ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

সিরিয়াতে ইরানি বাহিনীর ওপর ব্যাপক হারে ইসরায়লি বিমান হামলা

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ২০ নভেম্বর ২০১৯, ০৬:৫২ পিএম
আপডেট : ২০ নভেম্বর ২০১৯, ০৭:০০ পিএম

সিরিয়াতে সরকারি বাহিনী এবং ইরানি বাহিনীর উপর ইসরায়লি সেনারা ব্যাপক হামলা চালিয়েছে বলে খবর দিয়েছে বিবিসি।

হামলার পর সিরিয়া জানিয়েছে, দামেস্কে তাদের প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপর লক্ষ করে বেশিরভাগ হামলা চালানো হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত এ হামলায় ২জনের মৃত্যু হয়েছে।

এ হামলার কারণ হিসেবে ইসরায়েল জানিয়েছে, তাদের উপর ইরানি বাহিনীর রকেট হামলা চালানোর প্রতিক্রিয়া হিসেবে এ হামলা চালানো হয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, আজ হঠাৎ করেই ব্যাপক হারে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়, পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতেও শহরের বিভিন্ন জায়গায় লাগা আগুনের ছবি ভাইরাল হয়েছে।

এর আগে ইসরায়লি সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, মঙ্গলবার সকালে সিরিয়া থেকে উত্তর ইসরায়লের দিকে লক্ষ করে ছোড়া রকেট আকাশেই নষ্ট করা হয়েছে।

এদিকে আইডিএফ জানিয়েছে, সিরিয়া এবং ইরানি বাহিনীর উপর হামলা চলানোর সময় সিরিয়ার উপর পূর্ব এলাকায় সতর্কতা আরোপের পরেও সিরিয়ার বিমান বাহিনী থেকে ইসরায়লের উপর রকেট হামলা চালানো হয়। এর পাল্টা জবাব দেয়ার জন্যই সিরিয়াতে এ হামলা হয়।

এমকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইয়েমেনে কুচকাওয়াজে মিসাইল হামলায় নিহত ৭
দক্ষিণ ইয়েমেনের আল-দালা শহরে সরকারি বাহিনীর সামরিক এক কুচকাওয়াজে মিসাইল হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছে। ওই হামলায় আরও অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা সূত্র। রোববার ইয়েমেনের সরকারের নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে ওই হামলার খবর প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এদিকে কোনও গোষ্ঠী এখনও ওই হামলার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দেয়নি। তবে ওই হামলার জন্য হুথি বিদ্রোহীদের দায়ী করে ইয়েমেন সরকার। ইয়েমেন সরকারের নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, সরকার সমর্থিত সিকিউরিটি বেল্ট ফোর্সের কুচকাওয়াজ শেষ হওয়ার পরপরই ওই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা রয়টার্সকে জানায়, কুচকাওয়াজ পরিদর্শনে অতিথিদের জন্য তৈরি করা মঞ্চের কাছে এ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করে। এর আগে গত আগস্টে ইয়েমেনের বন্দর নগরী এডেনে এক সামরিক কুচকাওয়াজে হুথি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ৩৬ জন নিহত হয়। উল্লেখ্য, ২০১১ সালে আরব বসন্তের প্রভাবে ইয়েমেনে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়লে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আলী আবদুল্লাহ সালেহ সরকারের পতন হয়। এরপর রাজনৈতিক অস্থিরতার এক পর্যায়ে ২০১৪ সালে ইয়েমেনে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রেসিডেন্ট আব্দ-রাব্বু মানসুর হাদির সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে রাজধানী সানা দখল করে নেয় হুথি বিদ্রোহীরা। এ
ইয়েমেনে কুচকাওয়াজে মিসাইল হামলায় নিহত ৭
রকেট হামলার ভয়ে মঞ্চ থেকে পালালেন নেতানিয়াহু
আবারও মঞ্চ ছেড়ে পালালেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। গতরাতে আশদোদ শহরে রকেট হামলার সাইরেন বেজে ওঠার পর তিনি অন্যদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে পালিয়ে যান এবং বিশেষ নিরাপদ স্থানে অবস্থান নেন। একটি নির্বাচনী সভায় অংশ নিয়েছিলেন ৭০ বছর বয়সী নেতানিয়াহু। কিন্তু মঞ্চে ওঠার কয়েক মিনিটের মধ্যে সাইরেন বেজে ওঠে। এরপরই তিনি ভয়ে তাড়াহুড়ো করে মঞ্চ থেকে নেমে যান। এই সময় তার দেহরক্ষীদের দৌড়ঝাঁপ লক্ষ্য করা যায়। গতকাল থেকে আবারও গাজায় বিমান হামলা শুরু করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। গত সেপ্টেম্বরেও ফিলিস্তিনিদের ভয়ে দৌড়ে সমাবেশের মঞ্চ ছেড়েছিলেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। এরও আগে তিনি রকেট থেকে বাঁচতে আশ্রয় কেন্দ্রে গিয়ে অবস্থান করেছিলেন। সে সময় এ সংক্রান্ত ছবি ভাইরাল হয়েছিল। ইসরায়েলি বাহিনী উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নির্মাণের দাবি করলেও ফিলিস্তিনিদের রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে। এ কারণে তারা সব সময় আতঙ্কে থাকে। এ/পি
রকেট হামলার ভয়ে মঞ্চ থেকে পালালেন নেতানিয়াহু
পবিত্র কাবা নিয়ে বিরূপ স্ট্যাটাস দিয়ে সৌদিতে ভারতীয় গ্রেপ্তার
পবিত্র কাবা নিয়ে ফেসবুকে বিরূপ স্ট্যাটাস দেয়ায় এক ভারতীয় শ্রমিককে গ্রেপ্তার করেছে সৌদি আরবের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সৌদি প্রবাসী ওই ভারতীয় শ্রমিকের নাম হরিশ বাঙ্গেরা। তিনি ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের কুন্দপুরের বাসিন্দা। সৌদি আরবের একটি গলফ কার্টুন কারখানায় এসি মিস্ত্রির কাজ করেন হরিশ। তবে হরিশ শুধু ইসলাম ধর্মের সবচেয়ে পবিত্রতম স্থান নিয়েই নয় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে নিয়েও বিরূপ মন্তব্য করেছেন। গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ফেসবুকে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষমূলক স্ট্যাটাস দেয়ায় গত ১৯ ডিসেম্বর হরিশকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদিকে গ্রেপ্তারের পরপরই হরিশকে চাকরিচ্যুত করে কারখানা কর্তৃপক্ষ। খবরে বলা হয়েছে, হরিশ তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পবিত্র কাবার একটি ছবি পোস্ট করে লিখেন, আমার সব হিন্দু বন্ধুরা, পরবর্তী রাম মন্দির হবে মক্কায়। জয় শ্রী রাম। মোদি আমাদের সঙ্গে আছেন। এরপর তার এ পোস্টটি ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে হরিশকে গ্রেপ্তার করে তার কঠোর শাস্তির দাবি জানায় সৌদি প্রবাসীরা। এ ঘটনার দুইদিন পরই সৌদি যুবরাজকে নিয়ে তার আইডি থেকে আরেকটি স্ট্যাটাস দেয়া হয়। যেখানে সৌদি প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমানের ছবি দিয়ে লেখা হয়, দিস ডগ ইজ ফ্রম কংগ্রেস প্রে। সৌদি অ্যারাবিয়া কিং ডগ। পরে বিষয়টি সৌদি কর্তৃপক্ষের নজরে আসলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে হরিশের স্ত্রী দাবি করেছে, তার স্বামীর আইডিটি হ্যাক হয়েছে। তার স্বামী ষড়যন্ত্রের শিকার। শত্রুতাবশত দুর্বৃত্তরা হরিশের ফেসবুক আইডিতে ঢুকে এ ধরণের বিরূপ মন্তব্য করেছেন। গত ২১ ডিসেম্বর স্থানীয় থানায় একটি লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন হরিশের স্ত্রী। এ
পবিত্র কাবা নিয়ে বিরূপ স্ট্যাটাস দিয়ে সৌদিতে ভারতীয় গ্রেপ্তার
খাশোগি হত্যা মামলা: সৌদির যুবরাজের সহকারীরা খালাস
তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি আরবের কনস্যুলেট ভবনে দেশটির সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যার মামলা থেকে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সহকারীরা খালাস পেয়েছেন। সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানায় ইরানের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম প্রেস টিভি। রিয়াদের অপরাধ আদালত এদিন খাশোগি হত্যা মামলায় পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড, তিনজনকে মোট ২৪ বছরের কারাদণ্ড এবং তিনজনকে খালাস দিয়েছেন। খালাস পাওয়া অভিযুক্তদের মধ্যে আছেন সৌদ আল-কাহতানিসহ সৌদি যুবরাজের দুই শীর্ষ সহকারী। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হয়েছিল। সৌদি সরকারি আইনজীবী শালান আল-শালান মামলার রায় পড়ার সময় জানান, খাশোগিকে হত্যায় সরাসরি অংশগ্রহণের জন্য পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে এই হত্যার ঘটনা চাপা দেয়ার এবং আইন লঙ্ঘনের জন্য তিনজনকে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। সৌদি আইনজীবীরা জানান, গোয়েন্দা সংস্থার উপপ্রধান আহমেদ আল-আসিরি এই হত্যাকাণ্ডের তদারক করেন। আর তাকে এক্ষেত্রে পরামর্শ দেন কাহতানি। এই দুজনকে তাদের পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। আসিরিকে বিচারের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কিন্তু কাহতানিকে বিচারের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এমনকি কাহতানির বিরুদ্ধে তদন্ত হয় কিন্তু যথেষ্ট প্রয়োজনের অভাবে তাকে অভিযুক্ত করা হয়নি। আসিরির বিরুদ্ধেও তদন্ত হয় এবং তিনি অভিযুক্ত হন। কিন্তু শেষপর্যন্ত তিনি খালাস পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন এই আইনজীবী। তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ড পূর্বপরিকল্পিত নয় বলে মনে হয়েছে আমাদের। যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের কলামিস্ট খাশোগি গত বছরের ২ অক্টোবর বিয়ের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহের জন্য সৌদি কনস্যুলেটে ঢোকার পর নিহত হন। গত নভেম্বরে গণমাধ্যমটি জানায়, সৌদি যুবরাজের নির্দেশে তাকে হত্যা করা হয় বলে মনে করছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (সিআইএ)। রিয়াদ প্রথমে দাবি করে, সৌদি রয়্যাল কোর্টের সাবেক আইনজীবী খাশোগি ২ অক্টোবর কনস্যুলেটটি থেকে বেরিয়ে যান। এই হত্যায় মোহাম্মদ বিন সালমানের জড়িত থাকার কথাও অস্বীকার করে রিয়াদ। সৌদি আরবের পক্ষ থেকে বলা হয়, একদল দুর্বৃত্ত এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। দেশটি ১১ জন সন্দেহভাজনকে অভিযুক্ত করে গোপনে বিচার শুরু করে। জাতিসংঘ চলতি বছরের শুরুতে সৌদি আরবের এই বিচারের কঠোর সমালোচনা করে এবং এর স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। ইউএন হিউম্যান রাইটস অফিসের নারী মুখপাত্র রাভিনা শামদাসানি এই হত্যাকাণ্ডের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত আহ্বান করেন। এছাড়া তিনি এই তদন্তে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে জড়িত হওয়ার আহ্বান জানান। কে/এসএস
খাশোগি হত্যা মামলা: সৌদির যুবরাজের সহকারীরা খালাস
খাশোগি হত্যা মামলায় পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড
সৌদি আরবের ভিন্নমতাবলম্বী সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যা মামলায় পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির এক আদালত। খবর যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম বিবিসির। গত বছরের ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে সৌদি আরবের কনস্যুলেটের ভেতরে যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের এই কলামিস্টকে হত্যা করে দেশটির এজেন্টরা। সৌদি সরকারি আইনজীবী বলেন, এটি ছিল দুর্বৃত্তদের একটি অভিযান এবং এর জন্য ১১ জন অজ্ঞাতনামাকে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানো হয়। জাতিসংঘের বিশেষ দূত অ্যাগনেস কালামার্ড এটিকে বিচারবহির্ভূত হত্যা বলে উল্লেখ করেন। এই মামলায় সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবিও জানান তিনি। মোহাম্মদ বিন সালমান এই হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেন। কিন্তু তিনি গত অক্টোবর মাসে সৌদি আরবের নেতা হিসেবে এই হত্যার সম্পূর্ণ দায় নিজের কাঁধে নেন। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, রুদ্ধদ্বার কক্ষে হওয়া এই বিচার আন্তর্জাতিক মানের নয়। এছাড়া সৌদি কর্তৃপক্ষ মান যাচাই এবং অর্থপূর্ণ জবাবদিহিতায় বাধা দিয়েছে। খাশোগি গত বছরের ২ অক্টোবর বিয়ে সংক্রান্ত ডকুমেন্ট সংগ্রহের জন্য তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশ করেন। এখানেই তাকে হত্যা করা হয়। সৌদি সরকারের কট্টর সমালোচক খাশোগিকে হত্যার পর তার মরদেহ কেটে টুকরো টুকরো করে ফেলে দেয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। তার মরদেহ এখনও পাওয়া যায়নি। এসএস/কে/সি
খাশোগি হত্যা মামলায় পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড
আরও পড়ুন
প্রতিদিন একটি করে ফিলিস্তিনি গ্রাম ধ্বংস করবো: ইসরায়েলি মন্ত্রী
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের তদন্ত করবে আইসিসি
তুর্কি সেনাবাহিনীর হামলায় সিরিয়ায় ৮ শিশুসহ নিহত ১১
অনুমতি ছাড়া আর চলবে না ডাবিং বিদেশি টিভি সিরিয়াল