ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগের দাবি করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) তিনি এ দাবি উত্থাপন করেন। তার অভিযোগ, পরীক্ষায় অনিয়মের প্রতিবাদে ২০ জুলাই সংসদ অভিযানের সময় ছাত্রদের ওপর পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ শাহের নির্দেশেই করা হয়েছিল।
দীপকে বলেন, যেভাবে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে এবং তাদের রক্ত ঝরানো হয়েছে, তা অমিত শাহের নির্দেশ ছাড়া সম্ভব নয়।
লোকসভার বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী বুধবার (২৯ জুলাই) বলেছিলেন, ২০ জুলাই শিক্ষার্থীদের ওপর যে আক্রমণ চালানো হয়েছিল, পেলেট বা ছররা গুলি চালানো হয়েছিল, তার নির্দেশ নিশ্চিতভাবেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিয়েছিলেন। আমাদের ছাত্রদের রক্তে ছররা গুলি ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল। দায়ী তিনিই। সে জন্য তাকে পদত্যাগ করতে হবে।
রাহুল গান্ধীর অভিযোগের একদিন পরেই দীপকে বলেন, আমিও মনে করি, অমিত শাহের পদত্যাগ করা উচিত।
সিজেপি বিদেশি অর্থায়ন পেয়েছে— এমন অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে তিনি বলেন, যদি সত্যিই আমরা বিদেশি অর্থ পেয়ে থাকি, আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থেকেও অমিত শাহ তা আটকাতে না পারেন, তবে সেটাও তার ব্যর্থতা। তাহলে নিজেকে কী ধরনের 'চাণক্য' বলবেন? সেক্ষেত্রেও তার পদত্যাগ করা উচিত।
দীপকের আরও অভিযোগ করেন, দিল্লি পুলিশ ইচ্ছাকৃতভাবে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটিয়ে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অজুহাত তৈরি করেছিল। তার দাবি, ২০ জুলাই দিল্লির যন্তর-মন্তরের আন্দোলনস্থলে একটি ট্রাকে করে পাথর এবং একটি ভাঙাচোরা গাড়ি আনা হয়েছিল, যাতে পুলিশি অভিযানের যৌক্তিকতা দেখানো যায়।
তিনি বলেন, পাথর নিক্ষেপের পুরো ঘটনাই দিল্লি পুলিশ পরিকল্পিতভাবে ঘটিয়েছে। বিজেপির লোকজন এসে পাথর ছোড়ে, অথচ দোষ চাপানো হয় ছাত্রদের ওপর।
দীপকে আরও অভিযোগ করেন, তাকে এবং তার পরিবারকে বিজেপিতে যোগ দিতে চাপ দেওয়া হয়েছে এবং হুমকি দেওয়া হয়েছে।
তার বক্তব্য, আমাকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমার বাবা-মাকেও বিজেপিতে যোগ দিতে চাপ দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, দলে যোগ দিন, না হলে পরিণতি ভোগ করতে হবে।
আরটিভি/টিআর



