
ইন্দোনেশিয়ায় শুক্রবার ৭ দশমিক ৫ মাত্রার এক ভূমিকম্পের পর শক্তিশালী সুনামিতে কমপক্ষে ৩০ জন নিহত হয়েছেন। ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি দ্বীপের পালুতে প্রায় দুই মিটার (৬.৬ ফুট) উঁচু ঢেউ আছড়ে পড়ে। খবর বিবিসির।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, মানুষজন চিৎকার করছে এবং ভয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। ওই ভিডিওতে বিভিন্ন ভবনের সঙ্গে একটি মসজিদও ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেখা যায়।
ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধারে অভিযান শুরু হয়েছে। কিন্তু শুক্রবার দেশটির একজন মন্ত্রী বলেছেন, যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে এবং পালুর মুতিয়ারা সিসি আল-জুফরিয়ে বিমানবন্দরের রানওয়ে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ঘটনাস্থলে থাকা বার্তা সংস্থা এএফপি’র একজন ফটো সাংবাদিক বলেছেন, কমপক্ষে ২০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। তবে ওই ব্যক্তিদের মৃত্যু ভূমিকম্প নাকি সুনামির কারণে হয়েছে সেটি স্পষ্ট নয়।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ বলেছে, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টার কিছুটা আগে সেন্ট্রাল সুলাওয়েসি থেকে অল্প দূরে ওই ভূমিকম্প আঘাত করে। এটির গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।
এদিকে ওই ভূমিকম্প আঘাত হানার পরপরই সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। তবে এক ঘণ্টা পর সেই সতর্কতা তুলে নেয়া হয়।
ইন্দোনেশিয়ার মেটিওরোলজিক্যাল ও জিওফিজিক্স এজেন্সির প্রধান ডিউইকোরিতা কার্নাওয়াতি বলেছেন, এটি বিশৃঙ্খল অবস্থা, মানুষজন রাস্তা দৌড়াদৌড়ি করছে এবং ভবন ভেঙে পড়েছে। একটি জাহাজ উপকূলে ভেসে আসে।
গেল মাসে ইন্দোনেশিয়ার লোম্বক দ্বীপ সিরিজ ভূমিকম্প আঘাত করে। তবে এর মধ্যে ৫ আগস্ট সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ৪৬০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়।
এর আগে ২০০৪ সালে একটি ভূমিকম্পের পর শক্তিশালী সুনামির আঘাতে দুই লাখ ২৬ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। এদের মধ্যে এক লাখ ২০ হাজারের বেশি মানুষ ইন্দোনেশিয়ার ছিল।
আরও পড়ুন :
এ/এমকে




