ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

পিলখানা হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় আজ

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ২৬ নভেম্বর ২০১৭, ০৯:১২ এএম

বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় করা হত্যা মামলায় ১৫২ আসামির মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন (ডেথ রেফারেন্স) চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন এবং আসামিপক্ষের খালাস চেয়ে করা আপিলের রায় ঘোষণা হবে রোববার।

বিচারপতি মো. শওকত হোসেনের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিশেষ বেঞ্চ এই রায় প্রদান করবেন। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার।

এক বছরেরও বেশি সময় ধরে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের পর গত ১৩ এপ্রিল মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখে আদালত।

এই মামলার আপিলে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা, মোমতাজ উদ্দিন ফকির, মোশাররফ হোসেন কাজল, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোশাররফ হোসেন সরদার, শেখ বাহারুল ইসলাম ও জাহিদ সরওয়ার কাজল।

আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন খন্দকার মাহবুব হোসেন, আবদুল বাসেত মজুমদার, মহসীন রশীদ, এস এম শাহজাহান, এ এস এম আবদুল মুবিন, মো. আমিনুল ইসলাম, দাউদুর রহমান মিনা ও শামীম সরদারসহ আরও অনেকে। আসামিপক্ষে রাষ্ট্র নিয়োজিত আইনজীবী ছিলেন হাসনা বেগম।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদরদপ্তরে বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন প্রাণ হারান।

বিডিআর জওয়ানদের ওই রক্তাক্ত বিদ্রোহের পর ৫৭টি বিদ্রোহের মামলার বিচার হয় বাহিনীর নিজস্ব আদালতে। আর হত্যাকাণ্ডের বিচার চলে বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত মহানগর দায়রা জজ আদালতের অস্থায়ী এজলাসে।

ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আখতারুজ্জামান ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর এই হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ওই বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেয়া বিডিআরের উপ সহকারী পরিচালক তৌহিদুল আলমসহ (৫৫) বাহিনীর ১৫২ জওয়ান ও নন কমিশন্ড কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়। পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়।

এ মামলার ৮৫০ আসামির মধ্যে ওই রায়ের দিন পর্যন্ত জীবিত ছিলেন ৮৪৬ জন। তাদের মধ্যে ১৬১ জনকে দেয়া হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। পাশাপাশি অস্ত্র লুটের দায়ে তাদের আরো ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো দুই বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারক। এছাড়া ২৫৬ আসামিকে তিন থেকে ১০ বছর পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেয়া হয়।

অপরাধে সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত না হওয়ায় রায়ে ২৭৭ জনকে বেকসুর খালাস দেন আদালত। পরে রায়ের বিরুদ্ধে খালাসপ্রাপ্ত ২৭৭ জনের মধ্যে ৬৯ জন আসামির সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল ও ডেথ রেফারেন্স দায়ের করে রাষ্ট্রপক্ষ। অন্যদিকে দণ্ডপ্রাপ্ত ৪১০ জন আসামির সাজা বাতিল চেয়ে আপিল করেন তাদের আইনজীবীরা।

এর মধ্যে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েক আসামির মৃত্যুদণ্ড ও কয়েকজনের সাজা বাড়াতে আরো দুটি আবেদন করেছিল রাষ্ট্রপক্ষ। কিন্তু দেরিতে আবেদন করায় গেলো ১৩ এপ্রিল আবেদন দুটিও বাতিল করে দেয় হাইকোর্ট। পরে এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করলে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশই বহাল রাখে।

রক্তাক্ত ওই বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ রাইফেলসের (বিডিআর) নাম পরিবর্তন করা হয়। নাম বদলের পর এ বাহিনী এখন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) হিসেবে পরিচিত।

এসএস /এ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ফরহাদ মজহার দম্পতিকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ
মিথ্যা তথ্য দিয়ে মামলা করায় কবি-প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহার ও তার স্ত্রী ফরিদা আক্তারকে সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম সুব্রত ঘোষ শুভ প্রসিকিউশনের মামলা আমলে নিয়ে তাদের আগামী ৩০ জানুয়ারির মধ্যে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। এর আগে ২৮ ডিসেম্বর ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে আদাবর থানার নন-জিআর শাখায় এ প্রসিকিউশন মামলাটি ডাকযোগে পাঠান মামলার বাদি ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মাহাবুবুল ইসলাম। তিনি ফরহাদ মজহার ও ফরিদা আক্তারকে পলাতক দেখিয়ে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন। ৭ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম খুরশীদ আলম চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে প্রসিকিউশন মামলা করার জন্য অনুমতি প্রদান করেন। গত ৩১ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মাহাবুবুল ইসলাম আদালতে কবি ও প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহারকে অপহরণ করে চাঁদা দাবি করার অভিযোগে যে মামলা দায়ের করা হয়েছিল সেটিতে অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা প্রমাণিত না হওয়ায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। অপরদিকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত ও হয়রানির অভিযোগ দণ্ডবিধির ২১১ ও ১০৯ ধারায় ফরহাদ মজহার ও তার স্ত্রী ফরিদা আক্তারের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন মামলা দায়েরের অনুমতি চান তদন্ত কর্মকর্তা। গত ৩ জুলাই ভোরে শ্যামলীর রিং রোডের ১নং হক গার্ডেনের বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন ফরহাদ মজহার। পরে স্ত্রীকে নিজের মোবাইল ফোনে জানান, কে বা কারা তাকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। তাকে মেরেও ফেলা হতে পারে। সন্ধ্যা পর্যন্ত ছয়বার কল করে ৩৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাৎক্ষণিক উদ্যোগ নিয়ে মোবাইল ট্র্যাকিং করে তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয় এবং ১৯ ঘণ্টা পর যশোরের অভয়নগরে হানিফ পরিবহনের একটি বাস থেকে তাকে উদ্ধার করে। ফরহাদ মজহারের নিখোঁজের ঘটনায় ওই দিন রাতেই স্ত্রী ফরিদা আক্তার বাদি হয়ে আদাবর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-০৪। এর আগে তিনি জিডি করেছিলেন। জিডি নং-১০১। পি
ফরহাদ মজহার দম্পতিকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ
দুদকে ৩০ কোচিং সেন্টারের মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ
কোচিংয়ের অনিয়ম অনুসন্ধানে রেটিনা,  ইউসিসি, সাইফুরসসহ ৩০ কোচিং সেন্টারের মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সকাল ৯টা থেকে এ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে বলে আরটিভি অনলাইনকে জানিয়েছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য। দুদক সূত্র জানায়, ১১০ কোচিং সেন্টারের বিরুদ্ধে প্রশ্নপত্র ফাঁস, ভুয়া পরীক্ষার্থী সরবরাহ, মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে ভর্তি পরীক্ষায় অনিয়মের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। কোচিং সেন্টার মালিকরা কীভাবে ফুলে-ফেঁপে উঠেছে, তাদের নামে কীভাবে কোটি কোটি টাকার সম্পদ থাকতে পারে- এসবই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অনুসন্ধান করা হবে। তাদের কাছে সম্পদের হিসাব চাওয়া হবে। পরে ওই হিসাব যাচাই করা হবে। এ সময় যাদের নামে-বেনামে অবৈধ সম্পদ পাওয়া যাবে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জানা গেছে, সারাদেশের কোচিং সেন্টারগুলোর মধ্যে সিংহভাগই গড়ে উঠেছে ঢাকা মহানগর এলাকায়। গেল ২৬ ডিসেম্বর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, অবৈধ ও অননুমোদিত বিলবোর্ড, পোস্টার, ফেস্টুন ও ওভারহেড সাইনবোর্ড অপসারণ না করায় ছয়টি কোচিং সেন্টারের ট্রেড লাইসেন্স বাতিল করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) কর্তৃপক্ষ। এ ছয় কোচিং সেন্টার হল ফার্মগেটের ইউসিসি কোচিং সেন্টার, ইউনিএইড কোচিং সেন্টার, আইকন কোচিং সেন্টার, আইকন প্লাস কোচিং সেন্টার, ওমেগা কোচিং সেন্টার এবং প্যারাগন কোচিং সেন্টার। এমসি/পি
দুদকে ৩০ কোচিং সেন্টারের মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ
ওয়ারীতে ‘বন্দুকযুদ্ধ’: গুলিবিদ্ধসহ আটক ৩
রাজধানীর ওয়ারীতে পুলিশ-ডাকাত বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় গুলিবিদ্ধসহ তিন ডাকাতকে আটক করেছে পুলিশ। ওয়ারীর টিকাটুলি রোডের রোজ গার্ডেনের সামনে শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ওয়ারী থানার ডিউটি অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) লাল মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, স্বপন ও শাহ আলম নামের দুইজন গুলিবিদ্ধ এবং আমির হোসেন নামের আরেকজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি ৭.৬৫ পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি, তিনটি ছুরি জব্দ করা হয়। ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ফরিদ উদ্দিন আহমেদ জানান, ডাকাত দলকে ঘেরাও করে ফেললে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করে। আত্মরক্ষার্থে পরে পুলিশও শর্টগান দিয়ে পাল্টা গুলি চালালে স্বপন ও শাহ আলম নামের দুই জন পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তাদের আটক দেখিয়ে পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি। পি
ওয়ারীতে ‘বন্দুকযুদ্ধ’: গুলিবিদ্ধসহ আটক ৩
গুলশান হামলার তদন্ত প্রতিবেদন ২৮ জানুয়ারি
গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২৮ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মহানগর হাকিম নূর নাহার ইয়াসমিন প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এ দিন ধার্য করেন। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলা চালিয়ে বিদেশিসহ ২০ জনকে হত্যা করে। যাদের ৯ জন ইতালি, ৭ জন জাপানি, ৩ জন বাংলাদেশী এবং ১ জন ভারতীয় নাগরিক। এছাড়া সন্ত্রাসীদের হামলায় দুজন পুলিশও প্রাণ হারায়। কমান্ডো অভিযানে ছয়জন নিহত হয়। সরকার প্রধানের নির্দেশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ট’ পরিচালনা করে। ৬ জুলাই শুক্রবার রাত থেকে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে অবস্থানরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা বাহিনীর সদস্যদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে। সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে নৌ-বাহিনী, বিমান বাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাবসহ যৌথভাবে অপারেশন থান্ডারবোল্ট পরিচালনা করা হয়। এই অভিযানে জিম্মিদশা থেকে তিন বিদেশিসহ ১৩ জনকে মুক্ত করা হয়। এ সময় পাঁচ জঙ্গি অভিযানে নিহত হয়। এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করে পুলিশ। পি
গুলশান হামলার তদন্ত প্রতিবেদন ২৮ জানুয়ারি
জানুয়ারিতে খালেদার পরবর্তী যুক্তিতর্ক উপস্থাপন
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে পরবর্তী যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আগামী ২, ৩ ও ৪ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার খালেদার পক্ষে পঞ্চমদিনের মতো যুক্তি উপস্থাপন করেন তার আইনজীবীরা। এদিন যুক্তি উপস্থাপন শেষ না হওয়ায় ঢাকার বকশীবাজারের আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামান পরবর্তী যুক্তি উপস্থাপনের জন্য এ দিন ধার্য করেন। আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন তার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাজিরা দিতে সকাল ১১ টায় রাজধানীর বকশীবাজারের আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ আদালতে যান খালেদা জিয়া। এর আগে ২৭ ডিসেম্বর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন তার আইনজীবী আব্দুর রেজাক খান। অন্যদিকে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে লিখিত বক্তব্য জমা দেন খালেদা জিয়া। মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিনকোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। পরে ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশীদ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়। এছাড়া জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় অপর একটি মামলা করে দুদক। ২০১০ সালের ৫ আগস্ট তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশীদ। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়। এমসি /এমকে
জানুয়ারিতে খালেদার পরবর্তী যুক্তিতর্ক উপস্থাপন
আরও পড়ুন
কণ্ঠশিল্পী মমতাজের ভাইয়ের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা
পিলখানা হত্যা মামলা : দ্বিতীয় দিনের মতো রায় পড়া শুরু
পিলখানা হত্যা মামলা : সাজার ব্যাপারে তিন বিচারপতিই একমত
হবিগঞ্জে হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড