ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

আফ্রিকার হাজার বছরের গাছগুলো মরে যাচ্ছে কেন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ১২ জুন ২০১৮, ০৩:৩৪ পিএম

আফ্রিকার সাভানাহ তৃণভূমিতে হাজার বছরের প্রাচীন গাছগুলো হঠাৎ করে মরে যেতে শুরু করায় চিন্তিত হয়ে পড়েছেন বিজ্ঞানীরা। বাওব্যাব নামের এসব গাছের বয়স ১ হাজার থেকে আড়াই হাজার বছর।

আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশ জুড়ে এসব গাছ ছড়িয়ে রয়েছে। তবে বিজ্ঞানীরা দেখতে পেয়েছেন, বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন আর আফ্রিকার সবচেয়ে বড় বাওব্যাব গাছগুলো গত ১২ বছর ধরে মরে যাচ্ছে। খবর বিবিসির।

বিজ্ঞানীদের ধারণা, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে এর সম্পর্ক থাকতে পারে, যদিও এখনও এ বিষয়ে তাদের কাছে সরাসরি কোন প্রমাণ নেই।

এসব গাছ বিশাল আকারে বড় হয়ে থাকে এবং শত শত বছর ধরে বেঁচে থাকে।

দক্ষিণ আফ্রিকা, রোমানিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা বলছেন, এসব গাছ হারানো মানে হচ্ছে যেন হঠাৎ করে বিশাল কিছু হারানো। তারা বলছেন, আমরা সন্দেহ করছি যে, আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলে জলবায়ুর কারণে যেসব পরিবর্তন হয়েছে, এসব গাছের মরে যাওয়ার সঙ্গে হয়তো তার সম্পর্ক আছে।

গবেষক দলের প্রতিনিধি অ্যাড্রিয়ান প্যাটরুট বলেছেন, তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে হলে আরও গবেষণা করতে হবে। আমরা সন্দেহ করছি, অতিরিক্ত তাপমাত্রা আর খরার কারণে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

২০০৫ সাল থেকে আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের দেশগুলোর এসব প্রাচীন গাছগুলো পর্যবেক্ষণ করে আসছেন গবেষকরা। রেডিও কার্বন ব্যবহার করে তারা গাছগুলোর কাঠামো আর বয়স বের করেন।

অনেকটা হঠাৎ করেই তারা শনাক্ত করেন যে, ১৩টি প্রাচীন বাওব্যাবস গাছের মধ্যে আটটি আর ৬টি বৃহৎ গাছের ৫টি মারা গেছে অথবা তাদের পুরনো অংশটি নষ্ট হয়ে গেছে। জিম্বাবুয়ে, নামিবিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, বতসোয়ানা আর জাম্বিয়া জুড়ে এসব গাছ ছড়িয়ে রয়েছে। একেকটি গাছ ১ হাজার থেকে আড়াই হাজার বছর পুরনো।

ফলের আকৃতির কারণে স্থানীয়ভাবে এসব গাছকে ‘মৃত ইঁদুর’ গাছ বলেও ডাকা হয়। গাছগুলো লম্বা আর ডালপালাবিহীন হয়ে থাকে।

এসব গাছ তাদের শরীরের ভেতর অনেক পানি ধরে রাখে। ফলে রুক্ষ এলাকাতেও এসব গাছ নিজেদের টিকিয়ে রাখতে পারে। আফ্রিকার বন্যপ্রাণী এবং পাখিদের আবাসস্থল হিসেবে বাওবাব বেশ জনপ্রিয়।

কেএইচ/পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সুদানের বিরোধী দলের নেতা গ্রেপ্তার
সুদানে দেশব্যাপী সরকার-বিরোধী বিক্ষোভ দমনের পর দেশটির বিরোধী দল সুদানিজ কংগ্রেস পার্টির প্রেসিডেন্ট ওমার এল-দিগেইরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে তার দলের বরাত দিয়ে একথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম সিএনএন। এদিন সন্ধ্যা পৌনে ছয়টায় দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ওমারকে গ্রেপ্তার করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় বলে সুদানিজ কংগ্রেস পার্টির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে জানানো হয়। এতে বলা হয়, দেশের অর্থ-ঘাটতি, দুর্নীতি ও দমনের বিরুদ্ধে সুদানি জনগণের প্রতিবাদ থামাতে এবং তাদেরকে দমিয়ে রাখতেই এমনটি করা হচ্ছে। তবে ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসীদের ভয়ে ভীত নই আমরা। আমরা [সুদানি প্রেসিডেন্ট ওমার] আল-বশির ও তার সমর্থকদের থেকে মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবো বলেও বিবৃতিটিতে উল্লেখ করা হয়। উত্তর আফ্রিকার দেশটিতে টানা চলমান বিক্ষোভের দশম দিনে রাজধানী খার্তুমে অবস্থানরত সরকার-বিরোধী বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গুলি ছোড়ে সুদানি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। গত বছর দেশটিতে জ্বালানি ঘাটতি এবং খাদ্যদ্রব্যের দাম বেড়ে যায়। ফলে জীবিকা নির্বাহ কঠিন হয়ে পড়ায় বশিরের বিরুদ্ধে দেশটির তৃণমূল পর্যায়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে ডাক্তার, আইনজীবী, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মতো পেশাজীবী শ্রেণির প্রতিনিধিরা এসব বিক্ষোভকারীকে সংঘবদ্ধ করে। আর এসব সংঘবদ্ধ ও বিক্ষুব্ধ মানুষকে সমর্থন দেয় দেশটির সবচেয়ে বড় বিরোধী দলগুলোর দুটি। বৃহস্পতিবার সুদানের তথ্যমন্ত্রী বুশারা জুমা সাংবাদিকদের জানান, চলমান বিক্ষোভে কমপক্ষে ১৯ জন নিহত এবং ৪০৬ জন আহত হয়েছেন। তবে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলছে, বিক্ষোভের শুরু থেকে এ পর্যন্ত কমপক্ষে ৩৭ জন নিহত হয়েছেন। কে/জেএইচ
সুদানের বিরোধী দলের নেতা গ্রেপ্তার
মিশরে বোমা বিস্ফোরণে তিন ভিয়েতনামি পর্যটকসহ স্থানীয় গাইড নিহত
মিশরে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় একটি পর্যটন বাসে ভিয়েতনামের তিন পর্যটক এবং স্থানীয় একজন গাইড নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১০ জন। স্থানীয় সময় শুক্রবার সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার দিকে দেশটির বিশ্ব-বিখ্যাত গিজা পিরামিড থেকে চার কিলোমিটারেরও কম দূরবর্তী একটি রাস্তার পাশের দেয়ালে লুকানো বোমা বিস্ফোরণের ফলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দুই পর্যটকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পরবর্তীতে স্টেট প্রসিকিউটরের দপ্তর অপর পর্যটকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে। মোট ১৪ জন ভিয়েতনামি বাসটিতে ছিলেন বলে জানানো হয় এই দপ্তরের পক্ষ থেকে। বাসটির চালকের বরাত দিয়ে সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কমপক্ষে নয় ভিয়েতনামি নাগরিক আহত হয়েছেন। আহতদেরকে স্থানীয় আল হারাম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এখানে দুর্ঘটনার শিকার বাসে থেকে প্রাণে বেঁচে যাওয়া ল্যান লে নামের এক ৪১ বছর বয়সী পর্যটকের সঙ্গে কথা হয় যুক্তরাজ্যের বার্তা সংস্থা রয়টার্সের। তিনি বলেন, তারা পিরামিডে অনুষ্ঠেয় একটি সাউন্ড অ্যান্ড লাইট শো দেখতে এদিন সকালে রওনা হন। ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর হঠাৎ তারা বোমা বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান। এটা ছিল ভয়ানক, তখন আশেপাশের সবাই চিৎকার করছিল। তারপর কী হয়, তা আমার মনে নেই। মিশরের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাস্তার পাশের একটি দেয়ালে লুকিয়ে রাখা ডিভাইস বিস্ফোরণের ফলে বাসটি এই বিস্ফোরণের শিকার হয়। রয়টার্সের একজন রিপোর্টার বলেন, দুই ঘণ্টা পর পুলিশ বিধ্বস্ত বাসটি উদ্ধার করে। বিস্ফোরণের খবর পাওয়ার পর কয়েক ডজন পুলিশ, সেনাবাহিনী ও দমকলবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বিধ্বস্ত বাসটি রাস্তার এক পাশে পড়ে থাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল। কিছুক্ষণ পরে বাসটি সেখান থেকে সরিয়ে নেয়া হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়া একজন তদন্তকারী বলেন, ডিভাইসটি দেয়ালের আশেপাশে কোথাও বসানো হয়েছিল। দেশটিতে ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে যুক্ত জঙ্গিসহ ইসলামি উগ্রপন্থিরা সক্রিয়ে আছে এবং এর আগে তারা বিদেশি পর্যটকদেরকে টার্গেট করেছে। তবে তাৎক্ষণিক কোনও দল বা গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। আরও পড়ুন : সিকিমে আটকে পড়া তিন হাজার পর্যটককে উদ্ধার করল সেনাবাহিনী ৪০ সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে মিশরের পুলিশ কে/জেএইচ
মিশরে বোমা বিস্ফোরণে তিন ভিয়েতনামি পর্যটকসহ স্থানীয় গাইড নিহত
৪০ সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে মিশরের পুলিশ
মিশরের পুলিশ দেশটির সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে অন্তত ৪০ জনকে হত্যা করেছে। রাজধানী কায়রোর কাছে রাস্তার পাশে পেতে রাখা বোমা বিস্ফোরিত হয়ে তিনজন বিদেশি পর্যটক ও তাদের একজন স্থানীয় গাইড নিহত হওয়ার পর আজ শনিবার এ অভিযান চালানো হলো। খবর পার্সটুডের। মিশরের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গিজা প্রদেশে শনিবার দুটি আলাদা অভিযানে ৩০ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত হয়। এছাড়া, দূরবর্তী উত্তর সিনাই অঞ্চলে অপর ১০ সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ধারাবাহিক হামলা চালানোর জন্য সন্ত্রাসীরা প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে খবর পাওয়ার পর আজ এসব অভিযান চালানো হয়। গতকাল শুক্রবার মিশরের গিজা প্রদেশে বিশ্বখ্যাত পিরামিডের কাছে একটি পর্যটন বাস লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালানো হয়। এতে ভিয়েতনামের তিন পর্যটক ও একজন মিশরীয় গাইড নিহত হন। ওই ঘটনায় আরও অন্তত ১২ জন আহত হন, যাদের মধ্যে ১০ জনই ভিয়েতনামের নাগরিক। ওই হামলার ঘটনায় ভিয়েতনাম দুঃখ প্রকাশ করে এবং মিশর সরকার একে সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে আখ্যায়িত করে এতে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দেয়। কোনও গোষ্ঠী শুক্রবারের হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেনি। আরও পড়ুন : ৬৫ বছরে মা হলেন এই ভারতীয় নারী ভারতে যৌন নির্যাতনকারী নাবালক হলেও মৃত্যুদণ্ড এ
৪০ সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে মিশরের পুলিশ
সুদানে দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ, নিহত ১৯
আফ্রিকার দেশ সুদানে পাউরুটির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে দুজন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য রয়েছে। বৃহস্পতিবার সরকারি মুখপাত্র বোসারা জুমা টেলিভিশনে দেয়া এক ভাষণে বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় ১৯ জন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে দুজন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আরও ২১৯ জন আহত হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। সুদানের কর্তৃপক্ষ এর আগে জানিয়েছিল, গত ১৯ ডিসেম্বর খার্তুম এবং বেশ কয়েকটি শহরে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর আটজন নিহত হয়েছে। অপরদিকে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের খবরে বলা হয়েছে, ওই বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সুদানে সাংবাদিকদের একটি সংগঠন বৃহস্পতিবার দিনের প্রথম দিকে ধর্মঘট শুরু করে। পাউরুটির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভের আগে ধর্মঘট শুরু করে সাংবাদিকদের ওই নেটওয়ার্কটি। সুদানিজ জার্নালিস্ট নেওয়ার্ক নামের সংগঠনটি বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের ওপর সরকারি দমন-পীড়নের প্রতিবাদে তারা ডিসেম্বরের ২৭ তারিখ থেকে ধর্মঘটের ঘোষণা দিয়েছে। তিনদিন ধরে এই ধর্মঘট চলবে বলে জানানো হয়েছে। নিরপেক্ষ ওই সাংবাদিক নেটওয়ার্কের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর সরকারের বর্বরোচিত আঘাতের প্রতিবাদ করাও এই ধর্মঘটের লক্ষ্য। এরমধ্যে সেন্সরশিপ আরোপ করা এবং সংবাদপত্র বাজেয়াপ্তর বিষয়ও রয়েছে। আরও পড়ুন : ভারতে বহুতল ভবনে আগুন, নিহত ৫ এ
সুদানে দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ, নিহত ১৯
মিশরে পুলিশের গুলিতে ১৪ ‘জঙ্গি’ নিহত
মিশরের অস্থিতিশীল সিনাই উপদ্বীপে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের গুলিতে ১৪ জন সন্দেহভাজন জঙ্গি নিহত হয়েছে। মিশরের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে তুরস্কের সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি এ খবর ছেপেছে। খবর মিডল ইস্ট মনিটরের। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সিনাইয়ের উত্তরাঞ্চলীয় শহর আরিশে একটি সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা করার সময় বন্দুকযুদ্ধে ওই জঙ্গিরা নিহত হয়েছেন। তবে কোনও নিরপেক্ষ সূত্র থেকে মন্ত্রণালয়ের এমন ভাষ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি। এর আগে বৃহস্পতিবার কায়রোয় পুলিশ ও সন্দেহভাজন জঙ্গিদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ হয়েছে বলে জানায় মিশরীয় কর্তৃপক্ষ। তারা জানায়, তখন পুলিশের গুলিতে আটজন জঙ্গি নিহত হয়। খবরে বলা হয়েছে, মিশরীয় কপটিক খ্রিস্টানদের বড়দিন উপলক্ষ্যে দেশজুড়ে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করেছে মিশরীয় কর্তৃপক্ষ। আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি বড়দিন উদযাপন করবে মিশরের কপটিক খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা। ২০১৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে মিশরের প্রথম অবাধ নির্বাচনে জয়ী প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে এক সেনা অভ্যুত্থানে উৎখাতের পর থেকেই সিনাই উপদ্বীপে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা বৃদ্ধি পেয়েছে। উল্লেখ্য, মিশরের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৫ ভাগ হচ্ছে কপটিক খ্রিস্টান। মিশরের মোট জনসংখ্যা ১০ কোটি ৪০ লাখ। আরও পড়ুন : সিরিয়ায় মার্কিন সেনা উপস্থিতি অবৈধ ছিল: ইরান এ
মিশরে পুলিশের গুলিতে ১৪ ‘জঙ্গি’ নিহত
আরও পড়ুন
ইউএনডিপি-ওয়ালটন চুক্তি: পরিবেশবান্ধব ফ্রিজ তৈরি করছে ওয়ালটন
খবর নিয়েছি, উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে: আইজিপি
উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন হবে: সিইসি
নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে: সিইসি