ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

নদী, বন, বিমানবন্দর কিংবা সেনাবাহিনী ছাড়াও টিকে আছে যেসব দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ মে ২০২৬, ০৯:৫৩ এএম
ছবি: সংগৃহীত

আধুনিক বিশ্বের একটি দেশের কথা ভাবলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে নদী, বনভূমি, কৃষিজমি, বিমানবন্দর কিংবা শক্তিশালী সেনাবাহিনীর ছবি। কিন্তু পৃথিবীর সব দেশ এক রকম নয়। ভৌগোলিক বৈচিত্র্য, জলবায়ু ও ইতিহাসের কারণে এমন অনেক দেশ রয়েছে, যেখানে এসব গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যের এক বা একাধিকই অনুপস্থিত। তবুও সেসব দেশ নিজস্ব ব্যবস্থায় টিকে আছে এবং উন্নয়নও করছে।

নিচে এমন কিছু ব্যতিক্রমধর্মী দেশের তালিকা তুলে ধরা হলোঃ

নদীবিহীন সবচেয়ে বড় দেশ

বিশ্বে এমন কয়েকটি দেশ রয়েছে, যেখানে স্থায়ী কোনও নদী নেই।

সৌদি আরব: প্রায় ২১ লাখ ৫০ হাজার বর্গকিলোমিটার আয়তন নিয়ে নদীবিহীন বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশ।

ইয়েমেন: ৫ লাখ ২৭ হাজার ৯৬৮ বর্গকিলোমিটার আয়তন নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে।

ওমান: ৩ লাখ ৯ হাজার ৫০১ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই দেশ তালিকায় তৃতীয়।

কুয়েত: প্রায় ১৭ হাজার ৮১৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই দেশও নদীহীন।

বনভূমিহীন সবচেয়ে বড় দেশ

কিছু দেশে বনভূমির পরিমাণ অত্যন্ত কম, কোথাও আবার কার্যত বনই নেই।

গ্রিনল্যান্ড: ২১ লাখের বেশি বর্গকিলোমিটার আয়তন নিয়ে বনভূমিহীন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভূখণ্ড।

ওমান: বনভূমির স্বল্পতার কারণে তালিকায় দ্বিতীয়।

কাতার: মরুভূমিপ্রধান এই দেশে বনভূমি প্রায় নেই বললেই চলে।

সান মারিনো: ক্ষুদ্র এই ইউরোপীয় রাষ্ট্রটিও বনভূমিহীন দেশের তালিকায় রয়েছে।

কৃষিজমিহীন দেশ

জনবহুল হলেও কিছু দেশে কার্যত কোনও কৃষিজমি নেই।

সিঙ্গাপুর: ৭২১.৫ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই নগররাষ্ট্র কৃষিজমিহীন দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড়।

মোনাকো: বিশ্বের অন্যতম ক্ষুদ্র ও ঘনবসতিপূর্ণ দেশ।

ভ্যাটিকান সিটি: বিশ্বের ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র, যেখানে কৃষিকাজের সুযোগ নেই।

বিমানবন্দরহীন দেশ

নিজস্ব বিমানবন্দর ছাড়াও কিছু দেশ আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বজায় রাখছে পাশের দেশের ওপর নির্ভর করে।

অ্যান্ডোরা: বিমানবন্দর না থাকা দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড়।

লিশটেনস্টাইন: ছোট আয়তনের এই দেশটিরও নিজস্ব বিমানবন্দর নেই।

সান মারিনো: ৬১.২ বর্গকিলোমিটার আয়তন এবং প্রায় ৩৩ হাজার ৪০০ জনসংখ্যার এই দেশ তালিকায় তৃতীয়।

মোনাকো: ২০২ হেক্টর আয়তন এবং প্রায় ৩৮ হাজার ৭০০ জনসংখ্যা নিয়ে এর অবস্থান চতুর্থ।

ভ্যাটিকান সিটি: ৪৪ হেক্টর আয়তন এবং ১ হাজার জনসংখ্যার ভ্যাটিকান সিটি বিমানবন্দরহীন পঞ্চম বৃহত্তম দেশ।

সেনাবাহিনীহীন দেশ

বিশ্বে কয়েকটি দেশ রয়েছে, যাদের কোনও স্থায়ী সেনাবাহিনী নেই।

আইসল্যান্ড: স্থায়ী সেনাবাহিনী ছাড়া বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশ।

পানামা: ১৯৯০ সালের পর দেশটি সেনাবাহিনী বিলুপ্ত করে।

কোস্টারিকা: দীর্ঘদিন ধরেই সেনাবাহিনী ছাড়া পরিচালিত হচ্ছে।

ভানুয়াতু: প্রায় ১৩ বর্গকিলোমিটার আয়তন এবং ২ লাখ ৭৬ হাজার ২৪৪ জনসংখ্যার ভানুয়াতু তালিকায় চতুর্থ।

মরিশাস: ২ হাজার ৪০ বর্গকিলোমিটার আয়তন এবং ১২ লাখ ৬৫ হাজার জনসংখ্যার এই দেশ তালিকায় পঞ্চম।

মোনাকো: ২০২ হেক্টর আয়তন এবং ৩৮ হাজার ৬৯৫ জন জনসংখ্যা নিয়ে এই তালিকায় মোনাকো ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে।

পাহাড়-পর্বতহীন বা অত্যন্ত সমতল দেশ

বিশ্বের কিছু দেশ এতটাই সমতল যে তাদের সর্বোচ্চ বিন্দুও খুব কম উচ্চতার।

ডেনমার্ক: দেশটির সর্বোচ্চ বিন্দুর উচ্চতা মাত্র ১৭১ মিটার।

কাতার: কাতারের সর্বোচ্চ বিন্দুর উচ্চতা ১০৩ মিটার।

গাম্বিয়া: দেশটির সর্বোচ্চ বিন্দুর উচ্চতা মাত্র ৫৮ মিটার।

মালদ্বীপ: মালদ্বীপের সর্বোচ্চ বিন্দুর উচ্চতা মাত্র ২ মিটার।

উপকূলহীন সবচেয়ে বড় দেশ

সমুদ্রসৈকত বা মহাসাগরের সংযোগ ছাড়াও টিকে আছে বহু বড় রাষ্ট্র।

কাজাখস্তান: ২৭ লাখ ২৫ হাজার বর্গকিলোমিটার আয়তন নিয়ে এটি সমুদ্র উপকূলহীন বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশ।

মঙ্গোলিয়া: ১৫ লাখ ৬৪ হাজার বর্গকিলোমিটার আয়তন নিয়ে তালিকায় এর অবস্থান দ্বিতীয়।

চাদ: ১২ লাখ ৮৪ হাজার বর্গকিলোমিটার আয়তন নিয়ে চাদ তালিকায় তৃতীয়।

নাইজার: ১২ লাখ ৬৮ হাজার বর্গকিলোমিটার আয়তন নিয়ে অবস্থান চতুর্থ।

মালি: ১২ লাখ ৪১ হাজার বর্গকিলোমিটার আয়তন নিয়ে এটি উপকূলহীন পঞ্চম বৃহত্তম দেশ।

ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ স্থানহীন দেশ

জাতিসংঘের ইউনেস্কো স্বীকৃত কোনও বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান নেই এমন দেশও রয়েছে। এই তালিকায় সবচেয়ে বড় দেশ।

সোমালিয়া: ৬ লাখ ৩৭ হাজার ৬৫৫ বর্গকিলোমিটার আয়তনের সোমালিয়া কোনও ইউনেস্কো হেরিটেজ সাইট না থাকা বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশ।

দক্ষিণ সুদান: ৬ লাখ ১৯ হাজার ৭৪৫ বর্গকিলোমিটার আয়তন নিয়ে এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দেশটি।

গায়ানা: ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৬৯ বর্গকিলোমিটার আয়তন নিয়ে গায়ানার অবস্থান তৃতীয়।

লাইবেরিয়া: ১ লাখ ১১ হাজার ৩৬৯ বর্গকিলোমিটার আয়তন নিয়ে লাইবেরিয়া এই তালিকায় চতুর্থ বৃহত্তম দেশ।

অলিম্পিক পদকহীন জনবহুল দেশ

বড় জনসংখ্যা থাকা সত্ত্বেও কিছু দেশ এখনো অলিম্পিকে কোনও পদক জিততে পারেনি।

বিপুল জনসংখ্যা থাকা সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত অলিম্পিকে কোনও পদক না পাওয়া কিছু দেশ:

বাংলাদেশ: ইউএসএ টুডে-এর তথ্য অনুসারে, ১৬ কোটি ৪৭ লাখ জনসংখ্যার বাংলাদেশ অলিম্পিক পদক না পাওয়া বিশ্বের সবচেয়ে জনসংখ্যাবহুল দেশ।

মিয়ানমার: দেশটির জনসংখ্যা ৫ কোটি ৩৩ লাখ ৭০ হাজার, কিন্তু কোনও অলিম্পিক পদক নেই।

অ্যাঙ্গোলা: ২ কোটি ৯৭ লাখ ৮০ হাজার জনসংখ্যার এই দেশের ঝুলিতেও কোনও পদক নেই।

মাদাগাস্কার: ২ কোটি ৫৫ লাখ ৭০ হাজার জনসংখ্যা হলেও কোনও পদক পায়নি।

কম্বোডিয়া: ১ কোটি ৬০ লাখ মানুষের এই দেশেও কোনও অলিম্পিক পদক নেই।

বিশ্বের এসব দেশ প্রমাণ করে, একটি দেশের অস্তিত্ব ও উন্নয়ন কেবল প্রাকৃতিক সম্পদ বা প্রচলিত অবকাঠামোর ওপর নির্ভর করে না। ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও অনেক দেশ নিজেদের বিশেষ ব্যবস্থাপনা, অর্থনীতি ও কৌশলের মাধ্যমে টিকে আছে এবং বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তরের প্রশংসাপত্র পেলেন বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ফরিদ আহাম্মদ রনি
বাংলাদেশের আলোকচিত্রী ও লেখক ফরিদ আহাম্মদ রনির আলোকচিত্রভিত্তিক গ্রন্থ ‘প্যারিসের ছবি’ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর হাতে গ্রন্থটি উপহার দেওয়ার পর এবার রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে পাওয়া আনুষ্ঠানিক প্রশংসাপত্র তার সৃজনশীল উদ্যোগকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। ২০২৫ সালের ৩০ অক্টোবর ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর হাতে নিজের প্রকাশিত গ্রন্থ ‘প্যারিসের ছবি’ তুলে দেওয়ার সুযোগ পান ফরিদ আহাম্মদ রনি। প্যারিসের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সৌন্দর্যকে আলোকচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা এই গ্রন্থ রাষ্ট্রপতির হাতে পৌঁছে দেওয়া তার দীর্ঘদিনের সৃজনশীল যাত্রার একটি স্মরণীয় ঘটনা। এর আগে ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তর এবং প্যারিসের মেয়র দপ্তর থেকেও গ্রন্থটির জন্য প্রশংসাপত্র ও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়ার কথা জানান লেখক। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের ২০ অক্টোবর ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে প্রাপ্ত আনুষ্ঠানিক চিঠি তার এই উদ্যোগে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। প্রাপ্ত চিঠিতে গ্রন্থটি উপহার দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি ফ্রান্সের সাংস্কৃতিক মর্যাদা ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশটির ভাবমূর্তি তুলে ধরার ক্ষেত্রে লেখকের উদ্যোগের প্রশংসা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ফ্রান্স ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং সাংস্কৃতিক বন্ধন সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে তার অবদানের স্বীকৃতিও উল্লেখ করা হয়েছে। ‘প্যারিসের ছবি’ কেবল একটি আলোকচিত্রের বই নয়, বরং ফ্রান্সের রাজধানীর ইতিহাস, স্থাপত্য, শিল্প, সংস্কৃতি ও নগরজীবনের এক নান্দনিক উপস্থাপনা। গ্রন্থটিতে আইফেল টাওয়ার, লুভর জাদুঘর, ঐতিহাসিক স্থাপনা, ভাস্কর্য, নগরজীবন এবং প্যারিসের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আলোকচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। বাংলা, ইংরেজি ও ফরাসি ভাষায় প্রকাশিত গ্রন্থটি বাংলাদেশের প্রকাশনা ও আলোকচিত্রচর্চার আন্তর্জাতিক পরিচিতি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে। বহুভাষিক উপস্থাপনার মাধ্যমে বইটি বাংলাদেশ, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশের পাঠক ও শিল্পানুরাগীদের কাছে প্যারিসের সৌন্দর্য ও ঐতিহ্য তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদনেও গ্রন্থটির বহুভাষিক প্রকাশনা এবং ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির হাতে পৌঁছানোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে। ফরিদ আহাম্মদ রনির এই গ্রন্থ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের কাছে পৌঁছেছে। ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর পাশাপাশি প্যারিসের সাবেক মেয়র আন্নে ইদালগোর হাতেও বইটি তুলে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্যারিসের ঐতিহাসিক গ্রঁ পালে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ChangeNOW Summit-এ মোনাকোর যুবরাজ প্রিন্স আলবার্ট দ্বিতীয়, ফ্রান্সের সাবেক প্রধানমন্ত্রী লরাঁ ফাবিউস এবং জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল মেলিসা ফ্লেমিংয়ের হাতেও গ্রন্থটি পৌঁছে দেন তিনি। ২০২৬ সালের জুনে প্যারিসের বর্তমান মেয়র ইমানুয়েল গ্রেগোয়ারের কাছেও গ্রন্থটি উপহার দেওয়া হয়। একই বছরের আগস্টে ফ্রান্সের সাবেক রাষ্ট্রপতি ফ্রাঁসোয়া ওলান্দের হাতেও বইটি তুলে দেওয়ার খবর প্রকাশিত হয়। ফ্রান্স ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ওপর প্রতিষ্ঠিত। শিল্প, সাহিত্য, আলোকচিত্র ও সংস্কৃতির মাধ্যমে দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ আরও গভীর করার সুযোগ রয়েছে। ফরিদ আহাম্মদ রনির ‘প্যারিসের ছবি’ সেই সাংস্কৃতিক যোগাযোগের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। একজন বাংলাদেশি আলোকচিত্রীর দৃষ্টিতে ফ্রান্সের রাজধানীকে আন্তর্জাতিক পাঠকের সামনে তুলে ধরার এই প্রচেষ্টা দুই দেশের সাংস্কৃতিক বিনিময়কে নতুনভাবে পরিচিত করার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে পাওয়া আনুষ্ঠানিক প্রশংসাপত্র তার ব্যক্তিগত সৃজনশীল অর্জনের পাশাপাশি বাংলাদেশের আলোকচিত্র ও প্রকাশনা জগতের জন্যও অনুপ্রেরণার বিষয়। সংস্কৃতির কোনো ভৌগোলিক সীমারেখা নেই। শিল্প ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে মানুষে মানুষে সম্পর্ক গড়ে ওঠে, দেশ থেকে দেশে তৈরি হয় বন্ধুত্বের সেতু। ‘প্যারিসের ছবি’ সেই সেতুবন্ধনেরই একটি নান্দনিক প্রয়াস, যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। আরটিভি/টিআর
ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তরের প্রশংসাপত্র পেলেন বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ফরিদ আহাম্মদ রনি
বিশ্ববাজারে বাড়ল সোনার দাম
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের পর ডলারের দরপতনে বিশ্ববাজারে সোনার দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
বিশ্ববাজারে বাড়ল সোনার দাম
নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হলেন লেটিশিয়া জেমস
নিউ ইয়র্ক অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে পুনর্নির্বাচনের লড়াইয়ে জয়ী হয়েছেন লেটিশিয়া জেমস। তিনি রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী সারিতা কোমাতিরেডিকে পরাজিত করেছেন বলে ঘোষণা করেছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস। স্থানীয় সময় বুধবার (৪ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে এই নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়, যেখানে জেমস ৬০ শতাংশেরও বেশি ভোট পেয়েছেন বলে জানা গেছে। ২০১৯ সাল থেকে জেমস নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি কর্মজীবী ​​পরিবারগুলোর ব্যয় কমানো, অপরাধীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং নিউ ইয়র্কবাসীর অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করেছেন। দায়িত্বকালে গত সাত বছরে তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ৫০ বারেরও বেশি মামলা করেছেন। ২০২০ সালে ট্রাম্প কোমাতিরেডিকে নিউ ইয়র্কের পূর্বাঞ্চলীয় ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারক হিসেবে মনোনীত করেছিলেন। তিনি নিউ ইয়র্কে নিরাপত্তা বৃদ্ধি, মানসিক অসুস্থতার মোকাবিলা এবং নিউ ইয়র্কবাসীর অধিকার রক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আরটিভি/টিআর
নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হলেন লেটিশিয়া জেমস
নিজেদের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার পেতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের হারিয়ে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নিয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। এরই ধারাবাহিকতায় এবার মার্কিন কংগ্রেসে নতুন ইতিহাস গড়ার পথে রয়েছেন ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফ্রিস। 
নিজেদের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার পেতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে যে ৫ কারণে ভরাডুবি হলো রিপাবলিকানদের
এবারের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের ব্যাপকতাকে হোয়াইট হাউজে ট্রাম্পের দুই বছরের শাসনের বিরুদ্ধে মার্কিন ভোটারদের জোরালো প্রত্যাখ্যান হিসেবে দেখা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে যে ৫ কারণে ভরাডুবি হলো রিপাবলিকানদের
আরও পড়ুন
ভালুকায় কয়েকশত কোটি টাকা মূল্যের বনভূমি উদ্ধার
মৌলভীবাজারে সংরক্ষিত বনভূমিতে উচ্ছেদ অভিযানকে ঘিরে অপপ্রচার, বিএফএ’র প্রতিবাদ
উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি হলে কঠোর ব্যবস্থা: মির্জা ফখরুল
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বর্জ্যে ৩০০ একর কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত