ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

দুর্গাপূজার মন্ত্র বদলানোর দাবি উঠেছে পশ্চিমবঙ্গে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ০৭ অক্টোবর ২০১৯, ১২:৩৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

দুর্গাপূজার সকালে অঞ্জলি দেয়ার যে মন্ত্র পাঠ করা হয়, তারই একটি শব্দ পরিবর্তন করে সময়োপযোগী করার দাবি উঠেছে। প্রাচীনকাল থেকে চলে আসা ওই মন্ত্রের একটি জায়গায় ‘পুত্রান্ দেহি’ বলতে হয়।

কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক মাধ্যম আর গণমাধ্যমে অনেকেই বলতে শুরু করেছেন যে, ‘পুত্রান্ দেহি’ বলে আসলে ঈশ্বরের কাছে শুধু পুত্র চাওয়া হয়ে আসছে। শুধু পুত্র সন্তানের কামনা করাটা লিঙ্গ বৈষম্য, এমনই মনে করছেন অনেকে। খবর বিবিসি বাংলার।

শাস্ত্র বিশেষজ্ঞদের মতে, দুর্গাপূজার অষ্টমীর দিন তিনভাগে যে অঞ্জলি দেয়া হয়, তার দ্বিতীয় ভাগটি এরকম: ‘আয়ুর্দ্দেহি যশোদেহি ভাগ্যং ভগবতী দেহি মে। ধনং দেহি পুত্রান্ দেহি সর্ব কামাংশ্চ দেহি মে’। অর্থাৎ, দেবীর কাছে আয়ু, যশ এসবের সঙ্গেই ‘পুত্র’ কামনা করা হচ্ছে।

দাবি উঠছে, ‘পুত্রান্ দেহি’র বদলে ‘সন্তানান্ দেহি’ বলা হোক, যাতে পুত্র বা কন্যা নির্দিষ্ট করে না প্রার্থনা করে সন্তানের কথা বলা হোক ওই মন্ত্রে।

কিন্তু প্রাচীনকাল থেকে চলে আসা পূজার মন্ত্র বদল করা যায় কি না, তা নিয়ে বেদ-পুরাণ বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মতান্তর তৈরি হয়েছে।

বেদ-পুরাণের গবেষক অধ্যাপক রোহিনী ধর্মপাল বলছেন, বহু ক্ষেত্রেই হিন্দু শাস্ত্র-পুরাণে কিছুটা লিঙ্গ-বৈষম্য রয়েছেই। এখানে নারীদের কথা একটু কম, পুরুষদের কথা বেশি আছে। এই একটা শব্দ পরিবর্তন করে যদি লিঙ্গ বৈষম্য দূর করা যায়, তাহলে আপত্তির কিছু তো দেখি না আমি।

তবে শাস্ত্র বিশেষজ্ঞ নৃসিংহ প্রসাদ ভাদুড়ী মনে করেন যে, ‘পুত্রান্ দেহি’ বলা হলেও সেটিতে আসলে সন্তান কামনাই করা হচ্ছে।

ভাদুড়ী বলেন, মন্ত্রটা কে কীভাবে ব্যাখ্যা করছেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ। কালিদাসের কুমারসম্ভব কাব্যের শুরুতে রয়েছে জগত: পিতরৌ বন্দে, অর্থাৎ নিখিল জগতের পিতরৌ - মানে পিতা এবং মাতা, অর্থাৎ পার্বতী- পরমেশ্বরকে বন্দনা করি। পিতরৌ হল পিতা শব্দের দ্বিবচন। একটা শব্দেই কিন্তু বাবা এবং মা দুজনকেই বোঝানো হচ্ছে।

একই সঙ্গে তিনি মনে করেন, যে সমাজে, যে যুগে মন্ত্রগুলো লেখা হয়েছে, সেই সময়কার ছাপ নিঃসন্দেহে রয়েছে মন্ত্রের মধ্যে।

তিনি বলছিলেন, সে যুগে নিঃসন্দেহে পুত্র সন্তানই চাইতেন বেশিরভাগ মানুষ। কারণ আর্যরা যখন যুদ্ধ করতে করতে অগ্রসর হচ্ছে, তখন লড়াই করার জন্য শক্তিশালী পুত্রের প্রয়োজন বলেই মনে করা হতো।

‘আজ থেকে ৪০-৫০ বছর আগে পর্যন্তও তো আমাদের সমাজেই পুত্র সন্তানই চাইতেন মানুষ। তাই ওই সময়ের মানুষের চিন্তাভাবনা জেন্ডার বায়াসড ছিল, এটা বলার কোনও অর্থ হয় না। তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে, গবেষণা হতে পারে, কিন্তু পরিবর্তন কী ভাবে করবেন আপনি?’

অধ্যাপক রোহিনী ধর্মপাল বলেন, বেদে কিন্তু নারীদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান ছিল। ২৭ জন নারী ঋষি বেদের অতি গুরুত্বপূর্ণ কিছু সুক্ত লিখেছেন। কিন্তু পরবর্তী নানা যুগে নারীদের স্থান সংকুচিত হতে শুরু করে, অনেক সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয় নারীদের ওপরে। ব্রাহ্মণ্যবাদ আর পুরুষতান্ত্রিকতার ফসল ওগুলো।

তিনি বলেন, এতো বছর ধরে যদি সেই খারাপ দিকের পরিবর্তনগুলো মেনে নিয়ে আমরা মন্ত্রোচ্চারণ করে থাকতে পারি, এখন সন্তান কামনার ক্ষেত্রে লিঙ্গ বৈষম্য দূর করার জন্য বদল কেন করা যাবে না?

দুর্গাপূজার অঞ্জলির মন্ত্র পরিবর্তন করা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমেও অনেকেই পোস্ট শেয়ার করছেন বা অন্যের পোস্ট লাইক বা কমেন্ট করছেন।

এমনই একজন, কলকাতার বাসিন্দা কাবেরী বিশ্বাস বলছিলেন, এই পোস্টটা দেখার পরে মনে হল যে- এভাবে তো কখনও ভাবিনি! যদিও অঞ্জলির মন্ত্রোচ্চারণের সময়ে পুত্রান্ দেহি কথাটা বলতাম, মনে মনে কিন্তু সন্তানই প্রার্থনা করতাম।

তিনি বলেন, মায়ের কাছে পুত্রসন্তান আর কন্যা সন্তান - দুইয়েরই মূল্য সমান। কিন্তু ব্যাপারটা নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ায় এবার ঠিক করেছি ‘সন্তানান্ দেহি’ই বলবো।

নৃসিংহ প্রসাদ ভাদুড়ী কিন্তু মনে করেন, এটা অবাস্তব।

তিনি বলেন, যুগ যুগ ধরে যে মন্ত্র উচ্চারিত হচ্ছে, সেটাকে কি পাল্টে দেয়া যায় একটা ক্যাম্পেইন চালিয়ে? দেখবেন এবারও অঞ্জলি দেয়ার সময়ে পুরোহিতও যেমন পুত্রান্ দেহি-ই বলবেন, তেমনই যারা অঞ্জলি দেবেন, তারাও সেটাই উচ্চারণ করবেন।

‘পুত্রান্ দেহি’র বদলে ‘সন্তানান্ দেহি’ বলার যে দাবি উঠেছে, তাকে সম্পূর্ণ সমর্থন করেন নারী অধিকার আন্দোলনের কর্মী শ্বাশতী ঘোষ।

তবে তিনি বলছেন, মন্ত্র বদলের থেকেও দরকার নিজের মন পরিবর্তন - যেখানে পুত্র সন্তান আর কন্যা সন্তানের মধ্যে যে কোনও ভেদ নেই, এটা মন থেকে বিশ্বাস করতে হবে।

এ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আফগানিস্তানে বায়ুদূষণে ১৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮,৮০০
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে বিপজ্জনক মাত্রার বায়ু দূষণের কারণে শ্বাস-প্রশ্বাসের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে গত সপ্তাহে কমপক্ষে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেশটির গণস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানায় কাতারের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম আল জাজিরা। মন্ত্রণালয়টির উপমন্ত্রী ফিদা মোহাম্মদ পাইকান সোমবার সাংবাদিকদের বলেন, এই সপ্তাহে ফুসফুসের সমস্যাসহ বায়ুদূষণ জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে আট হাজার ৮০০ এর বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। আফগানিস্তানের ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশন এজেন্সির নারী মুখপাত্র লেইলা সামানি এদিন ডিপিএ নিউজ এজেন্সিকে বলেন, কাবুলের এই বায়ু দূষণের জন্য দায়ী স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। আফগান প্রেসিডেন্ট তাদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মকর্তাদের কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এই মিউনিসিপালিটি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল  এজেন্সি রোববার সন্ধ্যায় জানায়, তিনটি ওয়েডিং হল ও দুটি প্রোপার্টি ম্যানেজমেন্ট অফিস বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সামানি জানান, স্থানীয়দের  প্রতি আবাসস্থল গরম রাখার জন্য কয়লা, টায়ার ও প্লাস্টিক ব্যবহার না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, বায়ুদূষণের প্রাথমিক কারণ হলো দারিদ্র্য ও বিদ্যুতের অভাব। সস্তায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ পাওয়া না গেলে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। কে/সি
আফগানিস্তানে বায়ুদূষণে ১৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮,৮০০
সিএএ বাতিলের দাবিতে প্রস্তাব পাস কেরালার বিধানসভায়
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধন আইন (সিএএ) বাতিল করার দাবিতে মঙ্গলবার একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে দেশটির কেরালার বিধানসভায়। কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের উদ্যোগে রাজ্যটির বিধানসভায় প্রস্তাবটি পাস হয়। খবর স্থানীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এবং আনন্দবাজারের। মঙ্গলবার বিধানসভার এক দিনের বিশেষ অধিবেশনে রাজ্য সরকারের আনা সিএএ বাতিল করার প্রস্তাবে সম্মতি দেয় বিরোধী দলগুলো। পিনারাই বিজয়ন সিএএ বিরোধী প্রস্তাবটি পাঠ করার সময় বলেন, ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শ ক্ষুণ্ণ করছে ধর্ম ভিত্তিক নাগরিকত্ব প্রদানের আইনটি। তিনি বলেন, সংবিধানের আদর্শের একেবারে বিরোধী এই আইন। এছাড়া আইনটি পাসের পর দেশব্যাপী উদ্বেগ, প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ দেখা গেছে। কেরালার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্র সরকারের উচিত ধর্মনিরপেক্ষতার খাতিরে এই আইন প্রত্যাহার করা। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, কেরালায় কোনও ডিটেনশন ক্যাম্প হবে না। গত রোববার সিএএ প্রত্যাহারের প্রস্তাব আনার জন্যে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকেন পিনারাই বিজয়ন। বৈঠকে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ (ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট) দাবি করে, এক দিনের বিশেষ অধিবেশন করে সিএএ বাতিলের প্রস্তাব পাস করা হোক। বছরের শেষ দিনটিকে এই অধিবেশনের জন্যে ধার্য করা হয়। কে/সি
সিএএ বাতিলের দাবিতে প্রস্তাব পাস কেরালার বিধানসভায়
সিএএ বিরোধী বিক্ষোভ সামলাতে গুরুর শরণাপন্ন মোদি
দেশব্যাপী নাগরিকত্ব সংশোধন আইন (সিএএ) বিরোধী বিক্ষোভ সামলাতে শেষপর্যন্ত সদগুরু জাগ্গি বাসুদেবের শরণাপন্ন হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খবর স্থানীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারের। তিনি সোমবার গুরুর একটি ভিডিও টুইট করে লিখেছেন, শুনে দেখুন সদগুরু পানির মতো ব্যাখ্যা করেছেন সিএএ। মজার বিষয় হলো গুরু বাসুদেব শুরুতেই জানান, তিনি আইনটি পুরোপুরি পড়েননি। মোদির টুইট করা ২০ মিনিটের বেশি সময়ের ভিডিওটির শুরুতেই সদগুরু বলেন, আমি আইনটি পুরোপুরি পড়িনি। আইনটি সম্পর্কে যতটা জেনেছি তা গণমাধ্যম থেকে। এই আইন সব দেশেই আছে। আইনটি না পড়ে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করার জন্য শিক্ষার্থীদের তিরস্কার করেন বাসুদেব। তিনি তাদের পাথরের খনিতে কাজ করা শ্রমিকদের সঙ্গে তুলনা করেন কর্ণাটকের মহীশুরে জন্মগ্রহণ করা এই গুরু। তিনি বলেন, সবাই বলছে পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে পড়েছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও তো পাথরের খনিতে কাজ করা শ্রমিকদের মতো আচরণ করেছে। সবাইকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়েছে তারা। তার দাবি, এমন প্রতিক্রিয়া হবে ভাবেনি বলে বেশি পুলিশ নামায়নি সরকার। তাই পুলিশই মার খেয়েছে। পুলিশের দিকে কেউ পাথর ছুড়েছে, কেউ ছোড়েনি। সংঘর্ষে দুজনই পুলিশের মার খাবে এটাই স্বাভাবিক। দিল্লিতে সিএএ বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা সিপিআই (এমএল) নেত্রী কবিতা কৃষ্ণন বলেন, প্রধানমন্ত্রী মরিয়া হয়ে রং নম্বর করে ফেললেন। উনি (সদগুরু জাগ্গি বাসুদেব) তো আইনটিই পড়েননি। কে/সি
সিএএ বিরোধী বিক্ষোভ সামলাতে গুরুর শরণাপন্ন মোদি
ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার দাবানল, আটকা চার হাজার বাসিন্দা
ভয়ংকর রূপ ধারণ করছে অস্ট্রেলিয়ার দাবানল। দেশটির নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যে মঙ্গলবার দাবানলে পুড়ে এক দমকলকর্মীসহ কমপক্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে চলমান দাবানলের কারণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২ হলো। খবর ইরানের নিউজ সাইট পার্সটুডে ও যুক্তরাজ্যের সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের। রাজ্যটিতে দাবানলের কারণে দুজন আহত এবং চারজন নিখোঁজ হয়েছেন। দাবানল সবচেয়ে বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে ভিক্টোরিয়া রাজ্যে। এখানে ১১ নম্বর সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রাজ্যটির ছোট শহর মাল্লাকুটার চার হাজার বাসিন্দা একটি উপকূলে আটকা পড়েছে। তাপমাত্রা ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকায় দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতেও দাবানল ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশটির প্রতিটি রাজ্যের তাপমাত্রা প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করে যাওয়ায় এই আশঙ্কা বেড়েছে।   ভিক্টোরিয়ার ইস্ট গিপসল্যান্ড থেকে ৩০ হাজার অধিবাসী এবং পর্যটককে অঞ্চলটি ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু আগুন প্রধান সড়কগুলোতে ছড়িয়ে পড়ায় তাদের জন্য অঞ্চলটি ছেড়ে যাওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। ইস্ট গিপসল্যান্ডে বাতাসের সঙ্গে আগুন উপকূলের দিকে ছড়িয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তারা। এদিকে মেলবোর্নের বুনদুরায় অসংখ্য মানুষ এবং তাদের বাড়িঘর দাবানলে পুড়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে আছে বলে জানিয়েছেন এখানকার কর্মকর্তারা। কে/সি
ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার দাবানল, আটকা চার হাজার বাসিন্দা
চীনে জিন এডিট করে শিশু জন্ম দেয়ায় তিন গবেষককে কারাদণ্ড
অবৈধভাবে জিন এডিট করে শিশু জন্ম দেয়ায় জড়িত থাকা তিন গবেষককে সোমবার কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন চীনের এক আদালত। খবর দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার। তিন গবেষকের প্রধান হি জিয়ানকুইকে তিন বছরের কারাদণ্ড ও ৩০ লাখ ইউয়ান (চার লাখ ৩০ হাজার ডলার) অর্থদণ্ড দেন গুয়াংডং প্রদেশের শেনঝেন শহরের ন্যানশ্যান ডিস্ট্রিক্ট পিপলসের এই আদালত। তার দুই সহকারী ঝ্যাং রেনলি এবং কিন জিনঝৌর শাস্তি কমিয়ে তাদেরকে যথাক্রমে দুই ও দেড় বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। এছাড়া তাদেরকে অর্থদণ্ড দেয়া হয়। হি জিয়ানকুই ২০১৮ সালের নভেম্বরে বিশ্বে প্রথমবারের মতো জিন এডিট করে সন্তান জন্ম দেয়ায় সাহায্য করার কথা জানালে জিন এডিটিংয়ের নৈতিকতা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। এছাড়া জিন এডিট করে শিশু জন্ম দেয়ার আরেকটি ঘটনায় জড়িত ছিলেন সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর হি জিয়ানকুই। কে/সি
চীনে জিন এডিট করে শিশু জন্ম দেয়ায় তিন গবেষককে কারাদণ্ড
আরও পড়ুন
দিদি ওপারে চলে যান: মমতাকে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি
পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রীদের ছুটি বাতিল
পশ্চিমবঙ্গে ব্রিজের নিচে আটকে গেলো বিমান (ভিডিও)
দেশে বিভাজনমূলক শাসনের রাজত্ব চলছে: মমতা