ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

চিপস খাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি কমার ঝুঁকিতে আপনি, বলছে গবেষণা

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ মে ২০২৬, ১১:১৩ এএম
ছবি: সংগৃহীত

ব্যস্ত জীবনে দ্রুত খাওয়ার জন্য অনেকেই চিপস, বিস্কুট, ইনস্ট্যান্ট নুডলস বা প্যাকেটজাত স্ন্যাকসের ওপর নির্ভর করেন। খেতে সহজ, সময় বাঁচে। তাই এই খাবারগুলোর জনপ্রিয়তাও বেশি। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, এই অভ্যাস শুধু শরীরেই নয়, মস্তিষ্কেও মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত প্যাকেটজাত ও প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ার সঙ্গে স্মৃতিলোপ বা স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে। এমনকি চিপসের মতো ছোট একটি স্ন্যাকসও দীর্ঘমেয়াদে মস্তিষ্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

গবেষকরা জানিয়েছেন, যারা নিয়মিত এসব খাবার বেশি খান, তাদের মধ্যে মনোযোগ কমে যাওয়া, চিন্তার গতি ধীর হয়ে যাওয়া এবং স্মৃতিশক্তি দুর্বল হওয়ার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। শুরুতে বিষয়টি খুব সামান্য মনে হলেও সময়ের সঙ্গে তা বড় সমস্যায় পরিণত হতে পারে।

আরও পড়ুন

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের খাবারে থাকে বেশি চিনি, অস্বাস্থ্যকর চর্বি ও কৃত্রিম উপাদান। কিন্তু এতে শরীর ও মস্তিষ্কের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি যেমন ভিটামিন, ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রায় থাকে না। ফলে শরীরে ধীরে ধীরে ক্ষতিকর প্রভাব জমতে থাকে।

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, প্রতিদিন অল্প পরিমাণেও এই খাবার খাওয়ার ফলে ঝুঁকি পুরোপুরি এড়ানো যায় না। বরং যত বেশি খাওয়া হয়, তত বেশি ক্ষতির আশঙ্কা বাড়ে।

তবে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, পুরোপুরি এসব খাবার বন্ধ করা সবসময় সম্ভব না হলেও পরিমাণ কমানো খুব জরুরি। তার বদলে তাজা ফল, ঘরে তৈরি খাবার ও স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করলে মস্তিষ্ক অনেকটাই সুরক্ষিত থাকে।

গবেষণার বার্তা পরিষ্কার, চিপস বা প্যাকেটজাত খাবারের স্বাদ যতই আকর্ষণীয় হোক, এর অতিরিক্ত অভ্যাস ধীরে ধীরে আপনার স্মৃতিশক্তির জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
প্রেমে বিচ্ছেদ বা সম্পর্কের টানাপোড়েনে পুরুষরা নারীদের তুলনায় কম আবেগপ্রবণ, এমন প্রচলিত ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক গবেষণা। দেখা গেছে, সম্পর্কের অবনতি ঘটলে বা বিচ্ছেদ হলে পুরুষেরা নারীদের চেয়েও বেশি মানসিক যন্ত্রণা ও হৃদয়ভঙ্গের কষ্টে ভোগেন। যুক্তরাজ্যের ল্যাঙ্কাস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত বিজ্ঞানীদের একটি দল অনলাইনে সম্পর্ক বিষয়ক সহায়তা চাওয়া ১৮৪,০০০-এরও বেশি মানুষের কথোপকথনের 'বিগ ডাটা' বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।  প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে বেনামী অনলাইন ফোরামের ডেটা বিশ্লেষণ করে সাধারণ মানুষের সম্পর্কের প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, সম্পর্কের টানাপোড়েনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে 'যোগাযোগের অভাব' বা যোগাযোগের জটিলতা। প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন এই সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া প্রতি আটজনের মধ্যে একজন বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ করেছেন। তবে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে লিঙ্গভিত্তিক আবেগ প্রকাশের তথ্যে। গবেষকরা দেখেন, সমস্যার বিবরণ দেওয়ার চেয়ে সম্পর্কের কারণে তৈরি হওয়া ‘হৃদয়ভঙ্গ’ বা মানসিক যন্ত্রণার কথা পুরুষরা নারীদের চেয়ে অনেক বেশি আলোচনা করেছেন। অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে পুরুষদের লেখায় 'অনুশোচনা', 'বিচ্ছেদ', 'কান্না' ও 'হৃদয়ভঙ্গ'-এর মতো শব্দগুলোর ব্যবহার বেশি দেখা গেছে। গবেষণার প্রধান গবেষক ড. রায়ান বয়েড এবং মূল লেখক শার্লট এন্টউইসল জানান, সমাজে পুরুষদের আবেগ প্রকাশে যে সামাজিক বাধা বা মানসিক সংকোচ রয়েছে, অনলাইন ফোরামের মতো বেনামী প্ল্যাটফর্মে তা উন্মুক্ত হওয়ায় প্রকৃত চিত্র সামনে এসেছে।  সামাজিক বাধা সরিয়ে নিলে দেখা যায়, পুরুষেরা নারীদের মতোই সম্পর্কে সমানভাবে অনুভূতির বিনিয়োগ করেন এবং সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থাকেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই গবেষণার ফলাফল সম্পর্কের টানাপোড়েন বুঝতে এবং পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তায় অনীহা সংক্রান্ত সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর  
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
পোষা বিড়াল ঘরের সদস্যের মতোই। তবে আদরের এই প্রাণীটি নির্দিষ্ট জায়গার বাইরে প্রস্রাব করলে বিপাকে পড়তে হয়।
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে যদি দেখা যায় রাস্তায় নেই কোনো ব্যক্তিগত গাড়ি, নেই তীব্র যানজট।
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
বাংলাদেশে শিশুদের বার্ড ফ্লুতে (এইচ৫এন১) আক্রান্ত হওয়ার মূল কারণ হলো গৃহপালিত বা উঠানের পোলট্রি (হাঁস-মুরগি) পাখির সংস্পর্শে আসা।
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
ডেঙ্গু জ্বরের উৎপত্তি ঘটে ডেঙ্গু ভাইরাসের মাধ্যমে। এই ভাইরাসের বাহক এডিস নামক স্ত্রী মশার কামড়েই ডেঙ্গু হয়।
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
আরও পড়ুন
চিপসের প্যাকেটের খেলনা বল গলায় আটকে ৫ বছরের শিশুর মৃত্যু
চিপস তৈরির কারখানা থেকে দুজনের দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার
সাদা-কালো হচ্ছে চিপসের প্যাকেট,কারণ কী