ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল দিয়ে বাসা বাঁধছে পাখিরা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৫ পিএম
অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল দিয়ে তৈরি পাখির বাসা। ছবি: আরটিভি

দীর্ঘদিন ধরে চলমান যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে ইউক্রেনের জীব বৈচিত্র্যের ওপর। ঘাস, লতা-পাতা ও খড়কুটোর পরিবর্তে যুদ্ধে ব্যবহৃত অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল দিয়ে বাসা বাঁধছে পাখিরা, ফলে স্পষ্ট হচ্ছে যুদ্ধের ভয়াবহতা।

বার্তা সংস্থা রয়য়ার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

নগর পুড়লে দেবালয়ও বাদ পড়ে না। তেমনি যুদ্ধ হলে সামরিক স্থাপনা ও মানুষেরই মতোই ক্ষতিগ্রস্ত হয় পরিবেশ। হুমকিতে মুখে পড়ে প্রাণ-প্রকৃতি।

দীর্ঘ ৪ বছর ধরে চলা যুদ্ধের কারণে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসহ ব্যাপক ক্ষতির মুখে ইউক্রেন, সেইসাথে হুমকিতে জীব-বৈচিত্র্য। সম্প্রতি যার প্রমাণ মিলেছে খোদ ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে। শহরটির আনাচে কানাচে খড়কুটোর পরিবর্তে অপটিক্যাল ফাইবার কেবল দিয়ে বাসা বেধেছে পাখিরা।

মূলত রাশিয়ার ড্রোন হামলা ঠেকাতে এই অপটিক্যাল ফাইবার কেবল ব্যবহার করে ইউক্রেনের সেনারা। প্রায় ১,২০০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে অতি পাতলা অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল। ইউক্রেনে যুদ্ধের ফ্রন্টলাইনের কাছে দেখা গেছে এমন অনেক পাখির বাসা। ওই সব এলাকা অসংখ্য অপটিক ফাইবার দিয়ে ছেয়ে রয়েছে। বর্তমানে এসব ক্যাবলই পাখিদের বাসা তৈরির নতুন উপকরণে পরিণত হয়েছে।

২০ কিলোমিটার দীর্ঘ ফাইবার-অপটিক ক্যাবলগুলো ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রসংলগ্ন অঞ্চলের গাছপালা, খোলা মাঠ ও শহরের ভবনের ছাদে জড়িয়ে-ছড়িয়ে রয়েছে, যা সূর্যের আলোয় বিশাল মাকড়সার জালের আকৃতি ধারণ করে।

আরও পড়ুন

ঘাস, লতা-পাতার পরিবর্তে অপটিক্যাল ফাইবার কেবল দিয়ে তৈরি এই বাসা মজবুত হলেও তা পাখিদের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে বলে আশঙ্কা জীববিজ্ঞানীদের।

ইয়ানা হ্রিনকো বলেন, প্রথম বাসাটিতে মূলত শুকনো ঘাস ও ফাইবার-অপটিক ক্যাবল ব্যবহার করা হয়েছে। উপাদানগুলো দিয়ে খুব শক্তভাবে পেঁচিয়ে বাসাটি তৈরি করা হয়েছে।

ইতিহাসের অংশ হিসেবে একটি পাখির বাসা ইউক্রেনের যুদ্ধ জাদুঘর এবং গবেষণার জন্য আরেকটি নেদারল্যান্ডেসে পাঠানো হবে বলে জানান ইউক্রেনের এই গবেষক। গবেষণা শেষে সেটি আবার ইউক্রেনে ফিরিয়ে আনা হবে।

নেদারল্যান্ডসের লাইডেন শহরের ৩৩ বছর বয়সী জীববিজ্ঞানী আউকে-ফ্লোরিয়ান হিমস্ট্রা বলেন, ইউক্রেনে পাখির প্রজাতিগত বৈচিত্র্য অত্যন্ত সমৃদ্ধ। তাই সেখানে অনেক ধরনের পাখিই এমন বাসা তৈরি করে থাকে। কৃত্রিম উপকরণ দিয়ে তৈরি পাখির বাসাগুলো কোন প্রজাতির পাখি তৈরি করেছে, তা নির্ধারণে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাসার ভেতরে রয়ে যাওয়া ডিএনএ পরীক্ষা করে আমরা শনাক্ত করার চেষ্টা করবো আসলে কোন প্রজাতির পাখি এটি তৈরি করেছে। আমি জীবনে বহু পাখির বাসা দেখেছি, কিন্তু সত্যি বলতে এমন অবিশ্বাস্য বাসা আগে কখনো দেখিনি।

বিশ্লেষকদের দাবি, পাখিদের বাসা তৈরির এই উপাদানের পরিবর্তন সাধারণ কোনো ঘটনা নয়। এটি নীরবে বুঝিয়ে দিচ্ছে যুদ্ধের ভয়াবহতা প্রকৃতির জন্য কতটা ভয়াবহ বিপজ্জনক হতে পারে। পাখিদের এই বাসাগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে ইউক্রেনের পরিবেশের ওপর যুদ্ধের ভয়াবহ প্রভাব কতটা- তা আরও ভালোভাবে বোঝা যাবে বলেও মনে করছেন গবেষকরা।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ভারতে অসুস্থ মেয়েকে হ্রদে ফেলে পালাল মা, অতঃপর...
ভারতের হায়দরাবাদের হুসেন সাগর হ্রদে নিজের ছয় বছর বয়সী মেয়েকে ফেলে দিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছেন এক মা। তবে এক অটোরিকশাচালক, এক বেসরকারি চাকরিজীবী ও এক ব্যবসায়ীর তাৎক্ষণিক সাহসিকতায় শিশুটি প্রাণে বেঁচে গেছে।  এই সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে বুধবার (১৪ অক্টোবর) ওই তিনজনকে নগদ অর্থ দিয়ে পুরস্কৃত করেছে হায়দরাবাদ পুলিশ। পুলিশ জানায়, বোয়েনপল্লির বাসিন্দা ওই নারীর আট ও ছয় বছর বয়সী দুই মেয়ে রয়েছে। ছোট মেয়ের দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা ও চিকিৎসার বিপুল খরচে হতাশ হয়ে তিনি এই চরম পদক্ষেপ নেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার দিন দুই মেয়েকে নিয়ে তিনি হ্রদের পাড়ে যান এবং বড় মেয়েকে আইসক্রিম আনতে পাঠিয়ে সুযোগ বুঝে ছোট মেয়েকে পানিতে ধাক্কা দিয়ে ফেলে পালিয়ে যান। পানিতে পড়ার পর শিশুটি একটি বাঁশের খুঁটি আঁকড়ে ধরে চিৎকার শুরু করে। তা শুনতে পেয়ে বালকৃষ্ণ নামে এক পথচারী অন্যদের সতর্ক করেন। এরপর ফখরুদ্দিন নামের এক অটোরিকশাচালক গাড়ি থামিয়ে পানিতে ঝাঁপ দেন এবং মোহাম্মদ আফসার নামের এক ব্যবসায়ীর সহায়তায় তাকে নিরাপদে তীরে তুলে আনেন। টহলরত পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য গান্ধী হাসপাতালে পাঠিয়েছে। ওই মায়ের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে ডোমালগুদা থানা পুলিশ।  উদ্ধারকারী তিনজনের প্রশংসা করে পুলিশ কমিশনার সজ্জনার বলেন, বিপদে সাহায্য না করে মোবাইলে ভিডিও করার এই যুগে তাদের এই সাহসিকতা মানবতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   সূত্র: এনডিটিভি আরটিভি/এসআর  
ভারতে অসুস্থ মেয়েকে হ্রদে ফেলে পালাল মা, অতঃপর...
বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলের ভয়ংকর ফাঁদ, শিকার পেন্টাগন-ন্যাটো-জাতিসংঘও
অনলাইনে বিজ্ঞাপনের বিশাল ফাঁদ পেতে বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ওপর নজরদারি এবং তাদের ডিভাইসে আড়িপাতার প্রমাণ পাওয়া গেছে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে। এমনকি তাদের এই ভয়ংকর ফাঁদের শিকার হয়েছে পেন্টাগন, ন্যাটো এবং জাতিসংঘের মতো সংস্থাগুলোও। 
বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলের ভয়ংকর ফাঁদ, শিকার পেন্টাগন-ন্যাটো-জাতিসংঘও
ক্ষুধা-দারিদ্র্যে বিপর্যস্ত পাকিস্তান, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ স্কোর
অর্থনৈতিক অস্থিরতা, জলবায়ু বিপর্যয় এবং বৈশ্বিক সংঘাতের কারণে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তা সংকটে থাকা পাকিস্তান ‘গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স (জিএইচআই) ২০২৬’-এ দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ স্কোর রেকর্ড করেছে।  বুধবার (১৪ অক্টোবর) ‘নো সিকিউরিটি উইদাউট ফুড সিকিউরিটি’ (খাদ্য নিরাপত্তা ছাড়া নিরাপত্তা নেই) শীর্ষক প্রতিপাদ্য নিয়ে ক্ষুধা সূচকের এই প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়।  এটি যৌথভাবে প্রকাশ করেছে ‘ওয়েল্টহাঙ্গারহিলফ’, রুহর ইউনিভার্সিটি বোখুমের ‘ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল ল অব পিস অ্যান্ড আর্মড কনফ্লিক্ট’ এবং সুইজারল্যান্ডের সংস্থা ‘হেলভেটাস’। খবর দ্য ডনের। প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ এশিয়ায় ক্ষুধা পরিস্থিতির অগ্রগতি ব্যাপকভাবে স্থবির হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ২০১৮ সালের পর থেকে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে গেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পাকিস্তানে অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং খাদ্যপণ্যের তীব্র মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে এবং খাদ্যের সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে। দেশটিতে অপুষ্টির হার ২০১৮ সালের ‘নিম্ন’ স্তর থেকে বেড়ে ‘মাঝারি’ স্তরে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে শিশুদের তীব্র অপুষ্টির হার উচ্চ পর্যায়ের দিকে এগিয়েছে। পুরো দক্ষিণ এশিয়া জুড়েই খাদ্য সংকট এখনও গুরুতর পর্যায়ে রয়েছে, যার আঞ্চলিক স্কোর ২৩ দশমিক ৫। যদিও ২০০০ সালের অতি আশঙ্কাজনক ৩৭ দশমিক ৫ স্কোর থেকে পরিস্থিতি অনেকটা উন্নত হয়েছিল, তবে তার অধিকাংশ অগ্রগতিই ঘটেছে ২০১৮ সালের আগে।  ২০০০ সালের পর পাকিস্তান ও আফগানিস্তান অতি আশঙ্কাজনক স্তর থেকে নেমে কিছুটা উন্নতি দেখালেও এসব দেশে শিশুদের খর্বকায়তা এখনো অনেক বেশি। পাকিস্তানে শিশুদের খর্বকায়তার হার ধীরে ধীরে কমলেও ২০১৮ সালের পর থেকে আফগানিস্তানে এটি কিছুটা বেড়েছে। তবে দুটি দেশেই ২০০০ সালের অতি উচ্চ শিশু মৃত্যুর হার বর্তমানে মাঝারি স্তরে নেমে এসেছে। প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ায় চরম খাদ্য নিরাপত্তার উচ্চ ঝুঁকি বজায় থাকবে। ভারি বৃষ্টিপাত ও বন্যার কারণে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের কিছু কিছু জায়গায় স্থানীয়ভাবে ফসলের ক্ষতি হয়েছে। অন্যদিকে গড় বৃষ্টির চেয়ে কম বৃষ্টিপাত এবং বাড়তি তাপমাত্রার কারণে আফগানিস্তানের ২০২৬ সালের শস্য উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ইরানসহ দক্ষিণ এশিয়ার ২১ কোটি ৮০ লাখ মানুষ অপুষ্টির শিকার হয়েছেন, যা বৈশ্বিক মোট সংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে, প্রায় দুই দশকের অগ্রগতির পর আবারও বিশ্বজুড়ে ক্ষুধা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২৬ সালের বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকের স্কোর দাঁড়িয়েছে ১৮ দশমিক ১, যা ২০১৮ সালের ১৭ দশমিক ৬ স্কোরের চেয়ে খারাপ। ২০১৮ সালের পর থেকে বিশ্বের ৩২টি দেশে ক্ষুধা বেড়েছে এবং ৫৭টি দেশ ২০৩০ সালের মধ্যে ক্ষুদ্রতম স্তরের ক্ষুধা কমানোর লক্ষ্যমাত্রাও অর্জন করতে পারবে না। সূচকের চারটি মানদণ্ডের মধ্যে তিনটি- অপুষ্টি, শিশুদের খর্বাকৃতি ও শিশুদের তীব্র অপুষ্টির অবনতি ঘটেছে। কেবল শিশু মৃত্যুর হার কিছুটা কমেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র সংঘাত সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানো এবং ঘন ঘন চরম আবহাওয়া সম্পর্কিত ঘটনা বৈশ্বিক এই অবনতির মূল কারণ। ইরানের যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালি ও বাব আল-মানদাব প্রণালিতে নৌ-পরিবহণ ব্যাহত হওয়ার কারণে জ্বালানি, পরিবহণ এবং সারের দাম ব্যাপকভাবে বাড়ছে। পাশাপাশি ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ এবং কৃষ্ণসাগর দিয়ে রফতানি বিধিনিষেধের কারণে গমের দাম বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, যা স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল বিশ্বের দরিদ্র মানুষের কাছে মৌলিক খাদ্যপণ্যকে নাগালের বাইরে নিয়ে যাচ্ছে। এই সংকট আরও ঘনীভূত করেছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তার অভাব। খাদ্য নিরাপত্তায় বৈশ্বিক ব্যয় ২০১৬-২০১৭ সালের স্তরে নেমে এসেছে, যার ফলে মানবিক সহায়তা কর্মসূচি ও জরুরি ত্রাণ বরাদ্দে কাটছাঁট করতে বাধ্য হচ্ছে বিভিন্ন সংস্থা।  ভবিষ্যতেও বিশ্বজুড়ে এই ধরনের চরম সংকট প্রতিরোধ ও মোকাবিলায় মানবিক সহায়তা এবং উপাত্ত সংগ্রহের বাজেটে দেওয়া কাটছাঁটের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে বিশ্বের সরকারগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে প্রতিবেদনটি। আরটিভি/এসআর
ক্ষুধা-দারিদ্র্যে বিপর্যস্ত পাকিস্তান, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ স্কোর
সৌদি আরবের নাজরান ও জিজানে জরুরি সতর্কতা
সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর নাজরান ও জিজানে জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সম্ভাব্য বিপদের বিষয়ে বাসিন্দাদের সতর্ক করার পরপরই দুই শহরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার খবর জানিয়েছে দেশটির সিভিল ডিফেন্স।
সৌদি আরবের নাজরান ও জিজানে জরুরি সতর্কতা
আমেরিকানদের দ্বিতীয় পাসপোর্ট কেনার নতুন সুযোগ দিচ্ছে আর্জেন্টিনা
বড় অঙ্কের অর্থ জমা বা সরকারি বন্ডে বিনিয়োগের বিনিময়ে বিদেশিদের নাগরিকত্ব দেওয়ার নতুন কর্মসূচি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে আর্জেন্টিনা।
আমেরিকানদের দ্বিতীয় পাসপোর্ট কেনার নতুন সুযোগ দিচ্ছে আর্জেন্টিনা
আরও পড়ুন
‘খুব শিগগিরই শেষ হবে ইরান যুদ্ধ’, তেলের দাম কমার পূর্বাভাস ট্রাম্পের
বর্তমান সরকার গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে আন্তরিক: ডেপুটি স্পিকার 
চাকরির জন্য রাশিয়ায় নিয়ে নামানো হয় যুদ্ধে, প্রথম দিনেই প্রাণ হারান ১৭ বাংলাদেশি
জাতীয় তথ্যচিত্রে মুক্তিযুদ্ধের পাশাপাশি ৯০ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস অন্তর্ভুক্তে গুরুত্বারোপ