ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

গোপন কথা চেপে রাখাতে বাড়ছে মানসিক চাপ? 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ মে ২০২৬, ১০:০৩ এএম
ছবি: সংগৃহীত

কারও বলা কাউকে বলো না কথাটা শুনে অনেক সময় আনন্দ লাগে। কিন্তু সেই গোপন কথা মনে ধরে রাখাই হয়ে উঠতে পারে মানসিক চাপের বড় কারণ। আর এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, গোপন কথা শুধু অন্যের কাছ থেকে লুকানো নয়, বরং নিজে নিজেই সেই বিষয়টি নিয়ে বারবার ভাবা। এটাই মানুষের ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। অনেক সময় আমরা বিষয়টি ভুলে যেতে চাই। কিন্তু তা হঠাৎ করেই মাথায় চলে আসে। এতে মন খারাপ, উদ্বেগ আর চাপ বাড়তে থাকে।

গবেষণায় দেখা গেছে, একজন মানুষ গড়ে প্রায় ১৩ ধরনের গোপন বিষয় নিজের মধ্যে ধরে রাখেন। এর মধ্যে কিছু এমন থাকে, যা তিনি কখনোই কাউকে বলেন না। মিথ্যা বলা, অর্থ সংক্রান্ত বিষয়, সম্পর্কের টানাপোড়েন—এ ধরনের গোপন কথাই বেশি দেখা যায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গোপন কথা লুকিয়ে রাখলে মানুষের মধ্যে এক ধরনের ভয় কাজ করে—যদি কেউ জেনে যায়। এই ভয়, দুশ্চিন্তা আর অপরাধবোধ একসঙ্গে মিলে মানসিক চাপ বাড়ায়। এমনকি দীর্ঘদিন এভাবে চললে সম্পর্কের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। ফলে মানুষ নিজেকে একা মনে করতে শুরু করে।

আরও পড়ুন

তবে সব গোপন কথা খারাপ নয়। অনেক সময় নিজের বা অন্যের সুরক্ষা, সম্মান বা সম্পর্ক বাঁচানোর জন্যও কিছু বিষয় গোপন রাখা প্রয়োজন। আবার কিছু ক্ষেত্রে গোপন কথা ভাগাভাগি করলে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হতে পারে।

তবে কাকে, কখন এবং কীভাবে বলা হচ্ছে—এটিও খুব গুরুত্বপূর্ণ। ভুল মানুষের কাছে গোপন কথা বললে তা আরও সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, যদি কোনো গোপন বিষয় নিয়ে খুব বেশি কষ্ট হয়, তাহলে বিশ্বাসযোগ্য কাউকে নিজের অনুভূতির কথা বলা যেতে পারে। এমনকি সরাসরি বিষয়টি না বলেও নিজের অনুভূতি ভাগ করা সম্ভব।

আরেকটি উপায় হলো, নিজের ভাবনাকে নতুনভাবে দেখা। কেন এই গোপন বিষয়টি রাখা জরুরি, তা বোঝার চেষ্টা করলে মানসিক চাপ অনেকটাই কমে যেতে পারে।

সবচেয়ে বড় কথা, নিজের ওপর অযথা দোষ চাপানো বা লজ্জা পাওয়ার কিছু নেই। অনেক সময় গোপন কথা রাখা জীবনেরই একটি অংশ। তবে সেটি যেন আপনার মানসিক শান্তি কেড়ে না নেয়, সেদিকেই নজর রাখা জরুরি।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
ববিতে ‘স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট’ কর্মশালা
কেন মদ পান করেছিলেন সেই তরুণী? নিজেই জানালেন কারণ
ফুলের সুবাসেই কমবে মানসিক চাপ
দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ কমাতে যেসব আমল করবেন