ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

সন্তান নেওয়া নিয়ে সামাজিক চাপে ভুগছেন? 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ মে ২০২৬, ১০:২৯ এএম
ছবি: সংগৃহীত

জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্তগুলোর একটি—সন্তান নেবেন, নাকি নেবেন না? অনেকেই মনে করেন, এই প্রশ্নের উত্তর নাকি নিজে থেকেই জানা থাকে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, অনেক নারী-পুরুষই এই সিদ্ধান্ত নিয়ে দীর্ঘদিন দোটানায় ভোগেন।

ত্রিশের কোঠায় পৌঁছালে এই প্রশ্ন যেন আরও জোরালো হয়ে ওঠে। সময় ফুরিয়ে যাওয়ার ভয়, সমাজের চাপ, আর ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা—সব মিলিয়ে বিষয়টি হয়ে ওঠে আরও জটিল। কেউ কেউ ছোটবেলা থেকেই সিদ্ধান্তে স্থির থাকেন। কিন্তু অনেকেই শেষ পর্যন্ত নিশ্চিত হতে পারেন না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই দ্বিধা বা অনিশ্চয়তা একেবারেই স্বাভাবিক। বরং নিজের মনে প্রশ্ন তোলা এবং তা নিয়ে ভাবা—এটাই সঠিক পথ। কারণ সন্তান নেওয়া বা না নেওয়া—দুটিই গভীর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। যা অন্যের কথা শুনে নয়, নিজের ইচ্ছা ও বাস্তবতা বুঝেই নেওয়া উচিত।

আরও পড়ুন

অনেক সময় মানুষ মনে করে, যদি সন্তান না নেওয়া হয়, তাহলে জীবনে শূন্যতা তৈরি হবে। আবার কেউ ভাবেন, সন্তান নিলে নিজের স্বাধীনতা কমে যাবে। এই দুই দিকের টানাপোড়েনই তৈরি করে মানসিক চাপ।

অন্যদিকে, বর্তমান বিশ্বের নানা বাস্তবতাও এই সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করছে। বাড়তি খরচ, ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা, পরিবেশের পরিবর্তন। এসব বিষয় অনেককে ভাবিয়ে তুলছে। ফলে কেউ কেউ সিদ্ধান্ত পিছিয়ে দিচ্ছেন। আবার কেউ একেবারেই সন্তান না নেওয়ার দিকেই ঝুঁকছেন।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ভয় বা চাপে পড়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। বরং নিজের চাওয়া-পাওয়া, জীবনের লক্ষ্য, আর মানসিক প্রস্তুতি—এসব বিষয় ভালোভাবে বুঝে নেওয়া জরুরি।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোনো সিদ্ধান্তই পুরোপুরি ভুল বা সঠিক নয়। সন্তান নিলেও জীবনে আফসোস থাকতে পারে, আবার না নিলেও মনে হতে পারে যদি নিতাম। তাই মূল বিষয় হলো, নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিজের ভেতরের ভয়, আশা আর চাহিদাগুলো বুঝে সিদ্ধান্ত নিলে ভবিষ্যতে আফসোসের সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়। কারণ তখন সেই সিদ্ধান্ত হয় নিজের সত্যিকারের অনুভূতি থেকে নেওয়া।

শেষ পর্যন্ত, সন্তান নেওয়া বা না নেওয়া—এটি কোনো বাধ্যবাধকতা নয়। বরং একটি ব্যক্তিগত পথ। আর সেই পথ বেছে নেওয়ার আগে নিজেকে ভালোভাবে জানা, এটাই সবচেয়ে জরুরি।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
চালক-যাত্রীদের সহায়তায় বাসেই নারীর সন্তান প্রসব
একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম, চরম দুশ্চিন্তায় কল্পনা বেগম
সন্তানের আশায় আইভিএফ চিকিৎসা শুরুর আগে জেনে নিন জরুরি তথ্য
১২ স্ত্রী, ১০২ সন্তান ও ৫৭৮ নাতি-নাতনি নিয়ে সংসার তার