ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

শীতে শরীর গরম রাখবে যেসব খাবার

লাইফস্টাইল, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ ডিসেম্বর ২০২০, ০৭:৩২ পিএম
শীতে শরীর গরম রাখবে যেসব খাবার

ইতোমধ্যে দেশজুড়ে শীত পড়েছে। শীতকালে প্রায় সবার ত্বকে কমবেশি সমস্যা দেখা দেয়। অনেকের বিভিন্ন শারীরিক সমস্যাও দেখা দেয়। তাপমাত্রা নিচের দিকে নামার সাথে সাথে সমস্যাও যেন প্রতিযোগিতা শুরু করে। তারপরও সকলের পছন্দ এই শীত। এতো সব কষ্ট মেনে সবাই শীতে উষ্ণতা খুঁজেন। সকলে গরম পোশাক ব্যবহার করেন শরীর গরম রাখার জন্য।

কনকনে শীতেও শরীরকে গরম রাখতে দৈনন্দিন জীবনের খাদ্য তালিকায় কিছু খাবার যোগ করলেই গরম থাকবে আপনার শরীর। শরীর গরম রাখতে সেই সব খাবারগুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক-

১. মধু : শরীরকে গরম রাখার জন্য মধুর বিকল্প নেই, এটা সবারই জানা। কেবল শরীরকে গরম রাখা নয়, এর বাইরে সর্দি জ্বর, কাশি থেকেও রক্ষা পেতে মধু সেবন অনেক উপকারী। প্রতিদিন এক চামচ মধু শারীরিক সমস্যা দূর করে থাকে।

২. কলা : কলায় রয়েছে ভিটামিন-বি এবং ম্যাগনেসিয়াম। একাধিক পুষ্টিগুণের ফল এই কলা। নিয়মিত কলা খেলে শরীরকে গরম রাখার বাইরেও থাইরয়েডের সমস্যা থেকে নিরাপদে থাকা যায়। এমনকি মুড ভালো রাখা ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে কলা।

৩. আদা চা : গরম গরম আদা চা খেলে ঠাণ্ডা অনেকটাই কমে যায়। কেননা, আদায় রয়েছে ডায়োফোরেটিক বৈশিষ্ট্য। এ উপাদানটি শরীর গরম করে। পাশাপাশি হজম-ক্ষমতা ঠিক রাখতেও কার্যকরী ভূমিকা রাখে আদা।

৪. কফি : কফিতে ক্যাফেইন রয়েছে যা মেটাবোলিজম বৃদ্ধি করে। মেটাবোলিজম বৃদ্ধির ফলে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। তাই ব্যস্ততার ফাঁকে দু-একবার কফির কাপে চুমুক দিতে পারেন।

৫. সর্ষে : সর্ষের তেল, কাঁচা সর্ষে বা সর্ষের শাক শরীরের জন্য উপকারী। শরীরে সর্ষের তেল মালিশ করলে গরম থাকে শরীর।

৯. গুড় : চিনির থেকে গুড়ের স্বাস্থ্যগুণ অনেক বেশি। গুড়ে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাসিয়াম রয়েছে। ফলে শীতকালে গুড় খেলে শরীরকে গরম হতে সাহায্য করে এবং ভেতর থেকেও গরম রাখে শরীর।

এসএল

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কফি পানে আয়ু বাড়ে, গবেষণা
শীতকাল সবার কাছেই পছন্দের ঋতু। কে না ভালোবাসে এই শীত? সকালে ঘুম থেকে উঠে গরম গরম এক কাপ কফি না হলে হয়! কফিতে চুমুক দেয়া মানেই যেন অনুভূতি বদলে যাওয়া। আবার অফিসে ব্যস্ততার ফাঁকে এক কাপ কফি রিল্যাক্স করে দিতে পারে অতিরিক্ত কাজের চাপগুলো। কিন্তু আপনি কি জানেন, দিনে আপনার কয় কাপ কফি খাওয়া উচিত? তবে এটা ঠিক যে, তিন কাপ কফি খেতে পারলে আপনার জন্য অনেক ভালো। গবেষণা বলছে, দিনে তিন কাপ কফি খেলে আয়ু বাড়ে মানুষের। ইউরোপীয় ১০টি দেশের প্রায় পাঁচ লক্ষ মানুষের উপর এ সংক্রান্ত গবেষণা চালানোর পর এমন সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ করা হয়েছে। সেই ভিত্তিতেই এমন দাবি করছেন গবেষকরা। অ্যানালস অব ইন্টারনাল মেডিসিন’র একটি গবেষণা জার্নালে বলা হয়েছে, মাত্র এক কাপ অতিরিক্ত কফি আয়ু বাড়াতে পারে মানুষের। এমনকি এই কফি যদি ডিক্যাফিনেটেড বা ক্যাফিনবিহীনও হয়ে থাকে তাহলেও হবে। লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের গবেষকরা বলেছেন, বেশি কফি পান মৃত্যু ঝুঁকি কমায়। এছাড়াও হৃদরোগ এবং পাকস্থলীর রোগে মানুষের মৃত্যুর ঝুঁকিও কমিয়ে থাকে। এদিকে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্যার ডেভিড স্পিগেলহালটার বলছেন, গবেষণার দাবি যদি সঠিক হয় তাহলে অতিরিক্ত এক কাপ কফিতে একজন পুরুষের তিন মাস এবং একজন মহিলার এক মাস আয়ু বাড়তে পারে। তবে এ গবেষণার ব্যাপারে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। বলছেন, কফি মানুষের আয়ু বাড়াচ্ছে নাকি কফি পানকারী মানুষদের জীবন ব্যবস্থাপনার জন্য দীর্ঘদিন বাঁচছেন তারা, এটা স্পষ্ট নয়। তবে আগের গবেষণায় মানবদেহের ওপর কফির প্রভাব নিয়ে পাল্টাপাল্টি ফল পাওয়া গিয়েছিল। কফিতে থাকা ক্যাফেইন মানুষকে সাময়িক সময়ের জন্য সজাগ রাখতে পারে। কিন্তু বিভিন্ন মানুষের ওপর ক্যাফেইনের প্রভাব বিভিন্ন রকম। এদিকে ব্রিটেনের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস বলছে, সন্তান সম্ভবা নারীদের দিনে ২০০ গ্রামের বেশি ক্যাফেইন গ্রহণ করা মোটেও উচিত হবে না। অতিরিক্ত কফি পানের ফলে গর্ভে থাকা সন্তান খুব ছোট হতে পারে বলে মনে করছেন সংস্থাটি। সূত্র: জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় এসআর/এমকে
কফি পানে আয়ু বাড়ে, গবেষণা
কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্যা থাকবেই না, পাঁচটি নিয়ম মানুন
কোষ্ঠকাঠিন্য হলে পেট ও কোমরে ব্যথা হয়। ব্যথা হয় মলদ্বারেও। এছাড়াও চাপ পড়ে কোলনে। দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগলে সেখান থেকে কোলন ক্যানসারও হতে পারে। কোষ্ঠকাঠিন্য হলে পেট পরিষ্কার হয় না। ফলে গ্যাস হতেই থাকে। এছাড়াও খাওয়ার কোনও রুচি থাকে না। শীতে খাওয়া দাওয়া নিয়ে সকলকেই সচেতন থাকতে হবে। যারা নিয়মিত ওষুধ খান তাঁদের শীতে এই সমস্যা একটু বেশি। শরীরে ডায়াবেটিস, থাইরয়েড বা কোলেস্টেরলের সমস্যা থাকলে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি নাজেহাল করে।  ঘরোয়া উপায়ে কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিকার করবেন কেমন করে জানুন পানি বর্তমানে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা একটা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এজন্য পানি পানের অভ্যাস করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ঈষৎ উষ্ণ পানি খেলে হজমের সমস্যা দূর হয় ও কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে উপশম মিলতে পারে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ঈষৎ উষ্ণ পানিতে পাতি লেবুর রস ও এক চা চামচ লেবু বা ঈষৎ উষ্ণ জলে অল্প হলুদ দিয়ে খেলেও এই সমস্যা দূর হতে পারে। ফাইবার যুক্ত খাবার খান ফাইবার পেট পরিষ্কার রাখে, হজমে সাহায্য করে, ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যও দূর করতে পারে। প্রতি দিন একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের ২৫ থেকে ৩০ গ্রাম ফাইবার খাওয়া জরুরি। পেঁপে, কলা, কমলা লেবু, নাসপাতি, অ্যাভোকাডোর মতো ফল খাওয়া যেতে পারে। এগুলোতে শুধু ফাইবার থাকে তা নয়, থাকে, ভিটামিন ও মিনারেলসও। ব্রকোলি, পালং শাক, স্প্রাউটসেও প্রচুর পরিমাণ ফাইবার থাকে। প্রতি দিন একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের ২৫ থেকে ৩০ গ্রাম ফাইবার খাওয়া জরুরি। পেঁপে, কলা, কমলা লেবু, নাসপাতি, অ্যাভোকাডোর মতো ফল খাওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি সবুজ সবজি খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।  প্রোবায়োটিক খাবার প্রোবায়োটিক খাবার ইনটেস্টাইনে ভালো ব্যাকটেরিয়ার সঞ্চার করে। এক্ষেত্রে দইয়ের মতো খাবার খাওয়া যেতে পারে। আমাদের শরীরে দু’ধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকে— ভালো ব্যাকটেরিয়া ও খারাপ ব্যাকটেরিয়া। এই ভাল ব্যাকটেরিয়াই হল প্রোবায়োটিক।  নিয়মিত ব্যায়াম বা যোগ অভ্যাস হাঁটা, জগিং, ফ্রি-হ্যান্ড, সাইকেল চালানো বা সাঁতার কাটা- এই ব্যায়ামগুলো করলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে ভাল থাকা যেতে পারে। সুস্থ থাকতে যোগাসন বা যোগ ব্যায়ামের বিকল্প নেই।  প্রাকৃতিক উপাদান  কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আমলকী, অ্যালোভেরা জুস, কাঁচা হলুদ, তিল, ফ্ল্যাক্স সিড, ভেজানো চিয়া সিডস বা ত্রিফলার মতো খাবার ডায়েটে রাখুন।  সূত্র- এই সময় জিএ
কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্যা থাকবেই না, পাঁচটি নিয়ম মানুন
যে পাঁচটি ভেষজ খেলে পেটের গ্যাস দূর হবে
শীতকালে কমবেশি অনেকে গ্যাসের সমস্যায় ভোগেন। অনেকে আবার বছরের সব সময় এই সমস্যার সম্মুখীন হন। তবে গ্যাসের সমস্যায় ওষুধ খেয়ে না কমিয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে কমানো সম্ভব। প্রাকৃতিক উপায়ে গ্যাসের সমস্যা দূর করা সব থেকে ভালো উপায়- যেভাবে করবেন যে কোনও খাবারে অল্প একটু জিরা গুঁড়া দিলে খাবারের স্বাদ পরিবর্তনের সঙ্গে ভালো হয়ে যাবে গ্যাসের সমস্যাও। সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস পানিতে তুলসী পাতার রস মিশিয়ে খেলে গ্যাসের সমস্যা দূর করা যায়। এছাড়াও এই পাতার রস খেলে খুব তাড়াতাড়ি রোগাও হওয়া যেতে পারে। মৌরি খুব ভালো গ্যাস প্রতিরোধক। গরম পানিতে বীট লবণ দিয়ে মৌরি ভেজানো পানি দুপুরের খাওয়ার ৪৫ মিনিট পর খেলে খুব উপকার পাওয়া যায়। রসুন গ্যাসের জন্য খুব উপকারী। রসুন শুধু খাবারে স্বাদ আনে না, এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে যা হজম করতে সাহায্য করে। গ্যাস-অম্লের জন্য আদা খুব উপকারী। আদা খাওয়ার ফলে হজম খুব তাড়াতাড়ি হয়। পেট যদি খুব তাড়াতাড়ি খালি হয়ে যায় তাহলে সেই খালি পেটে গ্যাস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই মশলাদার অথবা ভারী কোনও খাবার খাওয়ার আধ ঘণ্টা আগে এক কুঁচি আদা খেয়ে নিলে আর কোনও সমস্যা থাকবে না। সূত্র- ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জিএ
যে পাঁচটি ভেষজ খেলে পেটের গ্যাস দূর হবে
শীতে পরিমাণের বেশি ডিম খেলেই বিপদ!
সকালের নাস্তায় অথবা দুপুরের ভারী খাবারে ডিমের তরকারি থাকা মধ্যবিত্তের এক প্রকার খাদ্যাভ্যাস। কিন্তু আমাদের প্রতিদিন কয়টি করে ডিম খাওয়া উচিত? আমরা কি খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখতে গিয়ে প্রয়োজনের থেকে বেশি খাচ্ছি? মনের মধ্যে এমন অনেক প্রশ্ন। কেনোনা পরিমাণের বেশি ডিম খেলে শরীরে কোলেস্টেরলে মাত্রা বেড়ে যায়। এতে করে হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর ডিম খাওয়া নিয়ে বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন, এবার তা জেনে নেয়া যাক। বয়স অনুযায়ী ডিম কয়টি করে খাওয়া উচিত তা অনেকেরই জানা নেই। ডিম অনেকের প্রিয় খাবার। স্বাস্থ্যের জন্য ডিম কতটা উপকারী, অতিরিক্ত ডিম খেলে শরীরে ক্ষতিকারক প্রভাব পড়বে কিনা এ নিয়েই চিন্তা সবার। যাদের উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদযন্ত্রে সমস্যা রয়েছে তাদের সপ্তাহে তিন দিন কুসুম ছাড়া ডিম খাওয়ার জন্য পরামর্শ দেন ডায়েটেশিয়ানরা। বিশেষজ্ঞ ডায়েটেশিয়ানরা বলছেন, ৫ থেকে ১০ বছরের শিশুদের দিনে একটির বেশি ডিম খাওয়ানো কখনো উচিত নয়। ওজন যদি কম থাকে তাহলে কুসুমসহ ডিম খেতে হবে। তবে ওজন বেশি হয়ে থাকলে কেবল মাত্র সাদা অংশ খাওয়ার জন্য পরামর্শ দিচ্ছেন ডায়েটেশিয়ানরা। ১০ থেকে ১৫ বছর যাদের বয়স তারা দিনে দু’টি করে ডিম খেতে পারেন। তবে দুটি ডিমেরই কুসুম খাওয়া একদমই ঠিক হবে না। একটি কুসুমসহ এবং অন্যটি কুসুম ছাড়া খাওয়া ভালো। ১৫ থেকে ২০ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে তিন থেকে চারটি ডিম খাওয়া যেতে পারে। তবে অন্যান্য খাবারের সাথে যদি প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার থাকে তাহলে ডিম না খাওয়াই উত্তম। ২০ থেকে ৩০ বছর যাদের বয়স তারা দিনে দু থেকে তিনটি ডিম খেতে পারেন। শরীরের ওজন যদি বেশি হয়ে থাকে তাহলে কুসুম খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সীদের দিনে দুটির বেশি ডিম খাওয়া উচিত হবে না। কুসুম ছাড়া ডিম খাওয়া ভালো হবে তাদের। ৪০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে বয়স যাদের তারা কুসুম ছাড়া দিনে দুটি করে ডিম খেতে পারেন। ৫০ থেকে ৬০ বছর বয়সীদের কুসুম ছাড়া দিনে একটি করে ডিম খাওয়ার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞ ডায়েটেশিয়ানরা। সূত্র- জিনিউজ জিএ
শীতে পরিমাণের বেশি ডিম খেলেই বিপদ!
নিয়ম করে কাঁচা মরিচ খেলে কমবে যেসব ঝুঁকি
কাঁচা মরিচ খেতে অনেকে ভয় পান! কিন্তু স্বাদে ঝাল হলেও এমনিতে এটি অনেক উপকারী। গুণও হাজার! সুস্থ থাকতে প্রতিদিন নিয়ম করে ১টা থেকে ২টা কাঁচা মরিচ খাওয়া উচিৎ। চেষ্টা করুন, রান্না নয়, কাঁচা অবস্থায় খেতে। উপকারিতা-  কাঁচা মরিচ রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি কমায়, এজন্য হার্টও ভালো থাকে। কাঁচা মরিচ মেটাবোলিজমের হার বাড়িয়ে ক্যালোরি পোড়াতে সাহায্য করে। ফলে ওজন কমে তাড়াতাড়ি। কাঁচা মরিচে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বিটা ক্যারোটিন যা কার্ডিওভাস্কিউলার সিস্টেমকে ঠিক রাখে। কাঁচা মরিচ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। কাঁচা মরিচে ভিটামিন এ থাকায় হাড়, দাঁত ও মিউকাস মেমব্রেনকে ভালো রাখে। ভিটামিন সি থাকায় মাড়ি ও চুলে পুষ্টি যোগায়। কাঁচা মরিচে নার্ভের জন্যও উপকারী। ত্বকে সহজে বলিরেখা পড়তে দেয় না। সূত্র- নিউজ এইটিন। জিএ
নিয়ম করে কাঁচা মরিচ খেলে কমবে যেসব ঝুঁকি
আরও পড়ুন
চলন্ত বাস থেকে লাফ দিয়ে ধর্ষণ থেকে বাঁচলো কলেজছাত্রী
মলের রঙ জানান দেয় শরীরে কোন রোগ আছে
শীত ও কুয়াশায় পানের বরজে ছড়িয়ে পড়ছে রোগ
চুয়াডাঙ্গায় শীতজনিত রোগে দুই নবজাতকের মৃত্যু