ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

কীভাবে হাম ছড়ায় এবং লক্ষণ কী?

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩১ মার্চ ২০২৬, ০১:১৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

গত কয়েক সপ্তাহে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। মার্চ মাসে কমপক্ষে ২১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, এবং অন্তত ১০টি জেলায় হামের প্রকোপ লক্ষ্য করা গেছে। চিকিৎসকরা বলছেন, টিকা না নেওয়া, শিশুদের মায়ের বুকের দুধ যথাযথভাবে না দেওয়া, প্রয়োজনীয় কৃমিনাশক না খাওয়া এবং অপুষ্টি এই প্রাদুর্ভাবের মূল কারণ।

হাম কীভাবে ছড়ায়

হাম বিশ্বের অন্যতম সংক্রামক ভাইরাল রোগ। এটি আক্রান্ত ব্যক্তির নাক ও গলার মিউকাসে বাস করে এবং মূলত কাশি, হাঁচি বা নিকটবর্তী শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাসটি বাতাসে বা দূষিত পৃষ্ঠে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত জীবিত থাকতে পারে। সংক্রামিত ব্যক্তির সরাসরি সংস্পর্শ বা দূষিত পৃষ্ঠ স্পর্শ করেও সংক্রমণ ঘটতে পারে।

ডাক্তারদের মতে, লক্ষণ দেখা দেওয়ার আগে সংক্রামিত ব্যক্তি অজান্তেই ভাইরাস ছড়াতে পারে। সাধারণত সংস্পর্শের ৯ থেকে ১১ দিন পর লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়। টিকা না নেওয়া ব্যক্তিরা একই বাড়িতে থাকলে প্রায় ৯০% সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

হামের লক্ষণ

হামের প্রাথমিক লক্ষণ সাধারণত ৩–৪ দিনে দেখা দেয় এবং এর মধ্যে রয়েছে: শুষ্ক কাশি,সর্দি,গলায় জ্বালা বা স্বরভঙ্গ,লাল, চুলকানিযুক্ত চোখ,আলোর প্রতি সংবেদনশীলতা (ফটোফোবিয়া), শরীরের হালকা ব্যথা ও ক্লান্তি,মুখের ভেতরে ছোট সাদা দাগ।

এর ৩-৪ দিন পর লালচে ফুসকুড়ি দেখা দেয়, যা সাধারণত কানের পেছন থেকে শুরু হয়ে মুখ, ঘাড়, শরীরের উপরের অংশ, তারপর ধড়, বাহু ও পায়ে ছড়িয়ে পড়ে। ফুসকুড়ি ৫-৭ দিন পর্যন্ত থাকতে পারে।

চিকিৎসকরা সতর্ক করেছেন যে হাম অত্যন্ত সংক্রামক এবং নিউমোনিয়া, কান সংক্রমণ, মস্তিষ্কের প্রদাহ (এনসেফালাইটিস) এর মতো জটিলতা ঘটাতে পারে। তাই এই লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

আরও পড়ুন

প্রতিরোধ

হাম প্রতিরোধের জন্য টিকা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া সংক্রমণ রোধে আক্রান্তদের আলাদা রাখা, নিয়মিত হাত ধোয়া ও শিশুদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিশ্চিত করা জরুরি।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
প্রেমে বিচ্ছেদ বা সম্পর্কের টানাপোড়েনে পুরুষরা নারীদের তুলনায় কম আবেগপ্রবণ, এমন প্রচলিত ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক গবেষণা। দেখা গেছে, সম্পর্কের অবনতি ঘটলে বা বিচ্ছেদ হলে পুরুষেরা নারীদের চেয়েও বেশি মানসিক যন্ত্রণা ও হৃদয়ভঙ্গের কষ্টে ভোগেন। যুক্তরাজ্যের ল্যাঙ্কাস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত বিজ্ঞানীদের একটি দল অনলাইনে সম্পর্ক বিষয়ক সহায়তা চাওয়া ১৮৪,০০০-এরও বেশি মানুষের কথোপকথনের 'বিগ ডাটা' বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।  প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে বেনামী অনলাইন ফোরামের ডেটা বিশ্লেষণ করে সাধারণ মানুষের সম্পর্কের প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, সম্পর্কের টানাপোড়েনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে 'যোগাযোগের অভাব' বা যোগাযোগের জটিলতা। প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন এই সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া প্রতি আটজনের মধ্যে একজন বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ করেছেন। তবে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে লিঙ্গভিত্তিক আবেগ প্রকাশের তথ্যে। গবেষকরা দেখেন, সমস্যার বিবরণ দেওয়ার চেয়ে সম্পর্কের কারণে তৈরি হওয়া ‘হৃদয়ভঙ্গ’ বা মানসিক যন্ত্রণার কথা পুরুষরা নারীদের চেয়ে অনেক বেশি আলোচনা করেছেন। অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে পুরুষদের লেখায় 'অনুশোচনা', 'বিচ্ছেদ', 'কান্না' ও 'হৃদয়ভঙ্গ'-এর মতো শব্দগুলোর ব্যবহার বেশি দেখা গেছে। গবেষণার প্রধান গবেষক ড. রায়ান বয়েড এবং মূল লেখক শার্লট এন্টউইসল জানান, সমাজে পুরুষদের আবেগ প্রকাশে যে সামাজিক বাধা বা মানসিক সংকোচ রয়েছে, অনলাইন ফোরামের মতো বেনামী প্ল্যাটফর্মে তা উন্মুক্ত হওয়ায় প্রকৃত চিত্র সামনে এসেছে।  সামাজিক বাধা সরিয়ে নিলে দেখা যায়, পুরুষেরা নারীদের মতোই সম্পর্কে সমানভাবে অনুভূতির বিনিয়োগ করেন এবং সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থাকেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই গবেষণার ফলাফল সম্পর্কের টানাপোড়েন বুঝতে এবং পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তায় অনীহা সংক্রান্ত সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর  
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
পোষা বিড়াল ঘরের সদস্যের মতোই। তবে আদরের এই প্রাণীটি নির্দিষ্ট জায়গার বাইরে প্রস্রাব করলে বিপাকে পড়তে হয়।
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে যদি দেখা যায় রাস্তায় নেই কোনো ব্যক্তিগত গাড়ি, নেই তীব্র যানজট।
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
বাংলাদেশে শিশুদের বার্ড ফ্লুতে (এইচ৫এন১) আক্রান্ত হওয়ার মূল কারণ হলো গৃহপালিত বা উঠানের পোলট্রি (হাঁস-মুরগি) পাখির সংস্পর্শে আসা।
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
ডেঙ্গু জ্বরের উৎপত্তি ঘটে ডেঙ্গু ভাইরাসের মাধ্যমে। এই ভাইরাসের বাহক এডিস নামক স্ত্রী মশার কামড়েই ডেঙ্গু হয়।
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
আরও পড়ুন
শরীরে পানিশূন্যতা? অবহেলা নয়, চিনে নিন লক্ষণ ও বাঁচার উপায়
বারবার প্রস্রাব? ডায়াবেটিসের ৬ লক্ষণ জানুন আজই
অটোইমিউন ডিজিজের লক্ষণগুলো কি কি?
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে ৫ শিশুর মৃত্যু