ঢাকা সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

সেরা সাংবাদিক থেকে স্পেনের রাণী

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ২৫ নভেম্বর ২০১৯, ০৮:২১ পিএম
লেতেজিয়া অরতিজ

লেতেজিয়া অরতিজ, ২০০০ সালে স্পেনের সেরা সাংবাদিকের পুরষ্কার পান। এরপর ২০০২ সালে তার এক বন্ধুর পার্টিতে পরিচয় হয় স্পেনের রাজকুমার ফিলিপিও এর সঙ্গে। পরে ২০০৩ সালে তারা বিয়ের ঘোষণা দিলেও ২০০৪ সালে রাজকীয় ভাবে তারা বিয়ে করেন।

লেতেজিয়া অরতিজ ১৯৭২ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর স্পেনের এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। মাদ্রিদের পাবলিক স্কুলে পড়াশোনা এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে স্নাতক পাশ করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় জীবন অতিক্রম করার পর তিনি স্পেনের পাবলিক টেলিভিশনে কাজ শুরু করেন। সেখানে তিনি ইরাক যুদ্ধ সহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর নিয়ে কাজ করেন। পরে তিনি অনেক বছর ঐ টিভি চ্যানেলের নিউজ প্রেসেন্তার হিসেবেও কাজ করেন। সাংবাদিকতায় বিশেষ ভূমিকা রাখার জন্য ২০০০ সালে তাকে স্পেনের সেরা সাংবাদিক হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

২০০২ সালের লেতেজিয়া অরতিজ তার এক বন্ধুর পার্টিতে যান। সেখানে গিয়ে তার সাথে স্পেনের রাজকুমার ফিলিপিও এর পরিচয় হয়। সেই পরিচয়ের ফলে এক সময় তারা ভালো বন্ধু হয়ে উঠে। ২০০৩ সালে তারা দুই জন একসাথে অনেকগুলো দেশ ভ্রমণ করেন। যদিও অরতিজ একজন ডিভোর্স নারী ছিলেন। ১৯৯৮ সালে তার সাথে এক লিটারেচার প্রফেসরের বিয়ে হলেও তা ১বছরের বেশি টেকেনি। কিন্তু এগুলো তোয়াক্কা না করে রাজকুমার ফিলিপিও ২০০৩ সালে অরতিজকে বিয়ের প্রস্তাব দেন।

পরে ঐ বছরের ১নভেম্বর তারা আনুষ্ঠানিক ভাবে বিয়ের প্রস্তাব দেন।২০০৪ সালের মে এর ২২ তারিখ তারা রাজকীয়ভাবে তাদের বিয়ে সম্পাদন করেন। এরপর থেকে বদলে যায় লাতিজিয়ার জীবন। রাজকীয় চালচলনে অভ্যস্ত হয়ে ওঠেন তিনি। তাছাড়া, এতদিন যিনি খবরের পেছনে দৌড়তেন। এবার তার পেছনেই ক্যামেরা নিয়ে দৌড়তে শুরু করে সাংবাদিকরা।
২০০৫ সালে প্রিন্স ফিলিপ এবং লাতিজিয়ার প্রথম সন্তানের জন্ম হয়। নাম রাখা হয় লিওনর। এরপর ২০০৮ সালে সোফিয়া নামে আরও এক কন্যা সন্তানের জন্ম হয় তাদের।২০১৪ সালে ১৯ জুন রাজা জুয়ান কার্লোসের মৃত্যুর পর ফিলিপ এবং লাতিজিয়া স্পেনের রাজা এবং রাণী হন।

এমকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ব্রিটেনে সন্ত্রাসী হামলার চেয়ে পারিবারিক সহিংসতায় মৃত্যু ১৫ গুণ বেশি
ব্রিটেনে পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হয়ে মৃত্যুর ভয়াবহ এক চিত্র উঠে এসেছে। পারিবারিক নির্যাতনবিরোধী প্রচারণায় কাজ করে এমন একদল অ্যাক্টিভিস্ট পরিচালিত গবেষণায় দেখা গেছে, দেশটিতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যে পরিমাণ মানুষের মৃত্যু হয় তার প্রায় ১৫ গুণ বেশি মানুষের মৃত্যু হয় পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হয়ে। পুলিশ, হাসপাতালসহ বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক সূত্র থেকে নেয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছে। এ কারণেই পারিবারিক সহিংসতা রোধে পুলিশকে আরও বেশি অর্থ বরাদ্দ দেয়া প্রয়োজন বলে দাবি করেছেন তারা। অ্যাক্টিভিস্টদের দাবি, সন্ত্রাসবাদ ঠেকাতে যেমন পুলিশের জন্য বরাদ্দ নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়, তেমনি পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে ব্রিটিশ সরকারের উচিত পারিবারিক নির্যাতন ও সহিংসতা রোধেও বড় অংকের নির্দিষ্ট বাজেট বরাদ্দ করা, যেটি শুধু এই সমস্যা মোকাবেলার জন্যই ব্যয় হবে। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারিসহ বিভিন্ন স্বীকৃত সূত্র থেকে পাওয়া উপাত্ত অনুসারে- ২০০০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসে পারিবারিক সহিংসতার শিকার হয়ে এক হাজার ৮৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে। যেখানে জঙ্গি-সন্ত্রাসবাদের কারণে ১২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসব পারিবারিক নির্যাতনে নিহতদের বেশিরভাগই নারী বলেও ওই প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এদিকে ঘরোয়া এসব নিপীড়ন-নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রতি বছর আরও প্রায় ৪০০ জন করে  আত্মহত্যা করেন বলেও দাবি করেছে অ্যাক্টিভিস্টরা। এ
ব্রিটেনে সন্ত্রাসী হামলার চেয়ে পারিবারিক সহিংসতায় মৃত্যু ১৫ গুণ বেশি
শব্দের চেয়ে ২৭ গুণ গতির মিসাইল মোতায়েন রাশিয়ার
শব্দের চেয়ে ২৭ গুণ গতিতে চলতে সক্ষম অত্যাধুনিক হাইপারসোনিক মিসাইলের প্রথম রেজিমেন্ট মোতায়েন করেছে রাশিয়া। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঘোষণায় মোতায়েনের স্থান জানানো হয়নি। তবে এর আগে দেয়া ইঙ্গিত থেকে ধারণা করা হচ্ছে, এটি উরাল অঞ্চলে স্থাপন করা হয়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম এই মিসাইলগুলো শব্দের চেয়ে ২৭ গুণ গতিতে ছুটতে পারবে এবং রাশিয়াকে অন্যান্য দেশের চেয়ে সামনে এগিয়ে নিয়েছে। এসব মিসাইলে গাইড সিস্টেম থাকছে, যা এগুলোর চলার সক্ষমতা বাড়িয়ে দেবে এবং প্রতিরোধ করা অসম্ভব করে তুলবে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু বলেছেন, ‘অ্যাভনগার্ড হাইপারসোনিক গ্লাইড ভেহিকল’ নামের এই প্রযুক্তি শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) মস্কোর স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে চালু করা হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার পুতিন বলেছিলেন, এই মিসাইল ব্যবস্থাটি বর্তমান বা ভবিষ্যতের যেকোনো মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করতে পারবে। তিনি আরও বলেন, বিশ্বের আর কোনও দেশের কাছে সুপারসনিক অস্ত্রও নেই, আন্তঃ-মহাদেশীয় মিসাইল দূরের কথা। ২০১৮ সালের মার্চ মাসে বার্ষিক স্টেট-অফ-দি-নেশন বক্তৃতার সময় এই মিসাইলের উদ্বোধন করেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে অস্ত্রটির একটি পরীক্ষা চালানো হয়, যাতে ছয় হাজার কিলোমিটার দূরের একটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে মিসাইলটি। অ্যাভনগার্ড মিসাইলটি দুই মেগাটন আকৃতির একটি পারমাণবিক অস্ত্র বহন করতে পারে। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিসাইলটি ছবি প্রকাশ করেছে। তবে অস্ত্র বিশেষজ্ঞরা এটির কার্যকারিতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। এক বিবৃতিতে পেন্টাগন বলেছে, অ্যাভনগার্ড মিসাইল সিস্টেমের ক্ষমতা সম্পর্কে রাশিয়ার দাবি নিয়ে তারা কোনও ব্যাখ্যা বিশ্লেষণে যাবে না। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের নিজস্ব হাইপারসনিক মিসাইল কর্মসূচি আছে। এদিকে নতুন স্টার্ট চুক্তির আওতায় গত ২৬ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞদের মিসাইল ব্যবস্থাটি পরিদর্শন করার সুযোগ দেয় রাশিয়া। ওই চুক্তির আওতায় দুই দেশ কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্রের সম্ভার কমিয়ে আনার ব্যাপারে একমত রয়েছে। পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সর্বশেষ গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি এই নতুন স্টার্ট চুক্তি, যার মেয়াদ রয়েছে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এ
শব্দের চেয়ে ২৭ গুণ গতির মিসাইল মোতায়েন রাশিয়ার
ভিন্ন ধরনের পোশাক পরে ক্লাসে হাজির স্প্যানিশ শিক্ষিকা
বইয়ের বাইরে বেরিয়ে বিজ্ঞান বিষয়ক সব কিছু যদি হাতে কলমে করা যায়, তাহলে তা শিশু মনে আগ্রহের সৃষ্টি করে। ছোটদের শারীরবিদ্যার ক্লাস নিতে গিয়ে স্পেনের এক শিক্ষিকা যা করছেন তা দেখে মুগ্ধ নেটিজেনরা প্রশংসার বন্যায় ভাসিয়ে দিয়েছেন তাকে। প্রায় ১৫ বছর ধরে শিক্ষকতা করছেন স্পেনের ভেরোনিকা ডোকিউ। বর্তমানে তিনি প্রাইমারির বাচ্চাদের বিজ্ঞান, ইংরাজি, স্প্যানিশ ও সমাজবিদ্যা পড়ান। সম্প্রতি স্কুলে মানব শরীরবিদ্যার  ক্লাস ছিল তার। সেই ক্লাস নিতে গিয়ে তিনি পরেছিলেন বিশেষ ধরনের এক পোশাক। সেই পোশাকের মাধ্যমেই ফুটে উঠছে অন্ত্র, পাকস্থলি, ফুসফুস, হৃৎপিন্ড ছাড়াও দেহের বিভিন্ন পেশীতন্ত্র। এই পোশাক সহজেই বুঝিয়ে দিচ্ছে আমাদের দেহের কোথায় কী অঙ্গ কেমন ভাবে রয়েছে। ভেরোনিকার এই বিশেষ সাজের ছবি নিজের টুইটার হ্যান্ডল থেকে পোস্ট করেছেন তার স্বামী মাইকেল। সেই ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, আজ ছাত্রদের মানব শরীর ব্যাখ্যা করছিল ভেরোনিকা। তাকে স্ত্রী হিসেবে পেয়ে আমি খুব গর্বিত। এ
ভিন্ন ধরনের পোশাক পরে ক্লাসে হাজির স্প্যানিশ শিক্ষিকা
বিকল্প ইন্টারনেট চালু করছে রাশিয়া
রাশিয়া জানিয়েছে, তারা বিকল্প ইন্টারনেট ব্যবস্থার সফল পরীক্ষা চালিয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি। রাশিয়ার যোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা এ পরীক্ষার সময় কোনও ধরনের পরিবর্তন টের পাননি। এখন এই পরীক্ষার ফল প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কাছে উপস্থাপন করা হবে। মূলত ইন্টারনেটের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চায় রাশিয়া। আর তাই একটি ‘বিকল্প ও স্বতন্ত্র’ অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে দেশটির। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশটির নাগরিকরা কোনো ধরনের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবে তা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। নিজস্ব একটি উইকিপিডিয়াও তৈরি করার কাজ শুরু করেছে রাশিয়া। এছাড়া দেশটির পার্লামেন্ট এক আইন পাস করেছে- এর ফলে যেসব স্মার্টফোনে রাশিয়ায় তৈরি সফটওয়ার আগে থেকে ইনস্টল করা নেই, সেগুলো বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে বলা হয়েছে। উল্লেখ্য, বিশ্বের আরও কয়েকটি দেশে এ ধরনের ‘বিকল্প’ ইন্টারনেট ব্যবস্থা রয়েছে। যেমন- ইরান বাইরে থেকে আসা সকল ‘ইন্টারনেট কনটেন্ট’ নজরদারি করে, তথ্যের আনাগোনা নিয়ন্ত্রণ করে। আবার চীনে চালু রয়েছে ‘দ্য গ্রেট ফায়ারওয়াল অব চায়না’। ফলে সেখানে গুগল-ফেসবুকসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা যায় না। এ/পি
বিকল্প ইন্টারনেট চালু করছে রাশিয়া
পুতিনকে প্রশ্ন করে চাকরি হারালেন রুশ সাংবাদিক
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন প্রতি বছর বড় করে একটি সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তার বক্তব্য শোনার পর তাকে নানা বিষয়ে প্রশ্ন করার জন্যে সাংবাদিকদের ডাকা হয়। কিন্তু প্রশ্ন করার জন্য চাকরি হারিয়েছেন একজন টেলিভিশন সাংবাদিক। চাকরি হারানো ওই সাংবাদিকের নাম অ্যালিসা ইয়ারাভস্কিয়া। তিনি রাশিয়ার ইয়ামাল এলাকার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সাংবাদিক। পুতিনের মুখপাত্র ডিমিত্রি পেসকভই ঠিক করে দেন কোন সাংবাদিক প্রশ্ন করতে পারবে। সেক্ষেত্রে মাইক অ্যালিসার পাওয়ার কথা ছিল না। কিন্তু প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে টানা চলছে বক্তৃতা এবং প্রশ্ন-উত্তর পর্ব চলার এক পর্যায়ে মাইক হাতে পান অ্যালিসা। যদিও মাইক্রোফোনটি যাওয়ার কথা ছিল একই চ্যানেলের অন্য এক সাংবাদিকের কাছে। তবে হাতে মাইক পেয়ে অন্য আর সব সাংবাদিকের মতো প্রশ্ন শুরু করলেন অ্যালিসা। বৈশ্বিক উষ্ণতা ইয়ামাল এলাকার জন্য কতটা সৌভাগ্য বয়ে আনছে সে প্রসঙ্গ দিয়ে শুরু করেন তিনি। এর ফলে আর্কটিক সাগরের বরফ গলে যাচ্ছে আর তাতে স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হচ্ছে। কিন্তু একটি সেতু নির্মাণে অনেক দেরি হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন অ্যালিসা। তিনি বলেন, শহরের গভর্নর এই ব্রিজকে বাস্তবে রূপ দিতে চেষ্টার কোনও ত্রুটি করছেন না। কিন্তু আমরা শুনতে পাচ্ছি সরকারের কেন্দ্রীয় পর্যায়ে বিষয়টি কম গুরুত্ব পাচ্ছে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে- কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে বড়সড় উদ্যোগ নেয়া যায় কিনা? পুতিনের উত্তর ছিল- শুধু একটি প্রকল্পকে গুরুত্ব দিয়ে বাছাই করা কেন্দ্রীয় সরকারের জন্য বেমানান হবে। এই ব্রিজটি আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় খুব গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল হিসেবে কাজ করবে, সে বিষয়ে তিনি ওয়াকিবহাল আছেন এর দিকে বাড়তি মনোযোগ দেয়া হবে। কিন্তু ওই প্রশ্ন করার পর কেন চাকরি হারাতে হলো অ্যালিসাকে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, তার এই প্রশ্নে নাখোশ হয়েছে ইয়ামাল অঞ্চলের কর্তৃপক্ষ। আর তার টেলিভিশন চ্যানেল তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছে কারণ যে সাংবাদিককে প্রশ্ন করার জন্য বাছাই করা হয়েছিল তাকে তিনি মাইক্রোফোনটি না দিয়ে নিজেই প্রশ্ন করছেন। আর তাছাড়া যে চ্যানেলে তিনি কাজ করেন সেটি স্থানীয় প্রশাসনের মালিকানাধীন। অন্যদিকে আরেক রিপোর্টে বলা হচ্ছে- সংবাদ সম্মেলনে তোলা পুতিনের একটি ছবি তিনি ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলেন অ্যালিসা। যেখানে তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন পুতিনকে কেমন দেখাচ্ছিল? অ্যালিসা লিখেছিলেন, আমি কোনও বোটক্সের চিহ্ন দেখছি না। তাকে (পুতিন) দেখে তার বয়সের মতোই মনে হচ্ছে। চেহারায় বয়সের ছাপ লুকানোর জন্য ‘বোটক্স’ খুব জনপ্রিয় একটি পদ্ধতি। পরে অবশ্য ওই পোস্টটি ডিলিট করে দেন অ্যালিসা। রাশিয়াতে সাংবাদিকেরা মত প্রকাশের স্বাধীনতা পান না বা অনেক সময় তারা ব্যক্তিগত নিরাপত্তার ঝুঁকিতে থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু অ্যালিসা ঠিক কী কারণে চাকরি হারালেন সেটি এখনও পরিষ্কার নয়। তিনি নিজে অবশ্য বলেছেন, তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়নি বরং তিনি পদত্যাগ করেছেন। এ
পুতিনকে প্রশ্ন করে চাকরি হারালেন রুশ সাংবাদিক
আরও পড়ুন
পুতিনকে প্রশ্ন করে চাকরি হারালেন রুশ সাংবাদিক
রান্নাঘরে মিললো টেলিভিশন অভিনেত্রীর মরদেহ
সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় প্রতিবাদ সভা
জামালপুরে সাংবাদিকের পা ভেঙে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা