ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একজোট ৪ পরমাণু শক্তিধর দেশ, সঙ্গে আরও ৬

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম
বিশকেকে অফিসিয়াল ফটোসেশনে এসসিও নেতারা। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ব ভূরাজনীতিতে ওয়াশিংটনের প্রভাব ও একচ্ছত্র আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ জানাতে এক ছাদের নিচে দাঁড়িয়েছে বিশ্বের চার পারমাণবিক শক্তিধর দেশ—চীন, রাশিয়া, ভারত ও পাকিস্তান। তাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে আরও ছয়টি প্রভাবশালী রাষ্ট্র। কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে অনুষ্ঠিত সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে ক্ষমতার এক নতুন মেরুকরণ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

এক যৌথ বিবৃতিতে দেশগুলো ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক আগ্রাসন এবং বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্রের ওপর আরোপিত পশ্চিমা একতরফা নিষেধাজ্ঞার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানা যায়, সম্মেলনের সমাপনীতে গৃহীত ‘বিশকেক ঘোষণা’ নামের যৌথ বিবৃতিতে ওয়াশিংটনের অর্থনৈতিক ও সামরিক নীতির বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়া হয়েছে। বিবৃতিটিতে সই করেছেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। চার পারমাণবিক পরাশক্তির পাশাপাশি জোটের অন্য ছয় সদস্য—ইরান, বেলারুশ, উজবেকিস্তান, কাজাখস্তান, তাজিকিস্তান ও কিরগিজস্তান এতে পূর্ণ সমর্থন দিয়েছে।

ঘোষণাপত্রে সম্প্রতি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলার তীব্র ভাষায় সমালোচনা করা হয়। এসসিও নেতারা জানান, এই হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের গুরুতর লঙ্ঘন এবং এটি বৈশ্বিক শান্তির জন্য চরম হুমকিস্বরূপ। হামলায় ব্যাপক বেসামরিক নাগরিকের প্রাণহানি এবং ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির মৃত্যুর ঘটনায় যৌথ সমবেদনা জানিয়ে ইরানের আঞ্চলিক অখণ্ডতার পাশে থাকার কথা পুনর্ব্যক্ত করে ১০ দেশের এই অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা জোট।

ফিলিস্তিন ইস্যু তুলে ধরে এসসিও নেতারা বলেন, গাজা ও ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি আগ্রাসনই পুরো পশ্চিম এশিয়ায় অস্থিতিশীলতার মূল উৎস। ফিলিস্তিন সংকটের ন্যায্য সমাধান ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি আনা সম্ভব নয়।

একই সঙ্গে মার্কিন অর্থনৈতিক অস্ত্র ও নিষেধাজ্ঞার নীতিকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে এ সম্মেলনে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) ও জাতিসংঘের নিয়ম তোয়াক্কা না করে রাশিয়া, ইরানসহ বিভিন্ন দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা একতরফা অর্থনৈতিক জবরদস্তির সরাসরি বিরোধিতা করেছে জোটটি। নেতাদের মতে, ওয়াশিংটনের নীতি বিশ্ব অর্থনীতিকে অস্থিতিশীল করে তুলছে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পঞ্চাশ বছর পর আবারও ইরানের আকাশে অজ্ঞাত উড়ন্তযান, গভীর রহস্য
হঠাৎ ইরানের আকাশে অজ্ঞাত উড়ন্তযান দেখা গেছে। সামাজিক মাধ্যমে এর ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, উজ্জ্বল আলোকিত একটি বস্তু তেহরানের আকাশে ভেসে বেড়াচ্ছে এবং ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে।
পঞ্চাশ বছর পর আবারও ইরানের আকাশে অজ্ঞাত উড়ন্তযান, গভীর রহস্য
ঢাকা থেকে বিপুল মাদক নিয়ে কুয়েত বিমানবন্দরে ধরা বাংলাদেশি
বাংলাদেশ থেকে কুয়েতে যাওয়া এক বাংলাদেশি যাত্রীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করেছে দেশটির কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-৫-এ তল্লাশি চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আরব টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আটক যাত্রীর কাছ থেকে ৪ কেজি ৭৫০ গ্রাম গাঁজা, ৩১৯ দশমিক ৩ গ্রাম মেথঅ্যামফিটামিন এবং ৬ হাজার ২১১টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা মাদক জব্দের পর আটক ব্যক্তিকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্থানীয় মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান রয়েছে কুয়েত সরকারের। দেশটির বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন প্রবেশপথে মাদক চোরাচালান ঠেকাতে নিয়মিত তল্লাশি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। এর আগেও মাদক-সংক্রান্ত অভিযোগে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে কুয়েতের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এদিকে, বাংলাদেশ থেকে যাওয়া বিমানে এত বড় মাদকের চালান কীভাবে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও স্ক্যানিং ব্যবস্থা পেরিয়ে গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কুয়েতপ্রবাসী বাংলাদেশি সুমন চৌধুরী বলেন, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও তল্লাশি প্রক্রিয়া পেরিয়ে এত বড় চালান দেশের বাইরে যাওয়ার ঘটনা উদ্বেগজনক। এ ঘটনায় কোনো কর্মকর্তা বা চক্র জড়িত কি না, তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। ঘটনাটি নিয়ে বাংলাদেশ ও কুয়েতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আরও তদন্ত বা বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা যায়নি। আরটিভি/এসকে
ঢাকা থেকে বিপুল মাদক নিয়ে কুয়েত বিমানবন্দরে ধরা বাংলাদেশি
বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম
টানা কয়েক দফা দরপতনের পর বিশ্ববাজারে আবারও বেড়েছে অপরিশোধিত তেলের দাম। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির পাশাপাশি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য কূটনৈতিক যোগাযোগের বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় ভোরে ব্রেন্ট ক্রুডের নভেম্বরের ফিউচার প্রতি ব্যারেলে ২২ সেন্ট বা দশমিক ২২ শতাংশ বেড়ে ১০০ দশমিক ৫৭ ডলারে লেনদেন হয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআইয়ের অক্টোবরের চুক্তির মেয়াদ মঙ্গলবার শেষ হচ্ছে। দিনের শুরুতে এ চুক্তির দাম ২ সেন্ট বা দশমিক শূন্য ২ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯৫ দশমিক ৮০ ডলারে ওঠে। এদিকে বাজারে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া নভেম্বরের ডব্লিউটিআই চুক্তির দামও বেড়েছে। এ চুক্তির দাম ১৩ সেন্ট বা দশমিক ১৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯২ দশমিক ৪৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কূটনৈতিক তৎপরতার সম্ভাব্য অগ্রগতি আগামী দিনে তেলের দামের গতিপথে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। সূত্র: রয়টার্স আরটিভি/এসকে
বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম
মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন শায়খ ইবরাহিম আল-মাদানির মৃত্যু 
পবিত্র মসজিদুল হারামের সুপরিচিত মুয়াজ্জিন শায়খ ইবরাহিম বিন আদেল আল-মাদানি আর নেই। 
মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন শায়খ ইবরাহিম আল-মাদানির মৃত্যু 
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৭ জনসহ নিহত ৯
সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের সাতজনসহ নয়জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বাবা-মা ও তাদের পাঁচ সন্তান রয়েছেন। রোববার পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের আল-আহসা এলাকায় আল-উকাইর-আল-উয়ুন সড়কে দুটি গাড়ির মধ্যে সংঘর্ষ হলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দেশটির ট্রাফিক কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানায়, দুর্ঘটনায় দুটি গাড়িই ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একটি গাড়িতে থাকা একই পরিবারের সাতজন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। তাদের মধ্যে ছিলেন বাবা, মা, তিন ছেলে ও দুই মেয়ে। অন্য গাড়িতে থাকা দুই তরুণও এ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের ট্রাফিক বিভাগের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, হঠাৎ একটি গাড়ির গতিপথ পরিবর্তনের কারণে সংঘর্ষ হয়ে থাকতে পারে। দুর্ঘটনার কারণ নিশ্চিত করতে তদন্তের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী ও সৌদি রেড ক্রিসেন্টের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তারা দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ির ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকা ব্যক্তিদের উদ্ধারে কাজ করে। তথ্যসূত্র: গালফ নিউজ আরটিভি/এসকে
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৭ জনসহ নিহত ৯