
ইসরায়েল-হামাস চুক্তির অংশ হিসেবে ইসরায়েলের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া ফিলিস্তিনি বন্দিদের জন্য রামাল্লায় হাজার হাজার ফিলিস্তিনি স্বজন অপেক্ষা করছেন। সোমবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি'র এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। ধারণা করা হচ্ছে, ইসরায়েলের ওফার কারাগার থেকে বেশ কয়েকটি বাসে করে বন্দিদের বহন করা হচ্ছে।
আমরো আবদুল্লাহ নামে এক যুবক তার নিকটাত্মীয় (কাজিন) রশিদ ওমরের জন্য অপেক্ষা করছেন। রশিদকে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে আটক করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। আমরো জানান, সে এখন মুক্তির আস্বাদ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত। অপেক্ষা করা কনফারেন্স হলটিতে অনেক পরিবার তাদের প্রিয়জনকে ফিরে পাওয়ার আনন্দে উদ্বেলিত।
প্রতিবেদনে বিবিসি জানায়, মোট ২৫০ জন ফিলিস্তিনি বন্দি এবং গাজা থেকে আটক ১ হাজার ৭০০ জনকে মুক্তি দেওয়ার আশা করা হচ্ছে। মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ২২টি শিশুও রয়েছে। ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, পশ্চিম তীরে অবস্থিত ওফার কারাগার থেকে এই বন্দিরা মুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। শুক্রবার (১০ অক্টোবর) ইসরায়েলের বিচার মন্ত্রণালয় এসব বন্দির নামের তালিকা প্রকাশ করে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, পশ্চিম তীরে মুক্তি পাওয়া প্রায় একশ বন্দিকে গাজা বা মিশরে পাঠানো হবে। আর একটি ছোট অংশ মুক্তি পাবে পূর্ব জেরুজালেমে।
অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, গাজা থেকে দ্বিতীয় দফায় জীবিত জিম্মিদের মুক্তি দিয়ে রেড ক্রসের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস এই দফায় তেরো জনকে হস্তান্তর করেছে। হামাস জানিয়েছে, এর মাধ্যমে জীবিত সব জিম্মিকেই হস্তান্তর করা হয়েছে; নিহত জিম্মিদের দেহাবশেষ পরে হস্তান্তর করা হবে। মুক্তিপ্রাপ্তদের এখন আইডিএফ ও গাজায় থাকা ইসরায়েলের নিরাপত্তা সংস্থার কাছে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
আরটিভি/এআর




