ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

নারী যাত্রী ঘুমিয়ে পড়ায় ‘সুযোগ কাজে লাগান’ ভারতীয় ট্যাক্সিচালক, অতঃপর...

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২০ পিএম
গুরমিত সিং। ছবি: সংগৃহীত

যাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার তথ্য গোপন করায় যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব খোয়ালেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান ট্যাক্সি চালক গুরমিত সিং।

৫৫ বছর বয়সী গুরমিত সিং বর্তমানে নিউ ইয়র্কের একটি কারাগারে সাজা ভোগ করছেন। ২০১১ সালে এক নারী যাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনায় ২০১৪ সালে তার ২০ বছরের কারাদণ্ড হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ সোমবার (৩১ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নিউ ইয়র্কের ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্টের ফেডারেল আদালত ২৬ অগাস্ট গুরমিত সিংয়ের ন্যাচারালাইজেশন বা নাগরিকত্ব গ্রহণের আদেশ বাতিলের রায় দেয়।

বিচার বিভাগ বলছে, ২০১১ সালের মে মাসে ওই অপরাধ করার কয়েক সপ্তাহ পর যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্বের আবেদন করেন গুরমিত সিং। কিন্তু নাগরিকত্ব পাওয়ার পুরো প্রক্রিয়ায় তিনি ওই অপরাধের তথ্য গোপন করেন।

২০১১ সালের ১৯ অক্টোবর তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে শপথ নেন। এরপর ২০১৪ সালে নিউ ইয়র্কের একটি আদালতে তিনি অপহরণ ও ধর্ষণের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন। তাকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আদালতের নথি ও বিচার বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটে ২০১১ সালের ৬ মে। গুরমিত সিং তখন ট্যাক্সিক্যাব চালাতেন। তিনি নিউ ইয়র্কের উইলিয়ামসবার্গ এলাকা থেকে ২৬ বছর বয়সী এক নারীকে গাড়িতে তোলেন। ওই নারী যাত্রাপথে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন।

এক পর্যায়ে গুরমিত সিং তাকে গন্তব্যে না নিয়ে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে ওই নারী ঘুম থেকে উঠে দেখেন, চালক তার ওপর উঠে আছেন এবং তার গলায় ছুরি ঠেকিয়ে রেখেছেন।

মামলার অভিযোগপত্র অনুযায়ী, গুরমিত সিং ওই নারীকে ভয় দেখিয়ে হাত-পা ও মুখ বেঁধে ফেলেন, চোখ বেঁধে দেন এবং তার পোশাক খুলে ধর্ষণ করেন। পরে ওই নারী গাড়ি থেকে পালিয়ে ভোরের দিকে রাস্তায় একজনের কাছে গিয়ে সাহায্য চান।

পুলিশের তদন্তে পরে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে গুরমিত সিংয়ের সঙ্গে ওই ঘটনার যোগসূত্র পাওয়া যায়। ২০১৪ সালের মে মাসে জুরি তাকে ধর্ষণ ও অপহরণের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে।

নিউ ইয়র্কের আপিল আদালতও ২০১৭ সালে তার দণ্ড বহাল রাখে।

মার্কিন বিচার বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গুরমিত সিং ১৯৯২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ছয় মাসের ভ্রমণ ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও তিনি কয়েক বছর যুক্তরাষ্ট্রে অনুমোদনহীনভাবে অবস্থান করেন।

পরে পরিবারের মাধ্যমে করা অভিবাসন আবেদনের ভিত্তিতে ২০০০ সালের জুনে তিনি স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি বা গ্রিন কার্ড পান।

এরপর ২০১১ সালের মে মাসে নারী যাত্রীকে ধর্ষণ ও অপহরণের ঘটনা ঘটানোর কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তিনি মার্কিন নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেন। ওই অপরাধের তথ্য গোপন করেই তিনি নাগরিকত্বের প্রক্রিয়া শেষ করেন এবং ১৯ অক্টোবর নাগরিক হিসেবে শপথ নেন।

যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়া এবং ন্যাচারালাইজেশনের মাধ্যমে নাগরিকত্ব পাওয়ার মধ্যে আইনি পার্থক্য রয়েছে। ন্যাচারালাইজেশনের মাধ্যমে পাওয়া নাগরিকত্ব নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ফেডারেল আদালতের আদেশে বাতিল করা যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ ফেব্রুয়ারিতে গুরমিত সিংয়ের বিরুদ্ধে মামলা করার সময় জানিয়েছিল, কোনো ব্যক্তি যদি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করে বা ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য দিয়ে নাগরিকত্ব অর্জন করেন, তাহলে আইন অনুযায়ী তার ন্যাচারালাইজেশন বাতিল করা যেতে পারে।

গুরমিত সিংয়ের ক্ষেত্রে বিচার বিভাগের অভিযোগ ছিল, নাগরিকত্বের আবেদনের সময় তিনি তার বিরুদ্ধে থাকা ধর্ষণ ও অপহরণের তথ্য গোপন করেছিলেন। ২ ফেব্রুয়ারি বিচার বিভাগ তার নাগরিকত্ব বাতিলের জন্য মামলা করে। ২৬ অগাস্ট বিচারক নিকোলাস গ্যারোফিস নাগরিকত্ব বাতিলের আদেশ দেন।

বিচার বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ বলেন, “আমেরিকার নাগরিকত্ব অপরাধীদের সুরক্ষা দেবে না।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী, গুরমিত সিংকে তার ন্যাচারালাইজেশন সনদ ও মার্কিন পাসপোর্টসহ নাগরিকত্বের নথি ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জমা দিতে হবে।

আরও পড়ুন

তিনি বর্তমানে নিউ ইয়র্কের শাওয়ানগাঙ্ক কারেকশনাল ফ্যাসিলিটিতে ২০ বছরের সাজা ভোগ করছেন। তার সাজা শেষ হওয়ার সম্ভাব্য সময় ২০২৯ সালের ফেব্রুয়ারি। এরপর তাকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করা হবে কিনা, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার থাকবে দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের হাতে।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয় পেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ৩ রাজনীতিক
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রাজনীতিকদের এই সাফল্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও আনন্দের উপলক্ষ তৈরি করেছে। ফলাফলের পর বিজয়ীরা শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন তাদের সমর্থকদের সঙ্গে। 
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয় পেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ৩ রাজনীতিক
ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তরের প্রশংসাপত্র পেলেন বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ফরিদ আহাম্মদ রনি
বাংলাদেশের আলোকচিত্রী ও লেখক ফরিদ আহাম্মদ রনির আলোকচিত্রভিত্তিক গ্রন্থ ‘প্যারিসের ছবি’ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর হাতে গ্রন্থটি উপহার দেওয়ার পর এবার রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে পাওয়া আনুষ্ঠানিক প্রশংসাপত্র তার সৃজনশীল উদ্যোগকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। ২০২৫ সালের ৩০ অক্টোবর ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর হাতে নিজের প্রকাশিত গ্রন্থ ‘প্যারিসের ছবি’ তুলে দেওয়ার সুযোগ পান ফরিদ আহাম্মদ রনি। প্যারিসের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সৌন্দর্যকে আলোকচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা এই গ্রন্থ রাষ্ট্রপতির হাতে পৌঁছে দেওয়া তার দীর্ঘদিনের সৃজনশীল যাত্রার একটি স্মরণীয় ঘটনা। এর আগে ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তর এবং প্যারিসের মেয়র দপ্তর থেকেও গ্রন্থটির জন্য প্রশংসাপত্র ও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়ার কথা জানান লেখক। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের ২০ অক্টোবর ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে প্রাপ্ত আনুষ্ঠানিক চিঠি তার এই উদ্যোগে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। প্রাপ্ত চিঠিতে গ্রন্থটি উপহার দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি ফ্রান্সের সাংস্কৃতিক মর্যাদা ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশটির ভাবমূর্তি তুলে ধরার ক্ষেত্রে লেখকের উদ্যোগের প্রশংসা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ফ্রান্স ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং সাংস্কৃতিক বন্ধন সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে তার অবদানের স্বীকৃতিও উল্লেখ করা হয়েছে। ‘প্যারিসের ছবি’ কেবল একটি আলোকচিত্রের বই নয়, বরং ফ্রান্সের রাজধানীর ইতিহাস, স্থাপত্য, শিল্প, সংস্কৃতি ও নগরজীবনের এক নান্দনিক উপস্থাপনা। গ্রন্থটিতে আইফেল টাওয়ার, লুভর জাদুঘর, ঐতিহাসিক স্থাপনা, ভাস্কর্য, নগরজীবন এবং প্যারিসের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আলোকচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। বাংলা, ইংরেজি ও ফরাসি ভাষায় প্রকাশিত গ্রন্থটি বাংলাদেশের প্রকাশনা ও আলোকচিত্রচর্চার আন্তর্জাতিক পরিচিতি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে। বহুভাষিক উপস্থাপনার মাধ্যমে বইটি বাংলাদেশ, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশের পাঠক ও শিল্পানুরাগীদের কাছে প্যারিসের সৌন্দর্য ও ঐতিহ্য তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদনেও গ্রন্থটির বহুভাষিক প্রকাশনা এবং ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির হাতে পৌঁছানোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে। ফরিদ আহাম্মদ রনির এই গ্রন্থ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের কাছে পৌঁছেছে। ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর পাশাপাশি প্যারিসের সাবেক মেয়র আন্নে ইদালগোর হাতেও বইটি তুলে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্যারিসের ঐতিহাসিক গ্রঁ পালে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ChangeNOW Summit-এ মোনাকোর যুবরাজ প্রিন্স আলবার্ট দ্বিতীয়, ফ্রান্সের সাবেক প্রধানমন্ত্রী লরাঁ ফাবিউস এবং জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল মেলিসা ফ্লেমিংয়ের হাতেও গ্রন্থটি পৌঁছে দেন তিনি। ২০২৬ সালের জুনে প্যারিসের বর্তমান মেয়র ইমানুয়েল গ্রেগোয়ারের কাছেও গ্রন্থটি উপহার দেওয়া হয়। একই বছরের আগস্টে ফ্রান্সের সাবেক রাষ্ট্রপতি ফ্রাঁসোয়া ওলান্দের হাতেও বইটি তুলে দেওয়ার খবর প্রকাশিত হয়। ফ্রান্স ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ওপর প্রতিষ্ঠিত। শিল্প, সাহিত্য, আলোকচিত্র ও সংস্কৃতির মাধ্যমে দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ আরও গভীর করার সুযোগ রয়েছে। ফরিদ আহাম্মদ রনির ‘প্যারিসের ছবি’ সেই সাংস্কৃতিক যোগাযোগের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। একজন বাংলাদেশি আলোকচিত্রীর দৃষ্টিতে ফ্রান্সের রাজধানীকে আন্তর্জাতিক পাঠকের সামনে তুলে ধরার এই প্রচেষ্টা দুই দেশের সাংস্কৃতিক বিনিময়কে নতুনভাবে পরিচিত করার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে পাওয়া আনুষ্ঠানিক প্রশংসাপত্র তার ব্যক্তিগত সৃজনশীল অর্জনের পাশাপাশি বাংলাদেশের আলোকচিত্র ও প্রকাশনা জগতের জন্যও অনুপ্রেরণার বিষয়। সংস্কৃতির কোনো ভৌগোলিক সীমারেখা নেই। শিল্প ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে মানুষে মানুষে সম্পর্ক গড়ে ওঠে, দেশ থেকে দেশে তৈরি হয় বন্ধুত্বের সেতু। ‘প্যারিসের ছবি’ সেই সেতুবন্ধনেরই একটি নান্দনিক প্রয়াস, যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। আরটিভি/টিআর
ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তরের প্রশংসাপত্র পেলেন বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ফরিদ আহাম্মদ রনি
বিশ্ববাজারে বাড়ল সোনার দাম
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের পর ডলারের দরপতনে বিশ্ববাজারে সোনার দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
বিশ্ববাজারে বাড়ল সোনার দাম
নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হলেন লেটিশিয়া জেমস
নিউ ইয়র্ক অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে পুনর্নির্বাচনের লড়াইয়ে জয়ী হয়েছেন লেটিশিয়া জেমস। তিনি রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী সারিতা কোমাতিরেডিকে পরাজিত করেছেন বলে ঘোষণা করেছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস। স্থানীয় সময় বুধবার (৪ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে এই নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়, যেখানে জেমস ৬০ শতাংশেরও বেশি ভোট পেয়েছেন বলে জানা গেছে। ২০১৯ সাল থেকে জেমস নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি কর্মজীবী ​​পরিবারগুলোর ব্যয় কমানো, অপরাধীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং নিউ ইয়র্কবাসীর অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করেছেন। দায়িত্বকালে গত সাত বছরে তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ৫০ বারেরও বেশি মামলা করেছেন। ২০২০ সালে ট্রাম্প কোমাতিরেডিকে নিউ ইয়র্কের পূর্বাঞ্চলীয় ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারক হিসেবে মনোনীত করেছিলেন। তিনি নিউ ইয়র্কে নিরাপত্তা বৃদ্ধি, মানসিক অসুস্থতার মোকাবিলা এবং নিউ ইয়র্কবাসীর অধিকার রক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আরটিভি/টিআর
নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হলেন লেটিশিয়া জেমস
নিজেদের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার পেতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের হারিয়ে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নিয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। এরই ধারাবাহিকতায় এবার মার্কিন কংগ্রেসে নতুন ইতিহাস গড়ার পথে রয়েছেন ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফ্রিস। 
নিজেদের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার পেতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?
আরও পড়ুন
গাজীপুরে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন শ্রমিকরা
শিশুকে হত্যার ভয় দেখিয়ে চাচিকে হলুদক্ষেতে নিলেন শিবলু, অতঃপর...
‘বিশেষ ক্ষমতায়’ নারীদের বশ করেন কবিরাজ, এরপর শারীরিক সম্পর্ক!
‘পাপ বাপকেও ছাড়ে না’ প্রবাদের সত্যতা প্রমাণ হলো পঞ্চগড়ে