ঢাকা রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

আবরার ও মেজর সিনহা হত্যাসহ আলোচিত তিন মামলার আপিল শুনানির দিন ধার্য

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২২ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জের সাত খুন, বুয়েটের আবরার ফাহাদ হত্যা ও সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে আপিল শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

রোববার (১৮ অক্টোবর) বিচারপতি মো. রেজাউল হকের চেম্বার আদালত নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলাটি আগামী ১৭ নভেম্বর, আবরার ফাহাদ হত্যা মামলাটি ২৪ নভেম্বর এবং মেজর সিনহা হত্যা মামলাটি ১ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন।

রোববার আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো: রুহুল কুদ্দুস কাজল।

নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলা:
২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জের লিংক রোড থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের তৎকালীন প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ পাঁচজনকে অপহরণ করা হয়। বিষয়টি দেখে ফেলায় অপহরণের শিকার হন আইনজীবী চন্দন সরকার ও তাঁর গাড়িচালক মো. ইব্রাহিম। তিন দিন পর ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদীতে ভেসে ওঠে ছয়টি লাশ, পরদিন পাওয়া যায় আরেকটি লাশ। নজরুল, চন্দন ও ইব্রাহিম ছাড়া হত্যার শিকার অন্য ব্যক্তিরা হলেন নজরুলের বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন ও গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম।

২০১৭ সালের ১৬ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালত সাত খুনের মামলায় র‌্যাব-১১-এর সাবেক তিন কর্মকর্তা (অব্যাহতিপ্রাপ্ত) লে. কর্নেল তারেক সাঈদ, মেজর আরিফ হোসেন, কমান্ডার এম এম রানা, বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা ও সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর নূর হোসেনসহ ২৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন দণ্ডিত ব্যক্তিরা। পরবর্তীতে হাইকোর্ট ১৫ আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল ও অপর ১১ আসামির দণ্ড পরিবর্তন করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। এ ছাড়া বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডাদেশ পাওয়া ৯ আসামির দণ্ড বহাল থাকে। দণ্ডিত তারেক সাঈদ, নূর হোসেনসহ মামলার বেশ কয়েকজন আসামি বর্তমানে কারাগারে আছেন।

মেজর সিনহা হত্যা মামলা:
২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। ২০২১ সালের ৩১ জানুয়ারি বিচারিক আদালত এই মামলার মোট ১৫ জন আসামির মধ্যে দুই জনকে মৃত্যুদণ্ড, ছয় জনকে যাবজ্জীবন ও সাত জনকে খালাস দিয়ে রায় ঘোষণা করেন। সে রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুজন হলেন, টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের বরখাস্ত হওয়া পরিদর্শক লিয়াকত আলী। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাগর দেব, রুবেল শর্মা, পুলিশের সোর্স নুরুল আমিন, নিজাম উদ্দিন ও আয়াজ উদ্দীন। ২০২৫ সালের ২ জুন হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখেন।

আবরার ফাহাদ হত্যা মামলা:
২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে। নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের পর দেশজুড়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। নির্মম সে হত্যায় জড়িতদের সবাই ছিলেন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের (বর্তমানে নিষিদ্ধ সংগঠন) নেতা-কর্মী। আলোচিত এই হত্যা মামলায় ২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর রায় দেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১। বিচারিক আদালতের রায়ে ২০ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ২০২৫ সালের ১৬ মার্চ হাইকোর্ট ২০ আসামির মৃত্যুদণ্ড ও ৫ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রেখে রায় ঘোষণা করেন। হাইকোর্টের রায়ে মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা আসামিরা হলেন মেহেদী হাসান (রাসেল), মো. অনিক সরকার, মেহেদী হাসান (রবিন), ইফতি মোশাররফ, মো. মনিরুজ্জামান, মো. মেফতাহুল ইসলাম, মো. মাজেদুর রহমান, মো. মুজাহিদুর রহমান, খন্দকার তাবাককারুল ইসলাম, হোসাইন মোহাম্মদ তোহা, মো. শামীম বিল্লাহ, এ এস এম নাজমুস সাদাত, মোর্শেদ অমর্ত্য ইসলাম, মুনতাসির আল (জেমি), মো. শামসুল আরেফিন, মো. মিজানুর রহমান, এস এম মাহমুদ, মোর্শেদ-উজ-জামান মণ্ডল, এহতেশামুল রাব্বি ও মুজতবা রাফিদ। হাইকোর্টের রায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল থাকা আসামিরা হলেন মুহতাসিম ফুয়াদ হোসেন, মো. আকাশ হোসেন, মুয়াজ আবু হুরায়রা, অমিত সাহা ও ইশতিয়াক আহমেদ।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
তাহসিফ হত্যাকাণ্ড / রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন দিশা, পাঠানো হলো কারাগারে
রাজাবাড়ী ঘাটসংলগ্ন তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সাউরীর (২৭) লাশ উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সন্দেহভাজন আসামি জেরিকা তাসনিম দিশাকে (১৯) দুই দফায় মোট সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। দ্বিতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ড শেষে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলাম জুনাইদ তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদালতে দাখিল করা প্রতিবেদনে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও টঙ্গী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) ফিরোজ উদ্দিন এ তথ্য উল্লেখ করেন। আবেদনে বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে দিশা জানিয়েছেন, ঘটনার আগে ২৭ অক্টোবর রাতে তাহসিফের সঙ্গে উত্তরার ‘নেস্ট বার অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে’ যান তিনি। এর আগে সন্ধ্যায়ও তারা অনেকক্ষণ একসঙ্গে ঘোরাঘুরি করেন। পরে নেস্ট বার অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে যান। বিভিন্ন জায়গায় তাহসিফের সঙ্গে বাইকে ঘোরাঘুরি করেন তিনি। এ ছাড়া দিশা মামলার ঘটনা সম্পর্কে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন, যা তদন্তের স্বার্থে গোপন রেখে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আরেক সন্দেহভাজন আসামি আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্যের সঙ্গে দিশার বক্তব্য মিলিয়ে দেখা হয়েছে। এ ছাড়া তাহসিফের মোবাইল ফোনের কললিস্ট পর্যালোচনায় দিশার সঙ্গে একাধিকবার কথা বলার প্রমাণ পাওয়া গেছে।  প্রাথমিক তদন্তে মামলার ঘটনার সঙ্গে দিশার জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। তার বিরুদ্ধে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন। আবেদনে আরও বলা হয়, দিশা জামিনে মুক্তি পেলে পলাতক হয়ে মামলার তদন্তে ব্যাঘাত ঘটাতে পারেন। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও মূল রহস্য উদ্ঘাটনের স্বার্থে ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামিকে আবারও রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হতে পারে। এদিন শুনানিতে দিশার পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। তাই বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে ১ নভেম্বর তার চার দিন এবং ৪ নভেম্বর দ্বিতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এ মামলায় ৩০ নভেম্বর তাহসিফ সাউরীর বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপকে (২৩) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিন এবং ৩ নভেম্বর ফের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয় আরটিভি/এসআর  
রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন দিশা, পাঠানো হলো কারাগারে
সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ৯ ডিসেম্বর
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৯ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন ঢাকার একটি আদালত। এ নিয়ে ১৩১ বারের মতো প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সময় পেলো তদন্ত সংস্থা। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তদন্ত সংস্থা প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম  প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন এদিন ধার্য  করেন। শেরেবাংলা নগর থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম বাসসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। উল্লেখ, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া করা বাসায় খুন হন সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি।  এরপর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। গত ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তের দায়িত্ব র‌্যাব থেকে সরিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে গঠিত একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সের মাধ্যমে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আরটিভি/এসআর
সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ৯ ডিসেম্বর
সালমান শাহ হত্যা মামলা: সামীরাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ৮ ডিসেম্বর
চিত্রনায়ক সালমানশাহকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগে তার স্ত্রী সামীরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।
সালমান শাহ হত্যা মামলা: সামীরাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ৮ ডিসেম্বর
১০ হাজার টাকায় সিম ভাড়া দিয়ে মহাবিপদে যুবক
অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা অবৈধ লেনদেন ও বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মো. লিটন হাওলাদার (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সংস্থাটি জানায়, নিজের নামে নিবন্ধিত বিকাশ-নগদের এজেন্ট সিম তিন দিনের জন্য ১০ হাজার টাকায় ভাড়া দিয়েছিলেন তিনি। ওই সিমের বিকাশ অ্যাকাউন্টে মাত্র তিন দিনে ২ কোটি ২৬ লাখ ৩৩ হাজার ৮০১ টাকা লেনদেনের তথ্য পেয়েছে সিআইডি। বুধবার (৪ নভেম্বর) সিআইডি প্রধান কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। লিটন হাওলাদার খুলনার খালিশপুর থানার বড় বয়রা পালপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি খুলনার বৈকালী এলাকার লিটন টি-স্টলের এজেন্ট হিসেবে পরিচিত। সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ বলেন, অনলাইন জুয়ার কাজে ব্যবহৃত ১৪ জন দোকানদারের নাম প্রকাশ করেন শেখ সাখির আহম্মেদ (৩৩)। গত ৪ সেপ্টেম্বর আদালতে সোপর্দ করার পর তিনি এসব নাম জানান। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লিটন হাওলাদারকে শনাক্ত করা হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিআইডি কার্যালয়ে তলব করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে লিটন জানান, নিজের নামে নিবন্ধিত বিকাশ/নগদের এজেন্ট সিম খুলনার বয়রা এলাকার হানিফ নামের এক অটোচালকের কাছে ১০ হাজার টাকায় তিন দিনের জন্য ভাড়া দিয়েছিলেন।  সিমটির বিকাশ অ্যাকাউন্টের লেনদেন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, গত ৭ থেকে ৯ আগস্ট পর্যন্ত তিন দিনে ওই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অনলাইন জুয়ার সাইটে ২ কোটি ২৬ লাখ ৩৩ হাজার ৮০১ টাকা লেনদেন হয়েছে। সিআইডির পুলিশ সুপার আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদে লিটন নিজের নামে নিবন্ধিত এজেন্ট সিম টাকার বিনিময়ে অনলাইন জুয়ার কাজে ভাড়া দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বাটন মোবাইল ফোন ও একটি বিকাশ/নগদের এজেন্ট সিম জব্দ করা হয়। সিআইডির এই কর্মকর্তা জানান, পল্টন মডেল থানায় গত ৩১ আগস্ট দায়ের করা মামলাটির তদন্ত করছে সিআইডি। জুয়া প্রতিরোধ আইনের বিভিন্ন ধারায় করা এ মামলায় অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে অবৈধ অর্থ লেনদেন ও বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে। মামলার সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে তদন্ত চলছে। আরটিভি/এসআর
১০ হাজার টাকায় সিম ভাড়া দিয়ে মহাবিপদে যুবক
ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ
জুলাই আন্দোলনে হত্যা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা ও বেসরকারি টেলিভিশন ডিবিসির চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ
আরও পড়ুন
আবরার ফাহাদ স্মরণে বেরোবিতে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল
আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনাটি ফ্যাসিবাদের চরম উদাহরণ: অ্যাটর্নি জেনারেল