ঢাকা সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩

বিগত তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে ডলারের মান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১২ এপ্রিল ২০২৫, ০৪:৫৫ পিএম
ফাইল ছবি

বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মুদ্রা হিসেবে বিবেচিত মার্কিন ডলার। বিশ্ব বাজারে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়ে থাকে এই মুদ্রাটির মাধ্যমে। কিন্তু, বিভিন্ন দেশের ওপর শুল্ক আরোপের জেরে টালমাটাল বৈশ্বিক বাজারে ইতিহাসের অন্যতম বড় দরপতনের মুখোমুখি মুদ্রাটি। করোনাকালের পর গত তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে মার্কিন ডলারের মান।

যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের সূচক (ডিএক্সওয়াই) ও মার্কিন সাময়িকী ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (১১ এপ্রিল) তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমে গেছে মার্কিন ডলারের মান। সাধারণত, এই মুদ্রার মানের ওপরই নির্ভর করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুদ্রার মান।

মার্কিন ডলারের সূচকে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে ডলারের মূল্য কমে ৯৯ দশমিক ০১-এ দাঁড়িয়েছে। যা এক বছরের মধ্যে ডলারের মানের প্রায় ৮ শতাংশ পতনের রেকর্ড।

ফোর্বসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর ডলারের মানের বেশি পতন ঘটেছে। ওই দিন বিশ্বের কয়েক ডজন দেশের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন আমদানি শুল্ক আরোপ করেন তিনি।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রের আমদানিতে উচ্চ শুল্ক আরোপের পর বৈশ্বিক বাজার ব্যবস্থায় ব্যাপক টালমাটাল পরিস্থিতি তৈরি হয়। আমেরিকা, ইউরোপ, এশিয়ার শেয়ার বাজারে ব্যাপক ধস শুরু হয়। যদিও পরবর্তীতে চীন ছাড়া বাকি সব দেশের ওপর আরোপিত এই শুল্ক আগামী তিন মাসের জন্য স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প।

বিদেশি মুদ্রার লেনদেন হয় আলাদা দুটি দেশের মুদ্রায়। উদাহরণস্বরূপ, অস্ট্রেলিয়ান ডলার দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ডলার ক্রয়। যার ফলে এক দেশের মুদ্রার মান আরেক দেশের মুদ্রার মানের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। যা ‘এক্সচেঞ্জ রেট’ নামে পরিচিত।

বিশ্বের বেশিরভাগ মুদ্রার মানই ওঠানামা করে। যার অর্থ চাহিদা এবং সরবরাহ অনুযায়ী দাম পরিবর্তন হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম যুক্তরাষ্ট্রের ডলার, যা একটি নির্দিষ্ট দামে নির্ধারিত। ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত মার্কিন ডলারের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার ডলারের মানও নির্দিষ্ট করা ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সেটি বাতিল করা হয়।

এখন চাহিদা ও সরবরাহ অনুযায়ী অস্ট্রেলিয়ান ডলারের মূল্যও ওঠানামা করে। মুদ্রা শক্তিশালী হয় বিভিন্ন কারণে। যার মধ্যে অন্যতম হলো রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, পণ্যের চাহিদা ইত্যাদি।

আরটিভি/এসএইচএম/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৩৫ বছরেই চলে গেলেন জন এফ কেনেডির নাতনি তাতিয়ানা
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও রহস্যঘেরা রাজনৈতিক পরিবার হিসেবে পরিচিত কেনেডি পরিবারে আবারও নেমে এল শোকের ছায়া। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির নাতনি এবং প্রথিতযশা পরিবেশ সাংবাদিক তাতিয়ানা শ্লোসবার্গ মাত্র ৩৫ বছর বয়সে মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে তার মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেছে জন এফ কেনেডি লাইব্রেরি ফাউন্ডেশন। দীর্ঘ রোগভোগের পর তার এই অকাল প্রয়াণ কেনেডি পরিবারের পুরনো ক্ষতগুলোকে যেন আবারও সতেজ করে তুলল। খবর বিবিসির।  পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আমাদের প্রিয় তাতিয়ানা আর নেই। সে আমাদের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবে। তাতিয়ানা ছিলেন বিশিষ্ট ডিজাইনার এডউইন শ্লোসবার্গ এবং বর্তমান মার্কিন কূটনীতিক ক্যারোলিন কেনেডির মেয়ে। তার এই মৃত্যুতে বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক ও সাংবাদিকতা অঙ্গনে শোকের আবহ বিরাজ করছে। আরও পড়ুন ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজ তৈরির ঘোষণা ট্রাম্পের তাতিয়ানার জীবনের শেষ সময়টা ছিল চরম যন্ত্রণাদায়ক। গত নভেম্বরে তিনি নিজেই এক নিবন্ধে জানিয়েছিলেন যে, তিনি বিরল এক ক্যানসারে আক্রান্ত। ২০২৪ সালের মে মাসে তার দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের ঠিক পরেই চিকিৎসকরা তার শরীরে ‘অ্যাকিউট মাইলয়েড লিউকেমিয়া’ শনাক্ত করেন। এটি রক্ত ও অস্থিমজ্জার একটি অত্যন্ত দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ক্যানসার। ‘এ ব্যাটল উইথ মাই ব্লাড’ শীর্ষক এক লেখায় তিনি লিখেছিলেন, চিকিৎসকরা তাকে এক বছরেরও কম সময় দিয়েছিলেন। শ্লোসবার্গের মৃত্যু কেনেডি পরিবারের জন্য এক নতুন ট্র্যাজেডি। এই পরিবারটি দশকের পর দশক ধরে রহস্যময় সব মৃত্যুর শিকার হয়েছে। ১৯৬৩ সালে প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি আততায়ীর গুলিতে নিহত হন। ১৯৯৯ সালে তার নাতনি তাতিয়ানার চাচা জন এফ কেনেডি জুনিয়র বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। নিজের অকাল মৃত্যুর আগে তাতিয়ানা লিখেছিলেন, তার সবচেয়ে বড় কষ্ট হলো সন্তানদের নিয়ে, কারণ তার ছোট সন্তানরা বড় হয়ে মাকে হয়তো মনেই রাখতে পারবে না। আরটিভি/এআর 
৩৫ বছরেই চলে গেলেন জন এফ কেনেডির নাতনি তাতিয়ানা
নিজ বাসভবনে হামলার খবর পুতিনই ফোনালাপে জানিয়েছেন: ট্রাম্প
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের একটি বাসভবনে ইউক্রেনের হামলার অভিযোগ নিয়ে সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, এটি হামলা চালানোর জন্য ‘সঠিক সময় নয়’।  ফরাসী সংবাদমাধ্যম এএফপি জানায়,  সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে ট্রাম্পের মার-এ-লাগো অবকাশযাপনকেন্দ্রে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।  এ দিনই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও দেশটির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে নিজের অবকাশযাপনকেন্দ্রে বৈঠক করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। আর বাসভবনে হামলার খবর পুতিন নিজেই ফোনালাপে তাকে জানিয়েছেন উল্লেখ করেন ট্রাম্প। বৈঠকের আগে পুতিনের সঙ্গে কথা হয়েছে বলে আগেই জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আপনারা জানেন, কে আমাকে এই (হামলার) খবর দিয়েছেন? প্রেসিডেন্ট পুতিন। আজ সকালে তিনি আমাকে বলেছেন, তাঁর ওপর হামলা হয়েছে। এটা ভালো নয়।  ইউক্রেন হামলার কথা অস্বীকার করলেও কিয়েভের সমালোচনা করে ট্রাম্প বলেন, এটা খুবই সংবেদনশীল একটা সময়। এটা সঠিক সময় নয়। কেউ আক্রমণাত্মক হলে তার জবাবে আক্রমণাত্মক হওয়া এক কথা, আর তার বাড়িতে হামলা করা আরেক কথা। এসবের কোনোটাই করার এখন সঠিক সময় নয়।  পুতিনের বাসভবনে হামলার অভিযোগ করে সোমবারেই রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বলেন, রাশিয়ার নভগোরোদ অঞ্চলে এ হামলা চালানো হয়েছে। এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহত হয়নি। জবাবে রুশ বাহিনী পাল্টা হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।  তবে এগুলো রাশিয়ার ‘মনগড়া’ বক্তব্য বলে মন্তব্য করেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। আরটিভি/কেএইচ
নিজ বাসভবনে হামলার খবর পুতিনই ফোনালাপে জানিয়েছেন: ট্রাম্প
২ ডলারের লটারিতে জিতলেন ১৮০ কোটি ডলার
বড়দিনের ঠিক আগের সন্ধ্যায় ভাগ্যদেবীর কৃপায় রাতারাতি ধনকুবের হয়ে গেলেন যুক্তরাষ্ট্রের আরকানসাস অঙ্গরাজ্যের এক বাসিন্দা। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত ‘পাওয়ারবল’ লটারির ড্রতে তিনি ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন বা ১৮০ কোটি মার্কিন ডলারের বিশাল এক জ্যাকপট জিতে নিয়েছেন। এটি যুক্তরাষ্ট্রের লটারির ইতিহাসে দ্বিতীয় বৃহত্তম জয়ের রেকর্ড। নিরাপত্তাজনিত কারণে ওই বিজয়ীর নাম-পরিচয় এখনো গোপন রাখা হয়েছে। খবর এবিসি নিউজের।  টানা তিন মাস কেউ এই লটারি জিততে না পারায় পুরস্কারের অংক জমে পাহাড়সম হয়েছিল। অবশেষে বড়দিনের আগের রাতে ৪, ২৫, ৩১, ৫২ ও ৫৯ নম্বর এবং পাওয়ারবল নম্বর ১৯ মিলিয়ে এই অসাধ্য সাধন করেন ওই ব্যক্তি। জানা গেছে, বিজয় টিকিটটি বিক্রি হয়েছিল ক্যাবট শহরের একটি সাধারণ গ্যাস স্টেশন থেকে। আরও পড়ুন আরব আমিরাতে বিশাল অঙ্কের লটারি জিতলেন দুই বাংলাদেশি আরকানসাস অঙ্গরাজ্যের লিটল রকের কাছে অবস্থিত মাত্র ২৭ হাজার মানুষের শহর ক্যাবট। সেখানকার ‘মারফি ইউএসএ’ নামক একটি গ্যাস স্টেশন থেকে মাত্র ২ ডলার দিয়ে এই টিকিটটি কেনা হয়েছিল। মারফি ইউএসএ-র মুখপাত্র আলেজান্দ্রা ব্যারন জানান, ক্রিসমাস ইভে টিকিট কেনার জন্য স্টোরে উপচে পড়া ভিড় ছিল। এর আগে গত বছর টেক্সাসে তাদেরই আরেকটি স্টোর থেকে ৮০ কোটি ডলারের লটারি জেতার নজির ছিল। ক্যাবট শহরের মেয়র কেন কিনকেইড উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, পুরো শহর এখন এই বিজয়ীকে খুঁজছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটিই এখন প্রধান আলোচনার বিষয়। যেহেতু গ্যাস স্টেশনটি মহাসড়কের কাছে, তাই বিজয়ী শহরের বাইরের কেউও হতে পারেন। তবে ক্যাবটের কেউ হলে আমাদের জন্য দারুণ হতো। আরকানসাসের আইন অনুযায়ী, ৫ লাখ ডলারের বেশি লটারি বিজয়ীরা চাইলে তিন বছর পর্যন্ত নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে পারেন। পুরস্কারের টাকা দাবি করার জন্য তাকে ১৮০ দিন বা প্রায় ৬ মাস সময় দেওয়া হয়েছে। যদি বিজয়ী এককালীন নগদ অর্থ (প্রায় ৮৩৪ দশমিক ৯ মিলিয়ন ডলার) গ্রহণ করেন, তবে তাকে আয়কর ও অন্যান্য দেনা পরিশোধের পর এক বিশাল অংকের মালিক হতে হবে। শুধুমাত্র অঙ্গরাজ্য সরকারকেই তাকে কর বাবদ দিতে হবে ৩২ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি। পাওয়ারবল কর্তৃপক্ষ জানায়, এই লটারির জ্যাকপট জেতার সম্ভাবনা ২৯ কোটি ২২ লাখে মাত্র ১। মূলত এত বড় জ্যাকপট তৈরি করার জন্যই লটারির কাঠামোর সম্ভাবনা ইচ্ছাকৃতভাবে কঠিন করা হয়েছে।  এর আগে ২০১৩ সালে সর্বশেষ বড়দিনের সময় কেউ এমন বিশাল লটারি জিতেছিল। ৪৫টি অঙ্গরাজ্য সহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রান্তে ২ ডলারের এই টিকিটের জনপ্রিয়তা এখন আকাশচুম্বী। আরটিভি/এআর 
২ ডলারের লটারিতে জিতলেন ১৮০ কোটি ডলার
ভয়াবহ তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র, কয়েক হাজার ফ্লাইট বাতিল
ভয়াবহ তুষারঝড় ‘ডেভিন’-এর প্রলয়ে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আকাশপথ। বড়দিনের ছুটির এই ব্যস্ত সময়ে কয়েক হাজার ফ্লাইট বাতিল ও বিলম্বিত হওয়ায় লাখ লাখ যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ‘ফ্লাইটঅ্যাওয়ার’-এর তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার(২৬ ডিসেম্বর) বিকেল পর্যন্ত আমেরিকার ভেতরে এবং বাইরে যাতায়াতকারী অন্তত ১ হাজার ৫৮১টি ফ্লাইট সম্পূর্ণ বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া বিলম্বিত হয়েছে প্রায় ৭ হাজার ফ্লাইট। খবর আলজাজিরার।  যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, মিডওয়েস্ট এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারি তুষারপাতের কারণে যাতায়াত ব্যবস্থা বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে। প্রায় ৪ কোটি মার্কিনিকে তুষারঝড়ের সতর্কবার্তার আওতায় রাখা হয়েছে। বিশেষ করে নিউইয়র্ক সিটিতে গত চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ১০ ইঞ্চি পর্যন্ত তুষারপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এর সাথে কানাডা থেকে ধেয়ে আসা তীব্র শীতল হাওয়া বা ‘আর্কটিক ব্লাস্ট’ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। আরও পড়ুন তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র, নিউইয়র্কে জরুরি অবস্থা ফ্লাইট বাতিলের সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি, নেওয়ার্ক লিবার্টি এবং লাগার্ডিয়া বিমানবন্দরে। মোট বাতিলের অর্ধেকের বেশি ঘটেছে এই তিনটি ব্যস্ততম পয়েন্টে। এয়ারলাইনসগুলোর মধ্যে জেটব্লু একাই ২২৫টি ফ্লাইট বাতিল করেছে। এর পরেই রয়েছে ডেল্টা এয়ারলাইনস, রিপাবলিক এবং আমেরিকান এয়ারলাইনস। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিমানবন্দরগুলোতে অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আমেরিকার পূর্ব উপকূলে যখন তুষারপাত চলছে, তখন পশ্চিম উপকূলে বিশেষ করে ক্যালিফোর্নিয়ায় চলছে বৃষ্টির তাণ্ডব। গত ৫৪ বছরের মধ্যে সেখানে এবারই সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টিতে বন্যার পানিতে আটকা পড়া অন্তত ১০০ জনকে উদ্ধার করেছেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। হেলিকপ্টারের সাহায্যে উদ্ধার করা হয়েছে অনেককে। ভারি বর্ষণের ফলে ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি এখনো কাটেনি বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দপ্তর। আরটিভি/এআর 
ভয়াবহ তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র, কয়েক হাজার ফ্লাইট বাতিল
সন্ত্রাসী হামলার হুমকি, যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে নিজ পরিবারের সদস্যদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার হুমকি এবং বাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগে মনোজ সাই লেল্লা (২২) নামে এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত সোমবার (২২ ডিসেম্বর) ফ্রিস্কো পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়। খবর এনডিটিভির।  মনোজ ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট ডালাসের একজন সিনিয়র শিক্ষার্থী। পুলিশ জানিয়েছে, মনোজের পরিবার চরম আতঙ্কিত হয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাহায্য চাইলে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি সামনে আসে। পরিবারের সদস্যদের দাবি, কয়েক দিন আগে মনোজ বাড়িতে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন এবং তাদের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছিলেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নেয় এবং তাকে অভিযুক্ত করে। আরও পড়ুন বড়দিনে ট্রাম্পের নির্দেশে নাইজেরিয়ায় ভয়ংকর হামলা আদালতের নথিপত্র অনুযায়ী, মনোজের বিরুদ্ধে ‘বাসস্থানে ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে অগ্নিসংযোগ’-এর মতো প্রথম-ডিগ্রির গুরুতর অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের ‘সন্ত্রাসী হুমকি’ দেওয়ার জন্য তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তবে পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে কোনো উপাসনালয়ে হামলার কোনো প্রমাণ পায়নি। বর্তমানে মনোজ পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন। অগ্নিসংযোগ ও সন্ত্রাসী হুমকির দুটি পৃথক মামলায় তার জামিনের জন্য সম্মিলিতভাবে ১ লাখ ৩ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১ কোটি ২০ লাখ টাকার বেশি) নির্ধারণ করা হয়েছে। এক মেধাবী শিক্ষার্থীর এমন হিংস্র ও সন্ত্রাসী আচরণের পেছনে মানসিক স্বাস্থ্যজনিত কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে টেক্সাস কর্তৃপক্ষ। আরটিভি/এআর 
সন্ত্রাসী হামলার হুমকি, যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার
আরও পড়ুন
২৭ দিনে দেশে এলো ২৭৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স
২৩ দিনেই প্রবাসী আয় ছাড়াল আড়াই বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স
রিজার্ভ বেড়ে ৩২.৭৯ বিলিয়ন ডলার
দেশে ২০ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২১৭ কোটি ডলার