ঢাকা সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩

সন্তানকে দুই লাখে বেচে অপহরণের নাটক সাজালেন নারী, অতঃপর...

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৭ পিএম
কাল্পনিক ছবি

ভারতের উত্তর প্রদেশে টাকার বিনিময়ে দেড় মাস বয়সি সন্তানকে বিক্রি করে অপহরণের নাটক সাজানোর অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিশুটির মা, এক চিকিৎসক, তার স্ত্রী এবং আরও এক দম্পতিসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে শিশুটিকে।

রোববার (১৮ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছে উত্তর প্রদেশের পুলিশ।

কাসগঞ্জের পুলিশ সুপার ও পি সিং জানান, দেড় মাস বয়সি শিশুটিকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। শিশুটির বাবা অরবিন্দের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাটি তদন্তে নামে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ফরিদাবাদের একটি কারখানায় কর্মরত অরবিন্দের স্ত্রী গত ১৬ অক্টোবর ছেলের ওষুধ আনতে কাসগঞ্জে যান। অভিযোগ অনুযায়ী, কাসগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে শিশুটিকে এক অপরিচিত নারীর কাছে রেখে শৌচাগারে যান তিনি। ফিরে এসে ওই নারী ও শিশুটিকে আর খুঁজে পাননি বলে দাবি করেন।

তবে তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, অপহরণের ঘটনা সাজিয়ে মূলত শিশুটিকে বিক্রির বিষয়টি আড়াল করার চেষ্টা করেছিলেন তার মা। অভিযোগ রয়েছে, ডা. অরুণ কুমার ও তার স্ত্রীর সহযোগিতায় শিশুটিকে হাতরস জেলার এক দম্পতির কাছে বিক্রি করা হয়।

পুলিশ সুপার ও পি সিংয়ের নির্দেশে গত শনিবার চাঁদপুরা-গাউপুরা মোড়ের কাছে একটি যাত্রী ছাউনি থেকে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন শিশুটির মা, চিকিৎসক ডা. অরুণ কুমার, তার স্ত্রী এবং হাতরস জেলার বাসিন্দা মহিপাল ও তার স্ত্রী।

জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটির মা স্বীকার করেছেন, সন্তানকে বিক্রির বিনিময়ে তিনি ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা পেয়েছিলেন। এর মধ্যে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা তার ব্যাংক হিসাবে জমা করা হয় এবং বাকি ১০ হাজার টাকা নগদ নেন তিনি।

অন্যদিকে, হাতরসের ওই দম্পতি পুলিশকে জানিয়েছেন, ডা. অরুণ কুমার ও তার স্ত্রীর মাধ্যমে এবং শিশুটির মায়ের সম্মতিতে ২ লাখ টাকার বিনিময়ে শিশুটিকে কিনেছিলেন তারা।

এ ঘটনায় সোরন থানায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ও জুভেনাইল জাস্টিস অ্যাক্টের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সূত্র: এনডিটিভি

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
একই পরিবারের ৫ মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য দিল পুলিশ
ভারতের উত্তর প্রদেশের গ্রেটার নয়ডায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে রাতের খাবারে বিষাক্ত রাসায়নিক মেশানো হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছে পুলিশ।
একই পরিবারের ৫ মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য দিল পুলিশ
দুষ্টুমি করে বিমানে বোমার আতঙ্ক ছড়ালেন ছাত্রী, অতঃপর...
ভারতের আহমেদাবাদ থেকে হায়দরাবাদগামী একটি উড়োজাহাজে বোমা থাকার কথা বলে আতঙ্ক ছড়িয়েছে ১২ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রী। 
দুষ্টুমি করে বিমানে বোমার আতঙ্ক ছড়ালেন ছাত্রী, অতঃপর...
ভারতে পুলিশের চেকপোস্ট ভেঙে মন্দিরের ১২ ভক্তকে পিষে মারল ট্রাক
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপূজার মণ্ডপ ভেঙে সৃষ্ট হুড়োহুড়িতে পদদলিত হয়ে ১৯ জনের মৃত্যুর পর একই রাতে ভয়াবহ আরেকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে মধ্যপ্রদেশে।
ভারতে পুলিশের চেকপোস্ট ভেঙে মন্দিরের ১২ ভক্তকে পিষে মারল ট্রাক
কলকাতায় ভেঙে পড়ল দুর্গাপূজার মণ্ডপ, পদদলিত হয়ে প্রাণ গেল ১৯ জনের
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতায় একটি দুর্গাপূজার মণ্ডপ ভেঙে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মণ্ডপ ভেঙে পড়ার পর অতি হুড়োহুড়ির মধ্যে পদদলনে বড় ধরনের এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। নিহতদের অধিকাংশই নারী ১৩ জন নারী; সেইসঙ্গে শিশুও আছে।
কলকাতায় ভেঙে পড়ল দুর্গাপূজার মণ্ডপ, পদদলিত হয়ে প্রাণ গেল ১৯ জনের
নুডলস খেয়ে একই পরিবারের ৫ সদস্যের মৃত্যুর অভিযোগ
ভারতের গ্রেটার নয়ডার একটি গ্রামের বাড়ি থেকে একই পরিবারের ৫ সদস্যের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে তিন শিশুও রয়েছে। প্রাথমিকভাবে খাদ্যে বিষক্রিয়াকে মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ হিসেবে সন্দেহ করছে পুলিশ। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মৃতরা হলেন—৩৭ বছর বয়সি মহেশ, তার স্ত্রী ৩৫ বছর বয়সি ললিতা এবং তাদের তিন সন্তান। সন্তানদের মধ্যে দুই ছেলের বয়স ১১ ও তিন বছর এবং মেয়ের বয়স সাত বছর। এক প্রতিবেদনে হিন্দুস্তান টাইমস বলছে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে খাবার খাওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা ঘুমাতে যান। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে এ ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ।  স্থানীয় বাসিন্দা এবং মৃত দম্পতির মায়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে পরিবারটি নুডলস খেয়েছিল। এরপর তারা ঘুমাতে যায়। শনিবার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। গ্রেটার নয়ডার সহকারী পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমার সিসোদিয়া জানান, শুক্রবার রাতে খাবার খাওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা বিছানায় শুয়েছিলেন এবং ধারণা করা হচ্ছে তারা ঘুমিয়েই মারা গেছেন। খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন, জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা, ফরেনসিক দল এবং খাদ্য নিরাপত্তা বিভাগের কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা আলামত সংগ্রহ করেছেন এবং মৃতদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ পরিষ্কার হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা নথিভুক্ত হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্য ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস আরটিভি/এসআর
নুডলস খেয়ে একই পরিবারের ৫ সদস্যের মৃত্যুর অভিযোগ
আরও পড়ুন
একই পরিবারের ৫ মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য দিল পুলিশ
উত্তর প্রদেশে যমজ দুই সন্তানকে গলা কেটে হত্যা করলেন বাবা