ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

এক মাস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার না করলে মস্তিষ্কে যা ঘটে

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

স্মার্টফোন আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এখন আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। স্ক্রল করতে করতে কখন যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পার হয়ে যায়, তা আমরা টেরই পাই না। এই অভ্যাসটি শুধু আমাদের মূল্যবান সময় কেড়ে নিচ্ছে না, বরং কাজের মনোযোগ এবং ঘুমেরও বড় ক্ষতি করছে।

মনোচিকিৎসক অ্যামি মরিনের মতে, সামাজিক মাধ্যমে অনিশ্চিত প্রতিক্রিয়া, কখনও লাইক বা মন্তব্য পাওয়া, কখনও না পাওয়া, মানুষকে বারবার প্ল্যাটফর্মে ফিরিয়ে আনে। এতে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার ওপর মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে নির্ভরশীল হয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাত্র ৩০ দিনের একটি ডিজিটাল ডিটক্স বা বিরতি আপনার জীবনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে। এই পরিবর্তনগুলো কেমন হতে পারে, তা নিচে দেওয়া হলো--

মনোযোগ ও একাগ্রতা বাড়ে

দ্রুত পরিবর্তনশীল কনটেন্টের কারণে মনোযোগ ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা কমে। দীর্ঘ সময় ধরে একটি কাজে মনোযোগ ধরে রাখার সক্ষমতা বাড়ে।

ঘুমের উন্নতি হয়

রাতে ফোন ব্যবহারের অভ্যাস কমলে ঘুমের গুণগত মান উন্নত হয়। অনেক ক্ষেত্রে প্রথম সপ্তাহেই ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যায়।

মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমে

অন্যদের জীবনের সঙ্গে নিজের তুলনা করার প্রবণতা কমে যায়। ফলে মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও নেতিবাচকতা হ্রাস পায়।

বাস্তব জীবনে সংযোগ বাড়ে

পরিবার, বন্ধু ও আশপাশের পরিবেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর হয়। দৈনন্দিন জীবনে উপস্থিতি ও মনোযোগ বাড়ে।

সময়ের সঠিক ব্যবহার শেখা যায়

সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যয় হওয়া সময় কমে গিয়ে ব্যক্তিগত কাজ, বিশ্রাম বা সৃজনশীল কাজে সময় দেওয়া সম্ভব হয়।

নতুন অভ্যাস গড়ে ওঠে

বিশেষজ্ঞদের মতে, তিন থেকে চার সপ্তাহ পর অনেকেরই সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের তাগিদ কমে আসে। তবে পুরোনো অভ্যাসে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকিও থাকে, তাই নতুন নিয়ম তৈরি করা জরুরি।

আত্মবিশ্বাস ও ইতিবাচকতা বাড়ে

অন্যদের সঙ্গে তুলনা কমে যাওয়ায় নিজের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয় এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ে।

সব মিলিয়ে, ৩০ দিনের একটি বিরতি শুধু সাময়িক স্বস্তিই নয়, মস্তিষ্ককে নতুনভাবে অভ্যস্ত হতে সাহায্য করে এবং জীবনযাপনে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে পারে।

আরটিভি/এমআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
মৃত সাবেক ফুটবল খেলোয়াড়দের ৭৫ শতাংশের মস্তিষ্কে রোগের লক্ষণ, বলছে গবেষণা
মাদকবিরোধী অভিযানে প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের অস্ত্র ব্যবহার, যা বললেন ডিবি প্রধান
প্রসাধনী বাছাই ও ব্যবহারে যে ভুলগুলো স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে
দীর্ঘ নয় মাস পর শুটিংয়ে ফিরছেন তানিয়া বৃষ্টি