ঢাকা সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

‘শেষ’ লেখা থেকে খুলল ৮০ বছরের রহস্যের জট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৬ এএম
প্যান্টের ভেতরের ছোট পকেটে কাগজের টুকরো পাওয়া যায়। ছবি: সংগৃহীত

১৯৪৮ সালের ১ ডিসেম্বর। সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড উপশহরের সোমারটন পার্ক সৈকতে হাঁটতে গিয়ে এক দম্পতি দেওয়ালের সঙ্গে পা ক্রশ করে হেলে থাকা এক ব্যক্তির মরদেহ দেখতে পান। আগের রাতে স্থানীয়রা তাকে হাত-পা নাড়াতে দেখলেও সকালে তিনি আর বেঁচে ছিলেন না।

প্রথম দিকে ঘটনাটিকে সাধারণ মৃত্যু মনে হলেও পরবর্তী তদন্তে উঠে আসা নানা অদ্ভুত তথ্য একে অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসের অন্যতম সেরা এক অমীমাংসিত রহস্য বা ‘কোল্ড কেস’-এ পরিণত করে।

মৃত্যুর পর কেটে গেছে কয়েক দশক, কিন্তু কেউ ওই ব্যক্তির পরিচয় দাবি করতে আসেনি। তার পরিহিত পোশাক এবং ঘটনার ছয় সপ্তাহ পর কাছের একটি ট্রেন স্টেশনে উদ্ধার হওয়া একটি স্যুটকেসের সব কাপড় থেকেই ব্র্যান্ডের ট্যাগ ছিঁড়ে ফেলা হয়েছিল। অ্যাথলেটের মতো সুঠাম শরীর থাকা সত্ত্বেও বিষবিশেষজ্ঞদের ধারণা ছিল তাকে বিষ প্রয়োগে হত্যা করা হয়েছে; যদিও মরদেহে এর কোনো স্পষ্ট রাসায়নিক প্রমাণ মেলেনি।

তবে একটি ছোট্ট সূত্র এই অজ্ঞাতপরিচয় ‘সোমারটন ম্যান’-কে পরিণত করে এক রোমাঞ্চকর রহস্যে। তার প্যান্টের ভেতরের ছোট্ট পকেটে পাওয়া যায় ‘তামাম শুদ’ লেখা একটি কাগজের টুকরো, যা ফারসি কবি ওমর খৈয়ামের ‘রুবাইয়াত’ থেকে নেওয়া। ফারসি এই শব্দটির অর্থ ‘শেষ’ বা ‘সমাপ্ত’। কাগজটি কোনো ফটোকপি ছিল না, বরং বইয়ের শেষ পাতা থেকেই ছেঁড়া হয়েছিল। পরে পুলিশ মূল বইটি উদ্ধার করে, যার পেছনের পাতায় খোদাই করা ছিল পাঁচ লাইনের একটি সাংকেতিক কোড। ২০১৪ সালে এক ভাষাবিজ্ঞানী এই কোড উদ্ঘাটনে ব্যর্থ হয়ে ধারণা করেন, এটি এমন এক সংক্ষিপ্ত বার্তা যা কেবল এর লেখকই বুঝতে পারতেন।

দীর্ঘ আট দশক ধরে এই রহস্য অমীমাংসিত থাকার পর, ২০২১ সালে দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া পুলিশ জট খুলতে মরদেহের অবশিষ্টাংশ কবর থেকে তোলে। অ্যাডিলেড বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ডেরেক অ্যাবোট, বংশগতিবিদ কলিন ফিটজপ্যাট্রিক এবং ক্যালিফোর্নিয়ার ‘অ্যাস্ট্রিয়া ফরেনসিকস’ যৌথভাবে জিনোলজিক্যাল সাইট ‘জিইডিমেচ’-এর সহায়তায় আধুনিক ডিএনএ পরীক্ষা শুরু করেন।

ডিএনএ মিলিয়ে সম্ভাব্য পরিচয় খোঁজার এই প্রক্রিয়া সম্পর্কে বংশগতিবিদ কলিন ফিটজপ্যাট্রিক এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, এটি অনেকটাই সুডোকু খেলার মতো—যেখানে শুধু সঠিক ও সেরা মিলটি খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা চলে।

অবশেষে দীর্ঘ গবেষণার পর বেরিয়ে আসে এক বিস্ময়কর সত্য। মৃত ব্যক্তিটি ছিলেন কার্ল চার্লস ওয়েব নামের এক ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ও যন্ত্র নির্মাতা, যিনি কবিতা ও ঘোড়দৌড়ে বাজি ধরতে ভালোবাসতেন (গবেষকদের ধারণা, বইয়ের পাতায় থাকা সাংকেতিক অক্ষরগুলো হয়তো রেসের ঘোড়ার নাম ছিল)।

সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং কোম্পানিকে (এবিসি) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডেরেক অ্যাবোট জানিয়েছেন, তিনি ৯৯.৯৯ শতাংশ নিশ্চিত যে ১৯৪৮ সালে সোমারটন পার্ক সৈকতে পাওয়া মৃত ব্যক্তিটি কার্ল ওয়েবই। তবে তিনি দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া পুলিশের আনুষ্ঠানিক কোরোনার রিপোর্টের অপেক্ষায় আছেন। খুব শিগগিরই এটি প্রকাশ পাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আর এর মাধ্যমেই অবসান ঘটতে যাচ্ছে সোমারটন ম্যানকে ঘিরে দীর্ঘ আট দশকের জমাটবদ্ধ এক রহস্যের।

সূত্র: পপুলার মেকানিকস

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জরুরি ভিত্তিতে কৃষি ভিসা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া
কৃষি খাতের জরুরি প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়ে বিদেশি শ্রমিকদের ভিসা আবেদনের দ্রুত নিষ্পত্তি করতে সম্মত হয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার।
জরুরি ভিত্তিতে কৃষি ভিসা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া
জাতিসংঘে ওপেনএআই’র বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর
আলবানিজ বলেন, ওপেনএআই-এর প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টমানের সঙ্গে কথা বলে তিনি এই ঘটনায় অস্ট্রেলিয়ার চরম উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন।
জাতিসংঘে ওপেনএআই’র বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর
বাংলাদেশে খুনের মামলা ধামাচাপা দিতে ৯০ হাজার ডলার ঘুষ, অস্ট্রেলিয়ায় গ্রেপ্তার ১
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক অস্ট্রেলীয় নারীর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত প্রভাবিত করা এবং পুলিশের চূড়ান্ত নথি থেকে নিজের নাম কাটার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তাদের ৯০ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার ঘুষ দিয়েছেন এক ব্যক্তি। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অস্ট্রেলিয়ায় ৫১ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল পুলিশের ওয়েবসাইটে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ব্যক্তিগত সুবিধা হাসিল ও ফৌজদারি তদন্তের গতিপথ পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে বিদেশি সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে অস্ট্রেলিয়ার আদালতে মামলা ওঠার ঘটনা এটিই প্রথম। অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ (এএফপি) নিশ্চিত করেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আজ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ব্রিসবেন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, কুইন্সল্যান্ডের রেডব্যাঙ্ক প্লেইনসের বাসিন্দা ওই ব্যক্তি নিহত নারীর পূর্বপরিচিত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে বিদেশি (বাংলাদেশি) সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার ষড়যন্ত্র এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে বিশাল অঙ্কের অর্থ বাংলাদেশে পাঠানোর সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়ার দাবি করেছে পুলিশ। ঘটনার সূত্রপাত ঘটনাটির শুরু হয়েছিল প্রায় দুই বছর আগে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। কুইন্সল্যান্ড পুলিশ সার্ভিস (কিউপিস) এএফপির কাছে একটি প্রতিবেদন হস্তান্তর করে জানায়, অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা এক নারী বাংলাদেশে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন। রিপোর্টটি পাওয়ার পরপরই আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহায়তায় খোঁজ শুরু হয়। তবে ঠিক তার পরদিনই বাংলাদেশ পুলিশ অস্ট্রেলীয় কর্তৃপক্ষকে জানায়, তারা বাংলাদেশে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে। পরবর্তীকালে বাংলাদেশ পুলিশের ফরেনসিক পরীক্ষায় নিশ্চিত করা হয়, মৃত্যুটি স্বাভাবিক ছিল না এবং এটি একটি ‘সন্দেহজনক মৃত্যু’। অস্ট্রেলীয় নাগরিকদের বিদেশে অবস্থানকালে হত্যা, অপমৃত্যু বা গুরুতর ক্ষতির শিকার হওয়ার ঘটনাগুলোর বিচারে অস্ট্রেলিয়ার ‘ক্রিমিনাল কোড’ বা ফৌজদারি কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী আন্তর্জাতিক এখতিয়ার রয়েছে এএফপির। এর ভিত্তিতে এএফপির বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক সংস্থাটির নিজস্ব আলাদা একটি তদন্তকাজ শুরু করে, যা বাংলাদেশ পুলিশের চলমান তদন্তের পাশাপাশি আলাদাভাবে পরিচালিত হয়ে আসছিল। দুই বছরের পরিকল্পনা ও ৯০ হাজার ডলার লেনদেন এএফপির গোয়েন্দা তদন্তে বেরিয়ে আসে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ দুই বছর ধরে অভিযুক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি মোট প্রায় ৯০ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় যা উল্লেখযোগ্য অঙ্কের অর্থ) বাংলাদেশে পাঠান। এই অর্থ পাঠানোর মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে মৃত্যুর ঘটনার মূল তদন্তকে নিজের অনুকূলে প্রভাবিত করা এবং বাংলাদেশ পুলিশের তদন্ত-সংক্রান্ত নথি ও রেকর্ড থেকে তাঁর নাম পুরোপুরি বাদ দেওয়া। তদন্ত জোরদার করতে এএফপির কর্মকর্তারা সিডনি ও ব্রিসবেনের একাধিক শীর্ষস্থানীয় আর্থিক ও ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানে আকস্মিক তল্লাশি চালান। সে সময় আন্তর্জাতিক অর্থ স্থানান্তরের গোপন রেকর্ড, ডিজিটাল ট্রানজেকশন তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব বাজেয়াপ্ত করা হয়। দীর্ঘ দুই বছরের নজরদারি ও তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহের পর, গতকাল (২১ সেপ্টেম্বর) কুইন্সল্যান্ডের গুডনা ও রেডব্যাঙ্ক প্লেইনস এলাকার দুটি আবাসিক ভবনে একযোগে অভিযান চালায় এএফপির বিশেষ দল। অভিযানকালে ওই ৫১ বছর বয়সী ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি তাঁর ঘর থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দ করে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ার ফৌজদারি কার্যবিধির ৭০.২(১) ধারায় বিদেশি সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার একক গুরুতর অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। অস্ট্রেলীয় আইন অনুযায়ী, এই ধারার অপরাধ প্রমাণিত হলে অপরাধীকে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হতে পারে। এএফপি জানিয়েছে, ব্যক্তিগত স্বার্থ অর্জনে বিদেশি কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার দায়ে তাদের ইতিহাসে এ ধরনের মামলা প্রথম হলেও, অপরাধটির ভয়াবহতার বিচারে এটি একটি ঐতিহাসিক আইনি দৃষ্টান্ত হতে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ঘুষ ও দুর্নীতি দমনে অস্ট্রেলিয়া সরকারের সাম্প্রতিক কঠোর অবস্থান এই তদন্তে বড় ভূমিকা রেখেছে। প্রতিবেদনে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর থেকে এএফপির বৈদেশিক ঘুষ ও দুর্নীতি দমন-সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছে ‘টাস্কফোর্স সোলারিস’। এটি বহু বিষয়ক বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত একটি বিশেষ মাল্টিডিসিপ্লিনারি দল, যা আন্তর্জাতিক স্তরে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি ও অর্থ পাচার রোধে কাজ করে। এএফপি ‘ব্রাইবারি প্রিভেনশন নেটওয়ার্ক’-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। এটি ব্যবসায়ী, নাগরিক সমাজ, শিক্ষাবিদ এবং সরকারি সংস্থার একটি যৌথ প্ল্যাটফর্ম, যা ব্যবসা ও সরকারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ করে। ঘটনাটি নিয়ে এএফপির কমান্ডার স্টিফেন জয় এক কড়া বিবৃতিতে বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ায় কিংবা বিদেশে—যেকোনো জায়গাতেই বিচারিক বা তদন্তপ্রক্রিয়াকে দুর্নীতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করা একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। এএফপি এ জাতীয় কর্মকাণ্ডকে বিন্দুমাত্র সহ্য করবে না।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিই—বিশেষ করে যখন কোনো গুরুতর অপরাধের তদন্তের ফল পরিবর্তন করার অপচেষ্টা চালানো হয়। যারা অর্থ দিয়ে বিচার ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করতে বা প্রভাব খাটাতে চাইবে, তাদের আইনগত জবাবদিহির মুখোমুখি হতেই হবে।’ কমান্ডার জয় জানান, আন্তর্জাতিক অংশীদার ও বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে এএফপি নিরবচ্ছিন্ন সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে। অস্ট্রেলীয় পুলিশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে, নাম কাটাতে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টার ঘটনাটির বিপরীতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হলেও, বাংলাদেশি নারীর রহস্যজনক মৃত্যুর মূল তদন্তটি এখনো শেষ হয়নি। আরটিভি/এসআর
বাংলাদেশে খুনের মামলা ধামাচাপা দিতে ৯০ হাজার ডলার ঘুষ, অস্ট্রেলিয়ায় গ্রেপ্তার ১
বিদেশি শিক্ষার্থীদের পরিবার আনার সুযোগ বন্ধ করছে অস্ট্রেলিয়া
অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে যাওয়া বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বড় পরিবর্তন আনছে দেশটির সরকার। নতুন ব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের স্বামী-স্ত্রী বা সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার সুযোগ সীমিত করা হচ্ছে।
বিদেশি শিক্ষার্থীদের পরিবার আনার সুযোগ বন্ধ করছে অস্ট্রেলিয়া
৩১ বছর বয়সেই ১২টি উচ্চতর ডিগ্রি, থামছেন না জেমি
বয়স মাত্র ৩১ বছর। এরই মধ্যে হার্ভার্ড, ইয়েল, অক্সফোর্ড, স্ট্যানফোর্ডসহ বিশ্বের নামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১২টি উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন নিউজিল্যান্ডের উদ্যোক্তা জেমি বিটন।
৩১ বছর বয়সেই ১২টি উচ্চতর ডিগ্রি, থামছেন না জেমি
আরও পড়ুন
সার কারখানা থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
মুন্সীগঞ্জে দুই মরদেহ উদ্ধার
দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে মিলল শিক্ষিকার হাত-পা বাঁধা মরদেহ
আবাসিক হোটেলের বাথরুমে মিলল নারীর গলাকাটা মরদেহ