ঢাকা সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

বাংলাদেশিদের গুলি করে মারার হুমকি বিজেপি বিধায়কের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৫ পিএম
বিজেপি স্থানীয় বিধায়ক দধিরাম রায়। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী এবং ভারতের কোচবিহারের মেখলীগঞ্জ সীমান্তের সানিয়াজান নদীতে পাথর ও বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে যে ঘটনা ঘটে, সেটাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশিদের লক্ষ্য করে উসকানিমূলক মন্তব্য করেছেন এবং গুলি করে হত্যার হুমকি দিয়েছেন বিজেপি স্থানীয় বিধায়ক দধিরাম রায়।

জানা গেছে, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) সীমান্তে গুলি বা স্টান গ্রেনেড ছুড়েছে।

তিনি বলেছেন, ‘আমাদের বিএসএফ সচেষ্ট রয়েছে। কোনো বাংলাদেশি জিহাদি হোক আর যে-ই হোক, ইন্ডিয়ার মাটিতে পা রাখলেই তাদের গুলি করে দেওয়া হবে। কালকে কিছুটা তার প্রমাণ দেওয়া হয়েছে এবং এরপর থেকে বিএসএফ আরও সতর্ক।’

এছাড়া, তিনি দ্রুত জমি অধিগ্রহণ করে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ এবং জিরো পয়েন্টে কড়াকড়ি আরোপের কথাও জানান।

ওই ঘটনাী স্থানীয় বাংলাদেশি গ্রামবাসীদের দাবি, তারা নিজেদের ভূখণ্ডের সীমানার ভেতরে থেকেই নদীতে কাজ করছিলেন। উল্টো বিএসএফ মাঝেমধ্যেই জিরো লাইন বা নো-ম্যানস ল্যান্ডের কাছাকাছি এসে অযাচিতভাবে শক্তি প্রদর্শন করে এবং সাধারণ বাংলাদেশিদের ওপর চড়াও হয়।

এ ঘটনায় বিজিবি-এর পক্ষ থেকে সীমান্তে কড়া নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বিজিবি সূত্র ও সীমান্ত এলাকার দায়িত্বশীলরা জানান, ভারতীয় বাহিনীর এ ধরনের আগ্রাসী আচরণ এবং বিজেপি নেতার ‘গুলি করে মারার’ মতো প্রকাশ্য হুমকির বিষয়টি তারা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন।

বিজিবি স্পষ্ট জানিয়েছে, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং সীমান্ত এলাকার নিরীহ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে তারা সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। ভারতীয় বাহিনীর যেকোনো ধরনের আগ্রাসন ঠেকাতে সীমান্তে টহল ও সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
চাচার সোনা চুরি করে গাড়ি কিনে উদ্বোধনে তাকেই ডাকলেন ভাতিজা
চাচার বাড়ি থেকে স্বর্ণের গহনা চুরি করে সেই টাকায় মাহিন্দ্রা থার গাড়ি কিনে সেই চাচাকেই নিমন্ত্রণ জানিয়েছেন সমর চ্যাভান নামের ১৯ বছরের এক তরুণ। ভারতের মহারাষ্ট্রের কোলহাপুর জেলার এক গ্রামে এই অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি সমরের চাচা উমেশ মারুতি চ্যাভানের বাড়িতে নতুন গাড়ির পূজার প্রস্তুতি চলছিল। এমন সময় সিন্দুক খুলে দেখা যায়, উমেশের স্ত্রীর প্রায় ১৫০ গ্রাম স্বর্ণের গহনা নেই। পরিবারের সবাই অবাক। বাড়ির ভিতরের খবর বাইরের কেউ জানার কথা নয় বলে সন্দেহ ঘনীভূত হয় পরিচিতদের ওপর। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামেন উপপুলিশ সুপার শ্রীকান্ত ঠিকানে ও তার দল। তদন্তকালে পুলিশের নজরে আসে সমরের হঠাৎ করে দামি গাড়ি কেনার বিষয়টি। ১৯ বছরের এক যুবকের হাতে এত টাকা কোথা থেকে এল এই প্রশ্ন থেকেই সন্দেহের তীর সমরের দিকেই যায়। জিজ্ঞাসাবাদে একপর্যায়ে সমর চুরির কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, চাচার বাড়ি থেকে স্বর্ণের গহনা চুরি করে বিক্রি করে প্রায় ১০ লাখ রুপি পেয়েছেন। সেই টাকায়ই নতুন গাড়ি কেনেন। গল্পের সবচেয়ে চমকপ্রদ অংশ হলো গাড়ির পূজা। যে চাচার স্বর্ণ চুরির অভিযোগ উঠেছে, সেই চাচাকেই নতুন গাড়ির পূজায় নিমন্ত্রণ করেছিলেন সমর। তবে আনন্দ বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। তদন্ত শেষে পুলিশ সমরকে গ্রেফতার করেছে। চুরি করা স্বর্ণ কেনার অভিযোগে এক স্বর্ণকারকেও আটক করা হয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি আরটিভি/এসআর  
চাচার সোনা চুরি করে গাড়ি কিনে উদ্বোধনে তাকেই ডাকলেন ভাতিজা
‘স্কুলে বোমা আছে’ জানিয়ে হঠাৎ ছাত্রীর ইমেইল, অতঃপর... 
ভারতের দিল্লিতে একটি স্কুলে বোমা রাখার হুমকি দিয়ে ইমেইল পাঠানোর অভিযোগে ১৬ বছর বয়সী এক ছাত্রীকে আটক করেছে পুলিশ।
‘স্কুলে বোমা আছে’ জানিয়ে হঠাৎ ছাত্রীর ইমেইল, অতঃপর... 
বিমানে শৌচাগারের আয়নায় লেখা ছিল ‘ভেতরে বোমা আছে’, অতঃপর...
থাইল্যান্ডের ফুকেট থেকে ভারতের কলকাতায় আসা একটি বিমানের শৌচাগারের আয়নায় ‘বিমানের ভেতরে বোমা আছে’ লেখা দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন কেবিন ক্রুরা। শনিবার (২৪ অক্টোবর) কলকাতা বিমানবন্দরে অবতরণের পর এই ঘটনা ঘটে। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দীর্ঘ তল্লাশির পরও বিমানে সন্দেহজনক কিছুই পাওয়া যায়নি। বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, লেখাটি নজরে আসার পরই কেবিন ক্রুরা তাৎক্ষণিকভাবে পাইলট এবং বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানান। এরপর দ্রুত বিমানটিকে আইসোলেশন বে-তে নিয়ে যাওয়া হয় এবং যাত্রীদের নিরাপদে নামিয়ে আনা হয়।  পরে সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স (সিআইএসএফ), বম্ব স্কোয়াড ও বিমানবন্দর পুলিশের যৌথ দল বিমানে তল্লাশি চালায়। তবে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশির পরও ভেতর থেকে কোনো বিস্ফোরক বা সন্দেহজনক বস্তু উদ্ধার হয়নি। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, কেবল আতঙ্ক ছড়ানোর উদ্দেশ্যেই কেউ এই ভুয়া হুমকি দিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে ইতিমধ্যে বিমানের যাত্রী তালিকা ও সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগে শুক্রবারও কলকাতা বিমানবন্দরের ২৩ নম্বর গেটের কাছে নারীদের শৌচাগারে বোমা রাখার হুমকির একটি চিরকুট পাওয়া গিয়েছিল। পরপর দুই দিন এমন বোমাতঙ্কের ঘটনায় ওই বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আরটিভি/এসআর
বিমানে শৌচাগারের আয়নায় লেখা ছিল ‘ভেতরে বোমা আছে’, অতঃপর...
বন্ধুত্ব থেকে চরম শত্রুতা, প্রকাশ্য দিবালোকে রড দিয়ে মাথা থেঁতলে হত্যা
ভারতের ছত্রপতি সম্ভাজিনগরে সম্পর্ক নষ্ট হওয়ায় বন্ধুকে প্রকাশ্য দিবালোকে ব্যস্ত সড়কে  গাড়িচাপা দেওয়ার পর লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মাথা থেঁতলে নির্মমভাবে হত্যা করেছেন এক তরুণ।
বন্ধুত্ব থেকে চরম শত্রুতা, প্রকাশ্য দিবালোকে রড দিয়ে মাথা থেঁতলে হত্যা
আখ কাটার কাজ চালিয়ে যেতে জরায়ু কেটে ফেলছেন ভারতের নারী শ্রমিকরা
ভারতের মহারাষ্ট্রের বীড় জেলার বহু নারী আখ কাটার কাজ চালিয়ে যেতে গিয়ে নিজেদের প্রজননস্বাস্থ্যকে ঝুঁকির মুখে ফেলছেন। মাসিকের ব্যথা, বিশ্রামের অভাব ও কঠোর শ্রমের কারণে কেউ কেউ জরায়ু অপসারণের কথা ভাবছেন, আবার অনেকে অস্ত্রোপচারও করিয়েছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব শ্রমিকের দুর্বিষহ জীবনের চিত্র। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে আনুমানিক ১৫ লাখ মানুষ আখ কাটার কাজে নিয়োজিত। তাদের অনেকেই দিনে প্রায় ১৪ ঘণ্টা কাজ করে পান মাত্র ৪০০ রুপি। শ্রমিকদের একটি বড় অংশ মহারাষ্ট্রের বীড় জেলা থেকে কাজের সন্ধানে অন্য এলাকায় যান। নিজ এলাকায় কর্মসংস্থানের অভাব ও পরিবারের ভরণপোষণের চাপ তাদের এই কঠিন পেশায় যুক্ত হতে বাধ্য করে। কর্ণাটকের রামানালে ভোর ৪টা থেকেই শুরু হয় শ্রমিকদের কর্মব্যস্ততা। পূর্ণিমা নামের এক নারী শ্রমিকও প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে কাজের প্রস্তুতি নেন। ঋণ শোধ করতে নিজ গ্রাম থেকে ৫০০ কিলোমিটারের বেশি পথ পাড়ি দিয়ে অন্য শ্রমিকদের সঙ্গে অস্থায়ী তাঁবুতে বসবাস করছেন তিনি। আখ কাটার নারী শ্রমিকদের জন্য শারীরিক পরিশ্রমের পাশাপাশি মাসিক সামলানোও বড় চ্যালেঞ্জ। অস্থায়ী ক্যাম্পগুলোতে শৌচাগার ও বিশুদ্ধ পানির অভাব রয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ছুটি না পাওয়ার চাপ। কাজ থেকে এক দিন বিরতি নিলেই মজুরি কাটা কিংবা জরিমানার মুখে পড়তে হয় শ্রমিকদের। ফলে মাসিকের ব্যথা বা অসুস্থতা নিয়েও তাদের কাজ চালিয়ে যেতে হয়। দীর্ঘ সময় ভারী আখ কাটা, বোঝা বহন ও ট্রাকে আখ তোলার কাজ করতে গিয়ে বাড়ছে শারীরিক দুর্ভোগ। পূর্ণিমা দ্য ইন্ডিপেনডেন্টকে বলেন, ব্যথা থেকে মুক্তি পেলে তার জন্য অনেক বড় সহায়তা হতো। দীর্ঘদিনের কষ্ট থেকে রেহাই পেতে তিনি জরায়ু অপসারণের কথাও ভাবছেন। তিনি বলেন, ‘আমার কষ্ট কমছে না। এ কাজ চালিয়ে গেলে তা কেবল বাড়বে। এত ভারী ওজন তোলা বন্ধ করতে পারলে হয়তো ভালো হবে। কিন্তু এ কাজ ছাড়া আমাদের আর কোনো উপায় নেই।’ বীড় জেলার বহু পরিবারের আয়ের প্রধান উৎস মৌসুমি আখ কাটা। প্রতিবছর মুকাদ্দম নামে পরিচিত ঠিকাদারেরা শ্রমিকদের সংগঠিত করেন। তারা চিনিকলের সঙ্গে যোগাযোগ, যাতায়াতের ব্যবস্থা এবং অগ্রিম অর্থের জোগান দেন। পরে সেই অর্থ শোধ করতে শ্রমিকদের মৌসুমজুড়ে কাজ করতে হয়। স্বামী-স্ত্রীকে নিয়ে গঠিত প্রতিটি শ্রমিক দলকে স্থানীয়ভাবে ‘কইতা’ বলা হয়। সাধারণত সাত-আটটি কইতার একটি দলের মধ্যে আয় ভাগাভাগি হয়। প্রতিটি দম্পতির ওপর দৈনিক গড়ে তিন টন আখ কাটার চাপ থাকে। কোনো নারী অসুস্থতার কারণে কাজ করতে না পারলে দলের অন্য শ্রমিকদের ওপর অতিরিক্ত কাজের চাপ পড়ে। এ কারণে অনেক ক্ষেত্রে তারা সংশ্লিষ্ট দম্পতির কাছ থেকে জরিমানা আদায় করেন। ফলে অসুস্থতা নিয়েও কাজ করতে বাধ্য হন নারী শ্রমিকেরা। সবিতা নামের এক শ্রমিক ২০২৫ সালের মার্চে জরায়ু অপসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, পেটে তীব্র ব্যথা থাকা সত্ত্বেও তাকে কাজ করতে হয়েছে। ট্রাকে আখ তুলতে মই বেয়ে ওঠার সময় গত বছর তিনবার পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। তারপরও অভিযোগ করার সুযোগ পাননি। সবিতা বলেন, ‘মাঠে কেউ সাহায্য করবে না। তারা একদম বিশ্রাম নিতে দেয় না। আমি এত অসুস্থ ছিলাম, তবু কেউ সাহায্য করেনি।’ পূর্ণিমাও জানান, কাজের মৌসুমে টানা চার থেকে পাঁচ মাস প্রতিদিন কাজ করতে হয়। গত তিন বছর ধরে অবিরাম ব্যথায় ভুগছেন তিনি। জরায়ু অপসারণের কথা ভাবলেও অস্ত্রোপচারের খরচ জোগাতে তাকে নতুন করে ঋণ নিতে হতে পারে। তার ভাষায়, ‘নিজের জরায়ু ফেলে দিতেও ঋণ নিতে হয়। মনে হয়, আমার শরীরই ব্যবস্থার দাসে পরিণত হয়েছে।’ ২০১৯ সালে মহারাষ্ট্র সরকারের একটি কমিটি বীড় জেলায় আখ কাটার কাজে নিয়োজিত ৮২ হাজার ৩০৯ জন অভিবাসী নারী শ্রমিকের ওপর জরিপ চালায়। এতে দেখা যায়, তাদের মধ্যে ১৩ হাজার ৮৬১ জনের জরায়ু অপসারণ করা হয়েছে। পরে জরিপে অংশ নেওয়া নারীদের ৪৫ শতাংশের বেশি শারীরিক বা মানসিক কষ্টের কথা জানান। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার জরায়ু অপসারণের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ এবং অভিবাসী শ্রমিকদের কল্যাণে কিছু উদ্যোগ নেয়। তবে শ্রমিকদের অভিযোগ, বাস্তবে তাদের জীবনযাত্রা ও কর্মপরিবেশে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসেনি। ২০২৫ সালের মার্চে বোম্বে হাইকোর্ট আঞ্চলিক সরকারকে শ্রমিকদের যথাযথ নিবন্ধন, কল্যাণমূলক সুবিধা এবং স্বাস্থ্যসেবায় প্রবেশাধিকার বাড়াতে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন। একই বছরের নভেম্বরে এ বিষয়ে পরবর্তী প্রতিবেদন প্রকাশের কথা থাকলেও তা প্রকাশিত হয়নি বলে জানিয়েছে দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট। পূর্ণিমা ও সবিতা দুজনেই জানিয়েছেন, তারা সরকারের কাছ থেকে কোনো কল্যাণ সহায়তা পাননি। দীর্ঘদিনের ব্যথা সামলাতে পূর্ণিমাকে নিয়মিত ব্যথানাশক ওষুধের ওপর নির্ভর করতে হয়। তিনি জানান, বছরে এসব ওষুধের পেছনে তার প্রায় ৫০ হাজার রুপি খরচ হয়। তবুও ব্যথা থেকে মুক্তি মিলছে না। পূর্ণিমা বলেন, ‘গ্রামে ফিরে আমাকে অস্ত্রোপচার করাতে হবে, কিন্তু এর জন্য আরও ঋণ নিতে হবে। মনে হয়, আমি যেন কাজ চালিয়ে যেতে পারি, সে জন্যই ব্যবস্থাটা আমার জরায়ুটাই কেড়ে নিচ্ছে।’ প্রতিবেদনটির বিষয়ে বীড় জেলার কালেক্টর বিবেক জনসনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। অন্যদিকে, কোকাকোলা জানিয়েছে, আখ কাটার শ্রমিকদের বিশুদ্ধ পানি, স্যানিটেশন, ছায়াযুক্ত বিশ্রামের স্থান, কাজের উপযোগী সরঞ্জাম এবং নারীদের স্বাস্থ্যবিধি-সংক্রান্ত পণ্যের সুযোগ বাড়াতে আন্তর্জাতিক নাগরিক সমাজ সংগঠন সলিডারিদাদের সঙ্গে অংশীদারত্ব করেছে তারা। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এই উদ্যোগে এক লাখ মানুষ উপকৃত হয়েছেন। দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট পেপসিকোর সঙ্গেও যোগাযোগ করেছিল, তবে প্রতিষ্ঠানটি কোনো জবাব দেয়নি। আরটিভি/এসকে
আখ কাটার কাজ চালিয়ে যেতে জরায়ু কেটে ফেলছেন ভারতের নারী শ্রমিকরা
আরও পড়ুন
চাচার সোনা চুরি করে গাড়ি কিনে উদ্বোধনে তাকেই ডাকলেন ভাতিজা
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয়
বিশ্বশান্তি ও মানবসেবায় লাল-সবুজের পতাকা উজ্জ্বল করছেন বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা
লিড নিয়েও পর্তুগালের কাছে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ