
নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে বড় অর্থনৈতিক চাপে পড়েছে নিউজিল্যান্ডের সরকার। দেশটিতে বেকারত্বের হার বেড়ে গত ১১ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এতে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফেরার লড়াইয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লুকসন।
বুধবার (৪ নভেম্বর) প্রকাশিত দেশটির সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসে বেকারত্বের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৭ শতাংশে। আগের তিন মাসে এ হার ছিল ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। ২০১৫ সালের পর এটিই দেশটির সর্বোচ্চ বেকারত্বের হার।

একই সময়ে কর্মসংস্থানও কমেছে। সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে কর্মসংস্থান আগের প্রান্তিকের তুলনায় ০.১ শতাংশ কমেছে। অথচ অর্থনীতিবিদেরা এ সময়ে কর্মসংস্থান ০.৪ শতাংশ বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিলেন।
এদিকে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি নির্বাচনের আগে ভোটারদের প্রধান উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে। বিরোধী লেবার পার্টি বেকারত্বের এই পরিস্থিতির জন্য প্রধানমন্ত্রী লুকসনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেছে। তবে অর্থমন্ত্রী নিকোলা উইলিসের দাবি, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রভাবেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সরকারের পরিকল্পনা অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে কাজ করছে বলেও তিনি মনে করেন।
আগামী ৭ নভেম্বর দেশটিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এমন পরিস্থিতিতে বেকারত্ব বৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার অভিযোগ লুকসনের নির্বাচনী লড়াইকে আরও কঠিন করে তুলেছে।
অন্যদিকে, শ্রমবাজার দুর্বল হওয়ায় দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার বাড়ানোর চাপ কিছুটা কমতে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদেরা। গত সপ্তাহে ব্যাংকটি নীতিগত সুদের হার ২ দশমিক ৭৫ শতাংশে অপরিবর্তিত রেখেছিল।
সূত্র: রয়টার্স
আরটিভি/জেএমএ


