ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ইরানে আক্রমণের কারণ জানালেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ মার্চ ২০২৬, ০১:২৯ পিএম
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলার জবাবে ইরান যে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর পাল্টা আঘাত হানতে পারে এই আসন্ন হুমকির আশঙ্কা থেকেই ইরানে সামরিক অভিযান চালিয়েছে ওয়াশিংটন- এমন ব্যাখ্যা দিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, এই অভিযানের লক্ষ্য ইরানে সরকার পরিবর্তন নয় এবং ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে হামলায় বাধ্য করেনি।

সোমবার (২ মার্চ) ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল হিলে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতাদের (গ্যাং অব এইট) ব্রিফ করার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন রুবিও।

তিনি বলেন, একেবারেই একটি আসন্ন হুমকি ছিল। আমরা জানতাম, ইরান যদি আক্রান্ত হয় তাহলে তারা সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ওপর আঘাত হানবে। আমরা বসে থেকে সেই আঘাত সহ্য করার অপেক্ষা করতে চাইনি।

রুবিও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এমন গোয়েন্দা তথ্য ছিল, যা অনুযায়ী ইরান যেকোনো পক্ষের হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র হোক বা ইসরায়েল মার্কিন স্বার্থ ও বাহিনীর বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা চালাতে প্রস্তুত ছিল।

তার ভাষায়, মাঠপর্যায়ের কমান্ডারদের কাছে আগেই সেই নির্দেশনা পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল এবং প্রতিক্রিয়াটি ছিল প্রায় স্বয়ংক্রিয়।

তিনি আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর ইরানের দ্রুত প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপই প্রমাণ করে যে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র আগেই প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। এমনকি নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে প্রথম আঘাতের আগেই কিছু হামলার প্রস্তুতি সম্পন্ন ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি আগে পদক্ষেপ না নিত এবং ইরানের হামলার জন্য অপেক্ষা করত, তাহলে মার্কিন হতাহতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারত। আমরা জানতাম, ইসরায়েল একটি অভিযান চালাতে যাচ্ছে। সেটি সরাসরি আমেরিকান বাহিনীর বিরুদ্ধে ইরানের হামলা ডেকে আনত। তাই আমরা আগে ব্যবস্থা নিয়েছি।

ব্রিফিংয়ের পর প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার মাইক জনস) রুবিওর বক্তব্যের পক্ষে সমর্থন জানিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইসরায়েলের সঙ্গে একই সময়ে অভিযান না চালাত, তাহলে তার পরিণতি হতো ভয়াবহ।

আরও পড়ুন

তবে রুবিও জোর দিয়ে বলেন, ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে এই অভিযানে নামতে বাধ্য করেনি।

তিনি আরও বলেন, প্রশাসনের আশা একদিন ইরানের জনগণ নিজেরাই নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। তবে বর্তমান সামরিক অভিযানের উদ্দেশ্য হিসেবে সরকার পরিবর্তনের বিষয়টি তিনি স্পষ্টভাবে নাকচ করে দেন। সূত্র: এবিসি নিউজ

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সেনেগালের উন্নয়নে ২৫০ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প নিয়ে হাজির সাদিও মানে
সেনেগালে ফুটবলের বাইরেও আলোচিত নাম সাদিও মানে। দেশের মানুষের প্রতি নিবেদন তাকে উচ্চ সম্মান প্রদান করেছেন। এবার আরও বড় চমক দেখালেন এই স্ট্রাইকার। সেনেগালের বাম্বালিতে ২৪৬ কোটি টাকার বিশাল কৃষি প্রকল্প নিয়ে হাজির হয়েছেন এই তারকা ফুটবলার। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে সেনেগালের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এপিএস । গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, মানের উদ্যোগে ‘এসএম১০ অ্যাগ্রো’ নামে এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করা হচ্ছে ১১৭০ কোটি সিএফএ ফ্রাঁ, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৫০ কোটি টাকার সমান। গত ১৯ সেপ্টেম্বর নিজ গ্রাম বাম্বালিতে প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কাজের উদ্বোধন করেছেন সাদিও মানে। সেখানকার ৫০০ হেক্টর জমিতে গড়ে উঠবে আমের বাগান। লাগানো হবে প্রায় ৭৮ হাজার আমগাছ। এ ছাড়া থাকবে আম বাছাই, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের কারখানা, কৃষি প্রশিক্ষণকেন্দ্র এবং গবেষণা ও উন্নয়ন সুবিধা। প্রকল্পটি শুরুতে ১ হাজারের বেশি কর্মসংস্থান তৈরি করবে; দীর্ঘ মেয়াদে এই সংখ্যা আড়াই হাজারে পৌঁছানোর লক্ষ্য রয়েছে। নিজের এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য নিয়ে মানে বলেছেন, আমি চাই আমাদের মাটির সম্পদ আমাদের কাছেই থাকুক। এই সম্পদ থেকে যে আয় হবে, তা সবার আগে আমাদের মানুষের উপকারে আসুক। তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্প শুধু সংখ্যার বিষয় নয়। আমি চাই আমাদের অঞ্চলের তরুণ ও নারীরা এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাক। এ কারণেই প্রকল্পের সঙ্গে একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্র রাখা হয়েছে, যাতে আধুনিক কৃষিপদ্ধতি শেখানো যায়। এই প্রকল্প আপনাদের। আমি এটি আপনাদের হাতে তুলে দিচ্ছি। নিজেদের প্রকল্প মনে করে এটিকে এগিয়ে নিন। আপনারাই এটি পরিচালনা করবেন। এর আগে বাম্বালিতে স্কুল, মসজিদ, হাসপাতাল ও পেট্রোল স্টেশনসহ বিভিন্ন সামাজিক অবকাঠামোতে টাকা দিয়েছেন সাদিও মানে। এবার তার লক্ষ্য শুধু দান করা নয়, স্থানীয় সম্পদকে কাজে লাগিয়ে দীর্ঘমেয়াদি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনা। আরটিভি/এসআর
সেনেগালের উন্নয়নে ২৫০ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প নিয়ে হাজির সাদিও মানে
জরুরি ভিত্তিতে কৃষি ভিসা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া
কৃষি খাতের জরুরি প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়ে বিদেশি শ্রমিকদের ভিসা আবেদনের দ্রুত নিষ্পত্তি করতে সম্মত হয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার।
জরুরি ভিত্তিতে কৃষি ভিসা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া
জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণ বয়কট বাংলাদেশসহ ৭০ দেশের
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ভাষণ দিতে মঞ্চে ওঠার পরপরই বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা যৌথভাবে অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করে ওয়াকআউট করে।
জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণ বয়কট বাংলাদেশসহ ৭০ দেশের
ইতালির স্কুলে বোরকা নিষিদ্ধ, বিদেশি শিক্ষার্থীদের নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত
ইতালির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বোরকা ও নিকাব পরা নিষিদ্ধ এবং প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে রাখার একটি বিতর্কিত বিল অনুমোদন করেছে দেশটির মন্ত্রিসভা।
ইতালির স্কুলে বোরকা নিষিদ্ধ, বিদেশি শিক্ষার্থীদের নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত
পুলিশ পরিচয়ে কিশোরীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ!
ভারতের দক্ষিণ দিল্লির আস্থা কুঞ্জ পার্কে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীকে পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে ছুরি দেখিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে ফার্স্ট ইনফরমেশন রিপোর্টে (এফআইআর)। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এফআইআরের বরাতে জানা যায়, গত সোমবার জন্মদিনে বান্ধবীর সঙ্গে কালকাজি মন্দিরে পূজা দিতে গিয়েছিলেন ওই কিশোরী। কালকাজি মন্দির ঘুরে বিকাল পৌনে ছয়টা নাগাদ তারা পাশেই ইসকন মন্দিরে যাওয়ার আগে আস্থা কুঞ্জ পার্কের একটি বেঞ্চে বসেন।  রাত সাতটার দিকে ৩০ থেকে ৩৫ বছর বয়সী তিন ব্যক্তি হঠাৎ তার বন্ধুকে ধরে চড়-থাপ্পড় মারতে শুরু করে। তারা নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে এলাকাটি ফাঁকা করতে বলে। কিশোরীর ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের একজন বন্ধুকে পার্কের অন্য কোনায় সরিয়ে নিয়ে যায়। একা পেয়ে কিশোরীটি আকুতি জানিয়ে তার মায়ের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে আসিফ নামের এক অভিযুক্তকে উদ্দেশ করে অন্য একজন বলে ওঠে, ‘আসিফ ভাই, বন্দুক বের করো।’ কিশোরী পুলিশকে দেওয়া জবানবন্দিতে জানায়, সে আমাকে একটি কালো রঙের বন্দুক দেখিয়ে আবার পকেটে রেখে দেয়। তারপর দুজনই ছুরি বের করে আমাকে একটি অন্ধকার জায়গায় নিয়ে যায়। পার্কের বেঞ্চে আসিফ তার গলায় ছুরি ধরে প্রথমে ধর্ষণ করে এবং হেমু নামের অপর অভিযুক্তকে পাহারা দিতে বলে। এরপর তাকে পর্যায়ক্রমে হেমন্ত ও মুকেশ নামের অন্য দুই অভিযুক্তও ধর্ষণ করে। অভিযুক্তদের আসল নাম আসিফ, হেমন্ত (হেমু) ও মুকেশ (দিপু)। তাদের মধ্যে হেমন্ত ও মুকেশ দুই ভাই। ধর্ষণের পর কিশোরী ও তার বন্ধুকে হত্যার হুমকি দিয়ে মোবাইল ফোন ফেরত দেয়। এরপর তাকে পার্ক থেকে বের করে দেয় তারা। পার্ক থেকে বের হয়ে বন্ধুকে পুরো ঘটনা জানালে সে জরুরি সেবা নম্বরে (পিসিআর) কল করে এবং পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে। ঘটনার পর আসিফ ওখলা সবজি বাজারে গিয়ে নিজের মোবাইল বন্ধ করে বাইকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। মঙ্গলবার এক বন্দুকযুদ্ধের পর তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।  অন্যদিকে হেমন্ত ও মুকেশ প্রমাণ মেটাতে নিজেদের পোশাক ধুয়ে ফেলে এবং পরবর্তী সময়ে শ্রীনিবাসপুরীর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হয়। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীদের বিশ্বাস করাতে ‘জনাব’-এর মতো পুলিশি শব্দ ব্যবহার করেছিল। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস আরটিভি/এসআর
পুলিশ পরিচয়ে কিশোরীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ!
আরও পড়ুন
ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল এক দেশ 
যুক্তরাষ্ট্রকে ৫ দিনের আলটিমেটাম ইরানের
বিশ্ববাজারে আবারও কমলো জ্বালানি তেলের দাম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্টের বৈঠক