ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

বিপরীতমুখী দুই জাহাজে মুখোমুখি নাবিক বাবা-ছেলে, অতঃপর...

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৩ এএম
ছবি: সংগৃহীত

মাঝসমুদ্রে হঠাৎ দেখা হয়ে গেল নাবিক বাবা ও ছেলের। বিপরীতমুখী দুটি জাহাজে করে ভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার সময় ভারতীয় এই বাবা-ছেলের দেখা হওয়ার মুহূর্তটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ঘটনাটি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে তুলে ধরেছেন ছেলে রুশীল সারান। তিনি জানান, উত্তর দিকে নিজের জাহাজ নিয়ে যাওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে একটি বড় জাহাজকে আসতে দেখেন। পরে জাহাজটির গতিপথ ও গন্তব্য সম্পর্কে জানতে গিয়ে তিনি বুঝতে পারেন, ওই জাহাজেই রয়েছেন তার বাবা।

এরপর ভূমি থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে সমুদ্রের মাঝখানে ঘটে যায় বাবা-ছেলের সেই বিরল সাক্ষাৎ। রুশীলের ভাষায়, এটি তার জীবনের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত। সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, এই সাক্ষাতের কোনো পরিকল্পনাই আগে থেকে ছিল না।

বাবার পথ অনুসরণ করেই নাবিক পেশা বেছে নিয়েছেন রুশীল। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ইনস্টাগ্রামে ভিডিওটি প্রকাশ করে তিনি লেখেন, শতকোটি সুযোগের মধ্যে হয়তো একবার এমন মুহূর্ত আসে, যখন নাবিকদের দুই প্রজন্ম সমুদ্রের মাঝখানে একে অপরের মুখোমুখি হয়। দুটি জাহাজ, দুটি যাত্রা—আর একটি অবিস্মরণীয় মুহূর্ত।

ভিডিওতে দেখা যায়, দুই জাহাজ কাছাকাছি আসার পর বাবা ও ছেলে পরস্পরকে দেখে আনন্দ প্রকাশ করছেন। বাবার মুখের হাসি ও ছেলের সঙ্গে দেখা হওয়ার গর্বিত অভিব্যক্তি মুহূর্তটিকে আরও আবেগঘন করে তুলেছে।

ভিডিওটি প্রকাশের পর দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। নেটিজেনদের অনেকেই এটিকে একজন নাবিকের জীবনের অত্যন্ত বিরল ও আবেগঘন মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

একজন মন্তব্য করেন, ‘এটি একজন নাবিকের জীবনের সবচেয়ে বিরল মুহূর্ত।’

আরেকজন লেখেন, নিজের পথে এগিয়ে গেলেও যে মানুষটি পথচলা শিখিয়েছেন, তার থেকে কখনো পুরোপুরি দূরে থাকা যায় না।

আরেক ব্যবহারকারী জানান, তার স্বামী চিফ অফিসার এবং চাচা ক্যাপ্টেন থাকার সময় জাহাজে তাদেরও এমন একটি আকস্মিক দেখা হয়েছিল। একই বন্দরে একদিনের জন্য অবস্থানের সময় তাদের দেখা হয়। পাশাপাশি বাবা-ছেলের দুজনেরই নিরাপদ সমুদ্রযাত্রা কামনা করেন তিনি।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ভারতের মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করলেন প্রতিমন্ত্রী মুরুগান
  ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী এল মুরুগান। একই সঙ্গে রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকেও পদত্যাগ করেছেন তিনি।  মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানান মুরুগান। পদত্যাগের কারণ হিসেবে তামিলনাড়ুতে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন তিনি। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে দলের ভিত আরও মজবুত করতে পুরো সময় দিতে চান এই বিজেপি নেতা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে মুরুগান বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ভারতমাতা ও তামিলনাড়ুর সেবা করার সুযোগ পাওয়া তার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান। তিনি আরও বলেন, দিনমজুর পরিবারের সন্তান হিসেবে জীবন শুরু করে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় কাজ করার সুযোগ পাওয়া তার কাছে অত্যন্ত গর্বের বিষয়। মুরুগান জানিয়েছেন, এবার তিনি দলের তৃণমূল পর্যায়ে ফিরে যেতে চান। তামিলনাড়ুতে বিজেপিকে আরও শক্তিশালী করাই হবে তার প্রধান লক্ষ্য। এর আগে তামিলনাড়ুতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এল মুরুগান। পরে মধ্যপ্রদেশ থেকে রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। ২০৩০ সালে রাজ্যসভায় তার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে পদত্যাগপত্রে তিনি অবিলম্বে তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস আরটিভি/ এসকেডি
ভারতের মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করলেন প্রতিমন্ত্রী মুরুগান
এবার মোদির বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে ভারতের তরুণ প্রজন্ম, উত্তাল রাজপথ
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির রাজপথে পুলিশের ব্যারিকেড, ধরপাকড় আর তরুণদের প্রতিবাদ—সব মিলিয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি।
এবার মোদির বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে ভারতের তরুণ প্রজন্ম, উত্তাল রাজপথ
ভারতে উচ্চস্বরে আজান দেওয়ায় কারাগারে মুয়াজ্জিন
একইসঙ্গে মসজিদের মাইকও জব্দ করে নিয়ে গেছে পুলিশ। সেইসঙ্গে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এক বিট কনস্টেবলকেও।
ভারতে উচ্চস্বরে আজান দেওয়ায় কারাগারে মুয়াজ্জিন 
দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ, বিকল্প জায়গা ঠিক করে দিলো পুলিশ
যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ, মিছিল ও সমাবেশ আয়োজন নিষিদ্ধ করে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। সেইসঙ্গে ব্যাতিক্রমী আরেক উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে— বিক্ষোভ ও সভা-সমাবেশের জন্য দিল্লিতেই ঠিক করে দেওয়া হয়েছে তিনটি জায়গা।  
দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ, বিকল্প জায়গা ঠিক করে দিলো পুলিশ
গাড়ির চাপায় তিন শিক্ষার্থী নিহত, চালক বললেন ‘বাবা সামলে নেবে’
ভারতের কেরালা রাজ্যের এরনাকুলাম জেলায় দ্রুতগতির মিনি কুপার গাড়ির ধাক্কায় স্কুটারে থাকা তিন শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার দিবাগত রাত ২টার দিকে কোচি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে নেদুম্বাসেরিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ১৯ বছর বয়সী গাড়িচালক সুহাইল সাজিভকে আটক করেছে পুলিশ। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের প্রশ্নের জবাবে চালক ‘বাবা সামলে নেবে’ বলে মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। দুর্ঘটনার সময় তিনি মদ্যপ ছিলেন কি না, তা নিশ্চিত হতে তার রক্তসহ বিভিন্ন নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। নিহত তিনজন হলেন দেবিকা, গোপিকা ও ইজাজ। তাদের মধ্যে দেবিকার বাড়ি কেরালার ওয়েনাড জেলায়, গোপিকা পালাক্কাডের বাসিন্দা এবং ইজাজের বাড়ি কর্ণাটকে। তিনজনই ত্রিক্কাকারায় কর্মরত ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার দিবাগত রাত ২টার দিকে কাছের একটি দোকানে চা পান শেষে স্কুটারে করে বাড়ি ফিরছিলেন ওই তিন শিক্ষার্থী। এ সময় দ্রুতগতিতে ছুটে আসা একটি মিনি কুপার গাড়ি তাদের স্কুটারে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনজনই গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনেরই মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের পাশাপাশি ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে সুহাইল দুর্ঘটনার আগে অ্যালকোহল পান করার কথা স্বীকার করেছেন। তবে তার ভাষ্য, তিনি শুধু বিয়ার পান করেছিলেন। দুর্ঘটনার সময় তার শরীরে অ্যালকোহল বা অন্য কোনো নেশাজাতীয় পদার্থের প্রভাব ছিল কি না, তা পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। এরনাকুলাম গ্রামীণ পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট কে এস সুদর্শন সাংবাদিকদের জানান, দুর্ঘটনার পেছনে চালকের ভূমিকা এবং গাড়ির ভেতরে কোনো নেশাজাতীয় পদার্থ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ জন্য গাড়িটির ফরেনসিক পরীক্ষাও চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় ব্যবহৃত মিনি কুপার গাড়িটি সুহাইলের বাবার নামে নিবন্ধিত। তবে সুহাইলের বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স রয়েছে। এদিকে দুর্ঘটনার পর চালকের ওপর হামলার অভিযোগও তদন্ত করছে পুলিশ। চিকিৎসা পরীক্ষার জন্য সুহাইলকে হাসপাতালে নেওয়ার পর নিহত শিক্ষার্থীদের কয়েকজন বন্ধু তার ওপর হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতাল থেকে তাকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার সময় পেছন দিক থেকে মাথায় আঘাত করা হয় বলে পুলিশের কাছে অভিযোগ এসেছে। পরে পুলিশ সদস্যরা হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ঘটনায় হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে আটক করা হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ, চালকের মাদক গ্রহণের বিষয়টি এবং তার ওপর হামলার ঘটনা—সব দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া টুডে আরটিভি/এসকে
গাড়ির চাপায় তিন শিক্ষার্থী নিহত, চালক বললেন ‘বাবা সামলে নেবে’