ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র

রিমান্ড শেষে কারাগারে সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে রাজধানীর পল্লবী থানায় দায়ের করা মামলায় চার দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল বিজয় দেবাশীষ নারায়ন পাল (৪৭) ও লেফটেন্যান্ট কাজী গুলশান আরা (৪৩)।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আজ চার দিনের রিমান্ড শেষে পুলিশ দুই আসামিকে আদালতে হাজির করে। এ সময় মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানান তদন্তকারী কর্মকর্তা।

অন্যদিকে, আসামিদের পক্ষে তাদের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান জামিন আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে, গত ১৩ অক্টোবর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম দুই আসামির প্রত্যেকের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সেই রিমান্ড শেষে শুক্রবার তাদের আদালতে হাজির করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল বিজয় দেবাশীষ নারায়ন পাল ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কাজী গুলশান আরা ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাপোর্টারস আলফা নাম্বার ওয়ান’ নামের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এজাহার অনুযায়ী, ওই গ্রুপের মাধ্যমে তারা তহবিল সংগ্রহ এবং সহিংসতায় উসকানিমূলক ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার সমন্বয়ে গঠিত ‘ইউনিটি কেয়ার অ্যান্ড পাবলিক পার্লামেন্ট’ নামের একটি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আসামিরা সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আবদুল আজিজ, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পলাতক শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের উদ্যোগ এবং রাষ্ট্রবিরোধী সংগঠিত অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, আসামিরা একটি পেজ তৈরি করে তার মাধ্যমে সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতায় উসকানি দিতে পারে এমন কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার করছিলেন। এর মধ্য দিয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা চালানোর অভিযোগও আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় গত ১২ অক্টোবর রাজধানীর পল্লবী থানায় মামলাটি দায়ের করেন গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক আলী আকবর। সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের আওতায় মামলাটি করা হয়।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৭, যেভাবে ছড়ায় প্রশ্নপত্র
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজন বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মচারী।
যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৭, যেভাবে ছড়ায় প্রশ্নপত্র
যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসে সরকারি কর্মকর্তাসহ গ্রেপ্তার ৭
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটলিয়ান (এসআরবি)। এ নিয়ে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সংবাদ সম্মেলন করবে সংস্থাটি। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় গ্রেপ্তাররা হলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের অফিস সহকারী আসাদুল হাবিব, এনবিআর কর্মকর্তার জাহাঙ্গীর আলম, পরিবেশ অধিদপ্তর রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর রুবেল ইসলাম, এনবিআর কর্মকর্তা নূর মোহাম্মাদ (নিলয়), প্রশ্নফাঁসকারী চক্রের সদস্য মফিজুল ইসলাম ওরফে রাফি, হাসিনুর রহমান সুজন ও এমদাদুর রহমান। এর আগে গত ১০ অক্টোবর সকাল ১১টায় পরীক্ষা শুরুর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়ে। মূল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের মিল পাওয়ার পর পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। ততক্ষণে দূরদূরান্ত থেকে আসা অনেক চাকরিপ্রার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে গিয়েছিলেন। শেষ মুহূর্তে পরীক্ষা স্থগিত হওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রার্থীরা রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেন। ঘটনাটি তদন্তে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মাহফুজুল আলম খানকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। প্রথমে তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও পরে সময় বাড়ানো হয়। আরটিভি/এসকে
যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসে সরকারি কর্মকর্তাসহ গ্রেপ্তার ৭
অদক্ষতা ও অসদাচরণের অভিযোগে বরখাস্ত এক বিচারক
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে।
অদক্ষতা ও অসদাচরণের অভিযোগে বরখাস্ত এক বিচারক
সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও তার পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমি এ আদেশ দেন।
সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও তার পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল / আমার স্বামীর মাথার খুলি ছিন্নভিন্ন ও মগজ বের হয়ে গেছে: সাক্ষীর জবানবন্দি
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরা ও বনশ্রী এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই সেনা কর্মকর্তাসহ চার আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন রিকশাচালক শহীদ ইসমাইলের স্ত্রী লাকি বেগম।
আমার স্বামীর মাথার খুলি ছিন্নভিন্ন ও মগজ বের হয়ে গেছে: সাক্ষীর জবানবন্দি
আরও পড়ুন
ঢাকার পল্লবীতেও বাসে আগুন
টাকার বিছানায় শুয়ে ভাইরাল পল্লবী, এতো অর্থের রহস্য কী
এমপি নজরুলের বিরুদ্ধে এবার ড্রাইভারের মামলা
মুখে বালিশ চেপে অজ্ঞান করে কিশোরীকে ধর্ষণ