ঢাকা বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

এবার ‘আক্রমণাত্মক’ সামরিক নীতি গ্রহণ করছে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০২৬, ০১:০২ পিএম
সামরিক কৌশলে বড় পরিবর্তনের কথা জানিয়ে প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান থেকে আক্রমণাত্মক নীতিতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরান । ছবি: সংগৃহীত

সাম্প্রতিক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের সামরিক নীতিতে বড় পরিবর্তনের কথা জানিয়েছে ইরান। এতদিনের প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান থেকে সরে এসে আরও আক্রমণাত্মক সামরিক কৌশল গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী।

শনিবার (২২ আগস্ট) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া বলেছেন, দেশের ১২ দিন ও ৪০ দিনের যুদ্ধের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে তাদের সামরিক কৌশলে এই পরিবর্তন এসেছে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভবিষ্যতে যেকোনো হামলার বিরুদ্ধে দ্রুত ও ব্যাপক পাল্টা জবাব দেওয়া এবং প্রয়োজন হলে আগাম প্রতিরোধমূলক অভিযান চালানোই নতুন সামরিক কৌশলের মূল লক্ষ্য।

আরও পড়ুন

মার্কিন স্থল হামলার আশঙ্কার কথাও জানান আকরামিনিয়া। তিনি বলেন, মার্কিন সেনাদের হত্যা বা বন্দী করার জন্য বিশেষ পুরস্কারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তার দাবি, সশস্ত্র বাহিনীর কোনো সদস্য বা বৈধভাবে অস্ত্রের মালিক যেকোনো নাগরিক মার্কিন সেনাকে হত্যা বা বন্দী করতে পারলে তাকে ৫ বিলিয়ন তোমান, অর্থাৎ প্রায় ২৬ হাজার ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে। কোনো নারী এই কাজ করলে পুরস্কারের অর্থ দ্বিগুণ করে ১০ বিলিয়ন তোমান বা প্রায় ৫৩ হাজার ডলার দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

এছাড়া হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রটি মূল মূল্যের দ্বিগুণ দামে কিনে নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। পরে সেই অস্ত্রটি মূল মালিকের নামে একটি সামরিক জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হবে এবং তাকে নতুন একটি বিকল্প অস্ত্র দেওয়া হবে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব নাটকীয়ভাবে কমে গেছে বলেও দাবি করেন ইরানি সেনাবাহিনীর এই মুখপাত্র। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে বাদ দিয়ে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান একটি স্বতন্ত্র প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে।

আকরামিনিয়ার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ ছাড়া গঠিত এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে এবং এটি অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক প্রভাব কমে যাওয়ার প্রমাণ।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশিংটন ডিসিতে রাবি অ্যালামনাইয়ের পক্ষ থেকে ড. মেহেদীকে ফুলেল শুভেচ্ছা
ওয়াশিংটন ডিসি এরিয়ায় বসবাসরত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন, ওয়াশিংটন ডিসি (URAAWDC)- এর পক্ষ থেকে প্রফেসর ড. শাহ হোসাইন আহমদ মেহেদীকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে ওয়াশিংটনে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত ও আনন্দঘন অনুষ্ঠানে রাবিয়ানদের উপস্থিতিতে এই শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়। অনুষ্ঠানে রাবির প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা তাদের প্রিয় শিক্ষকের সঙ্গে ক্যাম্পাস জীবনের স্মৃতিচারণ করেন এবং প্রবাসে তাকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ প্রফেসরের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে প্রবাসে তাদের এই ধরনের মেলবন্ধন ও ঐতিহ্য ধরে রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ সময় উপস্থিত সব রাবিয়ানদের পক্ষ থেকে মাদার বখ্শ হলের প্রাধ্যক্ষ ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ড. শাহ হোসাইন আহমদ মেহেদীর হাতে ফুলের তোড়া তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অ্যালামনাই প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ জহরুল ইসলাম, সেক্রেটারি আজিমা আজমল (রক্সি), মঞ্জুরুল আলম, এস এম জাহিদূর রহমান, ডা. হাকিম ও হযরত আলী। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. মির্জা গালিব। আরটিভি/এসএস
ওয়াশিংটন ডিসিতে রাবি অ্যালামনাইয়ের পক্ষ থেকে ড. মেহেদীকে ফুলেল শুভেচ্ছা
জাপানের কিংবদন্তি মাঙ্গা শিল্পী তেৎসুয়া চিবা মারা গেছেন
বক্সিং নিয়ে জনপ্রিয় মাঙ্গা সিরিজ ‘আশিতা নো জো’ বা ‘ফাইটিং ফর টুমরো’র স্রষ্টা জাপানের কিংবদন্তি মাঙ্গা শিল্পী তেৎসুয়া চিবা মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। সিরিজটিতে একজন এতিমের পেশাদার বক্সার হয়ে ওঠার গল্প তুলে ধরে দেশজুড়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিলেন তিনি।
জাপানের কিংবদন্তি মাঙ্গা শিল্পী তেৎসুয়া চিবা মারা গেছেন
জাতিসংঘের প্রতিবেদন / জোর করে বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগ রাশিয়ার
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের নাগরিক পাচার ও সামরিক চুক্তিতে জোর করে সই করার প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন। প্রতিবেদনের প্রথম অংশে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২২ সালের ১০ অক্টোবর থেকে ইউক্রেনের জ্বালানি খাতে রাশিয়ার ধারাবাহিক হামলা চার বছরেরও বেশি সময় ধরে অব্যাহত রয়েছে। রুশ বাহিনী দফায় দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, বিতরণ নেটওয়ার্ক, সাবস্টেশন এবং গ্যাস স্থাপনাগুলো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ করেছে। পাশাপাশি ২৯টি দেশের নাগরিকদের মিথ্যা চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে রুশ সশস্ত্র বাহিনীতে নিয়োগ এবং পরবর্তীতে জোরপূর্বক যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানোর মতো বিষয়গুলোও প্রতিবেদনে নথিভুক্ত করা হয়েছে।  তদন্ত কমিশন জানিয়েছে, মধ্যস্থতাকারী ও বিভিন্ন দেশের রিক্রুটমেন্ট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রতারণা ও বলপ্রয়োগ করে বিদেশি নাগরিকদের রুশ বাহিনীতে ভেড়ানো হয়েছে, যা মানবপাচার ও গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।  এই ধরনের কর্মকাণ্ড কেবল আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘনই নয়, বরং এটি মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং যুদ্ধাপরাধের সুনির্দিষ্ট উদাহরণ। কমিশন বিশ্বের ৪৮টি দেশের নাগরিকদের নিয়োগের বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত পরিচালনা করে। এর মধ্যে ২৯টি দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে স্পষ্ট প্রতারণা ও জোরজুলুমের প্রমাণ পাওয়া গেছে।  তালিকায় থাকা দেশগুলো হলো— বাংলাদেশ, জর্ডান, আজারবাইজান, বেলারুশ, বলিভিয়া, ব্রাজিল, বোতসোয়ানা, ক্যামেরুন, কলম্বিয়া, ডোমিনিকান রিপাবলিক, এল সালভাদোর, ঘানা, হন্ডুরাস, ভারত, কেনিয়া, মরক্কো, নাইজেরিয়া, পেরু, ফিলিপাইন, দক্ষিণ আফ্রিকা, সোমালিয়া, শ্রীলঙ্কা, তাজিকিস্তান, টিউনিশিয়া, তুরস্ক, উগান্ডা, উজবেকিস্তান, ইয়েমেন এবং জিম্বাবুয়ে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগীদের সকলেই ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী পুরুষ। তারা মূলত আর্থ-সামাজিক দিক থেকে অনগ্রসর পরিবেশ বা প্রান্তিক জনগোষ্ঠী থেকে আসা। শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের অভাব এবং তীব্র আর্থিক সংকটে থাকা এই মানুষদেরই প্রধান লক্ষ্যবস্তু বানায় রিক্রুটমেন্ট নেটওয়ার্কগুলো। তবে তালিকায় জর্ডানের অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে, সে দেশের নাগরিকদেরও প্রতারণা বা বলপ্রয়োগের মাধ্যমে রুশ বাহিনীতে যুক্ত করা হয়েছে। জাতিসংঘ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, যারা জেনেশুনে ও স্বেচ্ছায় রাশিয়া বা ইউক্রেনের সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছেন, তাদের এই তদন্তের বাইরে রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে যে সব অবৈধ উপায়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, প্রতিবেদনটিতে কেবল সেগুলোকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। আরটিভি/এসআর
জোর করে বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগ রাশিয়ার
উগান্ডায় ৩৮ জনকে হত্যা করে মাংস খাওয়ায় অভিযুক্ত গ্রেপ্তার
উগান্ডায় ৩৮ জনকে হত্যা করে তাদের মাংস খাওয়ার অভিযোগে মুজুরিজি মোজেস নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এ তথ্য জানান দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান জেনারেল মুহুজি কাইনেরুগাবা। কাইনেরুগাবার দাবি, ২০১০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে মাসাকা, ইবান্দা ও কাজো জেলায় এসব অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। মোজেসকে দেশের ইতিহাসের অন্যতম ভয়ংকর ধারাবাহিক খুনি ও নরমাংসভোজী আখ্যা দিয়েছেন তিনি। স্থানীয় তদন্তকারীদের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোজেসের বিরুদ্ধে বাড়িতে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়ে পুরো পরিবারকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।  ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মেট্রোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটি ঘটনায় তার কথিত সহযোগীরা পেন্টেকোস্টাল যাজক স্টিভেন মুগাম্বের বাড়িতে গর্ত করে ঢুকে ভেতরে থাকা সবাইকে কুপিয়ে হত্যা করে। অন্য কিছু ঘটনায় সম্পর্ক গড়ার প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগীদের ডেকে এনে হত্যার অভিযোগও রয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মোজেস এর আগে কয়েকবার ধরা পড়লেও পালিয়ে যান অথবা বিতর্কিত পরিস্থিতিতে মুক্তি পান। গ্রেপ্তারের পর তার বাসস্থান থেকে আলামত উদ্ধারের কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে উদ্ধার করা আলামতের ধরন সম্পর্কে প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য নেই। তদন্তকারীরা ওই অঞ্চলের অমীমাংসিত নিখোঁজ ও হত্যা মামলার নথিও খতিয়ে দেখছেন। এসব ঘটনার সঙ্গে অভিযুক্তের কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে। দীর্ঘ সময় ধরে সংঘটিত এসব কথিত হত্যাকাণ্ড নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তদন্ত ও সংগৃহীত প্রমাণ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্যের অপেক্ষা রয়েছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে। আরটিভি/এসআর
উগান্ডায় ৩৮ জনকে হত্যা করে মাংস খাওয়ায় অভিযুক্ত গ্রেপ্তার
ফের আইনি চাপে ট্রাম্পের সাবেক এফবিআই প্রধান কোমি
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ের সাবেক প্রধান জেমস কোমির বিরুদ্ধে আবারও ফৌজদারি অভিযোগ এনেছে দেশটির বিচার বিভাগ।
ফের আইনি চাপে ট্রাম্পের সাবেক এফবিআই প্রধান কোমি
আরও পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় আন্তরিক নয়, পরমাণু অস্ত্রের অভিযোগও প্রত্যাখ্যান ইরানের
নতুন এমপিও নীতিমালায় ঠাঁই হয়নি ডিগ্রি স্তরের তৃতীয় শিক্ষকদের 
ইরানে আজই হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র
ট্রাম্পের ভয়ংকর ইঙ্গিত, আবারও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের শঙ্কা