ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

জীবাণু সংক্রমণ সুরক্ষায় মধু

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর ২০২২, ১১:১৬ এএম

আবহমানকাল ধরে আমাদের দেশে জন্মের পরপরই নবজাতককে মধু খাওয়ানোর রেওয়াজ প্রচলিত। যেকোনো রেওযাজ প্রচলনের পেছনে কিছু না কিছু ভিত্তি মধ্যে। মধুর মধ্যে এমন কিছু ন্যাচারাল এন্টিবায়োটিকস গেছে, যা শিশুর স্পর্শকাতর দেহে জীবাণুনাশক ক্ষমতা তৈরি করে। এই এন্টিবায়োটিকস পূর্ণবয়স্কদের দেহেও সংক্রমণরোধে সক্ষমতা বাড়ায়। তাই যুগ যুগ ধরে রোগ প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মধু ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

প্রাচীনতম চিকিৎসাশাস্ত্রে যেমন মধুর ভেষজ গুণের উল্লেখ রয়েছে, তেমনি আজকের সময়ে বৈজ্ঞানিকভাবেও দেহে পুষ্টি ও শক্তি জোগানোর পাশাপাশি মধুর জীবাণুনাশক আশ্চর্য ক্ষমতা প্রমাণিত হয়েছে। গবেষণায় মধুর মধ্যে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে অকার্যকর করার শক্তিশালি ওষুধি উপাদানের সন্ধান মিলেছে। পাশাপাশি দেহের বিভিন্ন ক্ষত দ্রুত নিরাময়েও মধুর কার্যকর ভূমিকা পালনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। মধুর ওষুধি গুণাবলী নিয়ে বিভিন্ন বায়োমেডিকেল ও সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত বেশ কিছু গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য আমরা তুলে ধরছি।

আমরা জানি, মধু দেহে পর্যাপ্ত তাপ ও শক্তির জোগান দেয়। পুষ্টিগুণেও এটি অনন্য। গবেষণায় মধুতে প্রায় ৪৫টি খাদ্য উপাদান পাওয়া যায়। ফুলের পরাগের মধুতে থাকে ২৫ থেকে ৩৭ শতাংশ গ্লুকোজ, ৩৪ থেকে ৪৩ শতাংশ ফ্রুক্টোজ, ০.৫ থেকে ৩.০ শতাংশ সুক্রোজ এবং ৫-১২ শতাংশ মন্টোজ। আরো থাকে ২২ শতাংশ অ্যামাইনো অ্যাসিড, ২৮ শতাংশ খনিজ লবণ এবং ১১ ভাগ এনকাইম। এতে চর্বি ও প্রোটিন নেই। ১০০ গ্রাম মধুতে থাকে ২৮৮ ক্যালরি। সবচেয়ে বড়কথা হলো, মধুর মধ্যে থাকে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান যা আমাদের দেহের ভেতরে-বাইরে জীবাণুর বিস্তার প্রতিরোধ করে।

সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা গেছে, মধুর মধ্যে থাকা হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড ভিত্তিক এনজাইম দেহে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল প্রভাব বাড়ায়। এটি শরীরের আভ্যন্তরিণ পিএইচ স্তরকে এতোটাই শক্তিশালি করে তুলে যে, ব্যাকটেরিয়া দেহকোষে বিপজ্জনক কার্যকলাপ চালানোর সুযোগ পায় না। এটি অবশ্য মধুর গুনগতমানের ওপর নির্ভরশীল। প্রাকৃতিকভাবে আহরণ করা মধু আর কারখানায় প্রক্রিয়াজাত করা মেডিকেল গ্রেডের মধুতে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদানের বেশ কম আছে। ফুলের পরাগের প্রাকৃতিক মধুই অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সমৃদ্ধ হয়ে থাকে। আর ভেজাল মধু সেবনে উল্টো জীবাণু-সংক্রমণের শঙ্কা বাড়ায়। পুরো জীবনকে ঠেলে দেয় হুমকিতে।

আধুনিক সময়ে দেহে সংক্রামিত ক্ষত নিরাময়ের চিকিৎসায় অযেনমেন্ট বা মলম ব্যবহার করা হয়। প্রাচীনকালে ব্যবহার করা হতো মধু। এই তথ্য পাওয়া গেছে ২৫০০-২০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের কিছু শিলালিপিতে। আজকের চিকিৎসাবিজ্ঞানীরাও মধুর মধ্যে খুঁজে পেয়েছেন, শক্তিশালি এন্টিসেপটিক উপাদান। তারা বলছেন, ক্ষত ও ত্বকের চিকিৎসায় মধু প্রয়োগ করা যেতে পারে। কেটে যাওয়া, ছুঁড়ে যাওয়া বা আগুনে পোড়া ত্বকের কোষ দ্রুত পুনর্গঠনে মধু দারুণ সহায়তা করে। এমনকি পাকস্থলিতে আলসারজনিত ক্ষত নিরাময়ের জন্যও মধু সমান কার্যকর। মধুর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ক্ষত নিরাময়ে নতুন টিস্যু তৈরির গতি বাড়ায়। ক্ষতে জীবাণু সংক্রমন থেকেও মধু দেয় সুরক্ষা। ক্ষতে প্রদাহ তৈরি করা এন্টারোব্যাক্টার অ্যারোজেনস, সালমোনেলা টাইফিমুরিয়াম, এস.অরেয়াস[সহ বিভিন্ন রোগ-জীবাণুর বিরুদ্ধেও মধু সমান কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে। মধুর এন্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ এতটাই প্রবল যে, যে কোন ধরনের ব্যাকটেরিয়া মধুর মধ্যে এক ঘন্টার বেশি টিকে থাকতে পারে না।

সম্প্রতি পেপটিক আলসার এবং গ্যাস্ট্রাইটিস নিরাময় নিয়ে এক গবেষণায় মধু প্রয়োগে জাদুকরি ফল পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তারা বলছেন, মধুর মধ্যে থাকা যৌগ ফ্ল্যাভোনয়েড ও পলিফেনলে দেহের অভ্যন্তরের খাদ্যনালি ও অন্ত্রের ক্ষতিগ্রস্ত কোষে উদ্দিপক হিসেবে কাজ করে। পাশাপাশি এসব উপদান প্রদাহ-বিরোধী ভূমিকাও পালন করে থাকে। ক্লিনিকাল পরীক্ষায় দেহের বিভিন্ন ধরনের ক্ষতে মধু প্রয়োগ করা হলে প্রদাহ দ্রুত হ্রাসের লক্ষণ রেকর্ড করা হয়েছে। মধুর মধ্যে পাওয়া গেছে পর্যাপ্ত কপার, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ। এসব উপাদান রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা দিয়ে থাকে। এসব কারণে বাজারের এন্টিবায়োটিকের মলমের বদলে চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা মধু ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছেন।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
আজ ৩১ ডিসেম্বর, ২০২২, শনিবার। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়। ঘটনাবলি: ১৬০০ - ব্রিটেনের রানী এলিজাবেথ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান হিসেবে অনুমোদন দেন। ১৮০২ - পেশোয়া দ্বিতীয় বাজিরাও ব্রিটিশ সরকারের আশ্রয় গ্রহণ করেন। ১৮২৭ - ইংরেজ ফার্মাসিস্ট জন ওয়াকার দিয়াশলাই আবিষ্কার করেন। ১৮৩১ - কৃষ্ণধন মিত্রের সম্পাদনায় শিশুপাঠ্য মাসিক পত্রিকা ‘জ্ঞানোদয়’ প্রকাশিত হয়। ১৯০৬ - চীনের থুংমেং হুই দলের সদস্য লিউ তাওই চীনের ছাংশা শহরে গ্রেপ্তার হয়ে নিহত হন। ১৯১৬ - রাশিয়ার যাজক রাসপুটিন নিহত হন। ১৯২৫ - রুমানিয়ার রাজা দ্বিতীয় ক্যারোল পুত্রের স্বপক্ষে সিংহাসন ত্যাগ করেন। ১৯২৯ - জওহরলাল নেহরু ত্রিবর্ণরঞ্জিত জাতীয় পতাকা উড়িয়ে ভারতীয় কংগ্রেসে ঘোষণা করেন ‘পূর্ণ স্বাধীনতাই ভারতের লক্ষ্য’। ১৯৪২ - স্টালিনগ্রাদের লড়াইয়ে জার্মান বাহিনী পরাজয় বরণ করে। ১৯৪৮ - কার্জন হলে পূর্ব-পাকিস্তান সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে জ্ঞানতাপস ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা ভাষার পক্ষে তথ্যপূর্ণ হৃদয়স্পর্শী ভাষণ দেন। ১৯৮৩ – ব্রুনাইর স্বাধীনতা ঘোষণা হয়। ১৯৮৭ - চীনের নৌবাহিনীর পারমাণবিক ডুবু জাহাজের প্রথম নৌযাত্রা সাফল্যের সঙ্গে সমাপ্ত হয় । ১৯৮৮ - পরমাণু, অনাক্রমণ, বিমান পরিবহন ও সংস্কৃতি বিষয়ে ভারত-পাকিস্তান চুক্তি স্বাক্ষর। ১৯৮৯ - সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত প্রজাতন্ত্রগুলোতে জাতীয়তাবাদী চেতনা চরমে ওঠার প্রেক্ষাপটে আজারবাইজান প্রজাতন্ত্রের জনগণ ইরানের সঙ্গে একত্রিত হবার জন্যে আন্দোলন শুরু করে। ১৯৯৩ - হাংচৌ শহরে চীনের প্রথম ইলেক্ট্রনিক সংবাদপত্রের প্রচলন হয় । ১৯৯৬ - ৭৪ বছর বয়স্ক বুট্রোস ঘালি ছিলেন প্রথম আফ্রিকা ব্যক্তি যিনি জাতিসংঘের মহসচিবের পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৯৯ - আমেরিকা কর্তৃক পানামা খাল পানামার কাছে হস্তান্তর। ১৯৯৯ - রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলেৎসিন পদত্যাগ করেন এবং ভ্লাদিমির পুতিন তার স্থলাভিষিক্ত হন। ২০০২ - জার্মানিতে বিশ্বের প্রথম ম্যাগনেটিক দ্রুততম ট্রেনের (ঘণ্টায় ২৭০ মাইল গতি) যাত্রা শুরু। ২০০৯ – এ দিনে সুপার মুন ও চন্দ্রগ্রহণ একই সঙ্গে ঘটেছিল। ২০১৪ – চিনের সাংহাই এ বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে সন্ত্রাসীদের হামলায় ৩৬ লোক নিহত ও ৪৯ জন আহত হয়। জন্ম: ১৪৯১ - ফরাসি অভিযাত্রিক, কানাডার অন্যতম আবিষ্কারক জাক কার্তিয়ে। ১৭৩৮ - ভারতের ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিশ। ১৮৮০ - নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন রাজনীতিবিদ জর্জ মার্শাল। ১৮৮৮ - বৌদ্ধধর্ম ও দর্শন শাস্ত্রের গবেষক বেণীমাধব বড়ুয়া। ১৯১১ - চিকিৎসাবিজ্ঞানী ও মানবহিতৈষী ড. মোহম্মদ ইব্রাহিম। ১৯১৮ - শিক্ষাবিদ ও গবেষক আজিজুর রহমান মল্লিক। ১৯৩৭ - নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হাঙ্গেরিয়ান বংশোদ্ভূত ইসরায়েলি প্রাণ রসায়ন বিজ্ঞানী আব্রাহাম হেরশক। ১৯৪৫ - তাত্ত্বিক কম্পিউটার বিজ্ঞানী লেনার্ড এডলম্যান। ১৯৪৮ - কবি ও লেখক হাবীবুল্লাহ সিরাজী। ১৯৫২ - কবি ত্রিদিব দস্তিদার। ১৯৮৬ - বাংলাদেশি ক্রিকেটার নাঈম ইসলাম। মৃত্যু: ১৯২১ - ইরানের স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব মীর্জা কুচাক খান জাঙ্গালী। ১৯৮৩ - প্রখ্যাত ভাষাসৈনিক ও প্রগতিশীল রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ সুলতান। ১৯৯০ - বামপন্থী রাজনীতিবিদ ও কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা মণি সিংহ। ২০০৬ - বাংলাদেশের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী শেফালী ঘোষ।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
আজ ৩০ ডিসেম্বর, ২০২২, শুক্রবার। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়। ঘটনাবলি ১৭৩০ - জাপানের হোক্কাইদোতে প্রচণ্ড ভূমিকম্পে ১ লাখ ৩৭ হাজার লোকের মৃত্যু হয়। ১৮০৩ - ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি মোগল দরবারের কাছ থেকে দিল্লি ও আগ্রার শাসনভার গ্রহণ করে। ১৮০৩ - গোয়ালিয়রের মহারাজ সিদ্ধিয়া ব্রিটিশ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেন। ১৯০০ - অস্ট্রেলীয় কমনওয়েলথ গঠিত হয়। ১৯০৬ - ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহর প্রাসাদে মুসলিম শিক্ষা সম্মেলনে নিখিল ভারত মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠা হয়। ১৯২২ - বলশেভিক বিপ্লবের ঢেউয়ে জার সাম্রাজ্য বিধ্বস্ত হয় এবং সোভিয়েত কমিউনিস্ট পার্টি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯২৫ - কানপুরে কমিউনিস্টদের সর্বভারতীয় প্রথম সম্মেলন শেষ হয় এবং ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৫৯ - চীনের প্রথম ব্যাল্লে দল; পেইচিং হত্যকলা কলেজের পরীক্ষামূলক ব্যাল্লে দল পেইচিংয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭২ - স্বাধীন বাংলাদেশের হাইকোর্ট উদ্বোধন। ১৯৯২ - বোরহানউদ্দিন রব্বানি আফগানিস্তানের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত। ১৯৯৭ - চীন সরকার ও দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার দক্ষিণ আফ্রিকার রাজধানিতে দুদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার যৌথ ইস্তাহার স্বাক্ষর করে। ২০০৬ - ইরাকের সাবেক একনায়ক সাদ্দামকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের দায়ে ফাঁসি দেওয়া হয়। জন্ম ১৮৬৫ - নোবেলজয়ী ইংরেজ সাহিত্যিক রুডইয়ার্ড কিপলিংয়। ১৯৪৬ - জার্মান জাতীয় ফুটবল দলের প্রাক্তন খেলোয়াড় ও ম্যানেজার বের্টি ফোক্টস। ১৯৫০ - ডেনীয় কম্পিউটার বিজ্ঞানী বিয়ারনে স্ট্রোভস্ট্রুপ। ১৯৭৫ - আমেরিকার গল্ফ খেলোয়ার টাইগার উড।   মৃত্যু ১৯৪৪ - ফরাসী ঔপন্যাসিক ও বিশ্বশান্তি আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা রমা রোলাঁ। ১৯৫৩ - কবি শাহাদাৎ হোসেন। ১৯৫৯ - পল্লীগীতি শিল্পী ও সুরকার আব্বাসউদ্দীন আহমদ। ১৯৬৮ - জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব হ্যালডান লী। ১৯৭৯ - বি অজিত কুমার দত্ত। ২০১১ - বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা এম হামিদুল্লাহ খান।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
অ্যাসিডিটি দূর করতে নিয়মিত যে ৫ খাবার খাবেন
বর্তমান সময়ে অনেক মানুষই অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভোগেন। খাবারে একটু এদিক-সেদিক হলেই দেখা দেয় অ্যাসিডিটি। তাই থাকতে হয় সতর্ক। অনেকে আবার অ্যাসিডিটি দেখা দিলেই আগেভাগে অ্যান্টাসিড খেয়ে থাকেন। কিন্তু এটি কোনো সমাধান নয়। কলকাতার বিশিষ্ট ডায়েটেশিয়ান মীনাক্ষী মজুমদার বলেছেন, অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকলে সেক্ষেত্রে ডায়েট মানতে হবে। পাশাপশি ব্যায়াম, মাইন্ডফুলনেস করলেও উপকার পাবেন। এমন পাঁচটি খাবার সম্পর্কে জেনে নিন, যেগুলো খেলে অ্যাসিডিটি দূর করতে সাহয্য করবে— প্রচুর পানি পান করুন অ্যাসিডিটির সমস্যা হলে প্রচুর পানি পান করতে হবে। কারণ পর্যাপ্ত পানি পান করলে হজম প্রক্রিয়া সঠিকভাবে চলতে পারে। দিনে অন্তত আড়াই থেকে তিন লিটার পানি পান করুন। এতে সুস্থ থাকা বেশি সহজ হবে। চিড়া চিড়া খেলে অনেকগুলো উপকার পাবেন। তার মধ্যে অন্যতম হলো অ্যাসিডিটির সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আসবে। এতে থাকা বিভিন্ন উপকারী উপাদান পেটের অনেক সমস্যা দূর করতে কাজ করে। তাই অ্যাসিডিটি হলে চিড়া কিংবা চিড়ার পোলাও খেতে পারেন। তবে এই পোলাও তৈরির সময় খুব সামান্য তেল দেবেন। বেশি তেল ব্যবহার করলে সমস্যা বাড়তে পারে। ওটস খান ওটস অনেক উপকারী একটি খাবার। এতে রয়েছে পর্যাপ্ত ফাইবার। হজমের জন্য এই ফাইবার বেশ সহায়ক। পেট ভালো রাখার পাশাপাশি সুগারও নিয়ন্ত্রণ করে। সেইসঙ্গে ওটস খেলে তা দীর্ঘ সময় পেট ভরিয়ে রাখে। বারবার ক্ষুধা না লাগার কারণে খাওয়াও হয় পরিমিত। ফলে ওজন বৃদ্ধির ভয় থাকে না। নিয়মিত ওটস খেলে অ্যাসিডিটির ভয় দূর হবে। সকালে হালকা গরম পানি পান করুন প্রতিদিন সকালে উঠে এক গ্লাস হালকা গরম পানি পান করুন। এতে আপনার অ্যাসিডিটির সমস্যা অনেকটাই দূর হবে। এই পানি পেটের অনেক সমস্যার সমাধান করে থাকে। অন্ত্র পরিষ্কারেও এটি কার্যকরী। তবে এই পানির সঙ্গে লেবুর রস মেশাতে যাবেন না। কারণ এতে অ্যাসিডিটির সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। ডিম ও ছানা প্রোটিনের সমৃদ্ধ উৎস হলো ডিম। এটি সহজলভ্য এবং সহজপাচ্য। সেইসঙ্গে খেতে পারেন ছানা। তবে এই ছানা হতে হবে ফ্যাট ছাড়া দুধের তৈরি। কারণ বাড়তি ফ্যাট যোগ হলে অ্যাসিডিটি নাও কমতে পারে। এসব খাবার খাওয়ার পরও অ্যাসিডিটি না কমলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
অ্যাসিডিটি দূর করতে নিয়মিত যে ৫ খাবার খাবেন
ত্বকে ছোট ছোট র‍্যাশ, ব্রণ নাকি কোনও রোগের লক্ষণ
শীতকালে আমাদের ত্বকের অনেক রকম পরিবর্তনই লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু শীতের সময় প্রায় মানুষেরই যে সমস্যাটা বেশি দেখা যায় তা হলো ব্রণ।  ত্বকের এই অবস্থার বিশেষ একটি নাম আছে। চিকিৎসকরা একে বলেন, ‘কেরাটোসিস পিলারিস’। এই রোগের মূল কারণ হল ত্বকের কেরাটিন প্রোটিন। যা ত্বকের উন্মুক্ত রন্ধ্রগুলির মুখ আটকে দেয়। তার ওপর সেখানে ধুলো-ময়লা জমলে, সারা দেহে ছোট ছোট দানার মতো র‌্যাশ দেখা যায়। অনেকেই এই ধরনের র‌্যাশ দেখে ব্রণ ভেবে ভুল করেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, সারা বছর কমবেশি এই সমস্যা থাকলেও আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে এই সময়ে এই সমস্যার প্রাদুর্ভাব আরও বেড়ে যায়। তবে এর জন্য বিশেষ চিন্তারও কারণ নেই। নিয়মিত যত্ন নিলেই ত্বক মসৃণ হয়। সাধারণত মহিলাদের মধ্যে এই রোগ দেখা যায়। প্রায় সারা বছরই হাত, পিঠে দেখা যায় এ ব্রণ। কারও কারও ক্ষেত্রে ব্যথা হয়, আবার কারও হয় না। দেখে নিন এ সমস্যায় কোন বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন-   আর্দ্র রাখা : সব সময়ে ত্বককে আর্দ্র রাখলে এই সমস্যা থেকে অনেকটা মুক্তি পাওয়া যায়। এই মরসুমে শরীরে পানির ঘাটতি থাকায় নানা রকম সমস্যা হতে পারে। ‘কেরাটোসিস পিলারিস’ তাদের মধ্যে একটি। বিশেষ রাসায়নিকযুক্ত প্রসাধনী ব্যবহার করা : এই সমস্যার হাত থেকে মুক্তি পেতে যে সব প্রসাধনী ব্যবহার করছেন, সেগুলির মধ্যে যেন আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড, ল্যাকটিক অ্যাসিড, স্যালিসিলিক অ্যাসিড অবশ্যই থাকে। এই সব যৌগ একত্রে ব্যবহার করলে ত্বকের মৃত কোষের সমস্যা অনেকটাই দূর হবে। এক্সফোলিয়েট : ত্বকের অবস্থা বুঝে প্রতিদিন গোসলের আগে এক্সফোলিয়েট করা জরুরি। কিন্তু সাধারণ ভাবে বাজারে যা পাওয়া যায়, তেমন প্রসাধনী ব্যবহার করলে চলবে না। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে, বিশেষ ধরনের একটি রাসায়নিক মিশ্রিত এক্সফোলিয়েটর ব্যবহার করাই ভালো।
ত্বকে ছোট ছোট র‍্যাশ, ব্রণ নাকি কোনও রোগের লক্ষণ
ঘড়ি ডান হাতে পরবেন নাকি বাঁ হাতে
নিজেকে আত্মবিশ্বাসী ও সুন্দর দেখানোর জন্য আমরা প্রত্যেকেই কিছু না কিছু করি। বাইরে বের হলে পোশাকে নিজেকে ফিট করে তোলার চেষ্টা করি। পাশাপাশি চলনবলন ও কথাবার্তায় নিজেকে মার্জিত করে তোলার চেষ্টাও থাকে। বাইরে বের হওয়ার আগে খুব ছোটাখাটো জিনিসেও আমাদের চোখ থাকে, যত্ন থাকে‌ সাজে। ঘড়িও কিন্তু এর বাইরে পড়ে না‌। বরং ঘড়ি নিয়ে নানা মানুষের নানারকম শখও থাকে। ঘড়ি কেনার সময় দাম ও নকশা বাছাই নিয়েও নানারকম খুঁতখুঁত ভাব থাকে। অনেকে একটু দাম বেশি দিয়েও মন মতো ঘড়ি কিনতে দেখা যায়। কেউ কেউ আবার প্রথম চাকরির বেতন প্রিয় ঘড়িটি কিনেই খরচ করেন। তেমন ঘড়ি কেনার পর পরা নিয়েও একটু খুঁতখুঁত ভাব দেখা যায় বেশির ভাগের ভেতরে। ঘড়ি কোন হাতে পরবেন সেটা সম্পূর্ণ নিজের পছন্দ। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায়, মানুষ বাঁ হাতে ঘড়ি পরতে পছন্দ করেন। খুব কম সংখ্যক মানুষ ডান হাতেও ঘড়ি পরেন। তবে বাঁ হাতে ঘড়ি পরার পেছনে কিছু সুবিধা রয়েছে। অনেকে ডান হাত দিয়ে প্রতিদিনের কাজগুলো করে থাকেন। সাধারণ কাজ করার পাশাপাশি পানি লেগে যেতে পারে এমন কাজও ডান হাত দিয়ে করতে হয়। তাদের ক্ষেত্রে বাঁ হাতে ঘড়ি পরা সুবিধাজনক। এতে ঘড়িতে পানি লেগে বা আঘাত লেগে নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না।  এ ছাড়া ডান হাতে বেশি কাজ করা হয় বলে এই হাতে ঘড়ি পরলে দেখতেও বেশ সমস্যা হয়। সময় দেখতে সুবিধা হয় বলেই অনেকে বাম হাতে ঘড়ি পরেন। তবে এটাও ঠিক যে, এই নিয়ে কোনো নিয়ম নেই। এটা সম্পূর্নই আপনার সিদ্ধান্ত। 
ঘড়ি ডান হাতে পরবেন নাকি বাঁ হাতে
আরও পড়ুন
পেলের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে তোপের মুখে মধুমিতা 
উজ্জ্বল ত্বক পেতে মধুর সঠিক ব্যবহার
শক্তিমান অভিনেতা খলিলকে হারানোর আট বছর  
ত্বকের গ্লো বাড়াতে ডিমের খোসায় রুপচর্চা