
যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে প্রাণঘাতী ইনজেকশন দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা থেকে বেঁচে যাওয়া ক্রিস্টা পাইক হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে কারাগারে ফিরেছেন।
শনিবার (১০ অক্টোবর) তার আইনজীবীরা এ তথ্য জানিয়েছেন।
৫০ বছর বয়সী পাইককে ডেবরা কে. জনসন রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে নেওয়া হয়েছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর ১৯৯৫ সালে সহপাঠী কলিন স্লেমারকে হত্যা করার দায়ে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা করা হয়। এ সময় তাকে প্রাণঘাতী ওষুধের দুটি ডোজ দেওয়া হলেও তিনি বেঁচে যান।
একপর্যায়ে পাইককে কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাসের যন্ত্রে রাখতে হয়েছিল। পরে জ্ঞান ফিরে পেয়ে তিনি কথা বলতে শুরু করেন এবং সহায়তা নিয়ে হাঁটেন। ডেথ পেনাল্টি ইনফরমেশন সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় প্রাণঘাতী ইনজেকশন প্রয়োগের পরও বেঁচে যাওয়া প্রথম ব্যক্তি তিনি।
মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা কেন ব্যর্থ হয়েছে, তা এখনো জানায়নি টেনেসি সংশোধন বিভাগ। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, শিরায় ওষুধ প্রবেশের নল সঠিকভাবে স্থাপন না করায় ওষুধ রক্তপ্রবাহে না গিয়ে শরীরের টিস্যুতে জমা হয়েছিল। পাইকের আইনজীবীরাও আদালতে দাখিল করা নথিতে নল স্থাপনে ত্রুটির অভিযোগ করেছেন।
এ ঘটনার পর টেনেসির গভর্নর বিল লি চলতি বছরে নির্ধারিত অন্য মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের তারিখ স্থগিত করে ঘটনার পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি অঙ্গরাজ্যের কারা বিভাগের প্রধান পদত্যাগ করেছেন। সূত্র: ইয়াহু
আরটিভি/এমএইচজে



