিম ম্যানেজমেন্টকে। তবে লিটনের ওপর ভারসা রাখছেন হাথুরু।

তিনি বলেন, লিটন আমাদের অন্যতম সেরা ব্যাটার। ব্যাটিংয়ে এই বিশ্বকাপে তার কাছ থেকে আমি বড় কিছু প্রত্যাশা করি। খুবই প্রতিভাবান সহজাত অ্যাথলেট। সে উইকেটকিপিং করতে পারে, অন্যতম সেরা ফিল্ডারও।

‘যেকোনো পজিশনে ফিল্ডিং করতে পারে। সার্কেলের ভেতরে বা বাইরে, যেকোনো জায়গায় থাকে। মাঠের বাইরে খুবই শান্ত। খেলাটা খুব ভালো বুঝে। দলকে টেকটিক্যালিও সাহায্য করে।’

এবার বিশ্বকাপে খেলতে নেমেই নতুন ইতিহাস গড়তে যাচ্ছেন সাকিব আল হাসান। রেকর্ড নবম বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন এই অলরাউন্ডার। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারিও সাকিব। তাই সাকিবকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন টাইগার কোচ।

হাথুরু বলেন, সে খেলাটার কিংবদন্তি। আমরা সবাই জানি সাকিব সবগুলো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলেছে। আমি আশা করি এই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ তার সবচেয়ে সেরা আসর হবে। তিন বিভাগেই অবদান রাখবে। ভালো নেতা দলের সঙ্গে থাকে। খেলোয়াড়দের সঙ্গে খুব ভালো মিশতে পারে, তাকে সবাই সম্মান করে। খেলাটাকে খুব ভালো বুঝে।

অভিজ্ঞ ব্যাটার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে নিয়ে টাইগার কোচ বলেন, মাহমুদউল্লাহ সম্ভবত দলের স্পিরিট। সে দলের মধ্যে শান্ত একটা ভাব নিয়ে আসে। সে যখন কথা বলে, সবাই সেটা শুনে। আমার মনে হয় সে এখন খুব ভালো অবস্থায় আছে মানসিকভাবেও।

‘তার ব্যাটিং সাম্প্রতিক সময়ে ভিন্ন মাত্রায় পৌঁছেছে। তার খেলায় ভয়হীন ব্যাপার আছে। সে দলের জন্য ভালো। চাপের পরিস্থিতি সামলে নিয়ে তরুণদের পরামর্শ দেবে বিশ্বকাপে।’

তরুণ ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমকে নিয়ে হাথুরু মন্তব্য, আমি তামিমকে নিয়ে খুবই রোমাঞ্চিত। ব্যাটার হিসেবে তার সামনে অনেক বড় ভবিষ্যৎ আছে পড়ে আছে বলে মনে হয়। শট খেলায় সময় পায় বেশি। যখন খেলে মনে হয় তার হাতে বাকিদের চেয়ে বেশি সময় আছে। দুর্দান্ত ফিল্ডারও তামিম।

সৌম্য সরকারে প্রতিভা নিয়ে কোচ বলেন, সে প্রতিভার সহজাত। সেরা সময়ে কী করতে পারে তা আমরা জানি। তিন সংস্করণেই অবদান রাখতে পারে। যখন সেরা জায়গায় থাকে, সে ম্যাচ উইনার। আশা করছি সে বিশ্বকাপে আমাদের কয়েকটা ম্যাচ জেতাবে।

আরেক তরুণ ব্যাটার তাওহীদ হৃদয়কে রোমাঞ্চকর খেলোয়াড় উপাধি দিয়েছেন হাথুরু, তরুণ একজন রোমাঞ্চকর খেলোয়াড়। নিজের মতো করে খেলতে পছন্দ করে। এমনিতে সাধারণ খেলোয়াড়দের চেয়ে সে আলাদা। খুবই প্রতিভাবান, খুবই গতিময়। তার সবকিছুই দ্রুত চলে। ফিল্ডিং, কথা বলা, হাঁটা সবকিছুতেই গতি বেশি। দুর্দান্ত টি-টোয়েন্টি খেলোয়াড়।

সদ্য জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া উইকেটরক্ষক ব্যাটার জাকের আলি অনিককে ভার্সেটাইল খেলোয়াড় উপাধি দিয়েছেন হাথুরুসিংহে। তিনি বলেন, জাতীয় দলে জাকের নতুন। আমি এখন পর্যন্ত যা দেখছি তার ব্যাটিংয়ে সময় শান্ত একটা ভাব থাকে।

‘চাপের সময়ে সে নিজের উপর বিশ্বাস রাখতে পারে। ভার্সেটাইল প্লেয়ার। কিপিং করতে পারে, ফিল্ডিং করতে পারে। অনুশীলনের সময় অনেক পরিশ্রম করে। আমার মনে হয় সে এই বিশ্বকাপে চমক হতে পারে।’

আইপিএল খেলে ফেরা মোস্তাফিজুর রহমানকে নিয়ে হাথুরু বড় স্বপ্ন দেখছেন। বাঁহাতি পেসারকে নিয়ে হাথুরু বলেন, তাকে নিয়ে আমি কী বলব? ফিজ হচ্ছে বিশেষ ধরনের পেসার, এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া মুশকিল বিশ্ব ক্রিকেটেই। সে তার কব্জি দিয়ে অনেক কিছু করতে পারে, যেটা খুব কম লোকই পারে।

‘অভিজ্ঞতা আছে, আইপিএল খেলেছে। দলের মিটিংয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলতে পারে। সে খুব মজার। সে যা বলে আমি অনেক কিছুই বুঝি না। কিন্তু দেখে মনে হয় সবাই খুব উপভোগ করে। সে যখন কিছু বলে, সবাই হাসে।’

শরিফুলকে নিয়ে হাথুরু বলেন, সে ৬ ফুট ৪ ইঞ্চি লম্বা, বাঁহাতি পেসার। খুব গতিতে বল করতে পারে। দারুণ প্রতিভাবান। দলের মধ্যে আগ্রাসী একজন। সে একটা জিনিসই জানে উইকেট নিতে হবে। সে খুবই টাস্ক ওরিয়েন্টেড। সে গোল্ডফিশের মতো, দ্রুত ভুলে যায় কী হয়েছে। সে সব সময় আত্মবিশ্বাসী। দারুণ ফিল্ডার। আমার মনে হয় সে ব্যাটিংয়েও অবদান রাখতে পারে।

আরেক তরুণ পেসার তানজিম হাসান সাকিবকে নিয়ে হাথুরু বলেন, আমার মনে হয় তার সংকল্প হচ্ছে আসল ব্যাপার। খুবই দৃঢ়চেতা মানুষ। চ্যালেঞ্জ নিতে ভয় পায় না। নিজের দক্ষতাকে বাড়াতে চায়। দলকে সাহায্য করে। যখন খেলে না তখনো ভালো সতীর্থ। আপনি বলতে পারেন তার বড় হৃদয় আছে।

অন্যদিকে মিরাজকে সরিয়ে দলের জায়গা করে নেওয়া শেখ মাহেদীকে নিয়ে বেশ আশাবাদী হাথুরু, শেখ মাহেদী আরও একজন ভার্সেটাইল খেলোয়াড়। তার মূল দক্ষতা বোলিং, নতুন বলে সেও বল করতে পারে। চাপের সময়ে সে খুব চালাকি করতে পারে।

‘আমার মনে হয় সে দলের মধ্যে ‘জোকসের’ কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। তাকে নিয়ে সবাই মজা করে ড্রেসিংরুমে। সে নিজের সবকিছু দেয় যখন খেলতে নামে।’

দলের একমাত্র লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। যার ব্যাট হাতে বড় শট খেলার সামর্থ্য রয়েছে। তার ফিল্ডিং দক্ষতাকেও দলের জন্য বাড়তি পাওনা বলে মনে করেন এই লঙ্কান হেড মাস্টার। হাথুরুর মতে, রিশাদ খেলোয়াড় হিসেবে কীভাবে উন্নতি করছে সেটা দেখার জন্য আমি খুব রোমাঞ্চিত। যখন আমরা তাকে প্রথম দেখি, বাংলাদেশের ক্রিকেটে লেগ স্পিনার খুবই কম।

‘সে ক্ল্যাসিক্ল্যাল লেগ স্পিনার নয় পুরো দুনিয়াতে যেমন দেখা যায়। কিন্তু সে খুবই লম্বা, ভালো অ্যাথলেট। দুর্দান্ত ফিল্ডার, দলের অন্যতম সেরা ফিল্ডার। দ্রুত শিখতে পারে। জানি না তার মাথার ভেতর কী কাজ করে, কিন্তু চাপের সময়ে তাকে নির্ভার লাগে। সে ব্যাটিংয়ে ভালো পারফরম্যান্স দিচ্ছে। আমি চাইবে, সে ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিক হবে।’

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিপিএল ২০২৫ / নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ব্যাক টু ব্যাক জয় রংপুরের
ঢাকা ক্যাপিটালসকে হারিয়ে বিপিএলের ১১তম আসরে শুভসূচনা করেছে গ্লোবাল সুপার লিগের চ্যাম্পিয়ন দল রংপুর রাইডার্স। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেও। সিলেটকে ৩৪ রানে হারিয়ে টুর্নামেন্টে ব্যাক টু ব্যাক জয় পেয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপের দলটি। চার উইকেট তুলে নিয়ে এই জয়ের অন্যতম নায়ক নাহিদ রানা। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) আগে ব্যাট করে সিলেটকে ১৫৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল রংপুর। জবাব দিতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান তুলতে পারে সিলেট। এতে ৩৪ রানের জয় পায় রংপুর রাইডার্স। চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি সিলেট। ৩ বলে ২ রান করে দ্বিতীয় ওভারেই সাজঘরে ফেরেন জর্জি মানজি। তিনে ব্যাট করতে নেমে ইনিংস বড় করতে পারেননি জাকির হাসানও। ১২ বলে ১৮ রান করে বোল্ড আউট হন এই বাঁহাতি ওপেনার। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি পল স্ট্রালিংও। ৫ বলে ৬ রান করে এই আইরিশ ব্যাটার আউট হলে ৪৩ রানে ৩ উইকেট হারায় সিলেট। তবে জাকের আলীকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেন ওপেনার রনি তালুকদার। দুজনের ব্যাটে জয়ের স্বপ্ন দেখতে থাকে সিলেট।  কিন্তু ১৫তম ওভারে রনি তালুকদারকে বোল্ড করেন খুশদিল শাহ। এর আগে ৩৬ বলে ৪১ রান করেন রনি। পরের বলে আরিফুল হককে ডাক আউট করে রংপুরকে খেলায় ফেরান খুশদিল শাহ। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই করতে থাকেন জাকের আলী। তবে ১৬তম ওভারে দ্বিতীয় বলে ২৪ রান করে এই উইকেটরক্ষক ব্যাটারকে ফিরিয়ে উল্লাস শুরু করে পেসার নাহিদ রান। এরপর তানজিম হাসান সাকিব (৩), নাহিদুজ্জামান (১) এবং শিনওয়ারি ৮ রান করে আউট হন। শেষ পর্যন্ত রিস টপলি ৫ রানে এবং আল আমিন ৩ রানে অপরাজিত থাকলেও নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান তুলতে পারে সিলেট। এতে ৩৪ রানের জয় পায় সোহান-মাহেদীরা। রংপুর রাইডার্সের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট শিকার করেন নাহিদরা। এ ছাড়াও খুশদিল শাহ ও সাইফউদ্দিন দুটি করে উইকেট নেন। আর এক উইকেট নেন কামরুল হাসান। এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি রংপুর। ৭ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন ইংলিশ ওপেনার অ্যালেক্স হেলস। ৭ বলে ৪ রান করে তাকে সঙ্গে দেন সাইফ হাসান। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি আরেক ওপেনার স্টিভেন টেইলর। ১৫ বলে ১২ রান করেন তিনি। তবে ইফতেখার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন খুশদিল শাহ। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। ১৬ বলে ২১ রান করে বাউন্ডারি লাইনে কাটা পড়েন এই পাক অলরাউন্ডার। ষষ্ঠ উইকেপ ইফতেখারকে সঙ্গ দেন নুরুল হাসান সোহান। দুজনের ব্যাটে ভর করে ১৬তম ওভারে ১০০ রানের কোটা পার করে রংপুর। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে বাউন্ডারি লাইনে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরে সোহানকে সাজঘরে ফেরান আরিফুল ইসলাম। ২৪ বলে ৪১ রান করেন তিনি। এরপর পিচে এসে বলে বলে বাউন্ডারি মারতে থাকেন শেখ মাহেদী। শেষ দিকে মাহেদী ৮ বলে ১৬ রান করে আউট হলেও ইফতেখারের ২৪ বলের অপরাজিত ৪২ রানে ভর করে ১৫৫ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পেয়েছিল রংপুর। আরটিভি/এসআর/এআর  
নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ব্যাক টু ব্যাক জয় রংপুরের
পুলিশকে হারিয়ে জয়ে ফিরল কিংস
জয় দিয়ে বছরটা রাঙিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। বছরের শেষ ম্যাচে কষ্টার্জিত হলেও জয়ে ফিরল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। বসুন্ধরা কিংস ফেডারেশন কাপ শুরু করেছিল ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিপক্ষে জয় দিয়ে। মাঝখানে ফর্টিস এফসির কাছে হেরেছে। আজ কিংস অ্যারেনায় নিজেদের গ্রুপের তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ পুলিশ এফসিকে ৩–২ গোলে হারিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। ঘরের মাঠে কিংস অ্যারেনায় জয়ে পেতে মরিয়া বসুন্ধরা ম্যাচের শুরুতেই গোলের দেখা পায়। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে তপু বর্মণের গোলে এগিয়ে গেলেও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি বসুন্ধরার উল্লাস। ম্যাচের অষ্টম মিনিটেই পুলিশ সমতা ফেরে আল আমিনের গোলে। তবে পাল্টা আক্রমণে ম্যাচের ১১তম মিনিটে ব্রাজিলিয়ান মিগুয়েল ফেরেইরার গোলে আবারও এগিয়ে যায় কিংস। ২৫ মিনিটে গোলরক্ষক রাকিবুল তুষার ও সাগর মিয়ার ভুমিকায় পুলিশ গোল হজম করা থেকে রক্ষা পায়। ৩৪ মিনিটে রাকিবকে আরেকবার হতাশ করেন গোলরক্ষক তুষার। প্রথমার্ধের খেলা ২–১ ব্যবধানে থেকে শেষ করে দুই দল। এরপর দ্বিতীয়ার্ধের ৫২ মিনিটে স্কোরলাইন ৩–১ করেন কিংসের আরেক ব্রাজিলিয়ান জোনাথন ফার্নান্দেজ। ৫৪ মিনিটে পুলিশের আল আমিন নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে ব্যবধান ৩–২ করে খেলা জমিয়ে তুলেছিলেন। তবে পাল্টাপাল্টি আক্রমণে জমে ওঠা ম্যাচে কিংসকে চোখ রাঙালেও শেষ পর্যন্ত দারুণ কিছু করতে পারেনি পুলিশ। এ ম্যাচে পুলিশ হারলেও চলতি মৌসুমে দারুণ ফর্মে থাকা দলটির স্ট্রাইকার আল আমিনের ২টি গোলই নজর কেড়েছে। অষ্টম মিনিটে ঈসা ফয়সালের ক্রস থেকে আল আমিনের প্রথম গোলটি ছিল সুযোগের সন্ধানে থাকার ফল। প্রিমিয়ার লিগে ৬ গোল করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা আল আমিনের দ্বিতীয় গোলটি ছিল অসাধারণ। সৈয়দ কাজেমের ডিফেন্সচেরা থ্রু ধরে কিংসের গোলকিপার মেহেদী হাসানকে কাটাতে গিয়ে বাঁ পাশে সরে গেলেও বেশ কঠিন অ্যাঙ্গেল থেকে বল জালে পাঠান আল আমিন।  কুমিল্লার ভাষাসৈনিক ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে দিনের অন্য খেলায় জয় কুমারের জোড়া গোলে বড় জয় পেয়েছে ফর্টিস এফসি। ঢাকা ওয়ান্ডারার্সকে তারা হারিয়েছে ৩–০ গোলে।  আরটিভি/এমএম
পুলিশকে হারিয়ে জয়ে ফিরল কিংস
সোহান ও ইফতেখারের ব্যাটে ভর করে সিলেটকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো রংপুর
নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে রংপুর রাইডার্স। এই ম্যাচে আগে ব্যাট করে সিলেটকে ১৫৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছে নুরুল হাসান সোহানের দল। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি রংপুর। ৭ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন ইংলিশ ওপেনার অ্যালেক্স হেলস। ৭ বলে ৪ রান করে তাকে সঙ্গে দেন সাইফ হাসান। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি আরেক ওপেনার স্টিভেন টেইলর। ১৫ বলে ১২ রান করেন তিনি। তবে ইফতেখার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন খুশদিল শাহ। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। ১৬ বলে ২১ রান করে বাউন্ডারি লাইনে কাটা পড়েন এই পাক অলরাউন্ডার। ষষ্ঠ উইকেপ ইফতেখারকে সঙ্গ দেন নুরুল হাসান সোহান। দুজনের ব্যাটে ভর করে ১৬তম ওভারে ১০০ রানের কোটা পার করে রংপুর। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে বাউন্ডারি লাইনে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরে সোহানকে সাজঘরে ফেরান আরিফুল ইসলাম। ২৪ বলে ৪১ রান করেন তিনি। এরপর পিচে এসে বলে বলে বাউন্ডারি মারতে থাকেন শেখ মাহেদী। শেষ দিকে মাহেদী ৮ বলে ১৬ রান করে আউট হলেও ইফতেখারের ২৪ বলের অপরাজিত ৪২ রানে ভর করে ১৫৫ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পায় রংপুর। সিলেট স্ট্রাইকার্সের হয়ে দুই উইকেট শিকার করেন আল আমিন হোসেন ও তানজিম সাকিব। এ ছাড়াও সাইমুল্লাহ শিনওয়ারি ও রিস টপলি এক করে উইকেট নেন। আরটিভি/এসআর/এআর  
সোহান ও ইফতেখারের ব্যাটে ভর করে সিলেটকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো রংপুর
বিপিএলে ধারাভাষ্য দিলেন বিসিবি সভাপতি
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ১১তম আসরে ধারাভাষ্যকার হিসেবে দেখা গিয়েছে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদকে। এই সময় ধারাভাষ্য কক্ষে বেশ কিছু সময় পার করেন তিনি।   মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) খুলনা টাইগার্স এবং চট্টগ্রাম কিংসের মধ্যকার ম্যাচের কিছু সময় ধারাভাষ্য দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি ফারুক আহমেদ। এদিন ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ধারাভাষ্য কক্ষে প্রবেশ করেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ফারুক। এরপর কিছুক্ষণ বাংলায় ধারাভাষ্য দেন তিনি। এসময় খুলনার ছুঁড়ে দেওয়া ২০৪ রানের টার্গেট তাড়া করছিল চট্টগ্রাম। ধারাভাষ্য কক্ষ থেকে বের হয়ে প্রেস বক্সে সাংবাদিকদের সাথে দেখা করেন ফারুক। সেখানে ধারাভাষ্য করার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ফারুককে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘আমাকে বল-টু-বল ধারাভাষ্য করতে হয়নি। আমি একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছি।’ আরটিভি/এমএম
বিপিএলে ধারাভাষ্য দিলেন বিসিবি সভাপতি
থমাসের নো বল নিয়ে সন্দেহ, আবারও দেখতে চান কোচ তালহা
বিপিএলের তৃতীয় ম্যাচে চিটাগংকে ৩৭ রানে হারিয়েছে খুলনা টাইগার্স। এই ম্যাচের দ্বিতীয় প্রথম ইনিংসে বোলিংয়ে এসে ১ বলে ১৫ রান খরচ করে রেকর্ড গড়েছেন ওশানে থমাস। তবে তার একটি নো বলের সিদ্ধান্ত নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন খুলনার কোচ তালহা জুবায়ের। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) খুলনার দেওয়া ২০৪ রানের জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হন নাইম শেখ। তবে নো বল হওয়ায় সে যাত্রায় বেঁচে গিয়েছেন। আর নো বলের ভিডিওটা টিভিতে না দেখানোই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তালহা। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে খুলনার কোচ বলেন, প্রথম বলে দেখলাম উইকেট পড়েছে গেছে; তারপর দেখি যে নো বল। আমার ওই নো বল নিয়ে একটি সন্দেহ আছে। কারণ, আমি এটি রিপ্লেতে দেখতে পারিনি। এটা দেখানো উচিত ছিল। আমি এটি দেখতে চাইব। এক বলে ১৫ রান দেওয়া নিয়ে তিনি বলেন, এরকম আগে দেখিনি নো বল ওয়াইড আবার নো বল, ফ্রি হিট। আর হয়তো থমাসও শুরুটা ভালো করতে পারেনি। আর এমনিতেই ওর নো বল দেওয়ার প্রবনতা রয়েছে। জাতীয় দলের হয়েও প্রায় নো বল করতে দেখা যায়। নো বল দেওয়ার জন্য থমাসের ফিটনেসকে দায়ী করেছেন তালহা। তার ভাষ্য, আসলে ওর যে ফিটনেস সেটা পেস বোলার হিসেবে ঠিক নেই। আর নিজের ফিটনেস এবং রানিং নিয়ে হয়তো এর আগে কোনো কাজ করেনি। তাই নো বল দেওয়ার প্রবনতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। তবে ১ বলে ১৫ রান এটা নতুন। নাইম ইসলামের বিপক্ষে ওশান থমাস ইনিংসের প্রথম বলেই ক্যাচ লুফে নেন তিনি। আম্পায়ারের কলে সেটা ছিল নো বল। ফ্রি-হিটের পরের বলে ছিল ডট। সেটা ছিল লিগ্যাল ডেলিভারি। এরপরেই আসে ওশান থমাসের লিগ্যাল ডেলিভারির জন্য লম্বা সংগ্রাম। নো বলে ৬ রান হজম করেছেন। এরপর দুই ওয়াইড বল। পরের নো বলে হজম করেছেন ৪ রান। ততক্ষণে চলে এসেছে ১৪ রান। স্কোরবোর্ডে ১ বলের পাশে ১৫ রান। শেষ পর্যন্ত বৈধ বল ওশান থমাস করেছেন। সেটায় ছিল ডট। তারপর ফের একটা নো-বল। সেই বলেও ক্যাচ হয়েছিলেন নাইম। দ্বিতীয়বার জীবন পান ওই এক ওভারেই। ফ্রি-হিটের পর অবশ্য নিজেকে আর বাঁচাতে পারেননি অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। বোসিস্টোর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরতে হয় তাকে। এর আগে এক বলে ১৩ রান নিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন ভারতের ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল। চলতি বছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এমন কীর্তি গড়েছিলেন ভারতের এই ওপেনার। অবশ্য সেবার ৭ রান তিনি পেয়েছিলেন নো-বল থেকে আর ১টা ছিল ছক্কার মার। এর আগে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল) এর ম্যাচে ১ বলে ১৪ রান তুলেছিলেন ওশান থমাস। আরটিভি/ এসআর  
থমাসের নো বল নিয়ে সন্দেহ, আবারও দেখতে চান কোচ তালহা
আরও পড়ুন
বিপিএলের সাত দলের চূড়ান্ত স্কোয়াড
কিউইদের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার ওয়ানডে স্কোয়াড ঘোষণা
বিশ্বকাপ নিয়ে নিজের পরিকল্পনা জানালেন নেইমার
এশিয়া কাপের দল ঘোষণা করল বিসিবি