ঢাকা সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

হিজাবের কড়াকড়ি, তবু রাস্তায় মাথা ঢাকছেন না ইরানের নারীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
হিজাব না পরে ইরানের রাস্তায় চলাচল করছেন এক নারী । ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধ, অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই ইরানে নারীদের হিজাব পরা নিয়ে নতুন করে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। দেশটির কট্টরপন্থীরা বাধ্যতামূলক হিজাবের নিয়ম আরও কঠোরভাবে কার্যকরের দাবি তুললেও অনেক নারী প্রকাশ্যেই সেই নিয়ম মানছেন না।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের নজর অন্যদিকে থাকায় হিজাব ছাড়া অনেক নারীকে সরকারি অনুষ্ঠান ও রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমেও দেখা গেছে। তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হিজাবের নিয়ম কঠোরভাবে কার্যকরের দাবি আবারও জোরালো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিভিন্ন শহরে হিজাবের নিয়ম না মানার অভিযোগে ক্যাফে, রেস্তোরাঁ ও দোকান বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১৯ জুলাই তেহরানে অন্তত সাতটি ক্যাফে ও রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেওয়া হয়। পূর্বাঞ্চলের দক্ষিণ খোরাসান প্রদেশেও বাধ্যতামূলক হিজাব ও সামাজিক আচরণের নিয়ম না মানার অভিযোগে ১০টি ক্যাফে বন্ধ করা হয়েছে বলে ইরানের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।

তবে এসব পদক্ষেপের মধ্যেও তরুণীদের মধ্যে হিজাব না পরার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন ছবি ও ভিডিওতে তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে নারীদের হিজাব ছাড়া চলাফেরা করতে দেখা যাচ্ছে। এমনকি অনেক তরুণী মোটরসাইকেল চালানোর সময়ও মাথায় হিজাব রাখছেন না।

আরও পড়ুন

মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর বদলে যায় পরিস্থিতি

২০২২ সালে মাহসা আমিনির পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর পর ইরানে ‘নারী, জীবন, স্বাধীনতা’ আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছিল। পোশাকবিধি না মানার অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া ওই আন্দোলন কঠোরভাবে দমন করা হয়। তবে এর পরও নারীদের মধ্যে বাধ্যতামূলক হিজাবের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য অনীহা পুরোপুরি থামেনি।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ২০২৪ সালের শেষ দিকে জানায়, বাধ্যতামূলক হিজাব আইন অমান্য করা নারী ও মেয়েদের দমনে ইরানি কর্তৃপক্ষ আরও কঠোর ও সহিংস ব্যবস্থা নিচ্ছে। সংগঠনটির মতে, নতুন বাধ্যতামূলক হিজাব আইন নারীদের ওপর নিপীড়ন আরও বাড়িয়েছে এবং এতে বেত্রাঘাত, কারাদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

এর আগে ২০২৪ সালের মে মাসেও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছিল, হিজাব পরতে অস্বীকৃতি জানানো নারী ও মেয়েদের ওপর নজরদারি, গ্রেপ্তার, আটক ও অন্যান্য হয়রানি বাড়ানো হয়েছে। সংগঠনটি এই পরিস্থিতিকে নারীদের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করেছিল।

কট্টরপন্থীদের চাপ, সরকারের সতর্ক অবস্থান

ইরানের কট্টরপন্থী ধর্মীয় নেতারা প্রকাশ্যে হিজাবের নিয়ম মানানোর দাবি জানাচ্ছেন। তেহরানের জুমার নামাজের ইমাম মোহাম্মদ জাভাদ হাজ আলী আকবরি অভিযোগ করেছেন, নারীদের মধ্যে ‘অশালীনতা’ ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য সংগঠিত প্রচেষ্টা চলছে।

হিজাব না পরার কারণে শাস্তির ঘটনাও ঘটেছে। চলতি বছরের জুনে ইরানের জনপ্রিয় গায়িকা পারাস্তু আহমাদিকে ৭৪ বার বেত্রাঘাত এবং দুই বছরের জন্য দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার সাজা দেওয়া হয়। ২০২৪ সালে প্রকাশিত একটি অনুষ্ঠানের ভিডিওতে তার কাঁধ ও চুল খোলা থাকার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছিল।

তবে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান হিজাব নিয়ে জোর করে আইন প্রয়োগের বিরোধিতা করেছেন। তার মতে, মানুষের আচরণ শুধু আইন করে পরিবর্তন করা যায় না; এটি সাংস্কৃতিক ও বিশ্বাসের বিষয়।

দেশটির সাবেক সংসদ সদস্য গোলামালি জাফারজাদেহ ইমানাবাদিও হিজাবের পরিবর্তে মূল্যস্ফীতি ও মানুষের জীবনযাত্রার সংকট মোকাবিলায় সরকারের বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন।

১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর বাধ্যতামূলক হিজাব

ইরানে ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর নারীদের হিজাব পরার বিষয়ে কঠোরতা শুরু হয়। দেশটির ইসলামী দণ্ডবিধির ৬৩৮ ধারায় জনসমক্ষে ‘ইসলামি হিজাব’ ছাড়া নারীদের উপস্থিতি শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে হিজাব বলতে ঠিক কী বোঝানো হবে, তা আইনে স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়নি।

২০২৪ সালে আরও কঠোর একটি আইন অনুমোদন করা হলেও এর বাস্তবায়ন জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের হস্তক্ষেপে স্থগিত রাখা হয়। বিষয়টি দেশটির কট্টরপন্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করেছে।

বর্তমানে সরকারও বিষয়টি নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সিএনএনের প্রতিবেদনে তেহরানের এক নারীর বক্তব্য তুলে ধরে বলা হয়েছে, শহরের রাস্তায় অনেক তরুণী এখন খোলামেলা পোশাকে চলাফেরা করছেন এবং হিজাব প্রায় দেখা যাচ্ছে না। তাঁর মতে, এসব তরুণীকে আবার হিজাব পরতে বাধ্য করা সরকারের জন্য আগের মতো সহজ হবে না।

যুদ্ধ ও অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে হিজাব নিয়ে সরকারের নতুন করে কঠোর অবস্থান কতটা কার্যকর হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
চাচার সোনা চুরি করে গাড়ি কিনে উদ্বোধনে তাকেই ডাকলেন ভাতিজা
চাচার বাড়ি থেকে স্বর্ণের গহনা চুরি করে সেই টাকায় মাহিন্দ্রা থার গাড়ি কিনে সেই চাচাকেই নিমন্ত্রণ জানিয়েছেন সমর চ্যাভান নামের ১৯ বছরের এক তরুণ। ভারতের মহারাষ্ট্রের কোলহাপুর জেলার এক গ্রামে এই অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি সমরের চাচা উমেশ মারুতি চ্যাভানের বাড়িতে নতুন গাড়ির পূজার প্রস্তুতি চলছিল। এমন সময় সিন্দুক খুলে দেখা যায়, উমেশের স্ত্রীর প্রায় ১৫০ গ্রাম স্বর্ণের গহনা নেই। পরিবারের সবাই অবাক। বাড়ির ভিতরের খবর বাইরের কেউ জানার কথা নয় বলে সন্দেহ ঘনীভূত হয় পরিচিতদের ওপর। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামেন উপপুলিশ সুপার শ্রীকান্ত ঠিকানে ও তার দল। তদন্তকালে পুলিশের নজরে আসে সমরের হঠাৎ করে দামি গাড়ি কেনার বিষয়টি। ১৯ বছরের এক যুবকের হাতে এত টাকা কোথা থেকে এল এই প্রশ্ন থেকেই সন্দেহের তীর সমরের দিকেই যায়। জিজ্ঞাসাবাদে একপর্যায়ে সমর চুরির কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, চাচার বাড়ি থেকে স্বর্ণের গহনা চুরি করে বিক্রি করে প্রায় ১০ লাখ রুপি পেয়েছেন। সেই টাকায়ই নতুন গাড়ি কেনেন। গল্পের সবচেয়ে চমকপ্রদ অংশ হলো গাড়ির পূজা। যে চাচার স্বর্ণ চুরির অভিযোগ উঠেছে, সেই চাচাকেই নতুন গাড়ির পূজায় নিমন্ত্রণ করেছিলেন সমর। তবে আনন্দ বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। তদন্ত শেষে পুলিশ সমরকে গ্রেফতার করেছে। চুরি করা স্বর্ণ কেনার অভিযোগে এক স্বর্ণকারকেও আটক করা হয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি আরটিভি/এসআর  
চাচার সোনা চুরি করে গাড়ি কিনে উদ্বোধনে তাকেই ডাকলেন ভাতিজা
বাংলাদেশিদের গুলি করে মারার হুমকি বিজেপি বিধায়কের
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী এবং ভারতের কোচবিহারের মেখলীগঞ্জ সীমান্তের সানিয়াজান নদীতে পাথর ও বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে যে ঘটনা ঘটে, সেটাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশিদের লক্ষ্য করে উসকানিমূলক মন্তব্য করেছেন এবং গুলি করে হত্যার হুমকি দিয়েছেন বিজেপি স্থানীয় বিধায়ক দধিরাম রায়। জানা গেছে, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) সীমান্তে গুলি বা স্টান গ্রেনেড ছুড়েছে। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের বিএসএফ সচেষ্ট রয়েছে। কোনো বাংলাদেশি জিহাদি হোক আর যে-ই হোক, ইন্ডিয়ার মাটিতে পা রাখলেই তাদের গুলি করে দেওয়া হবে। কালকে কিছুটা তার প্রমাণ দেওয়া হয়েছে এবং এরপর থেকে বিএসএফ আরও সতর্ক।’ এছাড়া, তিনি দ্রুত জমি অধিগ্রহণ করে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ এবং জিরো পয়েন্টে কড়াকড়ি আরোপের কথাও জানান। ওই ঘটনাী স্থানীয় বাংলাদেশি গ্রামবাসীদের দাবি, তারা নিজেদের ভূখণ্ডের সীমানার ভেতরে থেকেই নদীতে কাজ করছিলেন। উল্টো বিএসএফ মাঝেমধ্যেই জিরো লাইন বা নো-ম্যানস ল্যান্ডের কাছাকাছি এসে অযাচিতভাবে শক্তি প্রদর্শন করে এবং সাধারণ বাংলাদেশিদের ওপর চড়াও হয়। এ ঘটনায় বিজিবি-এর পক্ষ থেকে সীমান্তে কড়া নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বিজিবি সূত্র ও সীমান্ত এলাকার দায়িত্বশীলরা জানান, ভারতীয় বাহিনীর এ ধরনের আগ্রাসী আচরণ এবং বিজেপি নেতার ‘গুলি করে মারার’ মতো প্রকাশ্য হুমকির বিষয়টি তারা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন। বিজিবি স্পষ্ট জানিয়েছে, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং সীমান্ত এলাকার নিরীহ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে তারা সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। ভারতীয় বাহিনীর যেকোনো ধরনের আগ্রাসন ঠেকাতে সীমান্তে টহল ও সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে। আরটিভি/এসআর  
বাংলাদেশিদের গুলি করে মারার হুমকি বিজেপি বিধায়কের
বাবার পিস্তল দিয়ে খেলতে গিয়ে ৩ বছরের শিশুর মৃত্যু
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বাবার পিস্তল দিয়ে খেলতে গিয়ে ৩ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বাবার পিস্তল দিয়ে খেলতে গিয়ে ৩ বছরের শিশুর মৃত্যু
ট্যাংকার থেকে তেল ছড়িয়ে পড়ায় সমুদ্রসৈকত বন্ধ ঘোষণা আরব আমিরাতের
সব সমুদ্রসৈকত পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাস আল-খাইমাহ কর্তৃপক্ষ।  শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাস আল-খাইমাহ পুলিশ জেনারেল হেডকোয়ার্টার্সের পক্ষ থেকে শেয়ার করা এক বিবৃতিতে পাবলিক সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্ট এই ঘোষণা দিয়েছে।  বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এর আগে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার জানিয়েছিল, সমুদ্রে একটি ট্যাংকার থেকে তেল নিঃসরণ বন্ধে কাজ করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এ ঘটনার পর দেশটির জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় সামুদ্রিক পরিবেশের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিরূপণে মূল্যায়ন শুরু করে। মন্ত্রণালয় জানায়, কারিগরি দলগুলোর মূল্যায়ন শেষ হওয়া এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও সামুদ্রিক সুরক্ষাব্যবস্থা নির্ধারণ না করা পর্যন্ত উম আল-কুওয়াইন শহরের আশপাশের সব সৈকত ও উপকূলীয় এলাকা সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি জেলে ও অন্যান্য সমুদ্রগামী ব্যক্তিদের সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা এড়িয়ে চলতে এবং সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলে ও অন্যান্য সমুদ্রগামী অন্য ব্যক্তিদের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো এড়িয়ে চলা এবং সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। শারজাহ সরকারের মিডিয়া ব্যুরো জানিয়েছে, উম আল-কুওয়াইন সীমান্তের কাছাকাছি আমিরাতের উত্তর উপকূলে অবস্থিত আল হামরিয়া সৈকত আগাম সতর্কতা হিসেবে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে শারজাহ কর্তৃপক্ষ। রাস আল-খাইমাহ সমুদ্রসৈকত ও বিলাসবহুল রিসোর্টের জন্য সুপরিচিত। এটি আল মারজান দ্বীপে ওয়িন রিসোর্টসের প্রস্তাবিত ক্যাসিনো রিসোর্টেরও কেন্দ্রস্থল। লাস ভেগাসভিত্তিক এই রিসোর্ট পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানটি ২০২৪ সালে আমিরাতের প্রথম বাণিজ্যিক গেমিং লাইসেন্স পায়। গত ফেব্রুয়ারিতে তারা জানায়, ২০২৭ সালের প্রথম তিন মাসের মধ্যেই রিসোর্টটি চালু করার আশা করছে তারা। এদিকে শারজাহ, আজমান ও উম আল-কুওয়াইনের কিছু এলাকায় বাসিন্দারা অস্বাভাবিক দুর্গন্ধ পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। তবে আমিরাতের পরিবেশ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এতে স্বাস্থ্যগত কোনও ঝুঁকি নেই। যদিও শুক্রবারেও উম আল-কুওয়াইনজুড়ে এ তীব্র গন্ধ অনুভূত হয়েছে। এই ঘটনায় যুক্ত ট্যাংকারটির নাম কিংবা তেল নিঃসরণের মূল কারণ এখন পর্যন্ত প্রকাশ করেনি সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষ। তবে ইরানের হামলায় সম্প্রতি হরমুজ প্রণালিতে অন্তত দুটি সুপারট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সেই ট্যাংকারগুলো থেকে তেল নিঃসরণের কারণেই আমিরাতের সমুদ্রসৈকত বন্ধ করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আরটিভি/এসআর
ট্যাংকার থেকে তেল ছড়িয়ে পড়ায় সমুদ্রসৈকত বন্ধ ঘোষণা আরব আমিরাতের
২০২৭ সালের রমজান, শবে কদর ও ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা
২০২৭ সালের ধর্মীয় ছুটির দিন ও মূল ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোর তারিখ ঘোষণা করেছে কাজাখস্তানের মুসলিমদের ধর্মীয় প্রশাসন। আগামী বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে পবিত্র রমজান মাস। সম্প্রতি দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কাজইনফর্ম নিউজ এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে। ইসলামিক বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, ২০২৭ সালে পবিত্র রমজান মাস শুরু হবে ৮ ফেব্রুয়ারি। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা শেষে ৯ মার্চ পালিত হবে ঈদুল ফিতর। রমজান মাসের অন্যতম পবিত্র রাত ‘লাইলাতুল কদর’ (শবে কদর) ২০২৭ সালের ৫ মার্চ দিবাগত রাতে পালিত হবে। আগামী বছর ঈদুল আজহা (কোরবানির ঈদ) ১৬ মে থেকে ১৮ মে পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী উদযাপিত হবে। এর আগের দিন, অর্থাৎ ১৫ মে পালিত হবে আরাফাতের দিন। ক্যালেন্ডারে হিজরি সনের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তারিখও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪-৫ জানুয়ারি দিবাগত রাতে শবে মেরাজ এবং ২২-২৩ জানুয়ারি দিবাগত রাতে শবে বরাত পালিত হবে।  ১৫ জুন আশুরা এবং ১৪-১৫ আগস্ট মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মবার্ষিকী বা ঈদে মিলাদুন্নবী পালিত হবে। এছাড়া ২০২৭ সালের ২৪-২৫ ডিসেম্বর শবে মেরাজের আরেকটি তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে। কাজাখস্তানের মুসলিম ধর্মীয় প্রশাসন জানিয়েছে যে, নতুন চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ধর্মীয় উৎসব ও দিবসগুলোর নির্ধারিত তারিখ এক দিন আগে-পরে হতে পারে। এর আগে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের গাণিতিক হিসাবের ওপর ভিত্তি করে ইতোমধ্যে ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালে পবিত্র রমজান মাস ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ১৯ মার্চ পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল এবং ঈদুল ফিতর পালিত হয়েছিল ২০ মার্চ। আরটিভি/এসআর
২০২৭ সালের রমজান, শবে কদর ও ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা
আরও পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার আশায় ওয়াল স্ট্রিটে শেয়ারবাজার চাঙ্গা
এবার স্কুলে শিক্ষার্থীদের হিজাব নিষিদ্ধ করল ইউরোপের আরেক দেশ
ইরানের তেলবাহী দুটি ট্যাংকার জাহাজে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা
‘আমেরিকা ও ইসরায়েলের ২০০টির বেশি বিমান ভূপাতিত করেছে ইরান’