
সকালের নাস্তায় অথবা দুপুরের ভারী খাবারে ডিমের তরকারি থাকা মধ্যবিত্তের এক প্রকার খাদ্যাভ্যাস। কিন্তু আমাদের প্রতিদিন কয়টি করে ডিম খাওয়া উচিত? আমরা কি খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখতে গিয়ে প্রয়োজনের থেকে বেশি খাচ্ছি? মনের মধ্যে এমন অনেক প্রশ্ন। কেনোনা পরিমাণের বেশি ডিম খেলে শরীরে কোলেস্টেরলে মাত্রা বেড়ে যায়। এতে করে হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর ডিম খাওয়া নিয়ে বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন, এবার তা জেনে নেয়া যাক।
বয়স অনুযায়ী ডিম কয়টি করে খাওয়া উচিত তা অনেকেরই জানা নেই। ডিম অনেকের প্রিয় খাবার। স্বাস্থ্যের জন্য ডিম কতটা উপকারী, অতিরিক্ত ডিম খেলে শরীরে ক্ষতিকারক প্রভাব পড়বে কিনা এ নিয়েই চিন্তা সবার। যাদের উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদযন্ত্রে সমস্যা রয়েছে তাদের সপ্তাহে তিন দিন কুসুম ছাড়া ডিম খাওয়ার জন্য পরামর্শ দেন ডায়েটেশিয়ানরা।
বিশেষজ্ঞ ডায়েটেশিয়ানরা বলছেন, ৫ থেকে ১০ বছরের শিশুদের দিনে একটির বেশি ডিম খাওয়ানো কখনো উচিত নয়। ওজন যদি কম থাকে তাহলে কুসুমসহ ডিম খেতে হবে। তবে ওজন বেশি হয়ে থাকলে কেবল মাত্র সাদা অংশ খাওয়ার জন্য পরামর্শ দিচ্ছেন ডায়েটেশিয়ানরা।
১০ থেকে ১৫ বছর যাদের বয়স তারা দিনে দু’টি করে ডিম খেতে পারেন। তবে দুটি ডিমেরই কুসুম খাওয়া একদমই ঠিক হবে না। একটি কুসুমসহ এবং অন্যটি কুসুম ছাড়া খাওয়া ভালো। ১৫ থেকে ২০ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে তিন থেকে চারটি ডিম খাওয়া যেতে পারে। তবে অন্যান্য খাবারের সাথে যদি প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার থাকে তাহলে ডিম না খাওয়াই উত্তম।
২০ থেকে ৩০ বছর যাদের বয়স তারা দিনে দু থেকে তিনটি ডিম খেতে পারেন। শরীরের ওজন যদি বেশি হয়ে থাকে তাহলে কুসুম খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সীদের দিনে দুটির বেশি ডিম খাওয়া উচিত হবে না। কুসুম ছাড়া ডিম খাওয়া ভালো হবে তাদের।
৪০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে বয়স যাদের তারা কুসুম ছাড়া দিনে দুটি করে ডিম খেতে পারেন। ৫০ থেকে ৬০ বছর বয়সীদের কুসুম ছাড়া দিনে একটি করে ডিম খাওয়ার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞ ডায়েটেশিয়ানরা।
সূত্র- জিনিউজ
জিএ




