ঢাকা রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

ব্রিটিশ এমপিদের না করে দিলেন জাকারবার্গ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৭ মার্চ ২০১৮, ০৮:০০ পিএম

ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ বলেছেন, মিথ্যা সংবাদের বিষয়ে তদন্তে সাক্ষ্য দিতে তিনি ব্রিটিশ এমপিদের সামনে দাঁড়াবেন না। তার পরিবর্তে একজন সিনিয়র কর্মকর্তা পাঠাবেন বলেও জানিয়েছেন জাকারবার্গ। খবর বিবিসির।

২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচারণা টিমকে পাঁচ কোটি গ্রাহকের তথ্য সরবরাহ করে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে ফেসবুক ও টেক জায়ান্ট এবং ডাটা প্রতিষ্ঠান ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা।

এর আগে ওই ঘটনায় ‘বিশ্বাস ভঙ্গ’ হয়েছে উল্লেখ করে ক্ষমা চান জাকারবার্গ।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন: বাজিতে হারলেন স্ত্রী-সন্তান, অতঃপর…
--------------------------------------------------------

জাকারবার্গের ওই প্রতিনিধি ইস্টারের ছুটি শেষ হবার পর ব্রিটিশ পার্লামেন্টে এমপিদের সামনে সাক্ষ্য দেবেন।

ব্রিটিশ পার্লামেন্টের কালচার মিডিয়া অ্যান্ড স্পোর্ট সিলেক্ট কমিটির চেয়ারম্যান ড্যামিয়ান কলিন্স বলেছেন, ফেসবুকের কর্মকর্তা ক্রিস কক্স ইস্টারের ছুটি শেষে প্রথম সপ্তাহে সাক্ষ্য দেবেন। ক্রিস কক্স হচ্ছেন ফেসবুকের প্রধান প্রোডাক্ট অফিসার যিনি জাকারবার্গকে সরাসরি রিপোর্ট দিয়ে থাকেন।

কলিন্স বলেন, আমি ‘পুরোপুরি অবাক’ হয়েছি যে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের গুরুত্ব ও উদ্বেগের বিষয়ে প্রশ্নের জবাব দিতে জাকারবার্গ আমাদের সামনে দাঁড়াতে প্রস্তুত নয়।

তিনি আরও বলেন, যদি জাকারবার্গ তার কোম্পানির সেবাগ্রহীতার ব্যাপারে কেয়ার করেন সেক্ষেত্রে তাকে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের ব্যাপারে আবারও আহ্বান জানাবো।

আরও পড়ুন:

এ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইসরায়েলের সেনাবাহিনীতে অস্ত্র সরবরাহকারী কোম্পানিকে অর্থ দেবে না এইচএসবিসি
ইসরায়েলের সেনাবাহিনীকে অস্ত্র সরবরাহকারী ইন্টারন্যাশনাল ডিফেন্স ইলেক্ট্রনিকস কোম্পানি এলবিট সিস্টেমস লিমিটেডকে অর্থ দেবে না ব্যাংকিং জায়ান্ট এইচএসবিসি। ফিলিস্তিনপন্থি অ্যাক্টিভিস্টদের একটি ক্যাম্পেইনের পর ব্যাংকটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে কাতার-ভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা। এইচএসবিসি’র একাধিক সূত্র বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমটিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কিন্তু এখনও ব্যাংকটি এ সংক্রান্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করেনি। ব্যাংকটি বলছে, এটি রাজনৈতিক বিষয়গুলোতে কোনও অবস্থান নেয় না কিন্তু আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের নীতিগুলো পর্যবেক্ষণ করে, যা ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত। ওয়ার অন ওয়ান্ট নামের একটি অ্যাক্টিভিস্ট গ্রুপ ২০১৭ সালে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, এলবিট সিস্টেমসে ৩.১ মিলিয়ন ব্রিটিশ পাউন্ড বিনিয়োগ করেছে এইচএসবিসি। দারিদ্র্য ও মানবাধিকারের অপব্যবহার নির্মূলে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এই অ্যাক্টিভিস্ট গ্রুপ জানায়, ব্যাংকটি মোট ৮৩১.৫ মিলিয়ন ব্রিটিশ পাউন্ড বিনিয়োগ করেছে এমন সব কোম্পানিতে, যারা এসব অর্থ ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর যন্ত্রপাতি সরবরাহে ব্যয় করেছে। এসব কোম্পানির মধ্যে আছে রোলস রয়েস এবং বিএই সিস্টেমস। অবশ্য বেসামরিক গ্রাহকদের একটি বড় অংশও এদের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় বন্দর শহর হাইফা-ভিত্তিক কোম্পানি এলবিট ড্রোন, এয়ারক্র্যাফট, ওয়াপন কন্ট্রোল সিস্টেমস ও কামানসহ সামরিক ও বেসামরিক গ্রাহকদের ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি নির্মাণ করে থাকে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী, যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনী এবং ব্রিটিশ রাজকীয় বিমানবাহিনীও এই কোম্পানির গ্রাহক। যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে নজর রাখতে আমেরিকান কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রটেকশন সংস্থা যে পর্যবেক্ষক যন্ত্রপাতিগুলো ব্যবহার করে, সেগুলোও সরবরাহ করে এলবিট। ওয়ার অন ওয়ান্ট জানায়, ২৪ হাজারেরও বেশি মানুষ এলবিটে বিনিয়োগের বিষয়ে তাদের উদ্বেগ জানিয়ে এইচএসবিসি’কে ইমেইল করে। এদিকে ব্যাংকটির যুক্তরাজ্য শাখায়ও অ্যাক্টিভিস্টরা এই বিষয়ে তাদের বক্তব্য জানায়। গ্রুপটির সিনিয়র ক্যাম্পেইনার রিভকা বার্নার্ড বলেন, ব্যাংকটি প্রথমবারের মতো একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ নিলো কিন্তু তাদের এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। তিনি বলেন, এলবিটের মতো কোম্পানির সঙ্গে ব্যবসা করা মানে সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে মুনাফা অর্জন করা, যা অনৈতিক এবং আন্তর্জাতিক আইনবিরোধী। আরও পড়ুন : হিলারির থেকে ‘সবচেয়ে প্রশংসিত নারী’র খেতাব কেড়ে নিলেন মিশেল মোদিকে ইমেইল করে জানালেন এলিয়েন সব তথ্য নিয়ে যাচ্ছে কে/এসএস
ইসরায়েলের সেনাবাহিনীতে অস্ত্র সরবরাহকারী কোম্পানিকে অর্থ দেবে না এইচএসবিসি
জারদারিসহ ১৭২ জনকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা পাকিস্তান সরকারের
পাকিস্তানে ভুয়া ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অর্থপাচারের মামলা তদন্তকালে সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং পাকিস্তান পিপল’স পার্টির কো-চেয়ারপারসন আসিফ আলি জারদারিসহ সন্দেহভাজন ১৭২ জনের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। বৃহস্পতিবার দেশটির কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একটি বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী এই তথ্য জানান বলে জানিয়েছে জিওটিভি। তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্টে দাখিল করা অর্থপাচার মামলা তদন্তে গঠিত যৌথ তদন্ত দলের রিপোর্টের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ফাওয়াদ চৌধুরী বলেন, আমি আশা করি জারদারি এটাকে গুরুত্বের সঙ্গে নেবে। এটা এখন আর সেই পুরোনো পাকিস্তান নয়, যেখানে মানুষ আপোষ করবে। এই নিরপেক্ষ জবাবদিহিতার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। জারদারিকে আগামী ৩১ ডিসেম্বরের আগেই গ্রেপ্তার করা হতে পারে- তার আইনজীবী লতিফ খোসার এমন আশঙ্কার বিষয়ে জানতে চাইলে দেশটির তথ্যমন্ত্রী বলেন, ইনশাল্লাহ। এটা সম্পর্কে এর বেশি আমি কী বলতে পারি। তিনি বলেন, আমরা যত দ্রুত সম্ভব ‘ফেডারেলি অ্যামিনিস্টারড ট্রাইব্যাল এরিয়াস’কে (এফএটিএ) মূলধারায় আনতে চেয়েছিলাম। দ্রুতই সাংবিধানিক অধিকার পেতে যাচ্ছে অঞ্চলটি। আগামী বছরের জুনে অঞ্চলটির প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সম্প্রতি করাচিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির বিষয়েও কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় আলোচনা হয়েছে উল্লেখ করে ফাওয়াদ চৌধুরী জানান, এখানকার সহিংসতায় জড়িত দক্ষিণ আফ্রিকার কিছু গ্যাং। দেশটির সরকারের সঙ্গে এই বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য বলা হয়েছে পররাষ্ট্র দপ্তরকে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আবারও কিছু গ্যাং সক্রিয় হচ্ছে। সম্প্রতি মুত্তাহিদা কায়্যুমি মুভমেন্ট নামের রাজনৈতিক দলটির প্রতিষ্ঠাতা আলতাফ হুসাইন লন্ডন থেকে ভিডিও বার্তায় তার কর্মীদেরকে মানুষ হত্যার নির্দেশ দিয়েছে। তার বিরুদ্ধে এখনও কোনও পদক্ষেপ নেয়নি যুক্তরাজ্য সরকার। পাকিস্তান সরকার এই বিষয় নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা করবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। কে/এমকে
জারদারিসহ ১৭২ জনকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা পাকিস্তান সরকারের
হুয়াওয়ের ডিভাইস সরাচ্ছে যুক্তরাজ্য
জরুরি সেবায় যুক্তরাজ্যের ব্যবহৃত অনেক ডিভাইস হুয়াওয়ের তৈরি। কিন্তু এগুলো বর্তমানে সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই এমন কাজ করছে তারা। বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, জরুরি সেবায় যোগাযোগের ক্ষেত্রে হুয়াওয়ের তৈরি বিভিন্ন সরঞ্জামাদি ব্যবহার করে যুক্তরাজ্য পুলিশসহ অন্যরা। কিন্তু এসব সরঞ্জাম এবার সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। জরুরি সেবার নেটওয়ার্কটি ২০১৯ সালের মধ্যে পুরোপুরি শেষ হওয়ার কথা ছিল। এই নেটওয়ার্ক স্থাপনে কাজ করছে যুক্তরাজ্যের বিটি গ্রুপ। মূলত এ গ্রুপটিই হুওয়াওয়ের সরঞ্জাম ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছে এবং যেসব জায়গায় এরই মধ্যে ব্যবহার করা হয়েছিল সেখান থেকেও সরিয়ে ফেলছে। সরঞ্জাম সরানো এবং নতুন সরঞ্জাম কিনতে ভালো অঙ্কের অর্থ খরচ হবে। অবশ্য এই খরচ দেয়ার সম্মতি দিয়েছে বিটি গ্রুপ কর্তৃপক্ষ। বিবিসির ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, হুয়াওয়ের সরঞ্জামের পরিবর্তে এখন মটোরোলার ‘এয়ার-ওয়েভ’ রেডিও সিস্টেম ব্যবহার করা হবে। যুক্তরাজ্যে জরুরি সেবায় এই প্রযুক্তি ব্যবহার করবে দেশটির পুলিশ, দমকল ও উদ্ধারকারী বাহিনী। এছাড়া যুক্তরাজ্যের অ্যাম্বুলেন্স সেবাতেও প্রযুক্তিটি ব্যবহার করা হবে। প্রসঙ্গত, নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে চীনের প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের প্রযুক্তি বর্জন করছে যুক্তরাষ্ট্র। এবার একই ধরনের পদক্ষেপ নিল যুক্তরাজ্যও। আরও পড়ুন : পিইসি ও জেএসসিতে নির্ঝর ক্যান্টনমেন্ট স্কুলের সাফল্য আরটিভির নামে ভুয়া ফেসবুক পেজ থেকে সাবধান ডি/পি
হুয়াওয়ের ডিভাইস সরাচ্ছে যুক্তরাজ্য
খুললো গ্যাটউইক বিমানবন্দরের রানওয়ে
দুটি ড্রোনের কারণে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলার পর খুলে দেয়া হয়েছে যুক্তরাজ্যের গ্যাটউইক বিমানবন্দরের রানওয়ে। একদিন বন্ধ থাকার পর এই রানওয়ে খুলে দেয়া হয় বলে জানিয়েছে বিবিসি। গ্যাটউইক যুক্তরাজ্যের দ্বিতীয় ব্যস্ততম বিমানবন্দর। এতে গত একদিনে ৮৩৭টি ফ্লাইট হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রানওয়ে বন্ধ থাকার কারণে কোনও কোনও ফ্লাইট ছাড়তে দেরি হয় আবারও কোনওটি বাতিল করা হয়। এই বিমানবন্দরের প্রধান ক্রিস উডরুফ বলেন, সরকার ও প্রতিরক্ষা বাহিনী থেকে সবুজ সংকেত পাওয়ার পর রানওয়ে পুনরায় চালু করা হয়েছে। বিবিসি বলছে, ড্রোন মালিককে এখনও খুঁজে পায়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পুলিশ বলছে, ড্রোন নিয়ন্ত্রণকারীরা পরিবেশবাদী কর্মী হতে পারে। আশা করা হচ্ছে, শনিবারের পর বিমানবন্দরটি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। বুধবার রাতে বিমানবন্দরটির রানওয়ে বন্ধ হয়। এতে প্রায় ১০ হাজার যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েন। স্থানীয় সময় রাত ৯টায় হঠাৎ দুটি ড্রোন নজরে আসে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের। তখন দেখা যায়, রানওয়েটি যেখান থেকে পরিচালনা করা হয় সেই কন্ট্রোল রুমের দিকে আসছে দুটি ড্রোন। এরপরই রানওয়ে বন্ধ করে দেয়া হয়। রানওয়ে খুলে দেয়া হলেও ৪৫ মিনিট পর আবার ড্রোন দুটি নজরে এলে রানওয়েটি দ্বিতীয়বারের মতো বন্ধ করা হয়। ডি/পি
খুললো গ্যাটউইক বিমানবন্দরের রানওয়ে
যুক্তরাজ্যে ড্রোনের কারণে ভোগান্তিতে বিমানের যাত্রীরা
যুক্তরাজ্যে ড্রোনের কারণে গ্যাটউইক বিমানবন্দরের রানওয়ে বন্ধ করে দেয়া হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন সেখানকার যাত্রীরা। বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানায়, স্থানীয় সময় বুধবার রাতে বিমানবন্দরটির রানওয়ে বন্ধ হয়। এতে প্রায় ১০ হাজার যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েন। গণমাধ্যমটির অন্য এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এখনও রানওয়ে বন্ধ রয়েছে। ড্রোনের মালিককে পাওয়া গেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে। স্থানীয় সময় রাত ৯টায় হঠাত দুটি ড্রোন নজরে আসে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের। তখন দেখা যায়, রানওয়েটি যেখান থেকে পরিচালনা করা হয় সেই কন্ট্রোল রুমের দিকে আসছে দুটি ড্রোন। এরপরই রানওয়ে বন্ধ করে দেয়া হয়। রানওয়ে খুলে দেয়া হলেও ৪৫ মিনিট পর আবার ড্রোন দুটি নজরে আসলে রানওয়েটি দ্বিতীয়বারের মতো বন্ধ করা হয়। এ সম্পর্কে গ্যাটউইক চিফ অপারেটিং অফিসার ক্রিস উডরফ বলেন, ড্রোনের অপারেটরদের খুঁজছে পুলিশ। তাদের পাওয়া গেলেই সমস্যার সমাধান হবে। ডি/এসএস
যুক্তরাজ্যে ড্রোনের কারণে ভোগান্তিতে বিমানের যাত্রীরা
আরও পড়ুন
সেনাবাহিনীর নামে ভুয়া ওয়েবসাইট সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান
ফেসবুকে প্রেম করতে নিষেধ করলেন জেলখাটা ভারতীয় প্রেমিক
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নাশকতায় গ্রেপ্তার তিন
বাংলাদেশের নয়টি ফেসবুক পেজ ও ছয়টি অ্যাকাউন্ট ডিলিট করেছে ফেসবুক