ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ভারতের প্রধান বিচারপতিকে মোদির শুভেচ্ছা জানানোর খবরটি \'মিথ্যা\'

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ১৪ নভেম্বর ২০১৯, ০৩:৩০ পিএম

অযোধ্যার বাবরি মসজিদ মামলার রায়ের জন্য দেশটির প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গোগোইকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানানোর খবর আজ বুধবার বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিদ্বেষপূর্ণ বলে জানিয়েছে ভারতীয় হাইকমিশন।

বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ভারতীয় হাই কমিশন এ তথ্য জানায়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের একটি খবর ভারতীয় হাই কমিশনের গোচরে এসেছে। যেখানে দাবি করা হয়েছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতের প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লিখেছেন।

এই চিঠি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিদ্বেষপূর্ণ। এর উদ্দেশ্য বাংলাদেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করা ও সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্ট করা। জনপরিসরে ভারত সম্পর্কে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা ও ভুল তথ্য প্রচার করার এই অপচেষ্টা অত্যন্ত গর্হিত ও অনুচিত।

এসজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সিএএ বাতিলের দাবিতে প্রস্তাব পাস কেরালার বিধানসভায়
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধন আইন (সিএএ) বাতিল করার দাবিতে মঙ্গলবার একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে দেশটির কেরালার বিধানসভায়। কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের উদ্যোগে রাজ্যটির বিধানসভায় প্রস্তাবটি পাস হয়। খবর স্থানীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এবং আনন্দবাজারের। মঙ্গলবার বিধানসভার এক দিনের বিশেষ অধিবেশনে রাজ্য সরকারের আনা সিএএ বাতিল করার প্রস্তাবে সম্মতি দেয় বিরোধী দলগুলো। পিনারাই বিজয়ন সিএএ বিরোধী প্রস্তাবটি পাঠ করার সময় বলেন, ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শ ক্ষুণ্ণ করছে ধর্ম ভিত্তিক নাগরিকত্ব প্রদানের আইনটি। তিনি বলেন, সংবিধানের আদর্শের একেবারে বিরোধী এই আইন। এছাড়া আইনটি পাসের পর দেশব্যাপী উদ্বেগ, প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ দেখা গেছে। কেরালার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্র সরকারের উচিত ধর্মনিরপেক্ষতার খাতিরে এই আইন প্রত্যাহার করা। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, কেরালায় কোনও ডিটেনশন ক্যাম্প হবে না। গত রোববার সিএএ প্রত্যাহারের প্রস্তাব আনার জন্যে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকেন পিনারাই বিজয়ন। বৈঠকে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ (ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট) দাবি করে, এক দিনের বিশেষ অধিবেশন করে সিএএ বাতিলের প্রস্তাব পাস করা হোক। বছরের শেষ দিনটিকে এই অধিবেশনের জন্যে ধার্য করা হয়। কে/সি
সিএএ বাতিলের দাবিতে প্রস্তাব পাস কেরালার বিধানসভায়
সিএএ বিরোধী বিক্ষোভ সামলাতে গুরুর শরণাপন্ন মোদি
দেশব্যাপী নাগরিকত্ব সংশোধন আইন (সিএএ) বিরোধী বিক্ষোভ সামলাতে শেষপর্যন্ত সদগুরু জাগ্গি বাসুদেবের শরণাপন্ন হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খবর স্থানীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারের। তিনি সোমবার গুরুর একটি ভিডিও টুইট করে লিখেছেন, শুনে দেখুন সদগুরু পানির মতো ব্যাখ্যা করেছেন সিএএ। মজার বিষয় হলো গুরু বাসুদেব শুরুতেই জানান, তিনি আইনটি পুরোপুরি পড়েননি। মোদির টুইট করা ২০ মিনিটের বেশি সময়ের ভিডিওটির শুরুতেই সদগুরু বলেন, আমি আইনটি পুরোপুরি পড়িনি। আইনটি সম্পর্কে যতটা জেনেছি তা গণমাধ্যম থেকে। এই আইন সব দেশেই আছে। আইনটি না পড়ে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করার জন্য শিক্ষার্থীদের তিরস্কার করেন বাসুদেব। তিনি তাদের পাথরের খনিতে কাজ করা শ্রমিকদের সঙ্গে তুলনা করেন কর্ণাটকের মহীশুরে জন্মগ্রহণ করা এই গুরু। তিনি বলেন, সবাই বলছে পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে পড়েছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও তো পাথরের খনিতে কাজ করা শ্রমিকদের মতো আচরণ করেছে। সবাইকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়েছে তারা। তার দাবি, এমন প্রতিক্রিয়া হবে ভাবেনি বলে বেশি পুলিশ নামায়নি সরকার। তাই পুলিশই মার খেয়েছে। পুলিশের দিকে কেউ পাথর ছুড়েছে, কেউ ছোড়েনি। সংঘর্ষে দুজনই পুলিশের মার খাবে এটাই স্বাভাবিক। দিল্লিতে সিএএ বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা সিপিআই (এমএল) নেত্রী কবিতা কৃষ্ণন বলেন, প্রধানমন্ত্রী মরিয়া হয়ে রং নম্বর করে ফেললেন। উনি (সদগুরু জাগ্গি বাসুদেব) তো আইনটিই পড়েননি। কে/সি
সিএএ বিরোধী বিক্ষোভ সামলাতে গুরুর শরণাপন্ন মোদি
জম্মু ও কাশ্মীরে দুই ঘণ্টায় চার ভূমিকম্প
জম্মু ও কাশ্মীরে সোমবার রাতে দুই ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে চার দশমিক সাত থেকে পাঁচ দশমিক পাঁচ মাত্রার চারটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ভারতের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে। এদিন রাত দশটা ৪২ মিনিটে প্রথমবারের মতো একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এটি ছিল চার দশমিক সাত মাত্রার। এর ছয় মিনিট পর পাঁচ দশমিক পাঁচ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। তৃতীয় ভূমিকম্পটি আঘাত হানে দশটা ৫৮ মিনিটে। এটির মাত্রা ছিল চার দশমিক ছয়। সবশেষ ১১টা ২০ মিনিটে পাঁচ দশমিক চার মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। তবে এসব ভূমিকম্পের আঘাতে অঞ্চলটি থেকে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করেছে গণমাধ্যমটি। কে/পি
জম্মু ও কাশ্মীরে দুই ঘণ্টায় চার ভূমিকম্প
সীমান্তে ভারত ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে: পাকিস্তান
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি বলেছেন, ভারতের সামরিক বাহিনী সীমান্তের বেড়া ভেঙে ফেলেছে এবং কমপক্ষে পাঁচ জায়গায় ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে। তিনি রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে এই কথা বলেন। পাকিস্তানি ইংরেজি দৈনিক এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে ইরানের নিউজ সাইট পার্সটুডে। কুরেশি বলেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারত সামরিক অভিযানের মতো ভুল পদক্ষেপ নিতে পারে এবং বিষয়টি আগেই জাতিসংঘকে জানানো হয়েছে। তিনি বলেন, ভারতের অভ্যন্তরীণ সংকট থেকে বিশ্বের নজর অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতে এই অপকৌশলের পথ বেছে নিতে পারে নরেন্দ্র মোদির সরকার। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জম্মু ও কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন বাতিল এবং নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের নামে মুসলিম বিরোধী আইন পাস করে গভীর সংকটে পড়েছে মোদি সরকার। তিনি বলেন, নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের বিরুদ্ধে শুধু ভারতে নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজধানীতে বিক্ষোভ এবং প্রতিবাদ সমাবেশ হচ্ছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী কুরেশি বলেন, বিশ্বের কাছে এখন স্পষ্ট হয়ে গেছে যে নরেন্দ্র মোদির সরকার আদর্শগতভাবে হিন্দুত্ববাদী। তিনি বলেন, ভারত এখন দুইভাগে বিভক্ত হয়েছে। একভাগে আছে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের সমর্থকরা। আরেকভাগে আছে চরমপন্থি হিন্দুত্ববাদের সমর্থকরা। তিনি আরও বলেন, আগামী এপ্রিলে পাকিস্তানে অনুষ্ঠেয় ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে কার্যকর বক্তব্য আসবে। কে/এম
সীমান্তে ভারত ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে: পাকিস্তান
মোদির বাসভবনের কাছে অগ্নিকাণ্ড
ভারতের দিল্লিতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের কাছে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর সূত্রপাত হয় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে। খবর স্থানীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাতটা ২০ মিনিটের দিকে মোদির সেভেন, লোক কল্যাণ মার্গ বাসভবনের কাছে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিরাপত্তা কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় টুইটারে জানায়, সরকার প্রধানের বাসভবন বা কার্যালয় নয়, লোক কল্যাণ মার্গ কমপ্লেক্সের স্পেশাল প্রটেকশন গ্রুপ অভ্যর্থনা এলাকা আগুনের শিকার হয়েছে। আগুনের সূত্রপাত হওয়ার পরপরই প্রকাশ করা এই টুইটার পোস্টে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় আরও জানায়, আগুন এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় নয়টি ফায়ার ইঞ্জিন। কিন্তু ইতোমধ্যে আগুন নিভে যাওয়ায় এগুলোকে ভেতরে প্রবেশ করানোর অনুমতি দেয়নি কর্তৃপক্ষ। অবশ্য পরে পূর্বসতর্কতা অবলম্বনের অংশ হিসেবে ঘটনাস্থলের আশেপাশের জায়গাগুলো পরীক্ষা করে দেখা হয় বলেও উল্লেখ করা হয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যমটির এই প্রতিবেদনে। কে/সি
মোদির বাসভবনের কাছে অগ্নিকাণ্ড
আরও পড়ুন
ইডেন গার্ডেনে টেস্ট ম্যাচ দেখতে শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মোদি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
কাশ্মীর ও বাবরি মসজিদের পর মোদির টার্গেট কী?
মসজিদের জন্য অনুদানের জমির প্রয়োজন নেই: ভারতীয় মুসলিম নেতা
আজ অযোধ্যা মামলার রায়, ১৬ হাজার সৈন্য মোতায়েন