ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

সেতুমন্ত্রীর এপিএস পরিচয় দেওয়া ‘ছাত্রলীগ’ নেতা কারাগারে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২০, ০৯:১১ পিএম
সেতুমন্ত্রীর এপিএস পরিচয় দেওয়া ‘ছাত্রলীগ’ নেতা কারাগারে

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে ছবি তুলে বিভিন্ন স্থানে ব্যক্তিগত সহকারী (এপিএস) পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ছাত্রলীগ পরিচয়ধারী মোজাম্মেল হক ইয়াসিনকে (৩৩) রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আজ রোববার (২৭ ডিসেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবব্রত বিশ্বাস জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ২৩ ডিসেম্বর কামরাঙ্গীরচর থানার জাউলাহাটি চৌরাস্তা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালি জোনাল টিম। পরের দিন তার দু'দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। সেই রিমান্ড শেষে রোববার আদালতে হাজির করে তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি জোনাল টিমের এসআই বাবুল মিয়া। আসামিপক্ষে আইনজীবী মো. ইব্রাহিম জামিন আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

জানা যায়, মোজাম্মেল ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ব্যক্তিগত সহকারী পরিচয় দিতেন। মন্ত্রীর নামে জাল সিল ব্যবহার করে তার স্বাক্ষর জাল করে এলজিইডি ভবন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়, ফায়ার সার্ভিস, বিভিন্ন ব্যাংকে নিয়োগ, টেন্ডারবাজি ও বদলি সংক্রান্তে সুপারিশ করতেন। এভাবে প্রতারণা করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতেন তিনি।

সবশেষ মাঈন উদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে অস্থায়ী কার্য সহকারী পদে চাকরি দেওয়ার জন্য মন্ত্রীর সিল ও স্বাক্ষর জাল করে আগারগাঁও এলজিইডি ভবন, প্রধান প্রকৌশলী বরাবর আবেদন করা হয়। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে এলজিইডি অফিস কর্তৃপক্ষ শেরে বাংলা নগর থানায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলা দায়েরের পর তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নাম সম্বলিত সিল ও বিভিন্ন নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়।

এফএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণ: সিআইডির চার্জশিট, নাম নেই তিতাস কর্মকর্তাদের
নারায়ণগঞ্জে মসজিদে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রায় চার মাস তদন্ত শেষে পুলিশের দায়ের করা মামলায় ২৯ জনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি পুলিশ। তবে চার্জশিট থেকে বাদ দেয়া হয়েছে তিতাস গ্যাসের অভিযুক্ত ৮ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে। বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডির নারায়ণগঞ্জ শাখার তদন্ত দল। চার্জশিটে প্রধান আসামি করা হয়েছে ওই মসজিদের পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবদুল গফুর মিয়াকে (৬০)।  মামলায় প্রধান আসামি আবদুল গফুর মিয়া ছাড়াও অন্যান্য আসামিরা হলেন- সামসুদ্দিন সরদার (৬০), শামসু সরদার (৫৭), শওকত আলী (৫০), অসিম উদ্দিন (৫০), জাহাঙ্গীর আলম (৪০), শফিকুল ইসলাম উজ্জ্বল (৪৫), নাঈম সরদার (২৭), কাইয়ুম (৩৮), মামুন মিয়া (৩৮), আলমগীর সিকদার (৩৫), মাওলানা আল আমিন (৪৫), সিরাজ হাওলাদার (৫৫), নেওয়াজ মিয়া (৫৫), নাজির হোসেন (৫৬), আবুল কাশেম (৪৫), দেলোয়ার হোসেন, বশির আহমেদ (হৃদয়) (২৮), তানভীর আহমেদ (৪৫), আল আমিন (৩৫), আবদুল মালেক (৫৫), মনিরুল (৫৫), স্বপন মিয়া (৩৮), আসলাম আলী (৪২), আলী তাজম (মিল্কী) (৫৫), রিমেল (৩২), আরিফুর রহমান (৩০), মোবারক হোসেন (৪০) ও রায়হানুল ইসলাম (৩৬)।  তবে তাদের বিস্তারিত পরিচয় এখন পর্যন্ত প্রকাশ করা হয়নি। সিআইডি পুলিশের নারায়ণগঞ্জ জেলার বিশেষ পুলিশ সুপার নাসির উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সরকারি বিধিনিষেধ থাকায় তিতাসের অভিযুক্ত আট কর্মকর্তা-কর্মচারিকে আপাতত চার্জশীটে লিপিবদ্ধ করা না হলেও তাদেরকে মামলায় রাখা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে  অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদন পেলেই তাদেরকে আসামি হিসেবে চার্জশীটে সম্পৃক্ত করা হবে। তবে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি তিনি। নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান, সিআইডি আদালত পুলিশের কাছে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চার্জশিট জমা দিয়েছে। রোববার তা আদালতে পেশ করা হবে। উল্লেখ্য, গত ৪ সেপ্টেম্বর রাতে এশার নামাজ চলাকালে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার পশ্চিম তল্লা এলাকার বাইতুস সালাত জামে মসজিদে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। মসজিদের অভ্যন্তরে বিদ্যুতের অবৈধ সংযোগ থেকে স্পার্ক ও অবৈধ গ্যাস পাইপ লাইনের লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাসের মিশ্রনে এই বিস্ফোরণ হয়েছে বলে জানিয়েছে তদন্ত সংস্থা সিআইডি পুলিশ। এই বিস্ফোরণে ৩৭ জন গুরুতর দ্বগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে তাদের মধ্যে ৩৪ জন মারা যান। জিএ
নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণ: সিআইডির চার্জশিট, নাম নেই তিতাস কর্মকর্তাদের
বিনাদোষে ৪ বছর কারাগারে আরমান, মুক্তির নির্দেশ হাইকোর্টের
পল্লবীর বেনারসি পল্লীর কারিগর মো. আরমান বিনাদোষে কমবেশি ৪ বছর ধরে কারাগারে। কারাগারে থাকা আরমানকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তাকে ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং ডিএমপি কমিশনারকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। জানা গেছে, অন্য আসামির বাবার নামের সঙ্গে আরমানের বাবার নামের মিল থাকায় মাদক মামলায় ২০১৬ সালের ২৭ জানুয়ারি পুলিশ মো. আরমানকে গ্রেপ্তার করে। আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ রায় দেন। এ ছাড়া মো. আরমানকে আসামি করার ঘটনায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।  রায়ের বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন রিটকারী ব্যারিস্টার হুমায়ন কবির পল্লব ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার নওরোজ রাসেল চৌধুরী। ২০১৯ সালের ২১ এপ্রিল ভুল আসামি হয়ে কারাগারে থাকা মো. আরমানকে আদালতে হাজির করার নির্দেশনা ও মুক্তি চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশনের পক্ষে ব্যারিস্টার হুমায়ন কবির পল্লব রিট আবেদনটি দায়ের করেন। রিটে স্বরাষ্ট্র সচিব, আইজিপি, ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও পল্লবীর ওসিসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়। আরমানকে কারাগারে বন্দি রাখা নিয়ে ‘কারাগারে আরেক জাহালম’ শিরোনামে ২০১৯ সালের ১৮ এপ্রিল সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদন সংযুক্ত করে ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন রিট আবেদনটি করেছিল। সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ২০০৫ সালের ৩০ আগস্ট রাতে পল্লবীর ৬ নম্বর সেকশনের সি ব্লকের ৮ নম্বর লেনের ৭ নম্বর ভবনের নিচতলার একটি ফ্ল্যাট থেকে ৪০ বোতল ফেনসিডিলসহ শাহাবুদ্দিন এবং তার দুই সহযোগী সোহেল মোল্লা ও মামুন ওরফে সাগরকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। এরপর তাদের বিরুদ্ধে পল্লবী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়। ওই মামলায় ওই বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর তিনজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দেয় পুলিশ। দুই বছর কারাগারে থাকার পর জামিনে মুক্তি পান শাহাবুদ্দিন। কিন্তু তিনি আর আদালতে হাজির হননি। এ অবস্থায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এরপর তিনি ২০১১ সালের ১৭ জানুয়ারি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন। এই মামলায় বিচার শেষে ২০১২ সালের ১ অক্টোবর রায় দেন ঢাকার জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে শাহাবুদ্দিনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। কিন্তু রায়ের দিন শাহাবুদ্দিন পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে আবারও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ওই মামলায় ২০১৬ সালের ২৭ জানুয়ারি পুলিশ মো. আরমানকে গ্রেপ্তার করে। মূল আসামি শাহাবুদ্দিনের বাবার নাম ইয়াসিন ওরফে মহিউদ্দিন। আরমানের বাবার নামও ইয়াসিন। উভয় ইয়াসিনই মৃত। সেই থেকে কারাগারে আরমান। এফএ
বিনাদোষে ৪ বছর কারাগারে আরমান, মুক্তির নির্দেশ হাইকোর্টের
স্বামী বিদেশ, দেবরের দিনের পর দিন ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে প্রবাসী ভাইয়ের স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দেবরের বিরুদ্ধে। ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ এখন সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ দুই সন্তান নিয়ে বর্তমানে বাড়িছাড়া। উপজেলার ওয়াশি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। গৃহবধূর অভিযোগ, তার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে বিদেশ থাকেন। গেলো ২৮ জুলাই নিজ ঘরে প্রথমবার দেবরের ধর্ষণের শিকার হন তিনি। এরপর ঘটনার ন্যায়বিচার চেয়ে তিনি টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে দেবরকে আসামি করে একটি মামলা করেন। ভিকটিম আজ গণমাধ্যমকে জানান, প্রায় ১১ বছর আগে ওই প্রবাসীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে নয় বছরের একটি ছেলে ও সাত বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। ভাই বিদেশ থাকার সুযোগে ভাবিকে দীর্ঘদিন ধরে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল দেবর সাইফুল। গেলো ২৮ জুলাই ভিকটিমের দুই সন্তান নানার বাড়িতে বেড়াতে যায়। এই সুযোগে সাইফুল রাতে ভাবির ঘরে ঢুকে ধর্ষণ করে। পরে গৃহবধূ বিষয়টি তার শাশুড়িকে জানান। কিন্তু ছেলেকে রক্ষা করার জন্য কোনো বিচার না করে পুত্রবধূকে শিশুসন্তানসহ বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখান। সেইসঙ্গে বিষয়টি গোপন রাখতে বলেন। এদিকে বিভিন্ন ভয় দেখিয়ে ভাবিকে প্রায়ই ধর্ষণ করতে থাকে সাইফুল। স্বামীর সংসার রক্ষা ও শিশুদের বাঁচাতে বিষয়টি গোপন রাখে। এরই মধ্যে গৃহবধূ সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। বিষয়টি নিয়ে সালিশে কেশবপুর গ্রামের মাতবর চাঁন মিয়া, বরুটিয়া গ্রামের হায়দার, জাকির, শাহিনসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। গ্রাম্য সালিশে মাতবরদের মধ্যে দুইটি গ্রুপে বিভক্ত হওয়ায় বিষয়টি মীমাংসা হয়নি। নিরুপায় হয়ে গৃহবধূ আদালতে মামলা দায়ের করেন। আরও পড়ুন... মায়ের ভেজা কাপড় শুকাতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার প্রেমিকের টালবাহানায় দ্বিতিয়বারের মতো অনশনে বসলেন প্রেমিকা তিন সন্তানের মাকে পেতে আদালতে দুই স্বামী প্রেমের কথা জানাজানি হওয়ায় মৃত্যুকে বেছে নিলো তরুণী এ ব্যাপারে ভাবিকে ধর্ষণ মামলার আসামি বলেন, আমার বড়ভাই বিদেশ থাকেন। ভাবি কিভাবে অন্তঃত্ত্বা হয়েছে এটা আমি জানি না। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। টাঙ্গাইলের ডিবির এসআই মো. আলমগীর হোসেন জানিয়েছেন, গৃহবধূর দায়ের করা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটি এখন পর্যন্ত হাতে পাওয়া যায়নি। জেবি
স্বামী বিদেশ, দেবরের দিনের পর দিন ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ
জানাজানি হতেই স্বামীকে নিয়ে প্রেমিক নয়নকে হত্যা করে কুটিলা
পরকীয়া প্রেমের কারণে যশোরের বেনাপোলের এনজিও কর্মী আল আমিন ওরফে নয়নকে হত্যা করা হয়েছে। একই গ্রামের জহুর আলীর স্ত্রী কামরুন্নাহার ওরফে কুটিলার সঙ্গে নয়নের পরকীয় সম্পর্কের জের ধরে তাকে হত্যা করা হয়। জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে । একইসঙ্গে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রশি, ভিকটিম ও আসামির মোবাইল ফোন এবং রশি পোড়ানোর আলামত জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার দু’জন হলেন, বেনাপোলের দুর্গাপুর গ্রামের লোকমান মির্জার ছেলে জহুর আলী ও জহুর আলীর স্ত্রী কামরুন্নাহার ওরফে কুটিলা। বুধবার রাতে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে বলে পুলিশ সুপার জানান। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে যশোর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংএ এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার আশরাফ হোসেন। পুলিশ সুপার আশরাফ হোসেন বলেন, গ্রামের জহুর আলীর স্ত্রী কামরুন্নাহার ওরফে কুটিলার সঙ্গে নয়নের পরকীয় সম্পর্ক ছিল। এ সম্পর্কের কথা এলাকায় জানাজানি হয়ে যায়। কুটিলা এ সম্পর্ক থেকে বের হয়ে আসতে চেয়েছিল। এতে কুটিলা ব্যর্থ হয়। পরে স্বামী-স্ত্রী দুজনে মিলে আল-আমিন নয়নকে হত্যার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২৮ ডিসেম্বর রাতে নয়নকে বাড়ি থেকে ডেকে এনে গলায় রশি দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। জেবি
জানাজানি হতেই স্বামীকে নিয়ে প্রেমিক নয়নকে হত্যা করে কুটিলা
জয়পুরহাটে অপহৃত ব্যক্তি উদ্ধার, আটক ১
জয়পুরহাটের অপহৃত দুইজনসহ অপহরণকারী চক্রের একজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। আজ বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটার দিকে সদরের বেলতলী-চকবাইপাস রোডের ভিটি গ্রামের একটি দুর্গম জঙ্গল থেকে র‌্যাবের অভিযানে দুই ঘণ্টার মধ্যে অপহৃত ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃতরা হলেন, সদরের চকদাদরা (উপরচক) গ্রামের মহসিন আলীর ছেলে ইয়ানুর হোসেন ওরফে সম্পদ (২০), পেচুলিয়া গ্রামের ওয়াজ উদ্দিন খানের ছেলে তারাজুল ইসলাম (২৮)। তাদেরকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। অপহরণকারী হলেন সদরের ভিটি (মণ্ডলপাড়া) গ্রামের দুলু মিয়ার ছেলে শাহীনুর রহমানকে (২৪) মুক্তিপণের  এক লাখ টাকা ও ভিকটিমদের শারীরিক নির্যাতনে ব্যবহৃত লাঠিসোটাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। র‌্যাব-৫ জয়পুরহাট ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এমএম মোহাইমেনুর রশিদ (পিপিএম) জানান, দুইজন নিরীহ ব্যক্তিকে কতিপয় অপহরণকারী সদরের ভিটিপাড়া এলাকায় একটি গোপন স্থানে জোরপূর্বক আটকে রেখে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করছে। র‌্যাব গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে অপহৃত ভিকটিমদ্বয়কে উদ্ধার করে। পরে তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানপূর্বক তাদের আত্মীয়-স্বজনের জিম্মায় প্রদান করে এবং তাদের পরিবারকে জয়পুরহাট থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পরামর্শ প্রদান করা হয়।  এ ব্যাপারে জয়পুরহাট থানায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। জেবি
জয়পুরহাটে অপহৃত ব্যক্তি উদ্ধার, আটক ১
আরও পড়ুন
কারাগারে মাদক সরবরাহ বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের
ক্ষমতার চেয়ার আর কারাগার খুব পাশাপাশি থাকে: প্রধানমন্ত্রী
দেশের বৃহত্তম ‘মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের’ ভেতরে বহু চমক!
টিকটক ভিডিও বানাতে গিয়ে বন্ধুদের ধর্ষণের শিকার কিশোরী