ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

আইসিইউতে ৬ লাশ তালা দিয়ে পালালেন ডাক্তাররা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ মে ২০২১, ১০:০৩ পিএম
আইসিইউতে ৬ লাশ তালা দিয়ে পালালেন ডাক্তাররা

ভারতে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ভয়াল থাবায় আক্রান্ত ও মৃত্যু প্রতিদিন বাড়ছে। এসব রোগীদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে হিমশিমে পড়েছে দেশটির চিকিৎসকরা। ভারতের হরিয়ানা রাজ্যর গুরগাঁও জেলার কৃতী হাসপাতালে ৬ জন মৃত রোগীকে আইসিইউতে রেখে তালা দিয়ে পালিয়েছে চিকিৎসকরা। মৃত ব্যক্তিরা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছিলেন।

হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাবে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ৬ রোগীর মৃত্যু হয়। গত শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) ভারতের হরিয়ানা রাজ্যর গুরগাঁও জেলার কৃতী হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটলে বৃহস্পতিবার বিষয়টি জানাজানি হয়।

ঘটনাটি নিয়ে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হাসপাতালটিতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনা আক্রান্ত এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেই রোগীর স্বজন শুক্রবার রাতে দেখতে আসলে সেখানে কোনো চিকিৎসক, নার্স বা হাসপাতালের কর্মীকে দেখতে পান না। এরপর তিনি আইসিইউতে গিয়ে দেখেন তালাবদ্ধ এবং বেড ও মেঝেতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে কয়েকজনের লাশ পড়ে আছে।

মৃতদের স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালে অক্সিজেন শেষ হয়ে গেলে চিকিৎসক ও স্টাফরা আইসিইউতে রোগীদের ফেলে রেখে পালিয়ে যান। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, তারা মৃত ব্যক্তিদের আত্মীয়দের হামলার শিকার হতে পারেন, এই আশঙ্কায় হাসপাতালের ক্যান্টিনে আত্মগোপন করেছিলেন।

হাসপাতালটির পরিচালক ড. স্বাতী রাঠোর বলেন, অক্সিজেন সংকটের বিষয়টি স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তা এবং রোগীর আত্মীয়দের জানানো হয়েছিল। কিন্তু তারপরও অক্সিজেন পাওয়া যায়নি। পরে রাত ১১টা নাগাদ ৬ জন রোগী মারা যান।

গুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক যশ গার্গ বলেন, রোগীদের মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে। পরিস্থিতি সামলাতে সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হাসপাতালটিতে মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত হচ্ছে।

এফএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সরকারি চাকরিজীবী পাত্র না পাওয়ায় তরুণীর ‘আত্মহত্যা’ 
সরকারি চাকরিজীবী পাত্র না পাওয়ায় ২৬ বছর বয়সী এক তরুণী আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি পরিবারের। বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে ভারতের মুর্শিদাবাদের কান্দিতে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ‘আত্মহত্যা’ করেন শিল্পী ঘোষ নামের ওই তরুণী।  স্থানীয়রা জানান, বিয়ের জন্য তার একটিই ‘শর্ত’ ছিল—পাত্রকে সরকারি চাকরিজীবী হতে হবে! দীর্ঘদিন খোঁজ করেও তার জন্য এমন কোনো পাত্র পাওয়া যায়নি। ‘শর্তপূরণ’ না হওয়ায় কোনো পাত্রকেই মনে ধরছিল না তার। মানসিক অবসাদে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ কান্দির খড়গ্রামের গুরুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা শিল্পী ঘোষের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান বলে জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা। তারাই খড়গ্রাম থানায় খবর দেন। পুলিশ কর্মকর্তারা গলায় গামছার ফাঁসে শিল্পীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেন। এরপর স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে শিল্পীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। কান্দি হাসপাতালের মর্গে শিল্পীর দেহের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিল্পী আত্মহত্যা করেছেন বলে পুলিশের কাছে দাবি করেছে তার পরিবার। এ নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে খড়গ্রাম থানা। তরুণীর মৃত্যুতে হতবাক শিল্পীর চাচা সঞ্জীব মণ্ডল। তিনি বলেন, স্নাতক স্তরের পড়াশোনা শেষ করার পর থেকেই শিল্পীর জন্য পাত্রের খোঁজ করা হচ্ছিল। তবে জমি-জায়গা, টাকাপয়সা রয়েছে, এমন পাত্রদের দেখাশোনা করা হলেও সরকারি চাকরিজীবী পাত্র ছাড়া বিয়েতে রাজি হয়নি শিল্পী।’  এই ঘটনার কথা শোকাহত শিল্পীর গ্রামের বাসিন্দা চন্দন ঘোষও। তার দাবি, কোনো প্রেমঘটিত সম্পর্ক ছিল না শিল্পীর। চন্দন বলেন, ‘শিল্পী আমার বোনের মতো ছিল। গ্রামের সকলে ওকে একডাকে ভালো মেয়ে বলে চেনে। ওর বিরুদ্ধে গ্রামের কারও কোনও অনুযোগ পর্যন্ত নেই। অনেক দিন ধরে পরপর বিয়ের জন্য দেখাশোনা চললেও সরকারি পাত্র ছাড়া বিয়ে করতে রাজি হয়নি শিল্পী। হয়তো সে জন্য ওর মানসিক চাপ বাড়ছিল। হয়তো চেয়েছিল, বিয়ের পর ভালোভাবে থাকবে। তবে কপালে না থাকলে যা হয়।’ সূত্র: আনন্দবাজার এনএইচ/টিআই
সরকারি চাকরিজীবী পাত্র না পাওয়ায় তরুণীর ‘আত্মহত্যা’ 
ফের উত্তপ্ত কাশ্মীর, গোলাগুলিতে নিহত ৩
একদিনের মাথায় কাশ্মীরে ফের গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে ৩ জন নিহত হয়েছেন।  বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) গভীর রাতে উপত্যকার পাঠানচক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।   ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, গভীর রাতে যৌথ বাহিনী ও জঙ্গিদের সঙ্গে গোলাগুলিতে ৩ ‘জঙ্গি’ নিহত হয়। তবে জঙ্গিদের গুলিতে বাহিনীর তিনজন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে প্রচুর পরিমাণে অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ এখনও এলাকা ঘিরে রেখেছে। আর কোনও ‘জঙ্গি’ লুকিয়ে আছে কিনা দেখতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।  এর আগে বুধবার রাতে পৃথক গোলাগুলিতে দুই পাকিস্তানিসহ ৬ ‘জঙ্গি’ নিহত হয়েছিলো। তার আগে ২৫ ডিসেম্বর রাতে ৫ জন নিহত হন। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন, আজকাল আরএ/
ফের উত্তপ্ত কাশ্মীর, গোলাগুলিতে নিহত ৩
পশ্চিমবঙ্গে শিশুসহ আরও ৫ জনের ওমিক্রন
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিদেশ ফেরত আরও ৫ জনের শরীরে ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে এ রাজ্যে ওমিক্ররে ১৬ জন আক্রান্ত হলো।  বৃহস্পতিবার রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।  ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য মতে, ব্রিটেন থেকে আসা ৬ জনের করোনা পরীক্ষা করলে ৫ জনরই ওমিক্রন শনাক্ত হয়। আক্রান্তদের মধ্যে ৫ বছরের শিশুও রয়েছে। তাদের অল্প সর্দি-কাশি ছাড়া কোনও উপসর্গ নেই। প্রত্যেককেই হাসপাতালের আলাদা কেবিনে রাখা হয়েছে। রাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, প্রতিদিনই খুব দ্রুত গতিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। করোনা মোকাবিলায় আরও সতর্ক হতে হবে এবং সবাইকে মাস্ক পরার আহ্বান জানান তিনি। সূত্র: আনন্দবাজার  আরএ/
পশ্চিমবঙ্গে শিশুসহ আরও ৫ জনের ওমিক্রন
কুকুরের স্তন্যপান করে বেঁচে আছে ছাগলছানা (ভিডিও)
কুকুরের স্তন্যপান করে বেঁচে আছে ছাগলছানা। এমন আশ্চর্য ঘটনা ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতার বিধানসভা কেন্দ্রের খারজুলি গ্রামে। খারজুলি গ্রামের বাসিন্দা শেখ ফিরোজের বাড়িতে কয়েকটি ছাগল রয়েছে। তার মধ্যে একটি ছাগল দিন সাতেক আগে বাচ্চা প্রসব করে। ছাগলছানার জন্মের পরপর মহাসমস্যায় পড়েন ফিরোজ। তার ভাষ্য, ‘বাচ্চা হওয়ার পর থেকে ছাগলটির স্তনে দুধ আসেনি। বাচ্চাটা কাছে গেলেই মেরে তাড়িয়ে দিত। ফলে দুধ না পেয়ে ছাগলের বাচ্চাটি মরেই যেত।’ কিন্তু ফিরোজের এক প্রতিবেশী তাহসিন একটি কুকুরকে প্রতিদিন খাবার এনে খেতে দেয়। কুকুরটিকে ‘টাইগার’ নামও দেয় সে। কয়েকদিন ধরেই টাইগার এলেই তাহাসিন তার গায়ে হাত বুলিয়ে দেয়। আর তখন ফিরোজের ছাগলছানাটি কুকুরটির স্তন্যপান করে। প্রতিদিন দুই বেলা ছাগলছানাকে স্তন্যপান করানো যেন দায়িত্ব হয়ে উঠেছে তাহসিন ও টাইগারের। তাহাসিন বলে, ‘ওইটুকু বাচ্চা দুধ পায়নি। আমার খুব কষ্ট হচ্ছিল। তাই টাইগারের কাছে দুধ খাওয়াতে নিয়ে গিয়ে দেখি টাইগার দুধ খাওয়াচ্ছে।’ এ বিষয়ে প্রাণী স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. উষা দে বলেন, এটা একটা ব্যতিক্রমী ঘটনা। সচরাচর দেখা যায় না। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন   এনএইচ/টিআই
কুকুরের স্তন্যপান করে বেঁচে আছে ছাগলছানা (ভিডিও)
ওমিক্রনে আক্রান্ত হওয়ার ৮ লক্ষণ 
দীর্ঘমেয়াদি লকডাউন ও করোনা বিধিনিষেধের বলয় থেকে পৃথিবী যখন স্বাভাবিক হতে শুরু করেছিল, তখন নতুন করে বিভিন্ন দেশে তাণ্ডব শুরু করেছে ভাইরাসটির নতুন ধরন ওমিক্রন। নতুন ধরনটি ইতোমধ্যে প্রমাণ করেছে করোনা মহামারি শিগগিরই শেষ হচ্ছে না। ওমিক্রন প্রথম শনাক্ত হয় দক্ষিণ আফ্রিকায়, যা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। ওমিক্রনে আগের ধরনের চেয়ে মিউটেশন বেশি হয়েছে। করোনার এ ধরনটি এমন একসময় ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে যখন বিশ্ববাসী আংশিক কিংবা সম্পূর্ণ ডোজ টিকা নিয়েছেন। পূর্ণ ডোজ টিকা গ্রহণকারীরা ওমিক্রনে আক্রান্ত হচ্ছেন।  করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ধরনের আটটি লক্ষণ জানা গেছে। সেগুলো হলো- মাথা ব্যথা, কাশি, সর্দি, ক্লান্তি, গলা ব্যথা, জ্বর, পেশী ব্যথা, কনুই, হাঁটু ও কোমরে ব্যথা।     নিউইয়র্কের চিকিত্সক ক্রেগ স্পেনসার বলেন, যেসব রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তারা টিকা নেননি। তাদের প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট ছিল। তিনি বলেন, যারা তৃতীয় ডোজ নিয়েছেন তাদের মধ্যে খুব সামান্য লক্ষণ দেখা গেছে। তারা মাথা ব্যথা, গলা ব্যথা ও পেশী ব্যথায় ভোগেন। তবে তাদের শ্বাসকষ্ট হয় না।  তারা সামান্য অস্বস্তি বোধ করেন কিন্তু সুস্থ থাকেন।   সূত্র: মিন্ট এনএইচ/টিআই   
ওমিক্রনে আক্রান্ত হওয়ার ৮ লক্ষণ