ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

মা দিবসের প্রবক্তাই কেন এর বিপক্ষে চলে গেলেন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ০১:১৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

আজ বিশ্বজুড়ে মা দিবস উদযাপনের দিন। কিন্তু এই দিবসের পেছনে আছে এক নারী, যিনি নিজেই এটি শুরু করেছিলেন—আর পরবর্তী জীবনে এর বাণিজ্যিকীকরণের বিরুদ্ধে কঠোর লড়াই করেছিলেন।

তার নাম আনা জার্ভিস। যুক্তরাষ্ট্রের এই নারী প্রথমবার মায়েদের সম্মানে একটি বিশেষ দিনের ধারণা দেন। উদ্দেশ্য ছিল একটাই—মায়ের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রকাশ। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই অনুভূতি বদলে যেতে থাকে।

ভালোবাসা থেকে বাণিজ্যের পথে

আনা জার্ভিস শুরু করা মা দিবস ধীরে ধীরে ফুল, কার্ড ও উপহারের ব্যবসায় পরিণত হয়। এই পরিবর্তন তাকে গভীরভাবে কষ্ট দেয়। তার মতে, একটি পবিত্র অনুভূতিকে ব্যবসায়িক লাভের মাধ্যম বানানো হচ্ছে।

এই ক্ষোভ থেকেই তিনি জীবনের শেষ পর্যন্ত মা দিবসের বাণিজ্যিকীকরণের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যান।

নিজেরই সৃষ্টি করা দিবসের বিরুদ্ধে লড়াই

তিনি ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা করার হুমকি দেন, রাজনীতিবিদদের চিঠি লেখেন এবং সংবাদপত্রে প্রতিবাদ জানান। এমনকি একাধিক বড় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও তিনি সরাসরি অবস্থান নেন।

একবার একটি রেস্তোরাঁয় মা দিবস সালাদ নাম দেখে ক্ষোভে তিনি সেটি মাটিতে ফেলে দেন। কারণ তার মতে, মা দিবস কখনোই ব্যবসার পণ্য হতে পারে না।

আরও পড়ুন

একা ও সংগ্রামী শেষ জীবন

দীর্ঘ লড়াইয়ের পরও তিনি সফল হননি। বরং ধীরে ধীরে সমাজ থেকে দূরে সরে যান। শেষ জীবনে তিনি একা, অসুস্থ ও প্রায় নিঃস্ব অবস্থায় মারা যান।

তবুও তার লড়াই ইতিহাসে এক অনন্য উদাহরণ হয়ে আছে—একজন নারীর আবেগ, বিশ্বাস এবং নীতির জন্য আজীবন সংগ্রাম।

আজকের বাস্তবতা

বর্তমানে মা দিবস বিশ্বের অন্যতম বড় বাণিজ্যিক উৎসব। প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা ব্যয় হয় উপহার, ফুল ও কার্ড কেনায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আনা জার্ভিস বেঁচে থাকলে হয়তো আজকের এই রূপ দেখে কষ্ট পেতেন, আবার হয়তো বিস্মিতও হতেন। কারণ তার শুরু করা দিনটি আজ বিশ্বজুড়ে এত বড়ভাবে পালিত হচ্ছে।

মা দিবস আজ ভালোবাসার দিন হলেও এর ইতিহাস আমাদের মনে করিয়ে দেয়, একটি অনুভূতি কীভাবে সময়ের সঙ্গে বদলে যায়। আর সেই পরিবর্তনের মাঝেই লুকিয়ে আছে আনা জার্ভিসের অদ্ভুত ও করুণ জীবনগল্প।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজ ক্যান্ডি দিবস
ক্যান্ডি মানেই মিষ্টি স্বাদ আর শৈশবের রঙিন স্মৃতি।
আজ ক্যান্ডি দিবস
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
আরও পড়ুন
মাকে নিয়ে ঘুরলেই মিলবে ভাতাসহ ৩ দিনের ছুটি
মমতা, ভালোবাসা আর ত্যাগের প্রতীক: আজ বিশ্ব মা দিবস