ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

বাবা-মায়ের ভালোবাসা না পেয়ে ‘ভার্চুয়াল মা-বাবার’ কাছে ছুটছেন তরুণরা! 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি

প্রকাশ : ২৭ জুন ২০২৬, ০৮:৩৩ এএম
বাবা-মায়ের ভালোবাসা না পেয়ে ‘ভার্চুয়াল মা-বাবার’ কাছে ছুটছেন তরুণরা!  । ছবি: সংগৃহীত

কাজের ফাঁকে ফাঁকে ফোন হাতে নেন ভিনসেন্ট। তবে বন্ধু বা সহকর্মীর বার্তা দেখার জন্য নয়, তিনি দেখেন তার ‘ভার্চুয়াল মা-বাবার’ নতুন ভিডিও। পর্দার ওপারে থাকা এক মধ্যবয়সী দম্পতি প্রতিদিন হাজারো তরুণকে স্নেহভরা কথায় সাহস জোগান। আর সেই কারণেই দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এই নতুন প্রবণতা। এমনটাই জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ভার্চুয়াল মা-বাবা’ নামে পরিচিত একদল কনটেন্ট নির্মাতা এখন লাখো তরুণের ভরসার জায়গা। তাদের ভিডিওতে শোনা যায়— ‘কাজের চাপে ক্লান্ত? নিজেকে এতটা কষ্ট দিও না। মা-বাবা জানে, তুমি অনেক কিছু সহ্য করছ।’ এমন কথাতেই যেন খুঁজে পান অনেক তরুণ হারিয়ে যাওয়া মানসিক শান্তি।

সাংহাইয়ের প্রযুক্তিকর্মী ৩৩ বছর বয়সী ভিনসেন্ট বিবিসিকে জানান, তার নিজের বাবা-মা কখনও বলেননি, ‘তুমি যথেষ্ট ভালো’ কিংবা ‘নিজেকে এতটা কষ্ট দিও না।’ বরং প্রতিবার ফোনে কথা বললেই তাকে চাকরি, বিয়ে কিংবা জীবনের নানা সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা শুনতে হয়। তাই তিনি মানসিক স্বস্তি খুঁজে পান এই ভার্চুয়াল মা-বাবার ভিডিওতে।

এই দম্পতির একজন বিবিসিকে জানান, ছোটবেলায় তিনিও পরিবারের কাছ থেকে উৎসাহ পাননি। তাই নিজের সন্তানের জন্য তিনি ভিন্ন পরিবেশ গড়ে তুলতে চেয়েছেন। সেই অভিজ্ঞতাই এখন ভিডিওর মাধ্যমে ভাগ করে নিচ্ছেন লাখো মানুষের সঙ্গে।

আরও পড়ুন

বিশেষজ্ঞদের মতে, অর্থনৈতিক চাপ, চাকরির অনিশ্চয়তা এবং পরিবারের বাড়তি প্রত্যাশার কারণে চীনের অনেক তরুণ মানসিকভাবে চাপে রয়েছেন। ফলে তারা এমন মানুষের খোঁজ করছেন, যারা বিচার না করে শুধু তাদের কথা শুনবে এবং সাহস দেবে।

অনেকের মতে, এই প্রবণতা শুধু বিনোদন নয়, বরং মানসিক সমর্থনের একটি নতুন মাধ্যম। যদিও কেউ কেউ মনে করেন, এসব ভিডিও এখন বাণিজ্যিকভাবেও তৈরি হচ্ছে। তবু অনেক তরুণের কাছে সামান্য কিছু স্নেহভরা কথাও মানসিক শক্তি জোগায়।

বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, পরিবারের সঙ্গে দূরত্ব বাড়লে মানুষ বিকল্প আবেগের আশ্রয় খুঁজে নেয়। আর সেই কারণেই এখন বাস্তবের বদলে পর্দার ওপারের ‘ভার্চুয়াল মা-বাবা’ অনেক তরুণের কাছে হয়ে উঠছেন মানসিক ভরসার নতুন ঠিকানা।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সৌদির ভিসা ব্যবস্থায় নতুন সুবিধা!
শনিবার (৭ নভেম্বর) সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পর্যটন মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এ ঘোষণা দেয়।
সৌদির ভিসা ব্যবস্থায় নতুন সুবিধা!
বিয়ে নিয়ে বিরোধ, জলপ্রপাতে ঘুরতে গিয়ে প্রেমিকার সঙ্গে যে কাণ্ড ঘটালেন যুবক
চার বছরের সম্পর্ক ২৩ বছর বয়সী তরুণী রক্ষিতা সারিকার ও ২৯ বছর বয়সী বাসাপ্পা সাতান্নাভারের। কিন্তু বিয়ে কথা বললেই বেঁকে বসে প্রেমিকা। এর জেরে রক্ষিতাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে সাতান্নাভারের বিরুদ্ধে। ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের গোকাক জলপ্রপাতে প্রেমিকাকে ঘুরতে নিয়ে গিয়ে রক্ষিতাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পরে জলপ্রপাতের কাছের একটি পাহাড়ি ঢালে তার মরদেহ ফেলে পালিয়ে যান অভিযুক্ত। অভিযুক্ত বাসাপ্পা সাতান্নাভার ভারতের সশস্ত্র সীমা বলের (এসএসবি) বিহারে অবস্থিত ২১তম ব্যাটালিয়নের একজন কনস্টেবল। তার বাড়ি কর্ণাটকের বেলগাভি জেলায়। পুলিশের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, রক্ষিতা ও বাসাপ্পার মধ্যে চার বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বাসাপ্পা তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন। তবে বিয়ে নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই বিরোধ হতো। পুলিশ জানায়, গত ২৮ অক্টোবর বিয়ে ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার কথা বলে রক্ষিতাকে গোকাক জলপ্রপাতে ঘুরতে নিয়ে যান বাসাপ্পা। সেখানে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে বাসাপ্পা রক্ষিতাকে মারধর করেন, কানে আঘাত করেন এবং পরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে জলপ্রপাতের কাছের একটি পাহাড়ি ঢালে মরদেহ ফেলে ঘটনাস্থল থেকে তিনি পালিয়ে যান বলেও অভিযোগ করে পুলিশ। এদিকে রক্ষিতা বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তার খোঁজ শুরু করেন। পরে ১ নভেম্বর থানায় নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করার পর তদন্তে নেমে হত্যাকাণ্ডের তথ্য উদ্‌ঘাটন করে পুলিশ। একই সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের পর রক্ষিতাকে হত্যার অভিযোগে বাসাপ্পাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, তাকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আরো তদন্ত চলছে। আরটিভি/এসআর  
বিয়ে নিয়ে বিরোধ, জলপ্রপাতে ঘুরতে গিয়ে প্রেমিকার সঙ্গে যে কাণ্ড ঘটালেন যুবক
কত বুলডোজার আছে, আমার বুকের ওপর দিয়ে চালান: মমতা বন্দোপাধ্যায়
পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় বলেছেন, তোমাদের কাছে কতগুলো বুলডোজার আছে? এসো, আমি তোমাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছি। আমার শরীরের ওপর দিয়ে, আমার বুকের ওপর দিয়েই বুলডোজার চালিয়ে দাও। আমি দেখতে চাই তোমাদের কত সাহস! সংসদ সদস্য ও ভাইপো অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের বাসভবনে হামলা এবং কলকাতার কালীঘাটে ঐতিহ্যবাহী কালীপূজার আয়োজনে বাধার অভিযোগ তুলে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপির নেতাদের উদ্দেশ্যে এ কথা বলেন তিনি। ভারতের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এ খবর জানিয়েছে।  অভিষেক অভিযোগ করেন, শুক্রবার রাত ২টার দিকে কালীঘাট রোডে তার বাড়িতে হামলা চালিয়েছে বিজেপি-সমর্থিত দুর্বৃত্তরা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের একটি অংশের সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষের পর এ হামলা চালানো হয় বলে দাবি করেন তিনি। ঘটনাটিকে প্রাণনাশের চেষ্টা বলেও উল্লেখ করেন ডায়মন্ড হারবারের এই সংসদ সদস্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি ভিডিও পোস্ট করে অভিষেক লেখেন, দুই দিন ধরে একটানা নজরদারির পর আজ রাত ২টায় এভাবেই আমার বাড়িতে বিজেপির গুন্ডারা হামলা চালিয়েছে। ফুটেজ দেখুন এবং নিজেরাই বিচার করুন। একজন নির্বাচিত সংসদ সদস্যের সঙ্গে যদি এমন ঘটনা ঘটতে পারে, তাহলে পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষের অবস্থা কেমন হতে পারে, তা কল্পনা করুন। গত ছয় মাসে আমার প্রাণনাশের এটি সপ্তম চেষ্টা। অথচ পুলিশের কোনও পদক্ষেপ নেই, বিচার বিভাগেরও কোনও হস্তক্ষেপ নেই। এদিকে কালীঘাট এলাকায় ঐতিহ্যবাহী কালীপূজার আয়োজনেও বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন মমতা। তার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে হয়ে আসা কয়েকটি পূজার অনুমতি বাতিল করা হয়েছে। অথচ নতুন করে আয়োজন করা একটি পূজাকে প্রধান সড়কে করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, এই এলাকাটি কালীপূজার শোভাযাত্রার ঐতিহ্যবাহী পথ, তবে কালীপূজা ও দীপাবলির ঠিক মুখে উদযাপনে কেন বাধা দেওয়া হচ্ছে? বিজেপির কথিত বুলডোজার ব্যবহারের হুমকির জবাবে নিজের চ্যালেঞ্জ পুনর্ব্যক্ত করে তৃণমূল নেত্রী বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে দেওয়ার চেয়ে তিনি নিজে তার মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। আরটিভি/এসআর  
কত বুলডোজার আছে, আমার বুকের ওপর দিয়ে চালান: মমতা বন্দোপাধ্যায়
ইরানের কেশম দ্বীপে ফের হামলা, আলোচনায় অগ্রগতির দাবি ট্রাম্পের
ইরানের কেশম দ্বীপে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলার কথা নিশ্চিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরানের কেশম দ্বীপে ফের হামলা, আলোচনায় অগ্রগতির দাবি ট্রাম্পের
পশ্চিমাদের ছাড়িয়ে সামরিক হেলিকপ্টার সক্ষমতায় চীনের আধিপত্য
চীনের সামরিক হেলিকপ্টার সক্ষমতায় দ্রুত অগ্রগতি ঘটছে। বিশেষায়িত অ্যাটাক হেলিকপ্টার, আধুনিক পরিবহন হেলিকপ্টার এবং সাবমেরিনবিধ্বংসী ও উভচর অভিযানের উপযোগী নৌ-হেলিকপ্টার তৈরিতে দেশটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। ফলে সামরিক হেলিকপ্টার প্রযুক্তিতে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় ক্রমেই শক্ত অবস্থান তৈরি করছে বেইজিং। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) প্রকাশিত মিলিটারি ওয়াচ ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের সামরিক হেলিকপ্টার কর্মসূচি অন্যান্য সামরিক প্রকল্পের তুলনায় কম আলোচিত হলেও, এ খাতে দেশটির অগ্রগতি প্রতিরক্ষা শিল্পে স্বনির্ভরতা অর্জন এবং জটিল সামরিক অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রতিফলন। চীনের আক্রমণকারী হেলিকপ্টার বহরের অন্যতম প্রধান শক্তি জেড-১০। ২০০৩ সালে প্রথম উড্ডয়নের পর ২০১০ সালে এটি সামরিক বাহিনীতে যুক্ত হয়। দুই আসনবিশিষ্ট এই হেলিকপ্টার থেকে ট্যাংকবিধ্বংসী গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র, আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট ছোড়া যায়। এতে রয়েছে উন্নত ইলেকট্রো-অপটিক্যাল লক্ষ্য নির্ধারণ ব্যবস্থা এবং প্রতিরক্ষামূলক পাল্টাব্যবস্থা। পরবর্তী সংস্করণগুলোতে যুক্ত হয়েছে উন্নত বর্ম, সতর্কতামূলক সেন্সর ও দীর্ঘপাল্লার গাইডেড অস্ত্র। রপ্তানির জন্য তৈরি জেড-১০এমই সংস্করণে মূল রোটরের ওপরে মিলিমিটার-ওয়েভ রাডার সংযোজন করা হয়েছে। এ ছাড়া জেড-১০-এর পাশাপাশি জেড-১৯ হেলিকপ্টারও অনুসন্ধান ও আক্রমণ অভিযানে ব্যবহার করা হচ্ছে। চীনের হেলিকপ্টার সক্ষমতায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে বড় আকারের জেড-২১। ২০২৪ সালে প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে আসা এই হেলিকপ্টারকে দেশটির প্রথম ভারী অ্যাটাক হেলিকপ্টার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। জেড-১০-এর তুলনায় এতে উন্নত সুরক্ষাব্যবস্থা, বিস্তৃত সেন্সর এবং বেশি অস্ত্র বহনের সক্ষমতা রয়েছে। রাশিয়ার এমআই-২৮ ও কেএ-৫২ এবং যুক্তরাষ্ট্রের এএইচ-৬৪-এর মতো হেলিকপ্টারের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এদিকে, চীনের হেলিকপ্টার আধুনিকায়ন কর্মসূচির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ জেড-২০ সিরিজ। ২০১৩ সালে প্রথম উড্ডয়নের পর ২০১৯ সালে এটি সামরিক বাহিনীতে যুক্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। দুটি ডব্লিউজেড-১০ টার্বোশ্যাফট ইঞ্জিনচালিত এই হেলিকপ্টার সম্পূর্ণ সরঞ্জামসহ সর্বোচ্চ ১৩ জন সদস্য পরিবহন করতে পারে। আধুনিক অ্যাভিওনিকস, উন্নত প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ও বহুমুখী ব্যবহারের সক্ষমতার কারণে জেড-২০-এর একাধিক বিশেষ সংস্করণ তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে জেড-২০কে পরিবারের পরিবহন ও আক্রমণ সংস্করণ এবং সশস্ত্র অভিযানের জন্য তৈরি জেড-২০টি উল্লেখযোগ্য। জেড-২০টি থেকে গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট নিক্ষেপের পাশাপাশি বাহ্যিক জ্বালানি ট্যাংক বহন করা যায়। নৌবাহিনীর জন্য তৈরি জেড-২০এফ সংস্করণটি বিশেষভাবে সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধের উপযোগী। এতে রয়েছে পানির নিচে নামানো যায় এমন সোনার, সোনোবুই মোতায়েনের ব্যবস্থা এবং হালকা টর্পেডো বহনের সক্ষমতা। অন্যদিকে, জাহাজ থেকে পরিবহন ও আক্রমণ অভিযান পরিচালনার জন্য তৈরি হয়েছে জেড-২০জে সংস্করণ। এর ফলে চীনের যুদ্ধজাহাজ ও উভচর অভিযানে ব্যবহৃত জাহাজগুলো থেকে আরও বিস্তৃত সামরিক কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হবে। বিভিন্ন ধরনের সামরিক অভিযানে ব্যবহারের উপযোগী সংস্করণ থাকায় জেড-২০-কে চীনের অন্যতম বহুমুখী হেলিকপ্টার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি পুরোনো জেড-৮ সিরিজেও ব্যাপক আধুনিকায়ন করা হয়েছে। পরিবহন, অনুসন্ধান ও উদ্ধার, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ এবং আকাশপথে কমান্ড পরিচালনার মতো কাজে ব্যবহারের উপযোগী করে তোলা হয়েছে এই সিরিজের হেলিকপ্টারগুলোকে। তবে চীনের পরিবহন হেলিকপ্টার বহরে এখনো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে রাশিয়ার তৈরি এমআই-১৭ ও এমআই-১৭১। কঠিন পরিবেশে সামরিক অভিযান পরিচালনা এবং বিশেষায়িত সহায়তা প্রদানে এসব হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে, চীনের নৌবাহিনীতে রাশিয়ার কেএ-২৮ সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধের হেলিকপ্টার এবং কেএ-৩১ আকাশপথে রাডার পরিচালনার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, জাহাজ থেকে পরিচালনাযোগ্য জেড-২০-এর বিভিন্ন সংস্করণের উন্নয়ন অব্যাহত থাকলে চীনের নৌবাহিনীর সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধ ও উভচর আক্রমণ সক্ষমতা আরও বাড়বে। একই সঙ্গে পুরোনো রুশ হেলিকপ্টারগুলোর ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ধীরে ধীরে সেগুলো সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বেইজিংয়ের। এ ছাড়া আরও বেশি ভার বহনে সক্ষম একটি নতুন হেলিকপ্টার তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে চীনের। এটি বাস্তবায়িত হলে রাশিয়ার এমআই-২৬-এর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামতে পারবে বেইজিং। বর্তমানে ভারী মালামাল পরিবহনের সক্ষমতায় এমআই-২৬ বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় হেলিকপ্টার। সব মিলিয়ে, আক্রমণ, পরিবহন, নৌ-অভিযান ও সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজস্ব হেলিকপ্টার প্রযুক্তির বিকাশের মাধ্যমে সামরিক সক্ষমতা বাড়াচ্ছে চীন। এর মধ্য দিয়ে বৈশ্বিক সামরিক হেলিকপ্টার প্রযুক্তির প্রতিযোগিতায় দেশটির অবস্থান আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আরটিভি/এসকে
পশ্চিমাদের ছাড়িয়ে সামরিক হেলিকপ্টার সক্ষমতায় চীনের আধিপত্য
আরও পড়ুন
সুপ্রিম কোর্টে ভার্চুয়াল আদালত স্থগিত করে বিজ্ঞপ্তি জারি
ভার্চুয়াল কোর্টের ফলে মামলা পরিচালনায় গতি এসেছে: অ্যাটর্নি জেনারেল