ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ৭ মে 

বাসস

প্রকাশ : ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৭ পিএম
সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি। ছবি: সংগৃহীত

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৭ মে দিন ধার্য করেছেন ঢাকার একটি আদালত। এ নিয়ে ১২৫ বারের মতো প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সময় পেলো তদন্ত সংস্থা।

বুধবার (১ এপ্রিল) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা প্রতিবেদন দাখিল না করায়, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন এ দিন ধার্য করেন।

মিরপুর মডেল থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম রাসেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। এরপর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

গত ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তের দায়িত্ব র‌্যাব থেকে সরিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে গঠিত একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সের মাধ্যমে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তদন্ত শেষে ছয় মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।

আরও পড়ুন

এদিকে তদন্ত শেষ করে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে হাইকোর্টের দেওয়া সময় ইতোমধ্যেই শেষ হয়। এ অবস্থায় তদন্ত চলমান ও অগ্রগতি আছে, উল্লেখ করে নয় মাস সময়ের আরজি জানায় রাষ্ট্রপক্ষ।

গত বছরের ২২ এপ্রিল শুনানি নিয়ে আদালত ছয় মাস সময় মঞ্জুর করেন। একইসঙ্গে ২২ অক্টোবর আদেশের জন্য পরবর্তী দিন নির্ধারণ করেন। তবে উচ্চ আদালতের দেওয়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স প্রতিবেদন দাখিল করেনি।

গত ২৩ অক্টোবর মামলার তদন্ত শেষ করতে বিভিন্ন এজেন্সির অভিজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সকে আরও ছয় মাস সময় দেন হাইকোর্ট। তবে এটিকে ‘শেষবারের মতো’ বর্ধিত সময় বলে উল্লেখ করেন আদালত।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৭, যেভাবে ছড়ায় প্রশ্নপত্র
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজন বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মচারী।
যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৭, যেভাবে ছড়ায় প্রশ্নপত্র
রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র / রিমান্ড শেষে কারাগারে সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তা
রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে রাজধানীর পল্লবী থানায় দায়ের করা মামলায় চার দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল বিজয় দেবাশীষ নারায়ন পাল (৪৭) ও লেফটেন্যান্ট কাজী গুলশান আরা (৪৩)।
রিমান্ড শেষে কারাগারে সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তা
যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসে সরকারি কর্মকর্তাসহ গ্রেপ্তার ৭
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটলিয়ান (এসআরবি)। এ নিয়ে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সংবাদ সম্মেলন করবে সংস্থাটি। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় গ্রেপ্তাররা হলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের অফিস সহকারী আসাদুল হাবিব, এনবিআর কর্মকর্তার জাহাঙ্গীর আলম, পরিবেশ অধিদপ্তর রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর রুবেল ইসলাম, এনবিআর কর্মকর্তা নূর মোহাম্মাদ (নিলয়), প্রশ্নফাঁসকারী চক্রের সদস্য মফিজুল ইসলাম ওরফে রাফি, হাসিনুর রহমান সুজন ও এমদাদুর রহমান। এর আগে গত ১০ অক্টোবর সকাল ১১টায় পরীক্ষা শুরুর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়ে। মূল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের মিল পাওয়ার পর পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। ততক্ষণে দূরদূরান্ত থেকে আসা অনেক চাকরিপ্রার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে গিয়েছিলেন। শেষ মুহূর্তে পরীক্ষা স্থগিত হওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রার্থীরা রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেন। ঘটনাটি তদন্তে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মাহফুজুল আলম খানকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। প্রথমে তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও পরে সময় বাড়ানো হয়। আরটিভি/এসকে
যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসে সরকারি কর্মকর্তাসহ গ্রেপ্তার ৭
অদক্ষতা ও অসদাচরণের অভিযোগে বরখাস্ত এক বিচারক
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে।
অদক্ষতা ও অসদাচরণের অভিযোগে বরখাস্ত এক বিচারক
সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও তার পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমি এ আদেশ দেন।
সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও তার পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
আরও পড়ুন
১৩০ বারের মতো পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল
হাদি হত্যা: সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন ৩ নভেম্বর
বিশ্বকাপের তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
রাবিতে তদন্ত কমিটির ঘটনাস্থল পরিদর্শন, প্রতিবেদন রোববার