
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট নবায়ন ও নতুন ই-পাসপোর্টের জন্য নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, নিউইয়র্কের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, ই-পাসপোর্ট পেতে অনলাইনে আবেদনের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখা জরুরি।
ই-পাসপোর্টের প্রক্রিয়ায় প্রথমে epassport.gov.bd ওয়েবসাইটে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন শেষে পূরণকৃত আবেদনপত্রের প্রিন্ট কপি এবং অ্যাপয়েন্টমেন্টের তথ্যসহ আবেদন-সারাংশের প্রিন্ট কপি কনস্যুলেটে সরাসরি জমা দিয়ে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়।
অনলাইনে আবেদনের পর মূল পাসপোর্ট ও তার কপি, পরিচয় প্রমাণের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা জন্মনিবন্ধন সনদের কপি জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। দ্বৈত নাগরিকত্ব নেওয়া প্রবাসীদের ক্ষেত্রে 'ডুয়েল সিটিজেনশিপ সার্টিফিকেট' এবং যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ অবস্থানের প্রমাণ হিসেবে ভিসা, গ্রিন কার্ড বা ওয়ার্ক পারমিটের কপি জমা দিতে হবে। হারানো পাসপোর্টের ক্ষেত্রে যুক্ত করতে হবে স্থানীয় পুলিশের রিপোর্ট।
কনস্যুলেটের নির্দেশনা অনুযায়ী, আবেদনের সময় মূল নথি না দিয়ে শুধু প্রয়োজনীয় কাগজের কপি জমা দিতে বলা হয়েছে। তবে মূল নথি যাচাইয়ের প্রয়োজনে সঙ্গে রাখা নিরাপদ। যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজন মনে করলে কনস্যুলেট আবেদনকারীকে ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারে ডাকতে বা অতিরিক্ত নথি চাইতে পারে।
পাঁচ ও ১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্টের সুযোগ থাকলেও ১৮ বছরের কম এবং ৬৫ বছরের বেশি বয়সী আবেদনকারীরা নিয়ম অনুযায়ী ৪৮ পৃষ্ঠার ও ৫ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট পাবেন। আবেদনের প্রয়োজনীয় ফি ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে নিউইয়র্ক কনস্যুলেটে সরাসরি পরিশোধ করা যাবে।
বর্তমানে কনস্যুলেটে নথি জমা দেওয়ার সময় সোমবার থেকে শুক্রবার সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এবং সেবা গ্রহণের সময় বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট থেকে ৫টা। নিউইয়র্ক ছাড়াও নিউ জার্সি, কানেকটিকাট, ম্যাসাচুসেটসসহ নির্ধারিত অঙ্গরাজ্যের অধিবাসীরা এই কনস্যুলেটের আওতায় সেবা নিতে পারবেন। ঝামেলা এড়াতে মেয়াদের শেষ মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা না করে আগেভাগেই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আরটিভি/এআর


