ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

খামেনির শোকযাত্রায় নিহত আহমাদিনেজাদের দেখা মিলল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ জুলাই ২০২৬, ১১:২৭ এএম
নিহত আহমাদিনেজাদ। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শোকযাত্রায় জনসমক্ষে উপস্থিত হয়েছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ। যুদ্ধ শুরুর পর তাকে নিয়ে মৃত্যুর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লেও সোমবার(৬ জুলাই) রাজধানী তেহরানে শোকমিছিলে অংশ নিতে দেখা যায় তাকে।

কালো জ্যাকেট ও মুখে মাস্ক পরে শোকাহত মানুষের ভিড়ে হাঁটতে দেখা যায় আহমাদিনেজাদকে। যুদ্ধের প্রথম দিকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার সময় তার বাড়ির কাছে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার পর কয়েকটি রাষ্ট্রীয় ঘনিষ্ঠ গণমাধ্যমে তাকে নিহত বলে দাবি করা হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি জনসমক্ষে অনুপস্থিত থাকায় তার অবস্থান নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়। তবে সরকারিভাবে কখনো তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি।

এদিকে খামেনির শোকযাত্রায় অংশ নেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি, পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফসহ দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতারা।

অন্যদিকে ইরানের জীবিত দুই সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ খাতামি ও হাসান রুহানিকে শোকযাত্রায় দেখা যায়নি। বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, তাদের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলে সমালোচকদের দাবি।

নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিও এবার জনসমক্ষে উপস্থিত হননি। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তবে রোববার জানাজার নামাজে খামেনির তিন ছেলে মোস্তাফা, মাসউদ ও মেইসাম সামনের সারিতে অংশ নেন। বাবার মৃত্যুর পর এই প্রথম তাদের জনসমক্ষে দেখা যায়।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সম্প্রচারিত হেলিকপ্টার ভিডিওতে রাজধানী তেহরানজুড়ে বিপুল মানুষের সমাগম দেখা গেছে। কর্তৃপক্ষের ধারণা, জানাজা ও শোকযাত্রায় প্রায় দুই কোটি মানুষ অংশ নিতে পারেন।

শোকযাত্রায় অংশ নেওয়া জনতা স্লোগান দেন, আমার শহীদ নেতা, আপনার পথচলা অব্যাহত থাকবে। ইরানের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো খামেনির কফিনের সঙ্গে হামলায় নিহত তার পরিবারের সদস্যদের কফিনও একই ট্রাকে বহন করা হয়।

আরও পড়ুন

রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান শনিবার শুরু হয়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলবে। এরপর খামেনির মরদেহ তার জন্মস্থান মাশহাদে অবস্থিত ইমাম রেজার মাজারে দাফন করা হবে। এর আগে ইরানের কোম এবং ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় পৃথক শোকানুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জাপানে হঠাৎ জোড়া ভূমিকম্প
পূর্ব জাপানে মাত্র তিন ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। 
জাপানে হঠাৎ জোড়া ভূমিকম্প
জ্ঞান ফিরে পেয়েই যে প্রশ্ন করেন মৃত্যুদণ্ড ব্যর্থ হওয়া ক্রিস্টা পাইক
যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসিতে দুবার প্রাণঘাতী ইনজেকশন দেওয়ার পরও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যায়নি সাজাপ্রাপ্ত আসামি ক্রিস্টা পাইকের। গত ৩০ সেপ্টেম্বর পেন্টোবারবিটাল ইনজেকশন প্রয়োগের পরও বেঁচে যান তিনি। হাসপাতালে জ্ঞান ফেরার পর তার প্রথম প্রশ্ন ছিল, ‘আমি কোথায়?’ এবং ‘আপনি কে?’
জ্ঞান ফিরে পেয়েই যে প্রশ্ন করেন মৃত্যুদণ্ড ব্যর্থ হওয়া ক্রিস্টা পাইক
প্যারাসুট নিয়ে উড়োজাহাজ থেকে উধাও ছিনতাইকারী, অতঃপর...
শান্ত-সৌম্য চেহারা। পরনে স্যুট, গলায় টাই। হাতে ছোট একটি ব্রিফকেস। দেখলে মনে হতে পারে আর দশজন সাধারণ যাত্রীর মতোই তিনি। কিন্তু বিমানে ওঠার পরই বদলে যায় পুরো দৃশ্যপট। ব্রিফকেসে বোমা থাকার দাবি করে ছিনিয়ে নেন বিমান। এরপর ২ লাখ ডলার ও প্যারাসুট নিয়ে উড়ন্ত বিমান থেকে ঝাঁপ দেন অন্ধকারে। তারপর? আর কখনোই খুঁজে পাওয়া যায়নি তাকে। ঘটনাটি ১৯৭১ সালের ২৪ নভেম্বরের। যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগনের পোর্টল্যান্ড বিমানবন্দরে নর্থওয়েস্ট ওরিয়েন্ট এয়ারলাইন্সের কাউন্টারে এসে সিয়াটলের একটি একমুখী টিকিট কেনেন এক ব্যক্তি। টিকিটে নাম দেন ‘ড্যান কুপার’। বয়স আনুমানিক চল্লিশের মাঝামাঝি। বিমানে উঠে অর্ডার করেন বারবন ও সোডা। বিকেল ৩টার কিছু পর এক বিমানবালার হাতে একটি নোট তুলে দেন তিনি। নোটে লেখা ছিল, তার ব্রিফকেসে বোমা রয়েছে এবং বিমানবালাকে তার পাশে বসতে হবে। পরে ব্রিফকেসটি সামান্য খুলে তার ভেতরে তার ও লাল রঙের কাঠির মতো বস্তু দেখান তিনি। এরপর পাইলটের কাছে পাঠানো হয় তার দাবি। চারটি প্যারাসুট এবং ২০ ডলারের নোটে ২ লাখ মার্কিন ডলার দিতে হবে এটাই ছিল ছিনতাইকারীর শর্ত। সিয়াটলে বিমান অবতরণের পর মুক্তিপণের অর্থ ও প্যারাসুট বিমানে পৌঁছে দেওয়া হয়। এরপর ৩৬ যাত্রীকে ছেড়ে দেন তিনি। তবে কয়েকজন ক্রু সদস্যকে জিম্মি রেখে বিমানটিকে মেক্সিকো সিটির উদ্দেশে উড়াল দেওয়ার নির্দেশ দেন। রাত ৮টার কিছু পর। সিয়াটল ও রেনোর মাঝামাঝি কোথাও উড়ছিল বিমানটি। হঠাৎ বিমানের পেছনের অংশ দিয়ে প্যারাসুট ও মুক্তিপণের অর্থ নিয়ে অন্ধকারে ঝাঁপ দেন ওই ব্যক্তি। পাইলটরা বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করলেও এরপর আর কোনোদিন দেখা যায়নি তাকে। ঘটনার পর মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই শুরু করে ‘নরজ্যাক’ নামে বিশাল তদন্ত। বিমানে তল্লাশি চালানো হয়, শত শত মানুষের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। কয়েক বছরের মধ্যেই ৮০০ জনের বেশি সন্দেহভাজনের তালিকা তৈরি করা হয়। কিন্তু একে একে সবাই বাদ পড়তে থাকেন। তদন্তকারীরা বিমানে খুঁজে পান একটি কালো জে.সি. পেনি টাই। পরে সেখান থেকে ডিএনএ নমুনাও সংগ্রহ করা হয়। উদ্ধার করা হয় দুটি প্যারাসুট ও একটি ক্যানভাসের ব্যাগ। তবে ছিনতাইকারী কোন প্যারাসুট ব্যবহার করেছিলেন এবং লাফ দেওয়ার পর তার কী হয়েছিল তা আর নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার কয়েক মাস পর রিচার্ড ফ্লয়েড ম্যাককয় নামে এক ব্যক্তিকে একই ধরনের বিমান ছিনতাই ও প্যারাসুটে পালানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে বিমানবালাদের দেওয়া বর্ণনার সঙ্গে তার চেহারার মিল না থাকায় তাকে ডি.বি. কুপার হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। এদিকে, তদন্তকারীদের একটি বড় অংশের ধারণা, ভয়ংকর সেই লাফের পর হয়তো বেঁচেই ছিলেন না কুপার। কারণ তার ব্যবহৃত প্যারাসুটটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য ছিল না। তার পোশাক ও জুতা ছিল দুর্গম বনাঞ্চলে অবতরণের জন্য অনুপযোগী। তার ওপর ছিল রাতের অন্ধকার এবং প্রচণ্ড ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশ। তবে ১৯৮০ সালে রহস্যে যোগ হয় নতুন অধ্যায়। কলম্বিয়া নদীর কাছে এক বালক পচে যাওয়া একটি প্যাকেট খুঁজে পায়। ভেতরে ছিল ৫ হাজার ৮০০ ডলার। নোটগুলোর সিরিয়াল নম্বর পরীক্ষা করে দেখা যায়, সেগুলো কুপারকে দেওয়া মুক্তিপণের অর্থের সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। তাহলে কি নদী বা জঙ্গলে কোথাও মৃত্যুবরণ করেছিলেন কুপার? নাকি বিপুল অর্থ নিয়ে সফলভাবেই পালিয়ে গিয়েছিলেন তিনি? আরেকটি বিষয় নিয়েও রয়েছে বিভ্রান্তি। সংবাদমাধ্যমে ‘ডি.বি. কুপার’ নামটি ব্যাপকভাবে পরিচিত হলেও ‘ডি.বি.’ আসলে ছিল ভুলবশত ছড়িয়ে পড়া একটি নাম। মূল ছিনতাইকারী নিজের পরিচয় দিয়েছিলেন ড্যান কুপার নামে। দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় ধরে তদন্ত করেও রহস্যের কোনো চূড়ান্ত সমাধান করতে পারেনি এফবিআই। শেষ পর্যন্ত ২০১৬ সালের ১২ জুলাই সংস্থাটি জানায়, মামলাটিতে বরাদ্দকৃত তদন্ত সম্পদ অন্য কাজে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এরপর কেটে গেছে আরও অনেক বছর। কিন্তু ১৯৭১ সালের সেই রাতের প্রশ্নগুলো আজও রয়ে গেছে কে ছিলেন ড্যান কুপার? প্যারাসুট নিয়ে ঝাঁপ দেওয়ার পর তার কী হয়েছিল? আর মুক্তিপণের বাকি টাকা কোথায় গেল? উত্তর মেলেনি কোনো প্রশ্নেরই। তাই মার্কিন ইতিহাসের অন্যতম দুঃসাহসী বিমান ছিনতাইয়ের এই কাহিনি আজও এক অমীমাংসিত রহস্য। সূত্র: এফবিআই আরটিভি/এসকে
প্যারাসুট নিয়ে উড়োজাহাজ থেকে উধাও ছিনতাইকারী, অতঃপর...
প্যারাসুট নিয়ে উড়োজাহাজ থেকে উধাও ছিনতাইকারী, অতঃপর...
শান্ত-সৌম্য চেহারা। পরনে স্যুট, গলায় টাই। হাতে ছোট একটি ব্রিফকেস। দেখলে মনে হতে পারে আর দশজন সাধারণ যাত্রীর মতোই তিনি। কিন্তু বিমানে ওঠার পরই বদলে যায় পুরো দৃশ্যপট। ব্রিফকেসে বোমা থাকার দাবি করে ছিনিয়ে নেন বিমান। এরপর ২ লাখ ডলার ও প্যারাসুট নিয়ে উড়ন্ত বিমান থেকে ঝাঁপ দেন অন্ধকারে। তারপর? আর কখনোই খুঁজে পাওয়া যায়নি তাকে। ঘটনাটি ১৯৭১ সালের ২৪ নভেম্বরের। যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগনের পোর্টল্যান্ড বিমানবন্দরে নর্থওয়েস্ট ওরিয়েন্ট এয়ারলাইন্সের কাউন্টারে এসে সিয়াটলের একটি একমুখী টিকিট কেনেন এক ব্যক্তি। টিকিটে নাম দেন ‘ড্যান কুপার’। বয়স আনুমানিক চল্লিশের মাঝামাঝি। বিমানে উঠে অর্ডার করেন বারবন ও সোডা। বিকেল ৩টার কিছু পর এক বিমানবালার হাতে একটি নোট তুলে দেন তিনি। নোটে লেখা ছিল, তার ব্রিফকেসে বোমা রয়েছে এবং বিমানবালাকে তার পাশে বসতে হবে। পরে ব্রিফকেসটি সামান্য খুলে তার ভেতরে তার ও লাল রঙের কাঠির মতো বস্তু দেখান তিনি। এরপর পাইলটের কাছে পাঠানো হয় তার দাবি। চারটি প্যারাসুট এবং ২০ ডলারের নোটে ২ লাখ মার্কিন ডলার দিতে হবে এটাই ছিল ছিনতাইকারীর শর্ত। সিয়াটলে বিমান অবতরণের পর মুক্তিপণের অর্থ ও প্যারাসুট বিমানে পৌঁছে দেওয়া হয়। এরপর ৩৬ যাত্রীকে ছেড়ে দেন তিনি। তবে কয়েকজন ক্রু সদস্যকে জিম্মি রেখে বিমানটিকে মেক্সিকো সিটির উদ্দেশে উড়াল দেওয়ার নির্দেশ দেন। রাত ৮টার কিছু পর। সিয়াটল ও রেনোর মাঝামাঝি কোথাও উড়ছিল বিমানটি। হঠাৎ বিমানের পেছনের অংশ দিয়ে প্যারাসুট ও মুক্তিপণের অর্থ নিয়ে অন্ধকারে ঝাঁপ দেন ওই ব্যক্তি। পাইলটরা বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করলেও এরপর আর কোনোদিন দেখা যায়নি তাকে। ঘটনার পর মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই শুরু করে ‘নরজ্যাক’ নামে বিশাল তদন্ত। বিমানে তল্লাশি চালানো হয়, শত শত মানুষের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। কয়েক বছরের মধ্যেই ৮০০ জনের বেশি সন্দেহভাজনের তালিকা তৈরি করা হয়। কিন্তু একে একে সবাই বাদ পড়তে থাকেন। তদন্তকারীরা বিমানে খুঁজে পান একটি কালো জে.সি. পেনি টাই। পরে সেখান থেকে ডিএনএ নমুনাও সংগ্রহ করা হয়। উদ্ধার করা হয় দুটি প্যারাসুট ও একটি ক্যানভাসের ব্যাগ। তবে ছিনতাইকারী কোন প্যারাসুট ব্যবহার করেছিলেন এবং লাফ দেওয়ার পর তার কী হয়েছিল তা আর নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার কয়েক মাস পর রিচার্ড ফ্লয়েড ম্যাককয় নামে এক ব্যক্তিকে একই ধরনের বিমান ছিনতাই ও প্যারাসুটে পালানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে বিমানবালাদের দেওয়া বর্ণনার সঙ্গে তার চেহারার মিল না থাকায় তাকে ডি.বি. কুপার হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। এদিকে, তদন্তকারীদের একটি বড় অংশের ধারণা, ভয়ংকর সেই লাফের পর হয়তো বেঁচেই ছিলেন না কুপার। কারণ তার ব্যবহৃত প্যারাসুটটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য ছিল না। তার পোশাক ও জুতা ছিল দুর্গম বনাঞ্চলে অবতরণের জন্য অনুপযোগী। তার ওপর ছিল রাতের অন্ধকার এবং প্রচণ্ড ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশ। তবে ১৯৮০ সালে রহস্যে যোগ হয় নতুন অধ্যায়। কলম্বিয়া নদীর কাছে এক বালক পচে যাওয়া একটি প্যাকেট খুঁজে পায়। ভেতরে ছিল ৫ হাজার ৮০০ ডলার। নোটগুলোর সিরিয়াল নম্বর পরীক্ষা করে দেখা যায়, সেগুলো কুপারকে দেওয়া মুক্তিপণের অর্থের সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। তাহলে কি নদী বা জঙ্গলে কোথাও মৃত্যুবরণ করেছিলেন কুপার? নাকি বিপুল অর্থ নিয়ে সফলভাবেই পালিয়ে গিয়েছিলেন তিনি? আরেকটি বিষয় নিয়েও রয়েছে বিভ্রান্তি। সংবাদমাধ্যমে ‘ডি.বি. কুপার’ নামটি ব্যাপকভাবে পরিচিত হলেও ‘ডি.বি.’ আসলে ছিল ভুলবশত ছড়িয়ে পড়া একটি নাম। মূল ছিনতাইকারী নিজের পরিচয় দিয়েছিলেন ড্যান কুপার নামে। দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় ধরে তদন্ত করেও রহস্যের কোনো চূড়ান্ত সমাধান করতে পারেনি এফবিআই। শেষ পর্যন্ত ২০১৬ সালের ১২ জুলাই সংস্থাটি জানায়, মামলাটিতে বরাদ্দকৃত তদন্ত সম্পদ অন্য কাজে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এরপর কেটে গেছে আরও অনেক বছর। কিন্তু ১৯৭১ সালের সেই রাতের প্রশ্নগুলো আজও রয়ে গেছে কে ছিলেন ড্যান কুপার? প্যারাসুট নিয়ে ঝাঁপ দেওয়ার পর তার কী হয়েছিল? আর মুক্তিপণের বাকি টাকা কোথায় গেল? উত্তর মেলেনি কোনো প্রশ্নেরই। তাই মার্কিন ইতিহাসের অন্যতম দুঃসাহসী বিমান ছিনতাইয়ের এই কাহিনি আজও এক অমীমাংসিত রহস্য। সূত্র: এফবিআই আরটিভি/এসকে
প্যারাসুট নিয়ে উড়োজাহাজ থেকে উধাও ছিনতাইকারী, অতঃপর...
মাটির ৪০০ ফুট গভীরে থিম পার্ক!
মাটির প্রায় ৪০০ ফুট গভীরে তৈরি হয়েছে এক অভিনব থিম পার্ক। রোমানিয়ার প্রাচীন লবণ খনি স্যালিনা তুরদাকে রূপ দেওয়া হয়েছে নজরকাড়া এক ভূগর্ভস্থ বিনোদনকেন্দ্রে। ইতিহাস ও বিনোদনের মেলবন্ধনে তৈরি এই জায়গা দেখতে প্রতিবছর ছুটে আসেন অসংখ্য দর্শনার্থী।
মাটির ৪০০ ফুট গভীরে থিম পার্ক!
আরও পড়ুন
ইরান সংঘাতে এখন পর্যন্ত ৮১ সামরিক বিমান-ড্রোন-হেলিকপ্টার হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরান সীমান্ত থেকে মার্কিন বাহিনী ১ হাজার কিলোমিটার দূরে পালিয়ে গেছে: আইআরজিসি  
ইরানের জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগ
৭ শর্ত না মানলে হরমুজ প্রণালি খুলবে না ইরান