ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

ইরান যুদ্ধে না জড়িয়েও বড় বিপদের মুখে জার্মানি! 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে সরাসরি সামরিক কোনো সংঘাতে লিপ্ত না থেকেও ইরান ইস্যুতে বড় ধরনের অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়তে যাচ্ছে জার্মানি। ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে দেশটির কর্পোরেট খাতে দেউলিয়া হওয়ার হার উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গেছে। এর ফলে জার্মানির শ্রমবাজারে বড় ধরনের ধস নামার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে এবং অন্তত দুই লাখ কর্মীর চাকরি হারানোর ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

মূলত মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার আঁচ লেগেছে জার্মানির উৎপাদন ও বাণিজ্য খাতে, যা দেশটির শিল্পোদ্যোক্তাদের জন্য এক কঠিন পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।

জার্মানিতে কর্পোরেট দেউলিয়াত্বের কারণে এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির আশঙ্কা ব্যক্ত করেছে ক্রেডিট ইনস্যুরার অ্যালিয়েঞ্জ ট্রেড। প্রতিষ্ঠানটি তাদের সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবে দেশটির ব্যবসায়িক কাঠামো ভেঙে পড়ছে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য যুদ্ধের দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব। এসব কারণে জার্মানির অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এখন বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছে। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর যে গত ১৪ বছরের মধ্যে এ বছর দেউলিয়াত্বের সংখ্যা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

অ্যালিয়েঞ্জ ট্রেডের জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও সুইজারল্যান্ড শাখার প্রধান মিলো বোগার্টস জানান, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি বিশ্ব অর্থনীতিকে যে স্থবিরতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে, তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে ইউরোপের বৃহত্তম অর্থনীতিতে।

তিনি বলেন, কর্পোরেট দেউলিয়াত্বের যে ধারা শুরু হয়েছে তাতে এ বছর জার্মানিতে দেউলিয়া হওয়ার ঘটনা গত বছরের তুলনায় প্রায় ২.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। সব মিলিয়ে বছরে ২৪ হাজার ৬৫০টি কোম্পানি দেউলিয়া হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে, যা দেশটির কর্মসংস্থান পরিস্থিতির ওপর সরাসরি আঘাত আনছে।

আরও পড়ুন

গত বছরের পরিসংখ্যানেও এমন অশনি সংকেতের দেখা মিলেছিল। জার্মানির ফেডারেল স্ট্যাটিস্টিক্যাল অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর স্থানীয় আদালতগুলোতে ২৪ হাজার ৬৪টি দেউলিয়াত্বের মামলা নথিভুক্ত হয়েছিল। যা তার আগের বছরের তুলনায় প্রায় ১০.৩ শতাংশ বেশি ছিল।

তবে এ পরিস্থিতি কেবল জার্মানি নয়, বরং বৈশ্বিক পর্যায়েও উদ্বেগজনক। অ্যালিয়েঞ্জ ট্রেডের মতে, সামগ্রিকভাবে বিশ্বব্যাপী কর্পোরেট দেউলিয়াত্বের হার ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা তাদের পূর্বের পূর্বাভাস সংশোধন করে এই আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সরবরাহ ব্যবস্থা বা সাপ্লাই চেইন ভেঙে পড়া এবং জ্বালানি সংকটের মতো বিষয়গুলো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরাসরি ক্ষতির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। বিশেষ করে যেসব প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ওপর বেশি নির্ভরশীল, তারা এই মন্দার কবলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তবে পরিস্থিতির সামান্য উন্নতির একটি ক্ষীণ আশা দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মূল্যায়ন অনুযায়ী, আগামী বছরে জার্মানিতে দেউলিয়া হওয়ার সংখ্যা ২ শতাংশ কমে ২৪ হাজার ১৫০টিতে নেমে আসতে পারে। যুদ্ধজনিত উত্তেজনা যদি ধীরে ধীরে প্রশমিত হয় এবং সরকার যদি অর্থনৈতিক পদক্ষেপগুলো কার্যকর করতে পারে, তবে জার্মানি আবার ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পাবে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তরের প্রশংসাপত্র পেলেন বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ফরিদ আহাম্মদ রনি
বাংলাদেশের আলোকচিত্রী ও লেখক ফরিদ আহাম্মদ রনির আলোকচিত্রভিত্তিক গ্রন্থ ‘প্যারিসের ছবি’ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর হাতে গ্রন্থটি উপহার দেওয়ার পর এবার রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে পাওয়া আনুষ্ঠানিক প্রশংসাপত্র তার সৃজনশীল উদ্যোগকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। ২০২৫ সালের ৩০ অক্টোবর ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর হাতে নিজের প্রকাশিত গ্রন্থ ‘প্যারিসের ছবি’ তুলে দেওয়ার সুযোগ পান ফরিদ আহাম্মদ রনি। প্যারিসের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সৌন্দর্যকে আলোকচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা এই গ্রন্থ রাষ্ট্রপতির হাতে পৌঁছে দেওয়া তার দীর্ঘদিনের সৃজনশীল যাত্রার একটি স্মরণীয় ঘটনা। এর আগে ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তর এবং প্যারিসের মেয়র দপ্তর থেকেও গ্রন্থটির জন্য প্রশংসাপত্র ও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়ার কথা জানান লেখক। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের ২০ অক্টোবর ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে প্রাপ্ত আনুষ্ঠানিক চিঠি তার এই উদ্যোগে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। প্রাপ্ত চিঠিতে গ্রন্থটি উপহার দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি ফ্রান্সের সাংস্কৃতিক মর্যাদা ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশটির ভাবমূর্তি তুলে ধরার ক্ষেত্রে লেখকের উদ্যোগের প্রশংসা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ফ্রান্স ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং সাংস্কৃতিক বন্ধন সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে তার অবদানের স্বীকৃতিও উল্লেখ করা হয়েছে। ‘প্যারিসের ছবি’ কেবল একটি আলোকচিত্রের বই নয়, বরং ফ্রান্সের রাজধানীর ইতিহাস, স্থাপত্য, শিল্প, সংস্কৃতি ও নগরজীবনের এক নান্দনিক উপস্থাপনা। গ্রন্থটিতে আইফেল টাওয়ার, লুভর জাদুঘর, ঐতিহাসিক স্থাপনা, ভাস্কর্য, নগরজীবন এবং প্যারিসের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আলোকচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। বাংলা, ইংরেজি ও ফরাসি ভাষায় প্রকাশিত গ্রন্থটি বাংলাদেশের প্রকাশনা ও আলোকচিত্রচর্চার আন্তর্জাতিক পরিচিতি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে। বহুভাষিক উপস্থাপনার মাধ্যমে বইটি বাংলাদেশ, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশের পাঠক ও শিল্পানুরাগীদের কাছে প্যারিসের সৌন্দর্য ও ঐতিহ্য তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদনেও গ্রন্থটির বহুভাষিক প্রকাশনা এবং ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির হাতে পৌঁছানোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে। ফরিদ আহাম্মদ রনির এই গ্রন্থ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের কাছে পৌঁছেছে। ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর পাশাপাশি প্যারিসের সাবেক মেয়র আন্নে ইদালগোর হাতেও বইটি তুলে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্যারিসের ঐতিহাসিক গ্রঁ পালে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ChangeNOW Summit-এ মোনাকোর যুবরাজ প্রিন্স আলবার্ট দ্বিতীয়, ফ্রান্সের সাবেক প্রধানমন্ত্রী লরাঁ ফাবিউস এবং জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল মেলিসা ফ্লেমিংয়ের হাতেও গ্রন্থটি পৌঁছে দেন তিনি। ২০২৬ সালের জুনে প্যারিসের বর্তমান মেয়র ইমানুয়েল গ্রেগোয়ারের কাছেও গ্রন্থটি উপহার দেওয়া হয়। একই বছরের আগস্টে ফ্রান্সের সাবেক রাষ্ট্রপতি ফ্রাঁসোয়া ওলান্দের হাতেও বইটি তুলে দেওয়ার খবর প্রকাশিত হয়। ফ্রান্স ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ওপর প্রতিষ্ঠিত। শিল্প, সাহিত্য, আলোকচিত্র ও সংস্কৃতির মাধ্যমে দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ আরও গভীর করার সুযোগ রয়েছে। ফরিদ আহাম্মদ রনির ‘প্যারিসের ছবি’ সেই সাংস্কৃতিক যোগাযোগের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। একজন বাংলাদেশি আলোকচিত্রীর দৃষ্টিতে ফ্রান্সের রাজধানীকে আন্তর্জাতিক পাঠকের সামনে তুলে ধরার এই প্রচেষ্টা দুই দেশের সাংস্কৃতিক বিনিময়কে নতুনভাবে পরিচিত করার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে পাওয়া আনুষ্ঠানিক প্রশংসাপত্র তার ব্যক্তিগত সৃজনশীল অর্জনের পাশাপাশি বাংলাদেশের আলোকচিত্র ও প্রকাশনা জগতের জন্যও অনুপ্রেরণার বিষয়। সংস্কৃতির কোনো ভৌগোলিক সীমারেখা নেই। শিল্প ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে মানুষে মানুষে সম্পর্ক গড়ে ওঠে, দেশ থেকে দেশে তৈরি হয় বন্ধুত্বের সেতু। ‘প্যারিসের ছবি’ সেই সেতুবন্ধনেরই একটি নান্দনিক প্রয়াস, যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। আরটিভি/টিআর
ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তরের প্রশংসাপত্র পেলেন বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ফরিদ আহাম্মদ রনি
বিশ্ববাজারে বাড়ল সোনার দাম
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের পর ডলারের দরপতনে বিশ্ববাজারে সোনার দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
বিশ্ববাজারে বাড়ল সোনার দাম
নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হলেন লেটিশিয়া জেমস
নিউ ইয়র্ক অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে পুনর্নির্বাচনের লড়াইয়ে জয়ী হয়েছেন লেটিশিয়া জেমস। তিনি রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী সারিতা কোমাতিরেডিকে পরাজিত করেছেন বলে ঘোষণা করেছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস। স্থানীয় সময় বুধবার (৪ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে এই নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়, যেখানে জেমস ৬০ শতাংশেরও বেশি ভোট পেয়েছেন বলে জানা গেছে। ২০১৯ সাল থেকে জেমস নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি কর্মজীবী ​​পরিবারগুলোর ব্যয় কমানো, অপরাধীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং নিউ ইয়র্কবাসীর অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করেছেন। দায়িত্বকালে গত সাত বছরে তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ৫০ বারেরও বেশি মামলা করেছেন। ২০২০ সালে ট্রাম্প কোমাতিরেডিকে নিউ ইয়র্কের পূর্বাঞ্চলীয় ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারক হিসেবে মনোনীত করেছিলেন। তিনি নিউ ইয়র্কে নিরাপত্তা বৃদ্ধি, মানসিক অসুস্থতার মোকাবিলা এবং নিউ ইয়র্কবাসীর অধিকার রক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আরটিভি/টিআর
নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হলেন লেটিশিয়া জেমস
নিজেদের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার পেতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের হারিয়ে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নিয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। এরই ধারাবাহিকতায় এবার মার্কিন কংগ্রেসে নতুন ইতিহাস গড়ার পথে রয়েছেন ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফ্রিস। 
নিজেদের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার পেতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে যে ৫ কারণে ভরাডুবি হলো রিপাবলিকানদের
এবারের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের ব্যাপকতাকে হোয়াইট হাউজে ট্রাম্পের দুই বছরের শাসনের বিরুদ্ধে মার্কিন ভোটারদের জোরালো প্রত্যাখ্যান হিসেবে দেখা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে যে ৫ কারণে ভরাডুবি হলো রিপাবলিকানদের
আরও পড়ুন
এবার জেন-জি বিক্ষোভে উত্তাল জার্মানি, পুলিশের ওপর ককটেল নিক্ষেপ
বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জার্মানি: উপমন্ত্রী
জার্মানি ও চেক প্রজাতন্ত্র সফর করলেন বিমানবাহিনী প্রধান
যুক্তরাষ্ট্রে ৪ বিলিয়ন ডলারের কারখানা গড়ছে গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘অডি’