ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

অ্যাসিডিটি দূর করতে নিয়মিত যে ৫ খাবার খাবেন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ২৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০৮:৪২ পিএম
প্রতীকী ছবি

বর্তমান সময়ে অনেক মানুষই অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভোগেন। খাবারে একটু এদিক-সেদিক হলেই দেখা দেয় অ্যাসিডিটি। তাই থাকতে হয় সতর্ক। অনেকে আবার অ্যাসিডিটি দেখা দিলেই আগেভাগে অ্যান্টাসিড খেয়ে থাকেন। কিন্তু এটি কোনো সমাধান নয়।

কলকাতার বিশিষ্ট ডায়েটেশিয়ান মীনাক্ষী মজুমদার বলেছেন, অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকলে সেক্ষেত্রে ডায়েট মানতে হবে। পাশাপশি ব্যায়াম, মাইন্ডফুলনেস করলেও উপকার পাবেন। এমন পাঁচটি খাবার সম্পর্কে জেনে নিন, যেগুলো খেলে অ্যাসিডিটি দূর করতে সাহয্য করবে—

প্রচুর পানি পান করুন

অ্যাসিডিটির সমস্যা হলে প্রচুর পানি পান করতে হবে। কারণ পর্যাপ্ত পানি পান করলে হজম প্রক্রিয়া সঠিকভাবে চলতে পারে। দিনে অন্তত আড়াই থেকে তিন লিটার পানি পান করুন। এতে সুস্থ থাকা বেশি সহজ হবে।

চিড়া

চিড়া খেলে অনেকগুলো উপকার পাবেন। তার মধ্যে অন্যতম হলো অ্যাসিডিটির সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আসবে। এতে থাকা বিভিন্ন উপকারী উপাদান পেটের অনেক সমস্যা দূর করতে কাজ করে। তাই অ্যাসিডিটি হলে চিড়া কিংবা চিড়ার পোলাও খেতে পারেন। তবে এই পোলাও তৈরির সময় খুব সামান্য তেল দেবেন। বেশি তেল ব্যবহার করলে সমস্যা বাড়তে পারে।

ওটস খান

ওটস অনেক উপকারী একটি খাবার। এতে রয়েছে পর্যাপ্ত ফাইবার। হজমের জন্য এই ফাইবার বেশ সহায়ক। পেট ভালো রাখার পাশাপাশি সুগারও নিয়ন্ত্রণ করে। সেইসঙ্গে ওটস খেলে তা দীর্ঘ সময় পেট ভরিয়ে রাখে। বারবার ক্ষুধা না লাগার কারণে খাওয়াও হয় পরিমিত। ফলে ওজন বৃদ্ধির ভয় থাকে না। নিয়মিত ওটস খেলে অ্যাসিডিটির ভয় দূর হবে।

সকালে হালকা গরম পানি পান করুন

প্রতিদিন সকালে উঠে এক গ্লাস হালকা গরম পানি পান করুন। এতে আপনার অ্যাসিডিটির সমস্যা অনেকটাই দূর হবে। এই পানি পেটের অনেক সমস্যার সমাধান করে থাকে। অন্ত্র পরিষ্কারেও এটি কার্যকরী। তবে এই পানির সঙ্গে লেবুর রস মেশাতে যাবেন না। কারণ এতে অ্যাসিডিটির সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে।

ডিম ও ছানা

প্রোটিনের সমৃদ্ধ উৎস হলো ডিম। এটি সহজলভ্য এবং সহজপাচ্য। সেইসঙ্গে খেতে পারেন ছানা। তবে এই ছানা হতে হবে ফ্যাট ছাড়া দুধের তৈরি। কারণ বাড়তি ফ্যাট যোগ হলে অ্যাসিডিটি নাও কমতে পারে। এসব খাবার খাওয়ার পরও অ্যাসিডিটি না কমলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
গলাব্যথা দূর করার ঘরোয়া উপায়
মৌসুম বদলের এই সময় বা শীতের শুরুতে গলাব্যথার সমস্যা বেড়ে যায়। কিন্তু এটি সাধারণ ‘ফ্লু’র মতো দ্রুত সারে না। গলাব্যথার সমস্যা ভীষণ অস্বস্তিকর। এই সমস্যা থেকে বাঁচতে সঠিক যত্ন প্রয়োজন। সঠিক খাবার খেলে তা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করবে এবং শরীরকে ভেতর থেকে শক্তিশালী রাখবে। সাধারণত গলাব্যথা হলে গিলতে অসুবিধা, ব্যথা-গলার ভেতরে ফোলাভাব ও প্রদাহের কারণে অস্বস্তির মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে। গলাব্যথা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ তো নেবেনই, সঙ্গে জেনে নিতে পারেন ঘরোয়া কিছু উপায়। এসব উপায় আপনাকে দ্রুত সেরে উঠতে সাহায্য করতে পারে। মধু অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এজেন্ট এবং ক্ষত নিরাময়কারী হিসেবে মধুর সুখ্যাতি রয়েছে। এতে থাকা উপকারী উপাদানগুলো গলাব্যথা সারিয়ে তুলতে কাজ করে। হালকা গরম পানিতে মধু মিশিয়ে নিন। এটি পান করলে গলাব্যথা তো দূর হবেই, সেইসঙ্গে শক্তিও জোগাবে। লেবু ও গরম পানি গলা ব্যথা হলে অনেকে তীব্র টক স্বাদের জন্য লেবু এড়িয়ে যেতে চান। কিন্তু লেবু খেলে তা কফ বের করে দিতে এবং ব্যথা দূর করতে কাজ করে। সেইসঙ্গে লেবুতে থাকে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’। এটি প্রাকৃতিকভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। লেবু শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিডেন্টও। লবণ ও পানি লবণ ও গরম পানির ব্যবহার হলো সবচেয়ে সহজ উপায়। হালকা গরম পানির সঙ্গে সামান্য লবণ মিশিয়ে অল্প অল্প পান করতে পারেন। অথবা করতে পারেন গার্গলও। এতে উপকার পাবেন। হলুদ ও পানি হলুদ ব্যবহারও করতে পারেন। পানির সঙ্গে সামান্য হলুদ ও এক চিমটি লবণ মিশিয়ে নিন। এই পানীয় সারাদিন ধরে অল্প অল্প পান করতে পারেন। এর সঙ্গে তুলসি পাতা ফুটিয়ে নিয়ে গার্গল করলে আরাম পাবেন।  চা লবঙ্গ চা কিংবা গ্রিন-টি খেতে পারেন। এতে থাকা অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল উপাদানগুলো সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাহায্য করবে। সেইসঙ্গে এর অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য গলায় আরাম দেবে। ক্যামোমাইল টি প্রাকৃতিক লুব্রিক্যান্ট হিসেবে কাজ করে; যা আপনার গলায় প্রশান্তি দেওয়ার পাশাপাশি ভালো ঘুমেও সাহায্য করবে। ঘুম ভালো হলে তা অসুখ নিরাময়ে দ্রুত সাহায্য করে। এসবের পাশাপাশি খেতে পারেন গোল মরিচের চা।
গলাব্যথা দূর করার ঘরোয়া উপায়
রাতে কখন খাবার খেলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি কম থাকে
শরীরের অধিকাংশ সমস্যার সূত্রপাত খাওয়াদাওয়ার অনিয়ম থেকে। বাইরের খাবার খাওয়ার প্রবণতা, তেল-ঝাল-মশলাদার খাবার খাওয়ার প্রতি ভালোবাসা শরীরের সমস্যা ডেকে আনে। শরীরের ভালো-মন্দ নির্ভর করে শুধু কী খাচ্ছেন তার উপর নয়। কখন খাচ্ছেন সেটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। সকাল, দুপুর এবং রাত— নির্দিষ্ট সময়ে খাবার না খেলে হতে পারে সমস্যা। পুষ্টিবিদদের মতে, রাতে সময় মতো খাবার খেয়ে নেওয়া খুবই জরুরি। কিন্তু অফিস থেকে ফিরে রাতের খাবার খেতে অনেকেরই দেরি হয়ে যায়। দীর্ঘ দিন রাত করে খাওয়ার অভ্যাসে শরীরে বাসা বাঁধে নানা রোগ। রাত ৮ টার আগে খাবার খেয়ে নিলে সবচেয়ে ভালো। এই অভ্যাসের কিছু স্বাস্থ্যকর দিক রয়েছে। চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদদের মতে, বেশি রাতে খেলে খাবার হজম করতে সমস্যা হয়। বদহজমের কারণে পেট ফুলে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। খাওয়াদাওয়া রাত ৮টার মধ্যে সারলে শরীর ক্যালোরি খরচ করার অনেক বেশি সময় পায়। ফলে হজম ভালো হয়। আর হজমক্ষমতা বাড়লেই ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, পিসিওডি এবং হৃদরোগে ভুগছেন, এমন রোগীদের রাতে হালকা খাওয়ার পাশাপাশি তাড়াতাড়ি খাওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়। রাতে সোডিয়াম-সমৃদ্ধ খাবার খেতে বারণ করা হয়। ডাল, পাপড়, শাকসবজি থেকে শুরু করে মাংস সব রান্নাতেই লবণ ব্যবহার করা হয়। লবণ শরীরে বেশি মাত্রায় গেলে, তা পানি ধরে রাখে। ফলে পেট ফুলে শরীরে অস্বস্তি হয়। উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকিও বাড়ে। হার্টের সমস্যাও হতে পারে। বেশি রাত করে খেলে শরীরে টক্সিন জমতে শুরু করে। ফলে পেট ফোলা, কোষ্ঠকাঠিন্য, শরীরে মেদ বেড়ে যাওয়ার মতো অসংখ্য সমস্যা হানা দেয়। তাই চেহারা ঠিক রাখতেও রাত করে খাওয়া একেবারেই ঠিক নয়।
রাতে কখন খাবার খেলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি কম থাকে
শীতে এই ফলগুলো শরীরের সঙ্গে ত্বকেরও যত্ন নেয়
শীত পড়তেই বাজারে ছেঁয়ে গেছে বাহারি রঙের ফলে। সেগুলো যেমন স্বাদ, তেমনই ভালো রাখে শরীরও। শীতকালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। বিভিন্ন সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করা তাই কঠিন হয়ে পড়ে। তখন সুস্থ থাকতে খেতে পারেন শীতকালীন এই ফলগুলো। তবে এই ফলগুলো শুধু শরীরে যত্ন নেয় তা নয়, শীতে শুষ্ক ত্বকের দেখাশোনাও করে। ত্বক এবং শরীরের যত্ন একসঙ্গে নিতে চাইলে শীতকালীন এই ফলগুলোর উপর ভরসা রাখতে পারেন। কমলালেবু ত্বকের যত্নে কমলালেবুর উপকারিতা অনেক। কমলালেবুর খোসা শুকিয়ে গুঁড়ো করে নিন। এ বার এর সঙ্গে এক চামচ ওটমিল, কয়েক ফোঁটা মধু ও এক চামচ টক দই মেশান। কমলালেবুর খোসা ত্বকের মৃত কোষ ঝরাতে ও ত্বককে পরিষ্কার করতে বিশেষ সাহায্য করে। মধু প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজার। শরীরের যে সব অংশ খোলা থাকে, সে সব স্থানে এই প্যাক ১৫ মিনিট মাখিয়ে রাখুন। শুকিয়ে এলে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। আপেল আপেল শরীরের পাশাপাশি ত্বকেরও যত্ন রাখে। খোসা ছাড়িয়ে আপেলের অর্ধেক অংশ বেটে নিন। এর সঙ্গে দু’চামচ মধু মিশিয়ে ত্বকে মাখুন। কিছুক্ষণ রাখার পর ভালো করে ধুয়ে নিন ত্বক। কলা সব ধরনের ত্বকের জন্যই কলার প্যাক খুবই উপকারী। পাকা কলার সঙ্গে এক চামচ মধু ও আধ চামচ দই মেশান। কলা প্রাকৃতিক টোনার। এর সঙ্গে মধু ও দইয়ের মিশেল ত্বককে উজ্জ্বল ও নরম করতে সাহায্য করে। দশ মিনিট রেখে ধুয়ে নিন এই প্যাক। সপ্তাহে তিন দিন এই প্যাক ব্যবহার করলেই ত্বকে আলাদা ঝলক দেখতে পাবেন। টমেটো টমেটো ত্বকের ট্যান তুলতে সাহায্য করে। রোদ থেকে ঘুরে এসে টমেটোর প্যাক মাখলে, ত্বকের ট্যান সরাতে সাহায্য করে। এর সঙ্গে কাঁচা হলুদ বাটা ও টক দই মেশালে ত্বক হবে লাবণ্য।
শীতে এই ফলগুলো শরীরের সঙ্গে ত্বকেরও যত্ন নেয়
ডায়াবেটিস ছিনিয়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি, সতর্কতা জরুরি
দৈনন্দিন জীবনযাপনের পদ্ধতি ও মানসিক উদ্বেগের কারণে প্রতিনিয়ত বাড়ছে ডায়াবেটিসের রোগী। আমাদের দেশে মূলত টাইপ-২ ডায়াবেটিসের তীব্রতা বেশি। সাধারণত ডায়াবিটিসের প্রাথমিক উপসর্গ দেখা দেয় চোখে! চিকিৎসকদের মতে, ডায়াবেটিস সাইলেন্ট কিলারের মতো। প্রথম থেকে ওষুধ না খেলে ও সচেতনতা অবলম্বন না করলে শরীরের অঙ্গ একে একে ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে। ছোট ছোট রক্তবাহী নালিগুলোরও ক্ষতি করে। ডায়াবেটিস আলাদা করে বোঝা যায় না। তাই ডায়াবেটিস থাকলে বছরে অন্তত এক বার রেটিনা ও চোখের প্রেসার পরীক্ষা করানো জরুরি। বেশি বয়সে অনেকেই চোখে ঝপসা দেখেন। সে ক্ষেত্রে মনে হতেই পারে, হয়েতো চোখে ছানি পড়েছে। কিন্তু ডায়াবেটিস থাকলেও রেটিনা গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যা ডেকে আনে ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির মতো অসুখ। তাই ডায়াবেটিসের চিকিৎসার সঙ্গে নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করাও জরুরি। এই রোগে আক্রান্ত হলে প্রাথমিক পর্যায়ে চোখের রেটিনায় রক্তবাহী সরু ধমনীগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে সেই অংশে এক প্রকার ফ্লুইডের ক্ষরণ শুরু হয়। দৃষ্টিশক্তি কমে যায়। এর পরবর্তী পর্যায়ে ধমনীতে রক্ত চলাচলের সমস‌্যা আরও বাড়ে। রেটিনার বিভিন্ন অংশে ঠিকমতো অক্সিজেন পৌঁছাতে পারে না। চোখে রক্তক্ষরণ শুরু হয়, ডাক্তারি পরিভাষায় এই সমস‌্যাকে বলা হয় ভিট্রিয়াস হেমারেজ। এর থেকে অন্ধত্ব আসতে পারে। যেসব লক্ষণ দেখে সতর্ক হবেন ১. ধীরে ধীরে দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যায়। ২. এই সমস্যায় আক্রান্তদের কিছু পড়তে বা দূরের জিনিস দেখতে সমস্যা হয়। তাই হঠাৎ এমনটা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেন। ৩. ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির সমস্যা বাড়তে শুরু করলে অনেকের রং দেখতেও সমস্যা হয়। ৪. চোখে স্বাভাবিক দেখতে দেখতে হঠাৎ চার দিকটা অন্ধকার দেখায়। আবার কেউ কেউ নির্দিষ্ট কোনো অংশ দেখতে পান না। ৫. চোখের সামনে পোকার মতো কিছু ঘুরে বেড়াচ্ছে মনে হওয়া বা আচমকা আলোর ঝলকানিও এই রোগের লক্ষণ। এই রোগের প্রকোপ কমাতে গেলে ডায়াবেটিসকেও নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। এর জন্য সবার আগে ধূমপান বন্ধ করুন। শারীরিক কসরত শুরু করুন। একান্তই শরীরচর্চায় অনীহা থাকলে হাঁটাহাঁটি কিন্তু করতেই হবে। আর হ্যাঁ, ডায়েটের বিষয়ে সচেতন হন। প্রয়োজনে পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেন।
ডায়াবেটিস ছিনিয়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি, সতর্কতা জরুরি
শরীরচর্চা জুতা পরে, নাকি খালি পায়ে!
শরীর ভালো রাখতে শরীরচর্চার বিকল্প নেই। নিয়ম করে শরীরচর্চা করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসক থেকে পুষ্টিবিদ সবাই-ই। তবে শুধু শরীরচর্চা করলেই হবে না। শরীরচর্চারও রয়েছে বেশ কিছু নিয়ম। কোন সময়ে শরীরচর্চা করছেন, সেটা যেমন জরুরি, তেমনই কী পোশাকে ব্যায়াম করছেন, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই বুঝতে পারেন না জুতা পরে নাকি খালি পায়ে—কীভাবে শরীচর্চা করলে বেশি উপকার পাওয়া যাবে। এ বিষয়ে অনেকেই মনে করেন, খালি পায়ে শরীরচর্চার উপকারিতা বেশি। তাতে পায়ের পাতার গড়ন অনুযায়ী, সব জায়গায় চাপ পড়ে। কিন্তু জুতা পরে শরীরচর্চা করতে গেলে জুতার গড়ন অনুযায়ী বদলে যায় পায়ের চাপের মাত্রা; যা শরীরের জন্য খুব ভালো নাও হতে পারে। যদি যোগাসন জাতীয় শরীরচর্চা করেন, তাহলে অবশ্যই খালি পায়ে করতে হবে। নাহলে পায়ের স্বাভাবিক গতিপথ বদলে যেতে পারে। শুধু তাই নয়, প্রতিটি যোগাসনেই পায়ের অবস্থান কেমন হবে, তা স্পষ্ট করে বলা থাকে। জুতা পরে থাকলে, তা বদলে যেতে পারে। তাতে যোগাসনটি ঠিক করে না-ও হতে পারে। কিন্তু জিমে শরীরচর্চা বা যন্ত্রপাতির সাহায্যে শরীরচর্চার সময় অবশ্যই পরতে হবে জুতা। বিশেষ করে ট্রেডমিল জাতীয় যন্ত্রে খালি পায়ে শরীরচর্চা করলে পা পিছলে যেতে পারে বা অন্য সমস্যা হতে পারে। তাই যে ধরনের শরীরচর্চায় বেশি নড়াচড়া করতে হবে, সেখানে অবশ্যই জুতো পরে নিতে হবে। চিকিৎসকরা বলছেন, শরীরচর্চার জুতোটিও ঠিকঠাক হওয়া উচিত। কেনার আগে ভালো করে জেনে নিন, ওটা শরীরচর্চার সময়ে পরার মতো জুতো কি না। শরীরচর্চার জন্য আদর্শ জুতো বা স্পোর্টস শু না পাওয়া গেলে, অন্য জুতা পরে শরীরচর্চা করবেন না। তাতে পায়ের পেশি তো বটেই, আঘাত লাগতে পারে শরীরের অন্যত্রও। তার চেয়ে খালি পায়ে শরীরচর্চা করা নিরাপদ।
শরীরচর্চা জুতা পরে, নাকি খালি পায়ে!
আরও পড়ুন
চীনকে করোনার আসল তথ্য দিতে বলল হু
দিনের ব্যবধানে ডেঙ্গু রোগী কমেছে ৫১
জনস্বাস্থ্য প্রধান প্রকৌশলী হলেন সরোয়ার হোসেন
করোনায় শনাক্ত আরও কমেছে